| ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা ২১ বছরের টুম্পা দাশ, চিকিৎসা অর্থ অভাবে বাঁচার আকুতি

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা ২১ বছরের টুম্পা দাশ, চিকিৎসা অর্থ অভাবে বাঁচার আকুতি

 

চাইথোয়াইমং, মারমা বিশেষ প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি জেলা রাজস্থলী উপজেলা বাঙ্গালহালিয়াতে মাত্র ২১ বছর বয়স। এই বয়সে স্বপ্ন দেখার কথা ছিল সুন্দর ভবিষ্যতের, পরিবারকে নিয়ে সুখের সংসার গড়ার। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আজ হিপ জয়েন্টের জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে অসহ্য যন্ত্রণায় দিন কাটছে রাঙামাটি রাজস্থলী উপজেলার ৩নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ম্রুংদ্রং পাড়ার বাসিন্দা টুম্পা দাশের। ২০২৫ সাল থেকে দুরারোগ্য এই ব্যাধিতে ভুগছেন তিনি।

দিন যত যাচ্ছে, ততই অবনতি হচ্ছে তাঁর শারীরিক অবস্থার। বর্তমানে স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা তো দূরের কথা, নিজের দৈনন্দিন কাজও অন্যের সাহায্য ছাড়া করতে পারছেন না। এই অসহায় পরিস্থিতিকে আরও বেদনাদায়ক করে তুলেছে তাঁর মাত্র সাত মাস বয়সী কন্যাসন্তান। মাতৃত্বের সবচেয়ে সুন্দর সময়টি উপভোগ করার পরিবর্তে অসহ্য ব্যথা আর শারীরিক অক্ষমতার সঙ্গে লড়াই করছেন টুম্পা। নিজের সন্তানকে কোলে নেওয়া, আদর করা কিংবা ঠিকমতো যত্ন নেওয়ার মতো সাধারণ কাজও তাঁর কাছে আজ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। একজন মায়ের এই অসহায়ত্ব পরিবার ও স্বজনদেরও গভীরভাবে কাঁদিয়ে তুলছে পুরো পরিবারর্বগ।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অসুস্থতার শুরুতে সাধারণ চিকিৎসা নেওয়া হলেও অবস্থার উন্নতি হয়নি। পরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে উন্নত চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসার ব্যয় বহন করার মতো সামর্থ্য পরিবারটির নেই। সীমিত আয়ের এই পরিবার ইতোমধ্যে চিকিৎসার পেছনে যা ছিল তা ব্যয় করেছে। এখন অর্থের অভাবে কার্যত চিকিৎসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে টুম্পা দাশ সুস্থ জীবনে ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু সেই সম্ভাবনা এখন নির্ভর করছে সমাজের মানবিক মানুষের সহায়তার উপর।

টুম্পা দাশ বলেন, আমি ২০২৫ সাল থেকে এই রোগে ভুগছি। প্রতিদিন অসহ্য ব্যথা নিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে। ঠিকভাবে হাঁটতে পারি না, নিজের কাজ নিজে করতে পারি না। সবচেয়ে বেশি কষ্ট লাগে আমার সাত মাসের ছোট মেয়েটার দিকে তাকালে। ওকে কোলে নিতে চাই, আদর করতে চাই, কিন্তু শরীর সায় দেয় না। একজন মা হয়ে নিজের সন্তানকে ঠিকভাবে যত্ন নিতে না পারার কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।”

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার কথা বলেছেন। কিন্তু আমাদের পরিবারের সেই সামর্থ্য নেই। তাই দেশ-বিদেশের সকল হৃদয়বান মানুষ, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও মানবিক সংগঠনের কাছে আমার বিনীত আবেদন—আপনারা আমাকে একটু সাহায্য করুন। আমি সুস্থ হয়ে আমার ছোট্ট মেয়েটিকে নিয়ে স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেতে চাই। সবার কাছে আমার জন্য দোয়া/আশীর্বাদ কামনা করেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, টুম্পা দাশ একজন সংগ্রামী তরুণী। অর্থের অভাবে তাঁর চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, দানশীল প্রতিষ্ঠান এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে প্রতি এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। একজন মায়ের সুস্থতা মানে শুধু একটি জীবনকে বাঁচানো নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি নিষ্পাপ ফুটফুটে সাত মাসের শিশুর ভবিষ্যৎ অন্ধকার । তাই টুম্পা দাশের চিকিৎসায় সমাজের সকলের মানবিক সহযোগিতা এখন হাত বাড়ানোর বিনয়ের সাথে সময়ের দাবি।

সহযোগিতার জন্য      নগদ: 01839797511   —-     বিকাশ: 01606195733 ——-   রোগীর সঙ্গে যোগাযোগ: 01885838659

টুম্পা দাশের মুখে আবার হাসি ফিরিয়ে আনতে এবং সাত মাসের শিশুকন্যার ভবিষ্যৎ রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন, আমরা সবাই যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিই। আপনার সামান্য অনুদানও হতে পারে একজন অসহায় মায়ের নতুন জীবনের ফিরে আশার আলো স্বপ্ন দেখছে পুরো পরিবার।

রাঙামাটি পাসপোর্ট অফিস ও পৌরসভা কার্যালয়ে সাবেক মন্ত্রী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান এমপি’র আকস্মিক পরিদর্শন

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা ২১ বছরের টুম্পা দাশ, চিকিৎসা অর্থ অভাবে বাঁচার আকুতি

 

সিএইচটি বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট, রাঙামাটি :

রাঙামাটির ২৯৯ নং আসনের সাংসদ সদস্য এ্যাড. দীপেন দেওয়ান এমপি মহদোয়ের রাঙামাটি পাসপোর্ট অফিস ও পৌরসভা কার্যালয় আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, পৌরসভার সাবেক মেয়র ও বিএনপি জেলা কমিটির সিনিয়র নেতা সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো, সাবেক কাউন্সসিলর মো: হেলাল উদ্দিন সহ বিএনপির নেতাকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাঙামাটির পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পাসপোর্ট জটিলতার সুবিধা-অসুবিধার ব্যাপারে খোঁজখবর নেন। এরপর পাসপোর্ট করতে আসা ব্যক্তিদের সাথে কথা বলেন এবং পাসপোর্ট জটিলতা নিরসনে কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

 

অপরদিকে, রাঙামাটির পৌর এলাকার জনসাধারণের গতিশীলতা ফেরাতে প্যানেল পৌর প্রশাসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে এমপি মহোদয় মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি রাঙামাটি পৌরসভাকে আধুনিকায়ন সহ পৌরবাসীদের সার্বক্ষণিক সেবা দেয়াসহ নানাবিধ বিষযের ওপর দিকনির্দেশনা দেন।

রাঙামাটি পৌরসভাকে আধুনিকায়ন করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর এবং জনগণের স্বার্থে দৌড়গড়ায় সেবা দিতে বিএনপি সরকার কাজ করে যাচ্ছেন বলে সাংসদ সদস্য এ্যাড. দীপেন দেওয়ান এমপি পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।

বাঘাইছড়িতে সরকারি আইনগত সহায়তা নিয়ে সচেতনতামূলক সভা

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা ২১ বছরের টুম্পা দাশ, চিকিৎসা অর্থ অভাবে বাঁচার আকুতি

 

আনোয়ার হোসেন,
বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বাঘাইছড়ি উপজেলা মিনি কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাঙ্গামাটি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের আয়োজনে এবং বাঘাইছড়ি উপজেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সহযোগিতায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা সঞ্চয়ন চাকমার সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান। এতে উপস্থিত ছিলেন বিচারক এ এস এম ইমরান, চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার ও যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আমানত ইসলাম শাহীন, সিনিয়র লিগ্যাল জজ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ওমর আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি নিজাম উদ্দীন বাবু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নুর আলম, বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ নাছির উদ্দিন মজুমদার এবং বাঘাইছড়ি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন।

এ ছাড়া উপজেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা, আইনজীবী, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বাংলাদেশ লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে প্রদত্ত বিভিন্ন সেবা, সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা পাওয়ার যোগ্যতা, আবেদন করার পদ্ধতি, বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ ও সহায়তা গ্রহণের সুযোগ এবং মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা, আইনি পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টারের সেবা, আবেদনপত্র দাখিলের প্রক্রিয়া এবং সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা পাওয়ার জন্য আবেদনের নিয়ম সম্পর্কে উপস্থিতদের অবহিত করা হয়।

এ সময় অসচ্ছল, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে আইনগত সহায়তা প্রদানের কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

বক্তারা বলেন, অর্থের অভাবে কোনো নাগরিক যেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইডের সহায়তা নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

সভায় সরকারি আইনগত সহায়তা কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি অসচ্ছল ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে এ সেবা সহজে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য নন্দিতা দাশের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে উপজেলা যুবদল ও মহিলা দলের নেতৃবৃন্দ

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা ২১ বছরের টুম্পা দাশ, চিকিৎসা অর্থ অভাবে বাঁচার আকুতি

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও বিলাইছড়ি উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য নন্দিতা দাশের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিলাইছড়ি উপজেলা যুবদল, উপজেলা মহিলা দল এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন যুবদলের নেতৃবৃন্দ।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নিজ কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন বিলাইছড়ি উপজেলা যুবদলের সভাপতি রেজাউল করিম রনি, উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী দিলু আরা বেগম, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শান্তি রায় চাকমা (রায়বাবু) এবং উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদা বেগম।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ওমর ফারুক (মনি), উপজেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি রত্না বেগম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ববিতা চাকমা, সদস্য প্রীতি তঞ্চঙ্গ্যা, যুবদলের সদস্য অধীর লাল চাকমা, ফারুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি যতীন তঞ্চঙ্গ্যা, সাধারণ সম্পাদক অংলা মার্মা, সাংগঠনিক সম্পাদক নিত্যলাল তঞ্চঙ্গ্যা, কেংড়াছড়ি ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. মনির হোসেন, সহ-সভাপতি মো. রফিক মীর, সদর ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক ইমন চাকমা, কেংড়াছড়ি ইউনিয়নের বিনয় ভূষণ চাকমা, মিলন চাকমা ও ফাক্কো চাকমাসহ উপজেলা মহিলা দল, সদর ইউনিয়ন যুবদল ও ফারুয়া ইউনিয়ন যুবদলের নেতৃবৃন্দ।

×