| ১০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম:

প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে এড. দীপেন দেওয়ানের পার্বত্যমন্ত্রীত্ব পুর্নবহাল দাবি জানালেন জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ ও শিক্ষা, শ্রম, বন ও পরিবেশ রক্ষা সোসাইটি

প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে এড. দীপেন দেওয়ানের পার্বত্যমন্ত্রীত্ব পুর্নবহাল দাবি জানালেন জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ ও শিক্ষা, শ্রম, বন ও পরিবেশ রক্ষা সোসাইটি

 

সিএইচটি বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা অফিস :

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক পার্বত্যমন্ত্রী এড. দীপেন দেওয়ানের গত ১লা জুন ‘২৬ আকস্মিক পদত্যাগের পর দেশজুড়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি-র মধ্যে নানা উৎকন্ঠা ও সমালোচনা বয়ে চলেছে। তারই প্রতিকার হিসেবে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ ৩ পার্বত্য জেলায় বিভিন্ন সময়ে সর্বস্তরের পাহাড়ি-বাঙ্গালীরা একযোগে সভা সমাবেশ, মিছিল-মিটিঙ, মানববন্ধন, প্রতিবাদ সমাবেশ ইত্যাদি চলমান অব্যাহত রয়েছে।

গতকাল ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক এগারোটা থেকে একটার মধ্যে সরকার প্রধান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বরাবরে জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ ও শিক্ষা, শ্রম, বন ও পরিবেশ রক্ষা সোসাইটি নামে দু’টি সংগঠন সাবেক পার্বত্যমন্ত্রী এড. দীপেন দেওয়ানের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পুর্নমন্ত্রী পুর্নবহালের দাবিতে লিখিতভাবে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে তার নিজ কার্যালয়ে আবেদন জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দরা জানান, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, উন্নয়ন ও সম্প্রীতির স্বার্থে পার্বত্য অঞ্চলের স্থায়ী জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি ব্যতিরেকে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের দ্বারা অব্যাহত রাখা দুরবহ। এমনকি পার্বত্য এলাকার সকল জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে তোলা একজন দুরদর্শী ও অভিজ্ঞ নেতৃত্বের বিকল্প নেই। পার্বত্য অঞ্চলের সকল সাংবাদিক সমাজ ও দলমত নির্বিশেষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবে পার্বত্যমন্ত্রী এড. দীপেন দেওয়ান এমপির কর্মদক্ষতা, আন্তরিকতা, মানবিকতা ও বিচক্ষণতায় অত্যন্ত সস্তুষ্ট। এড. দীপেন দেওয়ান এমপি পার্বত্যমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে অবকাঠামো উন্নয়ন, পাহাড়ি-বাঙালীর মধ্যে সম্প্রীতিরে জোরদারকরণ, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি দমনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেই প্রশংসিত।

জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দরা আরও জানান, পার্বত্য অঞ্চলে আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনের অপতৎপরতা ও আর্ন্তজাতিক ষড়যন্ত্রের কারনে পুনরায় অস্থিতিশীলতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে এড. দীপেন দেওয়ান এমপিকে পুনরায় পার্বত্য ট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পার্বত্যমন্ত্রী পুর্নবহাল করেই পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি ও উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার দাবি জানান জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ।

অপরদিকে, শিক্ষা, শ্রম, বন ও পরিবেশ রক্ষা সোসাইটির কর্মকর্তারা জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৩টি উপজাতি ও বাঙালী জনগোষ্ঠীর মধ্যে সহাবস্থান। স্থায়ী শান্তি ও সম্প্রীতির বন্ধন রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতকল্পে দুরদর্শী অভিজ্ঞতার পাশাপাশি সঠিক নেতৃত্ব ও দলের সহমর্মিতা বজায় রাখা একজন অভিজ্ঞ চিন্তাবিদের দক্ষ ও বিচক্ষণতা এড. দীপেন দেওয়ানের বিকল্প নেই বলা চলে। এমপি দীপেন দেওয়ান সর্বদলের প্রশংসিত এক নাম এড. দীপেন দেওয়ান। সুতরাং পার্বত্য অঞ্চলের অধিবাসীদের এই ধারা অব্যাহত রাখতেই পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পার্বত্যমন্ত্রীর পুর্নবহালের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষা, শ্রম, বন ও পরিবেশ রক্ষা সোসাইটির নামে এই সংগঠনটি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এড. দীপেন দেওয়ানের পার্বত্যমন্ত্রী হিসেবে পুর্নবহালের দাবিতে সরকার প্রধান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বরাবরে এই দু’টি সংগঠন শিক্ষা, শ্রম, বন ও পরিবেশ রক্ষা সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ রিয়াজ উদ্দিন রানা স্বাক্ষরিত এবং জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের সভাপতি স্বাক্ষরিত পৃথক পৃথক ভাবে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে তার নিজ কার্যালয়ে স্বারকলিপি প্রদান করেছেন।

উল্লেখ্য যে, রাজনীতি ২০০৫ সালে তিনি যুগ্ম জেলা জজ পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগদানের মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ২০১০ সালে তিনি রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি হন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এড. দীপেন দেওয়ান গত ১২ ফেব্রুয়ারী ‘২৬ সালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেন। দীপেন দেওয়ানের বাবা সুবিমল দেওয়ান তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় উপজাতীয় বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

কাপ্তাই হ্রদে পানির স্তর বৃদ্ধি: তিন মাস পর পূর্ণ সক্ষমতায় ৫ ইউনিট

প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে এড. দীপেন দেওয়ানের পার্বত্যমন্ত্রীত্ব পুর্নবহাল দাবি জানালেন জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ ও শিক্ষা, শ্রম, বন ও পরিবেশ রক্ষা সোসাইটি

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​টানা অতিবর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটই একযোগে সচল হয়েছে। দীর্ঘ তিন মাস পর কেন্দ্রের সবকটি ইউনিট চালু হওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়ে ১৭৯ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে।

​শুক্রবার (১০ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান।

প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, বর্তমানে কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটে মোট ১৭৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। এর মধ্যে ১ নম্বর ইউনিট থেকে ৪২ মেগাওয়াট, ২ নম্বর থেকে ৪২ মেগাওয়াট, ৩ নম্বর থেকে ৩৫ মেগাওয়াট, ৪ নম্বর থেকে ৩০ মেগাওয়াট এবং ৫ নম্বর ইউনিট থেকে ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে।

​তিনি আরও বলেন, “চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে হ্রদে পানি স্বল্পতার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছিল। দীর্ঘ সময় ধরে ইউনিটগুলো একযোগে চালু রাখা সম্ভব হয়নি। এমনকি বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ নেমে ৯৬ মেগাওয়াটে ঠেকেছিল। তবে সাম্প্রতিক টানা বর্ষণে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।”

বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, কাপ্তাই হ্রদের বর্তমান পানির স্তর ৮৫ দশমিক ৪৪ ফুট (মীন সী লেভেল বা এমএসএল)। যেখানে রুলকার্ভ অনুযায়ী এই সময়ে ৯০ দশমিক ৩১ ফুট এমএসএল পানি থাকার কথা ছিল। হ্রদের সর্বোচ্চ পানি ধারণ ক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল।

​উল্লেখ্য, ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে এবং হ্রদে পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পেলে উৎপাদন আরও বাড়ার আশা করছেন কর্তৃপক্ষ। সাধারণত হ্রদে পর্যাপ্ত পানি থাকলে কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট পূর্ণ ক্ষমতায় চালু রেখে ২৪২ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হয়।

​(ছবির ক্যাপশন: কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র)

পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে আলীকদমে বিপর্যস্ত জনজীবন ‎

প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে এড. দীপেন দেওয়ানের পার্বত্যমন্ত্রীত্ব পুর্নবহাল দাবি জানালেন জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ ও শিক্ষা, শ্রম, বন ও পরিবেশ রক্ষা সোসাইটি

 

সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা,
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

‎টানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার নিম্নাঞ্চলের অন্তত ৩০টি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও ঘরের চাল পর্যন্ত পানি ওঠায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও সবজি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি নিম্নআয়ের মানুষের জীবিকা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

‎উপজেলা পরিষদ থেকে প্রায় ১০০ ফুট দূরে আলীমুদ্দিন পাড়ার প্রায় ১৫টি পরিবার টানা তিন দিন ধরে পানিবন্দি রয়েছে। ঝিরির পাশে অবস্থিত হওয়ায় প্রতিবছরই এ এলাকায় পানি ওঠে। তবে কয়েক দিনের টানা বর্ষণে এবার পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, আলীমুদ্দিন পাড়াসহ আশপাশের এলাকায় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ পানি জমেছে।

‎এ ছাড়া চৈক্ষ্যং ফুটের ঝিড়ি, শিবাতলী, রোয়াম্ভু, সূর্যমনি কারবারী পাড়া, আবু মেম্বার পাড়াসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। ঘরবাড়ি ও দোকানে পানি ঢুকে আসবাবপত্র নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি কৃষিজমির সবজি ও অন্যান্য ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

‎ফুটের ঝিড়ি এলাকার বাসিন্দা মো. করিম জানান, নদীতীরবর্তী হওয়ায় তাদের এলাকা সবার আগে প্লাবিত হয়। সোমবার থেকে পানি বাড়তে শুরু করে এবং বৃষ্টির তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পানির উচ্চতাও বৃদ্ধি পায়। বৃহস্পতিবার সকালে পানি কিছুটা কমলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবারও এলাকা প্লাবিত হয়।

‎তিনি বলেন, “প্রতিবারই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হই। একটু ঘুরে দাঁড়াতেই আবার ঘর আর ফসল ডুবে গেল। গতকাল সারাদিন কিছু খেতে পারিনি। রাতে উপজেলা প্রশাসন যে খাবার দিয়েছে, সেটাই খেয়েছি। এখন ঘরে কিছুই নেই। আল্লাহ জানেন কীভাবে দিন কাটবে।”



‎স্থানীয়দের দাবি, গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের কারণে এবার আলীকদমে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। নয়াপাড়া, আব্বাস কারবারী পাড়া, রোয়াম্ভু, খুইল্লা মিয়া পাড়া, বুলু কারবারী পাড়া, মোস্তাক পাড়া, সদর হিন্দুপাড়া, বাজার মার্মা পাড়া, পশ্চিম বাজারপাড়া, সাবের মিয়া পাড়া, থানাপাড়া, আলীমুদ্দিন পাড়া, নাছির মাস্টার পাড়া, ইছাক কারবারী পাড়া, ওবাইদুল হাকিম পাড়া, মংচিং হেডম্যান পাড়া, আমতলী লংঘাট, ফুটের ঝিড়ি, বটতলী পাড়া, চাহ্লাপ্রু পাড়া, থোয়াইচিং হেডম্যান পাড়া, শিবাতলী ও রেপার পাড়াসহ অন্তত ৩০টি এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

‎বৃহস্পতিবার বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা পৃথকভাবে পরিদর্শন করেন আলীকদম জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনজুর আলম। এ সময় তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে তাৎক্ষণিক খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনজুর আলম বলেন, “ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। কারও ঘরবাড়ি, আবার কারও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।”

এ্যাড. দীপেন দেওয়ানের নির্দেশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে উপজেলা বিএনপি

প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে এড. দীপেন দেওয়ানের পার্বত্যমন্ত্রীত্ব পুর্নবহাল দাবি জানালেন জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ ও শিক্ষা, শ্রম, বন ও পরিবেশ রক্ষা সোসাইটি

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির ২৯৯নং আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. দীপেন দেওয়ানের নির্দেশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে বিলাইছড়ি উপজেলা বিএনপি।

বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার (৯ – ১০ জুলাই) ২ দিনব্যাপী দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়নে স্রোতের প্রতিকূলে জীবন বাজি রেখে বৈরী আবহাওয়া ও প্রবল বৃষ্টিপাতে পাহাড়ি ঢলে পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্থদের  খোঁজ – খবর নেন।

সুবিধা-অসুবিধা কথা জানেন এবং ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা তৈরি করেন। পরে ইউনিয়ন পরিষদের সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা বিষয়ে সমন্বয় করেন। এতে চিজাই পাড়া, চাইন্দ্যা পাড়া, তক্তনালা, ওড়াছড়ি, গোয়াইন ছড়ি, ফারুয়া বাজার, তাড়াছড়ি, এগুজ্যাছড়ি, যমুনা ছড়ি, শুক্কর ছড়ি, পানছড়ি, আলেখ্যং, গোয়াইনছড়ি এলাকার জনগণের খোঁজ-খবর নেন।  খোঁজ নিতে ছুটে যান বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. বারেক খাঁ, সহ-সভাপতি ইমাম হাসান সিকদার ও চাথোয়াই রোয়াজা, যুগ্ন সম্পাদক জয়সিন্ধু চাকমা, সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ধনমনি চাকমা, সেচ্ছাসেবক  দলের সভাপতি মোঃ মামুন ইসলাম।

উল্লেখ্য যে, মরহুম রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মরহুম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ধরে রাখতে এবং প্রধান মন্ত্রীর তারেক রহমান সরকারের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করার লক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে রয়েছেন বলে জানা যায়।

×