| ২২ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

আবারও চট্টগ্রাম ভাসল মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী

আবারও চট্টগ্রাম ভাসল মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার :

মাত্র ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের টানা ভারী বৃষ্টিতে’ই আবারও জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরী।

শুক্রবার (১৯ জুন)২৬খ্রিঃ সকালে হওয়া এই বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়।
ফলে ছুটি’র দিনেও জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষ ও শ্রমজীবী পেশাজীবীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
সকাল সাড়ে ৮টার সময় শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টি প্রায় ৪৫ মিনিট স্থায়ী হয়। অল্প সময়ের এ বর্ষণেই চকবাজার, কাতালগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও কোমরসমান পানি জমে যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভারী বৃষ্টির পর চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকার বেশ কয়েকটি সড়ক দ্রুত পানির নিচে চলে যায়। সড়কে পানি জমে থাকায় অনেক যানবাহন মাঝপথে আটকে পড়ে। এতে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে বাড়তি সময় লাগার পাশাপাশি দুর্ভোগও বাড়ে।
অনেক পথচারীকে হাঁটুসমান পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে দেখা যায়।

স্থানীয় বেশ কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বছরের পর বছর ধরে তারা জলাবদ্ধতার সমস্যা ভোগ করছেন। একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও বাস্তব পরিস্থিতির তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি।

রিকশাচালক রাসেল বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে রিকশা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে তাদের আয়ও কমে যাচ্ছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নাইম বলেন, রাস্তায় পানি জমে থাকায় যানবাহনের সংকট দেখা দিয়েছে। বাধ্য হয়ে নোংরা পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
এ সুযোগে কিছু পরিবহনচালক অতিরিক্ত ভাড়াও আদায় করছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার জন্য আলোচিত প্রবর্তক মোড়ে এবার তুলনামূলক কম পানি জমতে দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় হিজড়া খালে চলমান উন্নয়নকাজের ফলে ওই এলাকায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

তবে আশপাশের নিচু এলাকা ও সংযোগ সড়কগুলো পানির নিচে চলে যাওয়ায় সামগ্রিক দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মেলেনি। চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম জানান, শুক্রবার সকাল ৯ঃ০০টা পর্যন্ত নগরীতে ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। স্বল্প সময়ে ভারী বর্ষণের কারণেই নিচু এলাকাগুলোতে পানি জমেছে।
দিনভর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে এবং থেমে থেমে আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে নগরবাসীর অভিযোগ, দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খাল পুনর্খনন ও সংস্কারকাজের ধীরগতি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। কোটি কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক বাসিন্দা।

দীঘিনালার দুর্গম পাহাড়ে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করল সেনাবাহিনী

আবারও চট্টগ্রাম ভাসল মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত মানুষের দীর্ঘদিনের সুপেয় পানির সংকট নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী খাগড়াছড়ি রিজিয়ন! সোমবার ২২ জুন সকালে বিন্দু কুমার কার্বারী পাড়ায় ১৯০ ফুট গভীর ডিফ টিউবওয়েল উদ্বোধন করেন দীঘিনালা জোন কমান্ডার লেপটেন্যাল কর্ণেল মো: আল- আমিল পিএসসি। উদ্বোধনী অনুষ্টানে আরো উপস্তিত ছিলেন ৫নং বাবুছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গগন বিকাশ চাকমা, ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার সুরেশ চাকমাসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্তিত ছিলেন।

সেনাবাহিনীর সুত্রে জানায় জানা যায়, পাহাড়ি এলাকার অনেক পরিবার বছরের পর বছর পানীয় জলের জন্য দূরবর্তী ঝিরি ও প্রাকৃতিক পানির উৎসের ওপর নির্ভরশীল ছিল। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট চরম আকার ধারণ করায় স্থানীয়দের নিত্যদিনের জীবনযাত্রা ব্যাহত হতো।

এ পরিস্থিতিতে মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দীঘিনালা জোন প্রয়োজনীয় জরিপ ও পরিকল্পনার মাধ্যমে এলাকায় সুপেয় পানির উৎস উদ্যোগ গ্রহন করে।

এর ফলে স্থানীয় ১০৫টি পরিবারের ৩৫০জন নিরাপদ পানির সুবিধা পাবে এবং তাদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হয়েছে।

এ সময় সেনাবাহিনীর জোন কমান্ডার বলেন পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং মৌলিক চাহিদা পূরণে সেনাবাহিনী সবসময় কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, সুপেয় পানির এই ব্যবস্থা তাদের দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে সহায়ক হবে।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের জন্য নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।

মানবসেবা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনে চার দশক, এগিয়ে চলেছে বাঙ্গালহালিয়ার সনাতন ঋষি আশ্রম এবং নিরপেক্ষভাবে তদন্ত চাইল কর্তৃপক্ষ

আবারও চট্টগ্রাম ভাসল মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী

 

রাজস্থলী (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া এলাকায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সনাতন ঋষি আশ্রম ও অনাথালয়ের বিরুদ্ধে সম্প্রতি উত্থাপিত ধর্মান্তরের অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে আশ্রম কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে আশ্রমের সুনাম ক্ষুন্ন করতে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

রবিবার (২১ জুন) আশ্রমের অধ্যক্ষ শ্রীশ্রী সনাতন ঋষি মহারাজ স্বাক্ষরিত এক লিখিত বক্তব্যে এসব দাবি করা হয়। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, প্রায় চার দশক আগে প্রতিষ্ঠিত সনাতন ঋষি আশ্রম ও অনাথালয় মানবকল্যাণ, সমাজসেবা ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ধর্ম, বর্ণ ও জাতিগত পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে প্রতিষ্ঠানটি অসহায়, অনাথ, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

আশ্রম কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতিষ্ঠানটিতে অনাথ শিশুদের লালন-পালন, শিক্ষা প্রদান, চিকিৎসা সহায়তা, খাদ্য ও বস্ত্র সরবরাহসহ বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পাশাপাশি সমাজের অবহেলিত ও অসহায় বৃদ্ধদের আশ্রয় ও সহযোগিতাও দেওয়া হয়। প্রতি বছর বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে মানবিক মূল্যবোধ ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, আশ্রমটি সম্পূর্ণ সেবামূলক ও অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। কোনো রাজনৈতিক সংগঠন, ধর্মীয় গোষ্ঠী কিংবা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এর সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই। স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা এবং সরকারি অনুমোদনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

আশ্রম সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে বাঙ্গালহালিয়া, আর্মি ক্যাম্প, আর্মি ব্যাটালিয়ন ক্যাম্প এবং আমতলী পুলিশ ক্যাম্পসহ বিভিন্ন এলাকায় তাদের কার্যক্রম বিস্তৃত রয়েছে। সমাজের অসহায় মানুষের কল্যাণে পরিচালিত এসব উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে আসছে বলে দাবি করা হয়। সম্প্রতি কক্সবাজার জেলার ঈদগাঁও এলাকার এক নারী ভক্ত আশ্রমে অবস্থান নেওয়ার পর একটি মহল তাকে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে বলে প্রচার শুরু করে।

আশ্রম কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় পর্যায়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে জনমনে নেতিবাচক ধারণা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। আশ্রমের দাবি, সংশ্লিষ্ট নারী স্বেচ্ছায় আশ্রমে অবস্থান করছিলেন এবং তাকে কোনো ধরনের ধর্মীয় চাপ, প্রলোভন বা ধর্মান্তরের প্রক্রিয়ার মধ্যে নেওয়া হয়নি। অথচ কিছু ব্যক্তি আশ্রমের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে বিভিন্ন মহলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অপপ্রচারকারীরা শুধু আশ্রমের সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করছে না, বরং এলাকায় দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের পরিবেশও সৃষ্টি করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে সামাজিক অস্থিরতা ও ভুল বোঝাবুঝির আশঙ্কা রয়েছে। ঘটনার বিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করা হলে চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করে। এ জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে আশ্রম কর্তৃপক্ষ।

সনাতন ঋষি আশ্রম ও অনাথালয়ের অধ্যক্ষ শ্রীশ্রী সনাতন ঋষি মহারাজ বলেন, আমাদের আশ্রমের মূল উদ্দেশ্য মানবসেবা, ধর্মীয় অনুশীলন এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। কাউকে ধর্মান্তরিত করা বা এ ধরনের কোনো কার্যক্রম পরিচালনার প্রশ্নই আসে না। আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।” তিনি আরও বলেন, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে আশ্রমের সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। আমরা প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য জনগণের সামনে তুলে ধরা হোক, পার্বত্য চট্টগ্রাম বহু জাতি, ধর্ম ও সংস্কৃতির মিলনভূমি। এখানে সম্প্রীতি বজায় রাখা সবার দায়িত্ব। মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচার যেন কোনোভাবেই সামাজিক শান্তি নষ্ট করতে না পারে।। আশ্রম কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো সত্যতা থাকলে তারা আইনি প্রক্রিয়া মেনে জবাবদিহিতা করতে প্রস্তুত। তবে ভিত্তিহীন অভিযোগ ও অপপ্রচারের মাধ্যমে একটি দীর্ঘদিনের সেবামূলক প্রতিষ্ঠানকে বিতর্কিত করার চেষ্টা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সবশেষে আশ্রম কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং এলাকায় বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

দীঘিনালা জোন কর্তৃক সেলাই মেশিন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন

আবারও চট্টগ্রাম ভাসল মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

খাগড়াছড়ি দীঘিনালায় আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে দীঘিনালা জোনের উদ্যোগে সেলাই মেশিন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার ২১ জুন দুপুরে দীঘিনালা জোন সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন দীঘিনালা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো: আল আমিন এসইউপি,পিএসসি।

উদ্বোধনী বক্তব্যে জোন কমান্ডার বলেন, নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা সেলাই কাজে দক্ষ হয়ে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবেন এবং পারিবারিক আয় বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে সক্ষম হবেন বলে জানান।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে এলাকার ২০জন নির্বাচিত নারী অংশগ্রহণকারীরা নির্দিষ্ট সময়ব্যাপী সেলাই ও পোশাক তৈরির বিভিন্ন বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন। এ উদ্যোগের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি এবং জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

অনুষ্ঠান শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের সফলতা কামনা করে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করা হয়।

 

×