শিরোনাম:

আলীকমে কঠোর নিরাপত্তায় উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ : কেন্দ্র পরিদর্শনে জোন কমান্ডার

আলীকমে কঠোর নিরাপত্তায় উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ : কেন্দ্র পরিদর্শনে জোন কমান্ডার

 

সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ,
আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ উপলক্ষে বান্দরবানের আলীকদম ও লামা উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আলীকদম সেনা জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে কঠোর ও সুপরিকল্পিত নিরাপত্তা বলয় এবং সমন্বিত বাহিনীগত মোতায়েনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, ভোটারদের নিরাপদে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করা এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা, সহিংসতা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে পূর্বপ্রস্তুতির অংশ হিসেবে আলীকদম সেনা জোন বহুমাত্রিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে। এর আওতায় গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রসমূহে বিশেষ টহল জোরদার, প্রবেশ ও নির্গমনপথে নজরদারি বৃদ্ধি, মোবাইল টিম ও রিজার্ভ ফোর্স প্রস্তুত রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সাথে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখা হয়।

আজ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ সকাল হতে আলীকদম সেনা জোনের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর ভোটকেন্দ্রসমূহে বিশেষ নজরদারি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। একই দিনে জোন কমান্ডার লে: কর্নেল আশিকুর রহমান আশিক,এসপিপি, পিএসসি আলীকদম উপজেলার বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

এছাড়াও পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন আলীকদম জোনের জোন উপ অধিনায়ক মেজর মোঃ আবুল হাসান পলাশ, পিএসসি, আলীকদম জোনের জোনাল স্টাফ অফিসার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আলী তাওহীদ, আলীকদম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মো: ফরহাদ সরদার, উপজেলা নির্বাচন অফিসার নাহিদ শাহরিয়ারসহ স্থানীয় প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

জোন কমান্ডার ভোটগ্রহণ কার্যক্রমের সার্বিক প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা,দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থান ও সমন্বয়,ভোটারদের উপস্থিতি এবং কেন্দ্রসমূহের সামগ্রিক পরিবেশ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন করেন। তিনি প্রিজাইডিং অফিসার ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া যাতে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। একই সাথে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও দায়িত্ববোধের সাথে কর্তব্য পালনের আহ্বান জানান।

আলীকদম সেনা জোনের কঠোর ও পরিকল্পিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় আলীকদম ও লামা উপজেলার মোট ৬২টি ভোটকেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের সমন্বিত মোতায়েনের ফলে প্রতিটি কেন্দ্রে কার্যকর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা সম্ভব হয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে এবং উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে টহল দল ও রিজার্ভ ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।”

জোন কমান্ডার বলেন, “গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা রক্ষায় জনগণ যাতে নির্ভয়ে, নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে আলীকদম সেনা জোন সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও দৃঢ়তার সাথে দায়িত্ব পালন করছে। নির্বাচনকালীন যেকোনো ধরনের সহিংসতা, ভীতি প্রদর্শন, গুজব বা আইনশৃঙ্খলা অবনতির অপচেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেবল ভোটগ্রহণে সীমাবদ্ধ নয়; বরং ভোটগ্রহণ-পরবর্তী সময়, ব্যালট সামগ্রী পরিবহন ও ফলাফল ঘোষণার পূর্ব পর্যন্ত সার্বিক নিরাপত্তা বলয় বহাল থাকবে। যৌথবাহিনী কর্তৃক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, আলীকদম ও লামা উপজেলার সাধারণ ভোটাররা নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ভোট প্রদান করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন। স্থানীয় জনগণের মধ্যে আস্থা, স্বস্তি ও নিরাপত্তাবোধ সুদৃঢ় হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। জাতীয় সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও জনগণের আস্থা অটুট রেখে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুরক্ষায় অঙ্গীকারাবদ্ধ থাকবে।

বান্দরবানে সাচিংপ্রু জেরীর জয়।

আলীকমে কঠোর নিরাপত্তায় উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ : কেন্দ্র পরিদর্শনে জোন কমান্ডার

বান্দরবান প্রতিনিধি:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য জেলা বান্দরবান ৩০০ নং সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সাচিং প্রু জেরী বেসরকারিভাবে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলাপ্রশাসক শামীম আরা রিনি এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

এ সময় ঘোষিত ফলাফলে ধানের শীষের প্রার্থী সাজিং প্রু জেরী ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৫৫ টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী এনসিপির সুজা উদ্দীন পেয়েছেন ২৬ হাজার ১৬২ ভোট।

এছাড়াও, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ৪ হাজার ৭১৮ ভোট এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ পেয়েছেন ২ হাজার ৪৩৫ ভোট।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে সারাদেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এদিন সকাল থেকে কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার পর ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

অন্যদিকে, এই আসনে গণভোটে ‘না’ ভোট পড়েছে সবচেয়ে বেশি। গণভোটে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ৭১ হাজার ৪১৭ টি এবং না ভোট পড়েছে ৯০ হাজার ১৫৬ টি।

রাজস্থলীতে ১২টি কেন্দ্রে ফলাফল ঘোষণা

আলীকমে কঠোর নিরাপত্তায় উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ : কেন্দ্র পরিদর্শনে জোন কমান্ডার

 

চাইথোয়াইমং মারমা,

বিশেষ প্রতিবেদক :

রাঙ্গামাটি জেলা রাজস্থলী উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ২৯৯ আসনের ১২টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১ টায় উপজেলা কন্ট্রোল রুম থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনের ধানের শীর্ষে এমপি পদপ্রার্থী এডভোকেট দীপেন দেওয়ান ভোট পেয়েছেন ১০৯০৩, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিক্সা প্রতীকের আবুবক্কর ৬৫৬, জাতীয় পার্টি২৩০ ভোট, হাত পাঁখা প্রতীকের জসিম উদ্দিন ১১৩ভোট, লাঙ্গল প্রতীকের ২৩০ পেযেছেন গণঅধিকার২৪, ফুটবল ৮৩ ও কোদাল ৭০ ভোট পেয়েছে।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটে পরেছে ৮৬৬৫ভোট আর ১১৪৭২ পড়েছে ‘না’ ভোটে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রির্টানিং অফিসার সেলিনা আক্তার গণমাধ্যম কে বলেন,সারা দেশের ন্যায় রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলায় বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত সুন্দর মূখরিত পরিবেশের একটানা কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষ হয়েছে।

নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, রাজস্থলী উপজেলার মোট ১২টি ভোটকেন্দ্রে নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন ২১ হাজার ৬২৫জন।

শতকরা ভোট পড়েছে- ৫৭.৭১%। বে সরকারি ফলাফল ঘোষণা করার সময় রাজস্থলী সাবজোন উপ- অধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান,সহকারি পুলিশ সুপার, আমিনুর রহমান, ওসি খালেদ হোসেন, সহ বিভিন্ন দলের প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য গণমাধ্যমকর্মী, প্রিজাডিং ও পোলিং অফিসারগন উপস্থিত ছিলেন।

খাগড়াছড়িতে বিএনপি প্রার্থী বিজয়ী ওয়াদুদ ভূঁইয়া

আলীকমে কঠোর নিরাপত্তায় উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ : কেন্দ্র পরিদর্শনে জোন কমান্ডার

 

মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি :

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় আসনে বিএনপি প্রার্থী বিজয়ী ওয়াদুদ ভূঁইয়া। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ি আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া বেসরকারিভাব ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই আসনের ২০৩টি কেন্দ্রের সব ভোট গণনা সম্পন্ন করে ফল ঘোষনা করা হয়।

প্রাপ্ত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ২১২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্ম জ্যোতি চাকমা ঘোড়া প্রতীকের পেয়েছেন ৫৮ হাজার ১৩৬ ভোট।

এছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আইনজীবী মো. এয়াকুব আলী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৪ হাজার ১১৬ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী ফুটবল প্রতীকে সমীরণ চাকমা ৪৭ হাজার ৯১০ ভোট,

অন্যান্য প্রার্থীর মধ্যে বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি(বিএমজেপি) রকেট প্রতীকের পেয়েছেন ১হাজার ৩০ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী জিরুনা ত্রিপুরা কলস প্রতীকের ৯০৪ ভোট, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) দীনময় রোয়াজা ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৭৫৫ ভোট,
জাতীয় পার্টি মিথিলা রোয়াজা নাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ২৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মোঃ কাউছার হাত পাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৯ভোট, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ মোঃ নুর ইসলাম আপেল প্রতীকে পেয়েছেন ৬৮৩ ভোট, বাংলাদেশ ইসলামি লীগ মোঃ মোস্তফা হারিকেন প্রতীকের পেয়েছেন ১৮৪ ভোট।

×