| ২০ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

বিলাইছড়িতে ভারী বৃষ্টিপাতে প্লাবিত ধান্য জমি, আতঙ্কে পাহাড়ের ঢালের মানুষ, নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, যাতায়াতে চরম ভোগান্তি

বিলাইছড়িতে ভারী বৃষ্টিপাতে প্লাবিত ধান্য জমি, আতঙ্কে পাহাড়ের ঢালের মানুষ, নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, যাতায়াতে চরম ভোগান্তি

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি প্রতিনিধিঃ

বিলাইছড়ি  উপজেলায় প্রবল বৃষ্টিপাতে পাহাড় ধস ও কয়েকটি ঘর ধসে পড়েছে। বন্যায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় ধান্য জমিসহ বিভিন্ন শাক-সবজির ক্ষেত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মুষলধারে বৃষ্টিপাতের ফলে আতঙ্কে রয়েছেন পাহাড়ের ঢালে বসবাস করা মানুষ। ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে ১ জুনেও। গত বৃহস্পতিবার থেকে টানা কয়েকদিন বৃষ্টিপাতে ফারুয়া ইউনিয়নে গোয়াইনছড়ি, যামুছড়া, এগুজ্যাছড়ি তক্তানালা, উলুছড়ি, চাইন্দা, আলেখ্যং এলাকা শাকসবজির ক্ষেত এবং বিলাইছড়ি ইউনিয়নে, কুতুবদিয়া, আমতলী, দীঘলছড়ি, নলছড়ি বাজার এলাকা, সাক্রাছড়ি এবং কেংড়াছড়ি ইউনিয়নে কেরনছড়ি, সেটেলার জোন, ভালাছড়ি, শামুক ছড়ি, নাড়াইছড়ি এলাকায় বেশিরভাগ ধান্য জমি ও ক্ষেত ব্যাপকভাবে ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে কুতুবদিয়া এবং কেরনছড়ির এলাকা। তাদের প্রায় সব পরিবারের পাকা-কাঁচা-আধাপাকা ধান তলিয়ে গেছে পানির নীচে। গোয়াইনছড়ির কিছু বসতঘর প্লাবিত, আরো বৃষ্টিপাত হলে প্লাবিত হতে পারে ফারুয়া বাজার।

এদিকে, বিলাইছড়ি টু ফারুয়া রাস্তাটি যাতায়াতের ব্যাপক অসুবিধা হচ্ছে। ঐ পথে যেতে পারছেন না জুরাছড়িবাসীও। এছাড়াও নৌ-পথে প্রবল স্রোতে রাঙ্গামাটি হতে বিলাইছড়ি, কাপ্তাই হতে বিলাইছড়ি, বিলাইছড়ি হতে ফারুয়া আসা-যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পড়েছেন নানা শ্রেণীর পেশার মানুষ। তবে সবচেয়ে অসুবিধায় রয়েছেন নিন্ম আয়ের মানুষগুলো।

এদিকে ৫দিন ধরে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় জনজীবনে দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে অফিস থেকে শুরু করে বিভিন্ন বাসা-বাড়ি, হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টের মালিকদের।

১নং বিলাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান জানান, উপজেলা প্রশাসন থেকে প্রায় ১৫ টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা রাখা হয়েছে। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি,পুরাতন কৃষি অফিস (কলেজ ক্যাম্পাস), অডিটোরিয়াম, বিলাইছড়ি মডেল স: প্রা: বিদ্যালয়, ডাউন পাড়া প্রা: বিদ্যালয়, শালবাগান স: প্রা: বিদ্যালয়, কেংড়াছড়ি ইউনিয়নের ১,২ ও ৩নং – এর কেংড়াছড়ি বাজার জোন স: প্রা: বিদ্যালয়। ফারুয়া ইউনিয়নে শুক্করছড়ি স: প্রা: বিদ্যালয়, তাড়াছড়ি বেসরকারি প্রা: বিদ্যালয়, ফারুয়া উচ্চ বিদ্যালয়, ফারুয়া স: প্রা: বিদ্যালয়, এগুজ্যাছড়ি বেসরকারি প্রা: বিদ্যালয়, ওড়াছড়ি স: প্রা: বিদ্যালয়, তক্তানালা সরকারি প্রা: বিদ্যালয়, উলুছড়ি বেসরকারি প্রা: বিদ্যালয়।

তিনি আরো জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগের উপরে কারোর হাত নেই, সবাইকে সতর্ক থাকতে অনুরোধ জানান। এছাড়াও জানাগেছে, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ মামুনুল হক নেতৃত্বে একটি টীম রয়েছে যা প্রতিনিয়ত পরিদর্শন ও খোঁজ-খবর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে-  ০১৮৯৪৯৫০১১৪, ০১৮১২৯৫৬৫৪৬ এই নাম্বারে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, রাঙামাটির ৩নং সাপছড়ি ইউনিয়ন রাঙ্গামাটি সদর ৪নং ওয়াদের বোধিপুর, মরংছড়ি খামারপাড়া সহ বেশ কয়েকটি গ্রামে বন্যা প্লাবিত হয়েছে। এই এলাকার ৪০টিরও বেশি বাড়িঘর ডুবেছে।

আলীকদমে শিক্ষা ও উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সঙ্গে রিজিয়ন কমান্ডারের মতবিনিময়

বিলাইছড়িতে ভারী বৃষ্টিপাতে প্লাবিত ধান্য জমি, আতঙ্কে পাহাড়ের ঢালের মানুষ, নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, যাতায়াতে চরম ভোগান্তি


‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা,
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎বান্দরবানের আলীকদমে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন বান্দরবান রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম।

‎ শনিবার (২০ জুন) আলীকদমের মুরুং কমপ্লেক্সে আয়োজিত এ সভায় পার্বত্য এলাকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন এবং মুরুং কমপ্লেক্সের কার্যক্রম সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়।

‎সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন আলীকদম জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আশিকুর রহমান আশিক এবং আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনজুরুল আলম।

‎এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

‎সভায় জানানো হয়, বর্তমানে মুরুং কমপ্লেক্সের ছাত্রাবাসে ১২৪ জন শিক্ষার্থী অবস্থান করছে। ভবিষ্যতে আরও বেশি শিক্ষার্থীকে আবাসনের সুযোগ দিতে ছাত্রাবাসের ধারণক্ষমতা ২০০ থেকে ২৫০ জনে উন্নীত করার প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন রিজিয়ন কমান্ডার।

‎এছাড়া শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত দুইজন শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হলে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সভায় কুরুকপাতা ইউনিয়নে নতুন একটি মুরুং কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও উত্থাপিত হয়। সম্ভাব্যতা যাচাই সাপেক্ষে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।

‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন,“শিক্ষাই পার্বত্য অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রধান ভিত্তি। মুরুং জনগোষ্ঠীর শিক্ষার প্রসার এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতেও সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।”

‎সভায় বক্তারা মুরুং জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, সামাজিক অগ্রগতি ও জীবনমান উন্নয়নে মুরুং কমপ্লেক্সের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং এর অবকাঠামোগত ও প্রশাসনিক সক্ষমতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

‎বক্তারা বলেন, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষা বিস্তার, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের মাধ্যমে আলীকদম জোন দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। মুরুং কমপ্লেক্স সেই ধারাবাহিক উদ্যোগের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষে সফলতা অর্জন রামগড় কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের

বিলাইছড়িতে ভারী বৃষ্টিপাতে প্লাবিত ধান্য জমি, আতঙ্কে পাহাড়ের ঢালের মানুষ, নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, যাতায়াতে চরম ভোগান্তি

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড়ে পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষে সফলতা অর্জন করেছে পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র। দীর্ঘ গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এ সাফল্য অর্জিত হওয়ায় পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

জানা গেছে, রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এমদাদুল হকের নেতৃত্বে কয়েক বছর ধরে পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষ নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। শুরুতে বিষয়টি গবেষকদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। কারণ পাহাড়ি অঞ্চলের মাটি, আবহাওয়া ও পরিবেশ সমতল এলাকার তুলনায় ভিন্ন হওয়ায় এ ফলের চাষ উপযোগী করা সহজ ছিল না। তবে নিরলস গবেষণা, উন্নত পরিচর্যা পদ্ধতি ও উপযোগী জাত নির্বাচন করে গবেষকরা ধীরে ধীরে সফলতা অর্জন করেন। বর্তমানে গবেষণা কেন্দ্রের পরীক্ষামূলক বাগানে উৎপাদিত আলুবোখারা গাছে ভালো ফলন দেখা যাচ্ছে, যা স্থানীয় কৃষকদের মাঝেও ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

কৃষি গবেষণা কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, পাহাড়ি এলাকায় প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি নতুন ও লাভজনক ফল চাষ সম্প্রসারণে কাজ করছে গবেষণা কেন্দ্র। আলুবোখারা চাষ সফল হওয়ায় পাহাড়ি কৃষকদের জন্য এটি একটি সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এমদাদুল হক বলেন, “পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা (বারি ১) চাষ একসময় বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। দীর্ঘ গবেষণা ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা সফলতা পেয়েছি। এখন পাহাড়ি এলাকার কৃষকরাও এ ফল চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।” তিনি আরও বলেন, বাণিজ্যিকভাবে আলুবোখারা চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকদের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় বহুমুখী ফল চাষের সম্ভাবনাও আরও বিস্তৃত হবে।

রাশিয়ায় ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ পেলেন রামগড়ের মেধাবী তরুণ ফারহান

বিলাইছড়িতে ভারী বৃষ্টিপাতে প্লাবিত ধান্য জমি, আতঙ্কে পাহাড়ের ঢালের মানুষ, নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, যাতায়াতে চরম ভোগান্তি

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার কৃতী সন্তান এসানুল বারী ফারহান রাশিয়ায় উচ্চশিক্ষার জন্য মর্যাদাপূর্ণ ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ অর্জন করেছেন। তাঁর এ সাফল্যে পরিবার, শিক্ষাঙ্গন ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের পাশাপাশি গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, ফারহান রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে অবস্থিত মস্কো পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট (এমপিইআই)-এ ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ পেয়েছেন। স্কলারশিপের আওতায় তিনি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে লেখাপড়ার পাশাপাশি মাসিক ভাতা ও অন্যান্য শিক্ষা-সুবিধা পাবেন। পাঁচ বছর মেয়াদি এই উচ্চশিক্ষা কর্মসূচির জন্য ইতোমধ্যে তাঁর সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী আগস্ট অথবা সেপ্টেম্বর মাসে তিনি রাশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন বলে জানা গেছে।

ফারহান রামগড় পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ গর্জনতলী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মাওলানা এমদাদুর রহমান ও আলেমা হাছিনা আক্তারের জ্যেষ্ঠ পুত্র। ২০০৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণকারী ফারহান শৈশব থেকেই মেধাবী ও অধ্যবসায়ী শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত। উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি গ্রহণ করে আসছিলেন।

তাঁর সেই প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ রাশিয়ার অন্যতম স্বনামধন্য প্রযুক্তি ও প্রকৌশল ভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের সুযোগ লাভ করেছেন। ফারহানের এই অর্জনে পরিবার, শিক্ষক, সহপাঠী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, পাহাড়ি অঞ্চলের একজন শিক্ষার্থীর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ অর্জন নিঃসন্দেহে একটি গৌরবজনক ঘটনা। এটি রামগড়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে এবং উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা জোগাবে।

ফারহানের পরিবারের সদস্যরা জানান, কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস এবং লক্ষ্য অর্জনের দৃঢ় সংকল্পই তাকে এ পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে। তারা সকলের কাছে তাঁর জন্য দোয়া কামনা করেছেন, যাতে তিনি সফলভাবে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

×