বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম:

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে যুবকের পা বিচ্ছিন্ন।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২২ জুন, ২০২৫, ৬:০৫ পিএম
532 বার পড়া হয়েছে
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে যুবকের পা বিচ্ছিন্ন।

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার জামছড়ি সীমান্তে আরাকান আর্মিদের পুঁতে রাখা স্থলমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশী আরাফাতুল ইসলাম (১৭) নামে এক যুবকের বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়েছে।

রবিবার বেলা দুইটার দিকে জামছড়ি সীমান্তে জিরো লাইনে মিয়ানমার ভূখণ্ডে মাইন বিস্ফোরণ ঘটে। আহত ব্যক্তি জামছড়ি এলাকার খুইল্যা মিয়ার ছেলে আরাফাতুল ইসলাম (১৭)।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, সকাল দিকে অবৈধভাবে বাংলাদেশ সীমান্ত অতিক্রম করে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সবজি সংগ্রহ করতে যান যুবক। এসময় মিয়ানমারের সীমান্তের আরাকান আর্মিদের মাটিতে পুতেঁ রাখা স্থলমাইনটি বিস্ফোরণ হয়ে এ ঘটনাটি ঘটে। সে সময় আরাফাতুল ইসলাম যুবকের বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা খবর পেয়ে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “মাইন বিস্ফোরণে এক যুবকের পা বিচ্ছিন্ন হওয়া ঘটনাটি শুনেছি। আইনশৃঙ্খলা মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তে অবৈধ যাতায়াত রোধে নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।

কেপিএম স্কুল এন্ড কলেজের বেঞ্চ চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ জুন, ২০২৬, ৪:৪৪ পিএম
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে যুবকের পা বিচ্ছিন্ন।

 

কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনা কেপিএম স্কুল এন্ড কলেজের লোহার বেঞ্চ চুরির ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবিএম বোরহান উদ্দীন সরকার বাদী হয়ে কাপ্তাই থানায় এই অভিযোগটি দায়ের করেন।

​অভিযোগে মো. ইসমাইল ও মো. হাসান খানসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (২৪ জুন) কেপিএম স্কুল থেকে লোহার বেঞ্চের পাঠাতন চুরি করে পাচারের চেষ্টা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে কেপিএম নিরাপত্তা বাহিনী ও আনসার সদস্যরা দ্রুত অভিযান চালায়। নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা মালামাল ফেলে রেখে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে নিরাপত্তা বাহিনী চোরাইকৃত মালামাল উদ্ধার করে।

​এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেন, “বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে চুরির ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

​শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো সংবেদনশীল স্থান থেকে সরকারি সম্পদ চুরির চেষ্টার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

কাপ্তাইয়ে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের পরিকল্পনা সভা : লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৬ হাজার শিশু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ জুন, ২০২৬, ৩:৩৯ পিএম
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে যুবকের পা বিচ্ছিন্ন।

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​সারাদেশের ন্যায় আগামী ২৮ জুন রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবারের ক্যাম্পেইনে উপজেলার মোট ৫ হাজার ৯৯১ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

​ক্যাম্পেইনটি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এক অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

​কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. রুই হলা অং মারমার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. রায়হানুল ইসলাম।

​সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রায়হানুল ইসলাম বলেন, “শিশুদের অপুষ্টি প্রতিরোধ ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূরীকরণের লক্ষ্যে এই ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।”

​সভায় ১ বছর ২ মাস পর কাপ্তাই জুড়ে শুরু হতে যাওয়া এই ক্যাম্পেইনের সার্বিক প্রস্তুতি, কার্যক্রম বাস্তবায়নের কৌশল এবং নির্ধারিত কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গ্রহণ নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যকর্মী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও অংশীজনদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ক্যাম্পেইনের খুঁটিনাটি ও প্রস্তুতি।

২৮ জুন (রবিবার) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশু। ১২২টি নিয়মিত ইপিআই (EPI) কেন্দ্র। দুর্গম এলাকার পাশাপাশি যাতায়াতকারী শিশুদের জন্য লঞ্চঘাট, ফেরীঘাট ও বাস স্টেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ‘মোবাইল কেন্দ্র’ স্থাপন করা হয়েছে।

​সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাইমা ইসলাম, কাপ্তাই আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা চয়ণ বড়ুয়া, উপজেলা সহকারী তথ্য ও কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মাহদুল হাছান প্রমুখ।

​ক্যাপসুল সরবরাহ ও চূড়ান্ত প্রস্তুতি সভাপতির বক্তব্যে ডা. রুই হলা অং মারমা জানান, ক্যাম্পেইনের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ইতোমধ্যে কাপ্তাইয়ে এসে পৌঁছেছে। ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল রঙের এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। তিনি নির্ধারিত দিনে শিশুদের নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান।

​সভায় বিভিন্ন সরকারি বিভাগের কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিবৃন্দ এবং স্থানীয় অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

দীঘিনালায় হাচিনসন উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা ও জন্মদিন উদযাপন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ জুন, ২০২৬, ২:৪২ পিএম
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে যুবকের পা বিচ্ছিন্ন।

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার হাচিনসন উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো: আবুসামা এর বিদায় সংবর্ধনা ও জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে এক আবেগঘন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ২৫ জুন দুপুর ২টার সময়ে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন দেব প্রিয় বড়ুয়া প্রধান শিক্ষক হাচিবসন পুর উচ্চ বিদ্যালয়, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো: আরিফুল ইসলাম জাহিদ, দীঘিনালা উপজেলা বিএনপির সহ দপ্তর সম্পাদক মোবারক হোসেন মহিন, দৈনিক নতুন সময়ের দিঘীনালা প্রতিনিধি মো: লোকমান হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ এবং অতিথিদের শুভেচ্ছা বক্তব্যের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বিদায়ী শিক্ষক মো: আবু সামা-এর দীর্ঘদিনের নিষ্ঠা, সততা ও শিক্ষার মানোন্নয়নে অবদানের কথা স্মরণ করেন। তাঁরা বলেন, একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে তিনি শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞান বিতরণের পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর কর্মময় জীবন বিদ্যালয়ের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

পরে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিদায়ী শিক্ষককে সম্মাননা স্মারক, ফুলেল শুভেচ্ছা ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। এ সময় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সহকর্মীরা স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য প্রদান করেন, যা অনুষ্ঠানে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি করে।

একই অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষকের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা, শুভেচ্ছা বিনিময় এবং তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের শেষান্তে বিদায়ী শিক্ষক উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “এই বিদ্যালয়ের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের স্মৃতি জড়িয়ে আছে। সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভালোবাসা আমি আজীবন মনে রাখব।”

সার্বিকভাবে বিদায় সংবর্ধনা ও জন্মদিন উদযাপন অনুষ্ঠানটি আনন্দ, আবেগ ও আন্তরিকতার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়।

×