শিরোনাম:

নির্বাচনী প্রচারণায় ভিন্ন আমেজ ; কাপ্তাইয়ে ট্রাকে চড়ে চলছে সংগীতানুষ্ঠান

নির্বাচনী প্রচারণায় ভিন্ন আমেজ ; কাপ্তাইয়ে ট্রাকে চড়ে চলছে সংগীতানুষ্ঠান

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​আসন্ন গণভোট এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ উপলক্ষ্যে ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ভিন্নধর্মী প্রচার কার্যক্রম শুরু করেছে কাপ্তাই তথ্য অফিস। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাঙ্গামাটি কাপ্তাইয়ে বিভিন্ন জনবহুল স্থানে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকযোগে এক বিশেষ সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সকালে কাপ্তাই উপজেলা সদরে এই ভ্রাম্যমাণ সংগীতানুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এসময় কাপ্তাই সহকারী তথ্য অফিসার দেলোয়ার হোসেন, কাপ্তাই খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পলাশ ঘোষ, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা জহুরা খাতুন উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনের পর ভ্রাম্যমাণ ট্রাকটি কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট প্রদক্ষিণ করে। কেপিএম কয়লার ডিপু হরি মন্দির এলাকা। কলবাগান ও কাপ্তাই উপজেলা সদর।​নতুনবাজার জেটিঘাট এবং শিলছড়ি এলাকা।​ সংগীতের মাধ্যমে জনসচেতনতা কাপ্তাই তথ্য অফিসের লোকসংগীত দলের সদস্য বাউল শিল্পী বসুদেব মল্লিকের নেতৃত্বে একদল শিল্পী সারাদিন সংগীত পরিবেশন করেন। শিল্পী তালিকায় ছিলেন লিপি দাশ, টুন্টু রাম এবং নিপু মল্লিক। শিল্পীরা তাদের গানের সুর ও বাণীর মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ভোটাধিকার প্রয়োগের গুরুত্ব, নির্বাচনের নিয়মাবলি এবং নাগরিক সচেতনতা সম্পর্কে উদ্বুদ্ধ করেন।

সহকারী তথ্য অফিসার দেলোয়ার হোসেন জানান, গান মানুষের হৃদয়ে দ্রুত পৌঁছায়। তাই সাধারণ মানুষকে নির্বাচনের গুরুত্ব বোঝাতে এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে কেন্দ্রে আসার আহ্বান জানাতেই এই সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

আলীকদম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেনাবাহিনীর ঈদ শুভেচ্ছা ও মানবিক সহায়তা

নির্বাচনী প্রচারণায় ভিন্ন আমেজ ; কাপ্তাইয়ে ট্রাকে চড়ে চলছে সংগীতানুষ্ঠান


‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ,
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি।

‎পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বান্দরবানের আলীকদম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী ও ডাক্তার,নার্স চিকিৎসাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেছে আলীকদম সেনা জোন।

‎শনিবার (২১ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন আলীকদম সেনা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আশিকুর রহমান আশিক (এসপিপি, পিএসসি)। তিনি হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। একই সঙ্গে চিকিৎসক ও সেবাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

‎এ সময় রোগীদের মাঝে ফ্রুট বাস্কেট বিতরণ করা হয়। সেনাবাহিনীর এ মানবিক উদ্যোগে হাসপাতালে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং রোগীদের মাঝে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে।



‎আয়োজকরা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে সহমর্মিতা ও সম্প্রীতি জোরদার করে। ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক এমন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

‎আলীকদম সেনা জোনের এই মহৎ প্রয়াস স্থানীয় জনগণের মাঝে ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কল্যাণমুখী কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

দিঘীনালায় কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বিধবা শান্তি রানি চাকমা পাশে দীঘীনালা উপজেলা প্রশাসন

নির্বাচনী প্রচারণায় ভিন্ন আমেজ ; কাপ্তাইয়ে ট্রাকে চড়ে চলছে সংগীতানুষ্ঠান

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা, খাগড়াছড়ি :

খাগড়াছড়ি দীঘীনালা উপজেলায় ২নং ওয়ার্ডের ১নং মেরুং ইউনিয়নের ভৈরফা গ্রামে সাম্প্রতিক কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় বিধবা শান্তি রানি চাকমাকে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। দীঘীনালা উপজেলার নির্বাহী অফিসার তানজিম পারভেজ পক্ষ থেকে এই সহায়তা পৌঁছে দেন ১নং মেরুং ইউনিয়নের ৭নং ওযার্ডের মেম্বার সমীরন চাকমা।

জানা যায়, গতকাল শুত্রুবার ২০ মার্চ ২০২৬ বিকেলে হঠাৎ বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে শান্তি রানি বসতঘর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে তিনি মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হন। বিষয়টি ৭নং ওযার্ডে মেম্বার সমীরন চাকমা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করলে উপজেলা প্রশাসন দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করে। আজ ২১ মার্চ শনিবার উপজেলার নির্বাহী অফিসারের নির্দেশনায় সমীরন চাকমা ক্ষতিগ্রস্ত শান্তি রানি চাকমা বাড়িতে গিয়ে শুকনো খাবারসহ জরুরি সহায়তা সামগ্রী তুলে দেন। এবং শান্তি চাকমাকে তার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে নগদ অর্থ প্রদান করেন।

এ সময় তিনি শান্তি রানি চাকমাকে খোঁজখবর নেন এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন। সহায়তা পেয়ে শান্তি রানি চাকমা উপজেলা প্রশাসন ও ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সমীরন চাকমার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

স্থানীয়রা প্রশাসনের এমন মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকতে তাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

পাহাড় জুড়ে বৈসাবির আমেজ, ব্যস্ত পাহাড়ি তরুণীরা

নির্বাচনী প্রচারণায় ভিন্ন আমেজ ; কাপ্তাইয়ে ট্রাকে চড়ে চলছে সংগীতানুষ্ঠান

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চলে শুরু হচ্ছে বৈসাবির উৎসবমুখর প্রস্তুতি। পাহাড়জুড়ে এখন আনন্দ আর ব্যস্ততার এক অপূর্ব মেলবন্ধন। বৈসাবি—যা বৈসু, সাংগ্রাই ও বিজু এই তিন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী উৎসবের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে—তা ঘিরে পাহাড়ি জনপদে বইছে উৎসবের হাওয়া। উৎসবকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন পাহাড়ি তরুণীরা। নিজেদের ঐতিহ্য তুলে ধরতে তারা প্রস্তুত করছেন রঙিন পোষাক, পিনোন আর কাদি, গয়না এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উপকরণ। কেউ বুনছেন হাতে তৈরি কাপড়, কেউবা তৈরি করছেন ফুলের অলংকার। ঘরে ঘরে চলছে পিঠা ও ঐতিহ্যবাহী খাবার তৈরির প্রস্তুতি।

বাঘাইছড়ি উপজেলার পিংকি চাকমা নামে স্থানীয় এক তরুণী জানান, “বৈসাবি আমাদের সবচেয়ে বড় উৎসব। এই সময়টাতে আমরা সবাই নতুন পোশাক পরি, ঘর সাজাই, আর নানা আয়োজন করি। তাই প্রস্তুতিটাও নিতে হয় অনেক আগেই।” পাহাড়ি বাজারগুলোতেও বেড়েছে কেনাকাটার ভিড়। রঙিন কাপড়, ফুল, প্রসাধনীসহ উৎসবের প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে ভিড় করছেন তরুণীরা। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য চলছে নাচ-গানের মহড়া।

এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার বিশেষ ব্যবস্থা, যাতে উৎসব নির্বিঘ্নে উদযাপন করা যায়। সব মিলিয়ে, বৈসাবিকে ঘিরে পাহাড়জুড়ে এখন প্রাণের স্পন্দন। আর এই উৎসবকে ঘিরে পাহাড়ি তরুণীদের প্রাণচাঞ্চল্যই যেন উৎসবের আসল রঙ আরও উজ্জ্বল করে তুলছে।

×