শিরোনাম:

আন্তর্জাতিক বিশ্বতানের এর উদ্যোগে আলোচনা সভা,সম্প্রীতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক বিশ্বতানের এর উদ্যোগে আলোচনা সভা,সম্প্রীতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন

বিশেষ প্রতিবেদক:

আজ ১৫ই মার্চ, ২০২৬ রবিবার বন্দর নগরী চট্টগ্রাম এর একটি অভিজাত রেস্তোরায় আন্তর্জাতিক বিশ্বতানের এর উদ্যোগে আলোচনা সভা,ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন হয়।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা, সংগঠক,সংগীত শিল্পী, মানবাধিকারকর্মী প্রভাষক নরেন সাহার সভাপতিত্বে আমিনূর রহমান নাহিদের সঞ্চালনায় এতে উদ্বোধক ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাননীয় ট্রাস্টি শ্রী দীপক কুমার পালিত ।প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি ইয়াসিন চৌধুরী লিটন। প্রধান আলোচক জাসাস পাঁচলাইশ থানার সভাপতি জি,এম, সাইদুর রহমান মিন্টু, সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক লায়ন এ এম মুন্না চৌধুরী, প্রধান বক্তা ছিলেন মহাসচিব দুর্নীতি বিরোধী সচেতন পরিষদ বাংলাদেশ সম্পাদক ও প্রকাশক প্রবাসী নিউজ টিভির মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটির আহ্বায়ক ছিলেন সিনিয়র উপদেষ্টা নাহিদা আক্তার নাজু ও সার্বিক সহযোগিতায় সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফারহানা আফরোজ। সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন মাইনূল হাসান অভি।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চসিক ছাত্র নেত্রী পূর্ণিমা রাধে, এ কিউ এম মোসলেহ উদ্দিন- প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব মনির আহমদ ফাউন্ডেশন, প্রভাষক চন্দ্র কুমার ধর,ক সহকারী শিক্ষিকা অনামিকা চক্রবর্তী, মানবাধিকার কর্মী ফাতেমা বেগম হেনা (তানিয়া), রাবেয়া সুলতানা সুমী, আইনজীবী ও নাট্যকর্মী মোহাম্মদ ফোরকান রাসেল।
আরো উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক বিশ্বতানের সভাপতির বন্ধুগন মাহি,রাশেদূল আলম, আকাশ, কমল, সঞ্জয়, সন্তোষ, পৃথ্বিরাজ প্রমুখ। আরো ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম সচিব শীলা মিত্র, অপর্ণা রায় চৌধুরী (সভাপতি), নিভু সেন (সাংগঠনিক সম্পাদক), সুপ্রিয়া দাশ (যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক), শিউলী বড়ুয়া,হৈমন্তী জুঁই, শ্রেয়া, আদি, অরুন্ধতী, দীপা গোমেজ সহ আন্তর্জাতিক বিশ্বতানের নারী শক্তি প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের পয়গাম নিয়ে মাহে রমজান আমাদের মাঝে আসে। রমজান এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ, তাৎপর্যপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ মাস, যাতে রাব্বে কারিমের পক্ষ থেকে রহমতের বারিধারা বর্ষিত হয়।
উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় আকাশ, জমিনের সব বরকতের দরজা।এ মাসে মোমিন বান্দাগণ সত্যিকারার্থেই হৃদয়ে এক অনাবিল সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি অনুভব করেন।
অনুভব করেন হৃদয়জুড়ে এক আত্নপ্রশান্তি, আত্নতৃপ্তির ঢেকুর। সৃষ্টি হয় মহান মালিকের সন্তুষ্টির পথে চলার অনুপ্রেরণা, উৎসাহ ও উদ্দীপনা।

মোমিনের দেহমনে প্রবাহিত হয় এক নৈসর্গিক হিমেল বাতাস। যার ছোঁয়ায় কঠোর ও পাষাণ হৃদয়ও নম্র,
শান্ত ও প্রশান্ত হয়ে যায়। মোমিনের স্মৃতিপটে উদ্ভাসিত হয় জান্নাতের অপরূপ, অভূতপূর্ব, মনোমুগ্ধকর নয়ানাভিরাম দৃশ্য। হৃদয়ের ক্যানভাসে ছবি অঙ্কিত হয় চিরসুখের বাসস্থান জান্নাতের চিত্রসমূহের। এসব মাহে রমজানের প্রভাব। রমজান ব্যক্তিজীবনকে সুশৃঙ্খল ও পরিপাটি করে। নিয়মানুবর্তিতার মধ্যে দিয়ে সব কাজ সম্পাদনে অভ্যস্থ হওয়া শেখায়। মানুষের আচার-আচরণ, চরিত্রে দেখা দেয় এক অভূবপূর্ব পরিবর্তন। পরিলক্ষিত হয় আল্লাহর আনুগত্যের দিকে বিরামহীন ভাবে ছুটে চলার দৃঢ় প্রত্যয়। মাহে রমজানে রোজাদার ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে অশ্লীলতা, বেহায়াপনা, নির্লজ্জতা, সুদ-ঘুষ ব্যভিচার সহ সব ধরনের পাপাচার থেকে নিজ কে পরিশুদ্ধ করে নেয়। রমজান মানুষকে ভ্রাতৃত্ববোধ শেখায়,ভালোবাসতে শেখায়।

বক্তারা আরো বলেন, আন্তর্জাতিক বিশ্বতান চট্টগ্রামের সংস্কৃতি অঙ্গনে স্বনামধন্য একটি প্রতিষ্ঠান। এই সংগঠন সংস্কৃতির উন্নয়ন ও বিকাশে গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা পালন করছে।সকল মতের সকল ধর্মের, সকল মানুষের ভালোবাসায় এই সংগঠন আগামীতে সুষ্ঠ সংস্কৃতি চর্চা ও বিকাশে অবদান রাখবে। এই ছাড়া ও ইফতার মাহফিলে মোনাজাত করা হয়।

সভাপতি এই সুন্দর আয়োজনে সকলের সার্বিক সহযোগিতা জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বাঘাইছড়িতে তেলের জন্য মোটরসাইকেল চালকদের ভিড়, বাড়ছে উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক বিশ্বতানের এর উদ্যোগে আলোচনা সভা,সম্প্রীতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন

 

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে জ্বালানি তেলের সংকট ঘিরে মোটরসাইকেল চালকদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন জ্বালানি তেলের পাম্পের সামনে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তেল সংগ্রহের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে শত শত মোটরসাইকেল চালককে। এতে করে পাম্প এলাকা ও আশপাশে সৃষ্টি হচ্ছে চরম ভোগান্তি ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তেলের সরবরাহ সীমিত থাকায় অনেকেই আগেভাগে এসে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। আবার কেউ কেউ একাধিকবার লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে প্রকৃত প্রয়োজন থাকা অনেকেই তেল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

পাম্প মালিকরা জানিয়েছেন, কিছু অসাধু মোটরসাইকেল চালক একাধিকবার তেল সংগ্রহ করে বাড়িতে মজুত করছেন। এর ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে এবং পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। তারা আরও বলেন,সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে এই সংকট নিরসন সম্ভব নয়।”

এদিকে, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকেই তেল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, সঠিক ব্যবস্থাপনা ও তদারকির অভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।

সচেতন মহল মনে করছেন, এভাবে পরিস্থিতি চলতে থাকলে যে কোনো সময় বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে অতিরিক্ত ভিড়, ধাক্কাধাক্কি এবং বিশৃঙ্খলার কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে।

এ অবস্থায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে নজরদারি বৃদ্ধি, সুষ্ঠু লাইন ব্যবস্থাপনা এবং তেল সরবরাহে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। একই সঙ্গে মজুতদারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

কাপ্তাইয়ে সুবিধাবঞ্চিত ও এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফোটালো ব্যতিক্রমী এক ইফতার মাহফিল

আন্তর্জাতিক বিশ্বতানের এর উদ্যোগে আলোচনা সভা,সম্প্রীতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে সুবিধাবঞ্চিত ও এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে কাপ্তাই ১০ শয্যা হাসপাতাল ও সামাজিক সংগঠন ‘কাপ্তাই ইয়ুথ ক্লাব’।

মঙ্গলবার (১৭ই মার্চ, ২৭শে রমজান) ১০ শয্যা হাসপাতাল (লক গেইট) প্রাঙ্গণে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে এই মানবিক কর্মসূচি সম্পন্ন হয়। টানা চতুর্থবারের মতো আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও সংগঠনের সকল সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় এতিম ও পথশিশুদের জন্য এই বিশেষ আয়োজনের ব্যবস্থা করা হয়। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন এবং কাপ্তাই উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি লোকনাথ আহমেদ, কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রুইহ্লা অং মারমা প্রমুখ।

কাপ্তাই ১০ শয্যা হাসপাতালের মানবিক ডা: এ কে এম কামরুল হাসান বলেন, “সমাজের অবহেলিত এতিম ও পথশিশুদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। কাপ্তাই ইয়ুথ ক্লাবের সহযোগিতায় এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এমন উদ্যোগ সামাজিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে।”

এসময় বক্তারা ডা: কামরুল হাসান এর মানবিক অবদানের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করে বলেন এতিম শিশুদের কল্যাণে এবং তাদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে পর্দার আড়াল থেকে নিরলসভাবে সহযোগিতা করে আসছেন। তার এই নিঃস্বার্থ সেবামূলক কার্যক্রম এলাকায় বেশ সমাদৃত।

ইফতারের আগ মুহূর্তে শিশুদের নিয়ে এক বিশেষ দোয়া মাহফিল পরিচালনা করা হয়। মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা এবং উপস্থিত শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সুস্থতা প্রার্থনা করেন বিএফআইডিসি জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আনোয়ার হোসেন সাইফি। এসময় কাপ্তাই ইয়ুথ ক্লাব সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার জিতু, ইয়ুথ লিডার রিয়াদ, তাহসিন, শুক্কুচদর, রাসেল, তানজিম, রাহাত,জিহান, রাফি, রাসেল,নিপু, গণমাধ্যম কর্মী সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

“পুণ্যস্নানে মেতেছে কাপ্তাই” «ভক্তি আর শ্রদ্ধায় শেষ হলো ঐতিহাসিক সীতামেলা

আন্তর্জাতিক বিশ্বতানের এর উদ্যোগে আলোচনা সভা,সম্প্রীতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে মধুকৃষ্ণ ত্রয়োদশী তিথি উপলক্ষে অত্যন্ত ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ঐতিহাসিক মহা বারুণী স্নান। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ভোর থেকেই প্রাগৈতিহাসিক তীর্থস্থান শ্রী শ্রী মাতা সীতা মন্দির সংলগ্ন কর্ণফুলী নদীর তীরে হাজার হাজার সনাতন ধর্মাবলম্বী পুণ্যার্থীর ঢল নামে।

ভোর হওয়ার সাথে সাথেই কর্ণফুলী নদীর শীতল জলে পুণ্য অর্জনের আশায় ভিড় জমাতে শুরু করেন ভক্তরা। চট্টগ্রামের পটিয়া, রাঙ্গুনিয়া এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের দূর-দূরান্ত থেকে আসা নারী-পুরুষ ও শিশুদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে ঐতিহাসিক চিৎমরম ইউনিয়নের (সীতাঘাট) এলাকা। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই তিথিতে গঙ্গা বা পবিত্র নদীতে স্নান করলে পাপমোচন ও পুণ্য অর্জিত হয়।

​স্নান শেষে ভক্তরা সীতামন্দির প্রাঙ্গণে পূজা-অর্চনা ও প্রার্থনায় অংশ নেন। দিনব্যাপী উৎসবের সূচিতে ছিল, শ্রীকৃষ্ণের নাম সংকীর্তনে মুখরিত ছিল মন্দির প্রাঙ্গণ, মন্দির সংলগ্ন এলাকায় ঐতিহ্যবাহী মেলার আয়োজন করা হয়।

উপস্থিত হাজারো ভক্তের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।স্নান করতে আসা কয়েকজন পুণ্যার্থী জানান, এই প্রাচীন তীর্থস্থানে এসে ধর্মীয় আচার পালনের পাশাপাশি পাহাড় ও নদীর মিশেলে এক স্বর্গীয় প্রশান্তি অনুভব করেন তারা।

ধর্মীয় অনুষ্ঠানটি কেবল একটি সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং এটি রূপ নিয়েছিল সব ধর্মের মানুষের মিলনমেলায়। মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি শ্রী সমলেন্দু বিকাশ দাশের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন।

​প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, “ধর্ম যার যার, উৎসব সবার—এই চেতনাকে ধারণ করেই আজকের এই বিশাল উপস্থিতি। কাপ্তাইয়ের এই ঐতিহাসিক সীতা মন্দির আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক জীবন্ত উদাহরণ।

“অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,  রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য বাবু দয়াল দাশসহ স্থানীয় বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। উৎসবকে ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পাহাড়ের এই জনপদে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের এক উজ্জ্বল চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে।

×