| ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

বিলাইছড়িতে স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট সংকটে প্রায় ১৫ শত পরিবার 

বিলাইছড়িতে স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট সংকটে প্রায় ১৫ শত পরিবার 

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার বন্যার পরবর্তী সময়ে পয়ো-নিষ্কাশন অথবা স্যানিটারি ল্যাট্রিন বা স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানার ব্যবস্থা একেবারেই নাজুক। নেই কোনো জনসংখ্যা অনুপাতে সুপেয় পানির ব্যবস্থাও। স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট বা শৌচাগারের সংকটে প্রায় ১৫ শত পরিবারের ৬ হাজার মানুষ খোলা আকাশের নীচে পায়খানা করছে। এ বিষয়ে তেমন কোনো উদ্যোগ নেই  সরকারি-বেসরকারি সংস্থার। দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এজন্য স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। যার ফলে দেখা দিতে পারে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন পানি বাহিত রোগ। দেখা গেছে চর্ম রোগও।

সরেজমিনে দেখতে গিয়ে জানা গেছে, ফারুয়া ইউনিয়নে তারাছড়ি, যমুনাছড়ি, ফারুুয়া বাজার, গোয়াইনছড়ি, ওরাছড়ি, তক্তানালা উলুছড়ি, চাইন্দা, রোয়াপাড়া ছড়া, ফুঁছড়া, লতাপাহাড়, আলেচং – এলাকায় প্রায় পরিবারের টয়লেট গুলো নষ্ট হয়েছে। সামান্য গর্ত করে চার কোণে চারটি বাঁশ দিয়ে কাপড়ের ঘেরা দিয়ে কোনো রকমে ছেঁড়ে নিচ্ছে। রিং, স্লাব, টিন এবং গাছ, বাশঁ এবং কারিগর দিয়ে তৈরি করার কিছু জনের সামর্থ্য থাকলেও বেশিরভাগ জনের সামথ্য নেই। তারা জানান, একটা টয়লেট তৈরি করতে প্রায় ৮-১০ হাজার টাকা খরচ হয়। সরকারের পাশাপাশি দাতাগোষ্ঠীরাও এগিয়ে আসা দরকার। নিজ উদ্যোগে করা কঠিন হয়ে দাড়িঁয়েছে। ঘর, জমি ডুবে ও তলিয়ে গেছে। কোনটা সামলাবো। তাই জঙ্গলে খোলা জায়গায় নতুবা গাছের শেখরের উপর হতে পায়খানা করা  ছাড়া কিছুই করার নাই।

স্থানীয় কার্বারী ভরত চন্দ্র তঞ্চঙ্গ্যা জানান, বন্যায় যা ক্ষতি হয়েছে তা  ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। এতে সরকারি – বেসরকারিভাবে কিছুটা ত্রাণ সহায়তা দিলেও পয়ো- নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা বা নিরাপদ টয়লেট নির্মান করে  দেওয়ার কথা কেউই বলেনি। শুধু সাংবাদিকরা তথ্য নিয়ে এই বিষয়ে তুলে ধরেন। অথচ এই বিষয়ে দাতাগোষ্ঠী, সরকারি-বেসরকারি সংস্থা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরাও জানে। গরীব যারা তারা হঠাৎ কিভাবে টয়লেট নির্মান করবে। তাই সবার এগিয়ে আসা দরকার।

ফরুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা জানান, ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্থ ১৪৪৭ পরিবারের মাঝে প্রায় ৭০০ পরিবারের টয়লেট পাহাড়ি ঢলে ভেসে গেছে কিংবা মাটির নিচে নতুবা পলি জমে পরিত্যক্ত হয়েছে। কিছু জনে নিজের থেকে ঠিক  করলেও, অনেকে নানা সমস্যা কারণে তৈরি করার সম্ভব হচ্ছে না। নেই জনসংখ্যা অনুপাতে সুপেয় পানির ব্যবস্থাও।

এছাড়াও বিলাইছড়ি ইউনিয়নে ডাউন পাড়া, মালুম্যা, তিনকুনিয়া, সাক্রাছড়ি, ধুপশীল, মাইত কাবা ছড়া, কুতুবদিয়া, দীঘলছড়ি, দীঘলছড়ি ডেবামাথা, হাজাছড়া পাড়া, দুপ্যাচর, শালবাগান, আমতলা, রাজধন ছড়া, গাছকাটা ছড়া সহ বেশ কিছু এলাকার মানুষের টয়লেট নষ্ট হয়েছে বলে স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে। দীঘল ছড়ি ডেবামাথা হাজাছড়া পাড়ার শান্তি লাল চাকমা জানান, তার গ্রামে প্রায় ৫০ পরিবারের মধ্যে ৪৫ পরিবারের মাঝে নিরাপদ টয়লেট ব্যবস্থা নেই। তথ্য মতে, সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান জানান, ইউনিয়নে ২৫০ পরিবারেরও অধিক পরিবারের ক্ষতি বা বর্ষায় পানি জমে টায়লেটগুলো নষ্ট হয়েছে।

এছাড়াও কেংড়াছড়ি ইউনিয়নে কেরন ছড়ি, শামুক ছড়ি, বাঙ্গাল কাটা, ভালাছড়ি, কেংড়াছড়ি, নাড়াই ছড়ি, হিজাছড়ি, কেংড়াছড়ি জোন এবং পাহাড়ে বসবাস করা অনেকের নিরাপদ টয়লেট নেই  বলে জানান ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শান্তি বরন তালুকদার। তিনি আরও জানান, ইউনিয়নে প্রায়  ১৮০০ পরিবার রয়েছে। এতে নিরাপদ টয়লেট সু-ব্যবস্থার প্রয়োজন প্রায় ৬০০ পরিবারের। বড় থলি ইউনিয়নে তেমন ক্ষতি হয়নি বলে জানান চেয়ারম্যান জামাইয়া তঞ্চঙ্গ্যা।

সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক শান্তি বিজয় চাকমা জানান, বন্যায় পয়ো- নিষ্কাশনের সু-ব্যবস্থা বিধ্বস্ত, এতে জরুরি টিন, স্ল্যাব, রিং দিয়ে তৈরি করা হয় অনেক সুবিধা হবে। এই বিষয়ে সবার এগিয়ে আসা দরকার। বিশেষ করে রিমোর্ট এলাকাগুলোতে।

বড়থলি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জামাইয়া তঞ্চঙ্গ্যা জানান,তাঁর ইউনিয়নে তেমন ক্ষতিগ্রস্থ হয়নি। এইসব বিষয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আকাশ চন্দ্র বর্মন জানান, উপজেলায় ৪টি ডিপ টিউবওয়েল চলমান রয়েছে। আরও কয়েকটি করা হবে। এছাড়াও ২০০ পরিবারের মাঝে স্যানিটারি ল্যাট্রিনের ব্যবস্থা করা হবে। বাকিগুলো চাহিদা  অনুযায়ী উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো হবে  অনুমোদন পেলে দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুরজিত দত্ত জানান, পয়ো-নিস্কাশনের ব্যবস্থা না থাকলে তাহলে পরিবেশ নষ্ট হবে। ফলে বিভিন্ন রোগীর সংখ্যা বাড়তে পারে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.জাকির হোসেন জানান, জেলা পরিষদের লজিক প্রকল্প, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল এবং বেসরকারি সংস্থাগুলো কাজ করবে। প্রয়োজনে জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বসে পরবর্তীতে আরও পদক্ষেপ গ্রহন করবো।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম ফকির জানান, নির্বাচনেও তাদের সঙ্গে কথা বলেছি, কিভাবে এলাকার জীবন-মন উন্নয়ন করা যায়। বর্তমান সরকার এ বিষয়ে খুবই সোচ্চার। কোথায় কি প্রয়োজন, কি লাগবে  দেখেছি, শুনেছি। নেতাকর্মীরাও জানিয়েছেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে বিএনপি পাশে রয়েছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের, খাদ্য, যোগাযোগ ও  পয়নি:স্কাশনের সুব্যবস্থা, রিংওয়েল নতুবা ডিপটিওয়েলের কথাও জেলায় এবং এমপি মহোদয়কে অবগত করা হয়েছে, আরো করা হবে। যাহাতে দ্রুত কিভাবে সমস্যা সমাধান করা যায়।

রাঙামাটি পাসপোর্ট অফিস ও পৌরসভা কার্যালয়ে সাবেক মন্ত্রী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান এমপি’র আকস্মিক পরিদর্শন

বিলাইছড়িতে স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট সংকটে প্রায় ১৫ শত পরিবার 

 

সিএইচটি বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট, রাঙামাটি :

রাঙামাটির ২৯৯ নং আসনের সাংসদ সদস্য এ্যাড. দীপেন দেওয়ান এমপি মহদোয়ের রাঙামাটি পাসপোর্ট অফিস ও পৌরসভা কার্যালয় আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, পৌরসভার সাবেক মেয়র ও বিএনপি জেলা কমিটির সিনিয়র নেতা সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো, সাবেক কাউন্সসিলর মো: হেলাল উদ্দিন সহ বিএনপির নেতাকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাঙামাটির পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পাসপোর্ট জটিলতার সুবিধা-অসুবিধার ব্যাপারে খোঁজখবর নেন। এরপর পাসপোর্ট করতে আসা ব্যক্তিদের সাথে কথা বলেন এবং পাসপোর্ট জটিলতা নিরসনে কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

 

অপরদিকে, রাঙামাটির পৌর এলাকার জনসাধারণের গতিশীলতা ফেরাতে প্যানেল পৌর প্রশাসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে এমপি মহোদয় মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি রাঙামাটি পৌরসভাকে আধুনিকায়ন সহ পৌরবাসীদের সার্বক্ষণিক সেবা দেয়াসহ নানাবিধ বিষযের ওপর দিকনির্দেশনা দেন।

রাঙামাটি পৌরসভাকে আধুনিকায়ন করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর এবং জনগণের স্বার্থে দৌড়গড়ায় সেবা দিতে বিএনপি সরকার কাজ করে যাচ্ছেন বলে সাংসদ সদস্য এ্যাড. দীপেন দেওয়ান এমপি পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।

বাঘাইছড়িতে সরকারি আইনগত সহায়তা নিয়ে সচেতনতামূলক সভা

বিলাইছড়িতে স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট সংকটে প্রায় ১৫ শত পরিবার 

 

আনোয়ার হোসেন,
বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বাঘাইছড়ি উপজেলা মিনি কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাঙ্গামাটি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের আয়োজনে এবং বাঘাইছড়ি উপজেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সহযোগিতায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা সঞ্চয়ন চাকমার সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান। এতে উপস্থিত ছিলেন বিচারক এ এস এম ইমরান, চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার ও যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আমানত ইসলাম শাহীন, সিনিয়র লিগ্যাল জজ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ওমর আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি নিজাম উদ্দীন বাবু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নুর আলম, বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ নাছির উদ্দিন মজুমদার এবং বাঘাইছড়ি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন।

এ ছাড়া উপজেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা, আইনজীবী, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বাংলাদেশ লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে প্রদত্ত বিভিন্ন সেবা, সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা পাওয়ার যোগ্যতা, আবেদন করার পদ্ধতি, বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ ও সহায়তা গ্রহণের সুযোগ এবং মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা, আইনি পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টারের সেবা, আবেদনপত্র দাখিলের প্রক্রিয়া এবং সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা পাওয়ার জন্য আবেদনের নিয়ম সম্পর্কে উপস্থিতদের অবহিত করা হয়।

এ সময় অসচ্ছল, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে আইনগত সহায়তা প্রদানের কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

বক্তারা বলেন, অর্থের অভাবে কোনো নাগরিক যেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইডের সহায়তা নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

সভায় সরকারি আইনগত সহায়তা কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি অসচ্ছল ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে এ সেবা সহজে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য নন্দিতা দাশের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে উপজেলা যুবদল ও মহিলা দলের নেতৃবৃন্দ

বিলাইছড়িতে স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট সংকটে প্রায় ১৫ শত পরিবার 

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও বিলাইছড়ি উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য নন্দিতা দাশের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিলাইছড়ি উপজেলা যুবদল, উপজেলা মহিলা দল এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন যুবদলের নেতৃবৃন্দ।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নিজ কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন বিলাইছড়ি উপজেলা যুবদলের সভাপতি রেজাউল করিম রনি, উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী দিলু আরা বেগম, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শান্তি রায় চাকমা (রায়বাবু) এবং উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদা বেগম।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ওমর ফারুক (মনি), উপজেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি রত্না বেগম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ববিতা চাকমা, সদস্য প্রীতি তঞ্চঙ্গ্যা, যুবদলের সদস্য অধীর লাল চাকমা, ফারুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি যতীন তঞ্চঙ্গ্যা, সাধারণ সম্পাদক অংলা মার্মা, সাংগঠনিক সম্পাদক নিত্যলাল তঞ্চঙ্গ্যা, কেংড়াছড়ি ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. মনির হোসেন, সহ-সভাপতি মো. রফিক মীর, সদর ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক ইমন চাকমা, কেংড়াছড়ি ইউনিয়নের বিনয় ভূষণ চাকমা, মিলন চাকমা ও ফাক্কো চাকমাসহ উপজেলা মহিলা দল, সদর ইউনিয়ন যুবদল ও ফারুয়া ইউনিয়ন যুবদলের নেতৃবৃন্দ।

×