শিরোনাম:

থানচিতে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা জোরদার: প্রেস ব্রিফিংয়ের ৩৮ বিজিবির স্পষ্ট বার্তা

থানচিতে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা জোরদার: প্রেস ব্রিফিংয়ের ৩৮ বিজিবির স্পষ্ট বার্তা

 

চিংথোয়াই অং মার্মা,
থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বান্দরবানের থানচিতে বিজিবি মোতায়েন ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং করেছে বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি)। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে সদর ব্যাটালিয়ান গণসংযোগ হলে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে নির্বাচনকালীন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং ভোটারদের নিরাপদ ভোটাধিকার নিশ্চিতের বিষয়ে বিস্তারিত জানান বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন ৩৮ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ ইয়াসির আরাফাত হোসেন।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়— একটি পেশাদার, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ বাহিনী হিসেবে ৩৮ বিজিবি অর্পিত দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। নির্বাচনকালীন সময়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিতকরণ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের ভোটাধিকার সুরক্ষায় বিজিবি সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করবে।

বিজিবি জানায়, নির্বাচন পরিচালনায় সরকার, নির্বাচন কমিশন ও বিজিবি সদর দপ্তরের সকল নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে। সকল রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বাহিনীটি।

ভোটারদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে জানানো হয়— ভোটাররা যেন ভয়মুক্ত ও শান্ত পরিবেশে ভোট দিতে পারেন, সে লক্ষ্যে বিজিবি অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করবে। একই সঙ্গে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ও সচেতনতা বাড়াতে উদ্বুদ্ধকরণমূলক কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে সীমান্ত নিরাপত্তার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে জানানো হয়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বান্দরবানের থানচিতে সীমান্ত এলাকায় টহল, নজরদারি ও গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র পাচারসহ সব ধরনের সীমান্ত-সংশ্লিষ্ট অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি সতর্ক ও তৎপর রয়েছে।

ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়— আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ৩৮ বিজিবি পূর্ণমাত্রায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে। বান্দরবানের ৪৬ কিলোমিটার সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি বান্দরবান সদর ও থানচি উপজেলায় মোট ০৯টি প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে। জেলার ০৭টি উপজেলার মধ্যে ০২টি উপজেলায় ৩৮ বিজিবি নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে। সীমান্তবর্তী থানচি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে দায়িত্ব পালন করবে।

এছাড়াও ঝুঁকি বিবেচনায় বিজিবি মোবাইল ও স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। বিজিবি সদর দপ্তরের বিশেষায়িত K-9 ডগ স্কোয়াড ইউনিট মোতায়েনের পাশাপাশি যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‌্যাপিড অ্যাকশন টিম (RAT) ও হেলিকপ্টারসহ কুইক রেসপন্স ফোর্স (QRF) প্রস্তুত থাকবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানানো হয়— থানচির দুর্গম ও মোবাইল নেটওয়ার্কবিহীন ভোটকেন্দ্রগুলোতে যোগাযোগ রক্ষায় বিজিবির নিজস্ব স্টারলিংক ও রেডিও যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। নির্বাচন সামগ্রী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভোটকেন্দ্রে পৌঁছাতে প্রয়োজনে বিজিবি সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করবে বলেও জানানো হয়।

এসময় পেস ব্রিফিংয়ের উপস্থিত ছিলেন, বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন ৩৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মেজর মো: জাকির হোসেন, মেডিকেল অফিসার মেজর তাবেঈন ইয়াসিয়াজ ভূঁইয়া, অনারি উপ-পরিচালক মো: মীর জুলহাস, প্রধান সহকারী আহসান হাবীব প্রমূখ। এছাড়াও থানচি প্রেস ক্লাবের সভাপতি মংবোওয়াংচিং মারমা (অনুপম) সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার এবং প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আলীকদম জোনের উদ্যোগে পাহাড়ভাঙ্গা পাড়ায় প্রাথমিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত

থানচিতে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা জোরদার: প্রেস ব্রিফিংয়ের ৩৮ বিজিবির স্পষ্ট বার্তা

 

‎ ‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ, ‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বান্দরবান রিজিয়নের আওতাধীন আলীকদম জোনের উদ্যোগে স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরে মায়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ভাঙ্গা পাড়ায় ‘সেনা মৈত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়’-এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারী) সকালে বিদ্যালয়টির উদ্বোধন করেন আলীকদম জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ আশিকুর রহমান আশিক, এসপিপি, পিএসসি। ‎‎বিদ্যালয় উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ব্যাপক জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

এ সময় স্থানীয় ৩১৫ জন অসহায় রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ১১৩টি দরিদ্র পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারগুলোর মধ্যে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়। ‎আলীকদম উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে এবং মায়ানমার সীমান্ত থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার ভেতরে অবস্থিত পাহাড়ভাঙ্গা পাড়া দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল। ভৌগোলিক দুর্গমতার কারণে ফাতরাপাড়া, মাসখুম পাড়া ও তরণী পাড়ার শিশুদের জন্য নিয়মিত শিক্ষাগ্রহণ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল।

স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে আলীকদম জোন এ অঞ্চলে ‘সেনা মৈত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে। উদ্বোধন শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ, বেঞ্চ, পাঠ্যবই ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। ‎এছাড়া সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ মেডিকেল টিম দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করে। এতে ৯৫ জন পুরুষ, ১৭৫ জন নারী ও ৪৫ জন শিশুসহ মোট ৩১৫ জনকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়।

‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে লেঃ কর্নেল মোঃ আশিকুর রহমান আশিক বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। দুর্গম এই জনপদে শিক্ষার যাত্রা স্থানীয় শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ‎ ‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনজুর আলম, মেজর মোঃ পাভেল মাহমুদ রাসেল, বিএসপি, আলীকদম জোনের জোনাল স্টাফ অফিসার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আলী তাওহীদ এবং লামা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মাসুম সরদার। এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কার্বারি ও বিপুলসংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। ‎

‎সেনাবাহিনীর এই মানবিক উদ্যোগে স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, এই ধরনের কার্যক্রম দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে শিক্ষা ও মানবিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

৯ম পে-স্কেলের দাবিতে লংগদুতে কর্মচারীদের বিক্ষোভ

থানচিতে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা জোরদার: প্রেস ব্রিফিংয়ের ৩৮ বিজিবির স্পষ্ট বার্তা

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, লংগদু :

পার্বত্য জেলা রাঙামাটির লংগদুতে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল ঘোষণাসহ এক দফা দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট, কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন সরকারি কর্মচারীরা। বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারীদের দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সম্মিলিত পরিষদের কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় এই কর্মসূচি পালিত হয়। ​

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারীরা একত্রিত হয়ে এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন। ব্যানার হাতে নিয়ে তারা তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

আন্দোলনরত কর্মচারীরা বলেন, জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশকৃত বৈষম্যহীন এক দফা এক দাবি অর্থাৎ ৯ম পে-স্কেলের গেজেট জারি করার জন্য তারা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের মতে, বর্তমান বাজারমূল্যের সাথে বর্তমান বেতন কাঠামো সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, ফলে নিম্ন ও মধ্যমসারির কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এই কর্মসূচিটি গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এই অবস্থান ধর্মঘট ও কর্মবিরতি পালিত হচ্ছে। ​

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, আমরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছি। কিন্তু দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে আমাদের বর্তমান বেতন দিয়ে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সরকার যদি অবিলম্বে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ না করে, তবে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। ​লংগদু উপজেলার সরকারি কর্মচারী পরিষদের নেতৃবৃন্দ এই আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করে দ্রুত প্রদান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেন। কর্মসূচি চলাকালীন দাপ্তরিক কাজে কিছুটা স্থবিরতা লক্ষ্য করা গেলেও কর্মচারীরা তাদের অধিকার আদায়ে অনড় অবস্থানে রয়েছেন।

কাপ্তাইয়ে বিদ্যুৎ ও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মচারীদের রাজপথে অবস্থান ; দ্রুত ৯ম পে-স্কেল ঘোষণার দাবি

থানচিতে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা জোরদার: প্রেস ব্রিফিংয়ের ৩৮ বিজিবির স্পষ্ট বার্তা

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​জাতীয় পে কমিশনের সুপারিশকৃত বৈষম্যহীন এক দফা দাবি—৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবিতে রাঙ্গামাটি কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে কাপ্তাই পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কর্মচারীদের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ ঘোষিত দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এদিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কাপ্তাই সড়কের কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের মূল ফটকের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সাথে সংগতি রেখে জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। তারা অবিলম্বে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বৈষম্যহীন পে-স্কেল ঘোষণার আহ্বান জানান। বাংলাদেশ জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন (সিবিএ) কাপ্তাই শাখার সভাপতি মোঃ বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সহ-সভাপতি কবিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলায়েত হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোর্শেদ আলম, যুব বিষয়ক সম্পাদক  শহিদুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় যুব কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ দিদার হোসেন, মোঃ মোশাররফ হোসেন, মোঃ তোফাজ্জল হোসেন প্রমুখ।

​উক্ত মানববন্ধনে কাপ্তাই বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের শতাধিক কর্মচারী উপস্থিত হয়ে সংহতি প্রকাশ করেন। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট জারি না হলে তারা কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সাথে একাত্ম হয়ে আরও কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন।

×