রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম:

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা ২১ বছরের টুম্পা দাশ, চিকিৎসা অর্থ অভাবে বাঁচার আকুতি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৪ জুলাই, ২০২৬, ১১:১১ এএম
11 বার পড়া হয়েছে
রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা ২১ বছরের টুম্পা দাশ, চিকিৎসা অর্থ অভাবে বাঁচার আকুতি

 

চাইথোয়াইমং, মারমা বিশেষ প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি জেলা রাজস্থলী উপজেলা বাঙ্গালহালিয়াতে মাত্র ২১ বছর বয়স। এই বয়সে স্বপ্ন দেখার কথা ছিল সুন্দর ভবিষ্যতের, পরিবারকে নিয়ে সুখের সংসার গড়ার। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আজ হিপ জয়েন্টের জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে অসহ্য যন্ত্রণায় দিন কাটছে রাঙামাটি রাজস্থলী উপজেলার ৩নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ম্রুংদ্রং পাড়ার বাসিন্দা টুম্পা দাশের। ২০২৫ সাল থেকে দুরারোগ্য এই ব্যাধিতে ভুগছেন তিনি।

দিন যত যাচ্ছে, ততই অবনতি হচ্ছে তাঁর শারীরিক অবস্থার। বর্তমানে স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা তো দূরের কথা, নিজের দৈনন্দিন কাজও অন্যের সাহায্য ছাড়া করতে পারছেন না। এই অসহায় পরিস্থিতিকে আরও বেদনাদায়ক করে তুলেছে তাঁর মাত্র সাত মাস বয়সী কন্যাসন্তান। মাতৃত্বের সবচেয়ে সুন্দর সময়টি উপভোগ করার পরিবর্তে অসহ্য ব্যথা আর শারীরিক অক্ষমতার সঙ্গে লড়াই করছেন টুম্পা। নিজের সন্তানকে কোলে নেওয়া, আদর করা কিংবা ঠিকমতো যত্ন নেওয়ার মতো সাধারণ কাজও তাঁর কাছে আজ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। একজন মায়ের এই অসহায়ত্ব পরিবার ও স্বজনদেরও গভীরভাবে কাঁদিয়ে তুলছে পুরো পরিবারর্বগ।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অসুস্থতার শুরুতে সাধারণ চিকিৎসা নেওয়া হলেও অবস্থার উন্নতি হয়নি। পরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে উন্নত চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসার ব্যয় বহন করার মতো সামর্থ্য পরিবারটির নেই। সীমিত আয়ের এই পরিবার ইতোমধ্যে চিকিৎসার পেছনে যা ছিল তা ব্যয় করেছে। এখন অর্থের অভাবে কার্যত চিকিৎসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে টুম্পা দাশ সুস্থ জীবনে ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু সেই সম্ভাবনা এখন নির্ভর করছে সমাজের মানবিক মানুষের সহায়তার উপর।

টুম্পা দাশ বলেন, আমি ২০২৫ সাল থেকে এই রোগে ভুগছি। প্রতিদিন অসহ্য ব্যথা নিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে। ঠিকভাবে হাঁটতে পারি না, নিজের কাজ নিজে করতে পারি না। সবচেয়ে বেশি কষ্ট লাগে আমার সাত মাসের ছোট মেয়েটার দিকে তাকালে। ওকে কোলে নিতে চাই, আদর করতে চাই, কিন্তু শরীর সায় দেয় না। একজন মা হয়ে নিজের সন্তানকে ঠিকভাবে যত্ন নিতে না পারার কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।”

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার কথা বলেছেন। কিন্তু আমাদের পরিবারের সেই সামর্থ্য নেই। তাই দেশ-বিদেশের সকল হৃদয়বান মানুষ, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও মানবিক সংগঠনের কাছে আমার বিনীত আবেদন—আপনারা আমাকে একটু সাহায্য করুন। আমি সুস্থ হয়ে আমার ছোট্ট মেয়েটিকে নিয়ে স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেতে চাই। সবার কাছে আমার জন্য দোয়া/আশীর্বাদ কামনা করেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, টুম্পা দাশ একজন সংগ্রামী তরুণী। অর্থের অভাবে তাঁর চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, দানশীল প্রতিষ্ঠান এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে প্রতি এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। একজন মায়ের সুস্থতা মানে শুধু একটি জীবনকে বাঁচানো নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি নিষ্পাপ ফুটফুটে সাত মাসের শিশুর ভবিষ্যৎ অন্ধকার । তাই টুম্পা দাশের চিকিৎসায় সমাজের সকলের মানবিক সহযোগিতা এখন হাত বাড়ানোর বিনয়ের সাথে সময়ের দাবি।

সহযোগিতার জন্য      নগদ: 01839797511   —-     বিকাশ: 01606195733 ——-   রোগীর সঙ্গে যোগাযোগ: 01885838659

টুম্পা দাশের মুখে আবার হাসি ফিরিয়ে আনতে এবং সাত মাসের শিশুকন্যার ভবিষ্যৎ রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন, আমরা সবাই যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিই। আপনার সামান্য অনুদানও হতে পারে একজন অসহায় মায়ের নতুন জীবনের ফিরে আশার আলো স্বপ্ন দেখছে পুরো পরিবার।

বিভিন্ন ইভেন্টে পর্যালোচনা, প্রশিক্ষণ ও ধর্মীয় গুরুদের নিয়ে কক্সবাজারে ৩ দিনব্যাপী “যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার” বিষয়ক মাস্টার ট্রেনিং সম্পন্ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৬:২৯ পিএম
রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা ২১ বছরের টুম্পা দাশ, চিকিৎসা অর্থ অভাবে বাঁচার আকুতি

 

অরূপ কুমার মুৎসুদ্দী, বিশেষ প্রতিবেদক :

পপুলেশন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার (পিএসটিসি) এর উদ্যোগে ২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার হোটেল সী প্যালেস, কলাতলী রোড, কক্সবাজারে শুরু হওয়া ৩ দিনব্যাপী রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবানসহ তিন পার্বত্য

জেলার হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় গুরুদের সমন্বয়ে “যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধীকার” সম্পর্কিত মাস্টার (টট) ট্রেনিং আজ ২৫ জুলাই শনিবার সারাদিন বিভিন্ন ইভেন্টে সকলের অংশ গ্রহণের মাধ্যমে আলোচনা পর্যালোচনার পর দলীয় কাজ এবং প্রশিক্ষণার্থীদের ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রশিক্ষণের সঞ্চিত অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি প্রকাশ এবং ঢাকা থেকে আগত প্রশিক্ষকগণ এবং কক্সবাজার পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তেরর উপপরিচালক জনাব বিপ্লব বড়ুয়ার বক্তব্যের মধ্যদিয়ে ৩ দিনব্যাপী এই “যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার” বিষয়ক মাস্টার ট্রেনিং সম্পন্ন হয়েছে।

এই প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক হিসাবে ছিলেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর ঢাকা এর আইইএম ইউনিট’র উপ পরিচালক (প্রোগ্রাম মনিটরিং) ইসরাত জাবিন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, ঢাকা এর আইইএম ইউনিটের পপুলেশন কমিনিকেশন অফিসার মোহাম্মদ সফি উদ্দিন।

পিএসটিসির হেড অব প্রোগ্রামস্ ডাঃ মোঃ মাহবুবুল আলম। ৩ দিনব্যাপী পুরো প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন পিএসটিসির এর প্রজেক্ট ম্যানেজার মোহাম্মদ আজিম। এ ব্যতিক্রমধর্মী প্রশিক্ষণে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ধর্মের ২০ জন ধর্মীয় গুরু এই অংশ গ্রহণ করেন।

ফারুয়া ইউনিয়নে হেডম্যান  রিনলম বম পালম এর নেতৃত্বে ২০০ পরিবারের মাঝে  এান বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৫:৪৫ পিএম
রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা ২১ বছরের টুম্পা দাশ, চিকিৎসা অর্থ অভাবে বাঁচার আকুতি

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলায় ফারুয়া ইউনিয়নে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।  শনিবার (২৫ জুলাই) যমুনা ছড়ির রিনলম বম পালম হেডম্যানের নেতৃত্বে এবং সরাসরি হেডম্যানের ছোট ভাই রেভা: জন বম নাজিরিন চার্চ আমেরিকার- এর অর্থায়নে দুর্যোগে ক্ষতি গ্রস্ত পরিবারের মাঝে এ-ই ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্তিত ছিলেন বিলাইছড়ি উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি এসএম সালাম ফকির, সাধারণ সম্পাদক মো. জাফর আহাম্মদ, ফারুয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি শামসু তঞ্চঙ্গ্যা, সহ-সভাপতি মো. হারুন এবং হেডম্যান সমূল্ল্য তঞ্চঙ্গ্যাসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

হেডম্যান রিনলম বম (পালম) জানান, পাস্টার জন বম পক্ষ থেকে ফারুয়া বাজার, তারাছড়ি, গয়াইনছড়ি, এগুজ্যাছড়ি, শুক্কুরছড়ি, যমুনাছড়ি এলাকায় দুর্যোগ ক্ষতিগ্রস্তদের ২০০ পরিবারের মাঝে চাউল, আলু, তৈল সহ অন্যান্য ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

DSF Do Something Foundation-এর উদ্যোগে মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ জুলাই, ২০২৬, ২:১১ পিএম
রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা ২১ বছরের টুম্পা দাশ, চিকিৎসা অর্থ অভাবে বাঁচার আকুতি

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে DSF (Do Something Foundation)-এর উদ্যোগে এক দিনব্যাপী বিনামূল্যের মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ২৫ জুলাই খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলার ৩নং কবাখালি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যলয়, বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের বাঘাইহাট বাজারসহ পাঁচ শতাধিক অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয় এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবা দেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন পরামর্শও প্রদান করা হয়।

এসময় DSF (Do Something Foundation) ডা: মো: মিজানুর রহমান জানান, সমাজের অসহায় মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

স্থানীয় ৩নং কবাখালি ইউনিয়ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেস চাকমা বলেন এমন মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে DSF (Do Something Foundation)-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ পেয়ে অনেক অসহায় মানুষ উপকৃত হয়েছেন।

এসময় উপস্তিত ছিলেন সংগঠনের মো: শাহিল আলম, মো: রাসেল আহমদ এবং দীঘিনালা যুব ইউনিয়ন রেড ত্রুিসেন্ট সোসাইটির সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবক, চিকিৎসক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×