| ২৯ মে ২০২৬
শিরোনাম:

রুমা প্রেসক্লাবের কমিটির পুনর্গঠন শীঘ্রই হবে

রুমা প্রেসক্লাবের কমিটির পুনর্গঠন শীঘ্রই হবে

 

রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

সাংগঠনিক কার্যক্রম সচল ও গতিশীল রাখতে শীঘ্রই রুমা প্রেসক্লাবের কমিটি পুনর্গঠন করা হবে। পুনর্গঠন কার্যক্রম পরিচালনা সহজ করতে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ পদে অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোঃ আব্দুল হাকিম (দৈনিক কালের কণ্ঠ) এবং ভারপ্রাপ্ত কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মথি ত্রিপুরা (জাতীয় দৈনিক নববাণী পত্রিকার ও সিএইচটি বার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল) রুমা প্রতিনিধি । কমিটি পুনর্গঠন না হওয়া পর্যন্ত তারা এই দায়িত্ব পালন করবেন বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ মে) সকাল ১০টায় প্রেসক্লাব সভাপতি শৈহ্লাচিং মার্মার বাসভবনে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সভায় উপস্থিত সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেন। সভায় প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রম, প্রেসক্লাবের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড, কিছু সদস্যের অযৌক্তিক দাবি এবং কমিটি পুনর্গঠন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—  ১. কমিটি পুনর্গঠন না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান কমিটির কার্যক্রম চলমান রাখা, ২. অতি দ্রুত মধ্যবর্তী কমিটি পুনর্গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ, ৩. পূর্বে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া সদস্যদের পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করে পুনরায় একসাথে কাজ করার আহ্বান জানানো।

উল্লেখ্য, গত ৬ এপ্রিল ও ১৫ মে প্রেসক্লাবের সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার জন্য জমা দেওয়া আবেদনপত্র সভায় পাঠ করে শোনানো হয় এবং তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, রুমা প্রেসক্লাবকে আরও শক্তিশালী ও সক্রিয় করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সেই লক্ষ্যেই প্রেসক্লাবের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে মো. আব্দুল হাকিম ও মথি ত্রিপুরাকে যথাক্রমে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। সভা শেষে উপস্থিত সদস্যরা রুমা প্রেসক্লাবের ঐক্য, সুশৃঙ্খল পরিবেশ ও সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়নের স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

চট্টগ্রামের কর্নফুলীতে বাস-লেগুনা সংঘর্ষে নিহত ৪

রুমা প্রেসক্লাবের কমিটির পুনর্গঠন শীঘ্রই হবে

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ :

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ভেল্লাপাড়া এলাকায় ঈগল পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ও লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এ দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারজনে। আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। নিহত সজীব হোসেন (২৬) কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়নের খুরাইশ চৌধুরীবাড়ির নূর হোসেনের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দিবাগত রাত ১ঃ০০টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ৯ঃ০০টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ভেল্লাপাড়া এলাকায় ভয়াবহ এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত অপর তিনজন হলেন পটিয়া উপজেলার খরনা ইউনিয়নের দুলা মিয়ার ছেলে মোঃ ইউসুফ (৫৩), একই উপজেলার আশিয়াশ ইউনিয়নের মোল্লাপাড়া খন্দকারবাড়ির মবিনুল ইসলামের ছেলে রুবেল (২৬) এবং পটিয়া পৌরসভার গোবিন্দখীল এলাকার বাদশা মিয়ার ছেলে হারুনুর রশিদ (৫১)।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক জানান, কর্ণফুলী থানাধীন ভেল্লাপাড়া এলাকায় বাস ও লেগুনার সংঘর্ষে আহতদের হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত সজীব হোসেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রুতগতির বাসটি বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবোঝাই লেগুনাকে সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই হতাহতের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। এ ঘটনায় কর্ণফুলী থানা পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত যান দুটি জব্দ করেছে। তবে দুর্ঘটনার পর বাসচালক ও তার সহকারী পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিলাইছড়িতে ঈদুল আযহা উপলক্ষে ভিজিএফ চাউল বিতরণ

রুমা প্রেসক্লাবের কমিটির পুনর্গঠন শীঘ্রই হবে

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

আসন্ন পবিত্র ঈদ উল-আযহা ২০২৬ উপলক্ষে, ৩নং ফারুয়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হয়।  ২২ মে শুক্রবার  ৪, ৫, ৬ ও ৭নং ওয়ার্ডে জন সাধারনের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। একাই  ২৩ মে শনিবার ১, ২, ৩, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডে বিতরন করা হয়েছে।

ইউনিয়নে ৯টি ওর্য়াডে সর্বমোট ১৯৮৬ জনের মাঝে ১০ কেজি হারে বিতরণ করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা নিজেই উপস্থিত থেকে এইসব চাউল বিতরণ করেন। বিতরণ কালে তদারকি কর্মকতা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিলাইছড়ি উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক জনাব নিত্যলাল তঞ্চঙ্গ্যা। এছড়াও ইউপি প্রশাসনিক কর্মকতা সিদ্ধার্থ তঞ্চঙ্গ্যা, মহিলা মেম্বার এবং ওর্য়াড মেম্বার গন উপস্থিত ছিল।

গাছ পড়ে পিলার ভাঙল ; ২৩ ঘণ্টা পর কাপ্তাই বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক, জনমনে তীব্র ক্ষোভ

রুমা প্রেসক্লাবের কমিটির পুনর্গঠন শীঘ্রই হবে

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

ঝড়ো হাওয়ায় গাছ উপড়ে বৈদ্যুতিক পিলারের ওপর পড়ায় দীর্ঘ ২৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন ছিল কাপ্তাই উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। গতকাল ২৭ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম প্রধান সড়ক সংলগ্ন ব্যাঙছড়ি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দীর্ঘ প্রচেষ্টা শেষে পবিত্র ঈদুল আজহার দিন আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়। তবে ঈদের মতো বড় উৎসবের পূর্বে এই দীর্ঘ বিদ্যুৎ বিভ্রাটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া শুরু হলে একটি বড় গাছ উপড়ে সড়কের পাশের বৈদ্যুতিক পিলারের ওপর ভেঙে পড়ে। এতে পিলারটি ভেঙে গিয়ে মুহূর্তের মধ্যে কাপ্তাই, বড়ইছড়ি, শিলছড়ি, নোয়াপাড়া, মিতিঙাছড়ি, কাপ্তাই উপজেলা সদর, ব্যাঙছড়ি ও রেশম বাগানসহ অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ​নতুন পিলার স্থাপন এবং তারের সংযোগ পুনর্স্থাপন করতে বিদ্যুৎ বিভাগের দীর্ঘ ২৩ ঘণ্টা সময় লেগে যায়। ফলে গতকাল বেলা সাড়ে ১১টা থেকে শুরু করে আজ ঈদের দিন সকাল ১০টা ১২ মিনিট পর্যন্ত পুরো এলাকা অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। ​ঈদের আগের দিন ও ঈদের সকালে এমন দীর্ঘস্থায়ী বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে কাপ্তাইয়ের সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে চরম অচলাবস্থা তৈরি হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ​”গত বছরের তুলনায় এবার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের হার অস্বাভাবিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। ঈদের নামাজ, হাসপাতাল, মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের কথা চিন্তা করে হলেও বিদ্যুৎ বিভাগের বিশেষ প্রস্তুতি রাখা উচিত ছিল। অথচ ঈদের আগের দিন থেকে ঈদের দিন সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় আমাদের কোরবানির প্রস্তুতিসহ প্রতিটি ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হয়েছে।” সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা গেছে। নেটিজেনদের অনেকেই অভিযোগ করে লিখেছেন, সামান্য ঝড়ো হাওয়ায় একটি গাছ পড়ে পিলার ভাঙার পর তা মেরামত করতে ২৩ ঘণ্টা লাগা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। চন্দ্রঘোনা আবাসিক প্রকৌশল দপ্তরে দক্ষ শ্রমিক ও কর্মচারীর অভাবের কারণেই এই সামান্য সমস্যা সমাধানে এত দীর্ঘ সময় লেগেছে বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় গ্রাহকদের অভিযোগ, চন্দ্রঘোনা আবাসিক বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বহীনতার কারণেই এই দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এই সংকটের দ্রুত স্থায়ী সমাধান না হলে আগামীতে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে বলেও ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগীরা আভাস দিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে চন্দ্রঘোনা আবাসিক বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত আবাসিক প্রকৌশলী তৌফিক আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ​”কাপ্তাইয়ে টানা ২৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকার পর পবিত্র ঈদুল আজহার দিন বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে আমরা বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে সক্ষম হয়েছি। আকস্মিক এই দুর্ঘটনার পর থেকে আমাদের কর্মীরা লাইন সচল করতে নিরলস কাজ করেছেন।” দুর্ঘটনার কারণে সৃষ্ট এই সাময়িক অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ভোগের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

তবে স্থানীয়দের দাবি, ভবিষ্যতে যেন এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিদ্যুৎ বিভাগ আরও বেশি তৎপর ও দক্ষ ভূমিকা পালন করে।

×