শিরোনাম:

দীর্ঘদিনের পানির সংকট নিরসনে ১২ মাইল ওয়াই জংশনে সুপেয় পানি সরবরাহ করলেন : এমপি সাচিং প্রু জেরী

দীর্ঘদিনের পানির সংকট নিরসনে ১২ মাইল ওয়াই জংশনে সুপেয় পানি সরবরাহ করলেন : এমপি সাচিং প্রু জেরী

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা প্রতিনিধি :

দীর্ঘদিন ধরে তীব্র সুপেয় পানির সংকটে ভোগা দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বান্দরবান- ৩০০ আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এমপি। তাঁর ব্যক্তিগত অর্থায়নে চিম্বুক রেঞ্জ এলাকায় সুপেয় পানি সরবরাহ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।

আজ (৭ মে) বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বান্দরবানে চিম্বুক ১২ মাইল ওয়াই জংশন বাজার এলাকায় পানি সরবরাহ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। এ সময় স্থানীয় বাজারবাসী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতাকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণীর পেশার মানুষ, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য, পুলিশ সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কারবারি, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী নামটু ম্রো জানান, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সুপেয় পানির তীব্র সংকট ছিল। নিরাপদ পানির অভাবে বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। অনেক সময় দূর-দূরান্ত থেকে পানি সংগ্রহ করতে হয়েছে।

স্থানীয় আরেকজন বাজারবাসী মোঃ রিফাত বলেন, বহু বছর ধরে এই এলাকায় স্থায়ী কোনো পানি সরবরাহ লাইন স্থাপন করা হয়নি। বর্তমানে এমপি মহোদয় যে উদ্যোগ নিয়েছেন, এতে আমরা অনেক উপকৃত হয়েছি। আমরা তাঁর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। পাশাপাশি সরকারি ভাবে স্থায়ী পানি সরবরাহ ব্যবস্থারও দাবি জানাচ্ছি।

স্থানীয় বাজার কমিটির সভাপতি সাংখাম ম্রো জানান, এমপি সাচিং প্রু জেরীর উদ্যোগে প্রতি ৩ দিন পরপর এলাকায় পানি সরবরাহ করা হবে। এতে বাজারবাসী ও স্থানীয় এলাকা থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরাও সুপেয় পানির সংকটে কিছুটা হলেও নিরসন হবে।

এ সময় এমপি সাচিং প্রু জেরী নিজ হাতে স্থানীয় মানুষের মাঝে পানি বিতরণ করেন এবং পাহাড়ি জনপদের মানুষের সুপেয় পানির কষ্ট লাঘবে ভবিষ্যতেও কাজ করার আশ্বাস দেন।

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বাঘাইছড়িতে আলোচনা সভা

দীর্ঘদিনের পানির সংকট নিরসনে ১২ মাইল ওয়াই জংশনে সুপেয় পানি সরবরাহ করলেন : এমপি সাচিং প্রু জেরী

 

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

‎মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎“সচেতন যুব সমাজ”-এর আয়োজনে রবিবার (১০ মে) সন্ধ্যায় কাচালং বাজার এলাকায় এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে মাদক ও সন্ত্রাসের ভয়াবহতা তুলে ধরে যুবসমাজকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

‎এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আবুল কালাম আজাদ, বাঘাইছড়ি থানা-র এসআই মো. রাকিবুল হাসান ও এসআই রিয়াজুল ইসলাম রানা। এছাড়াও শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সচেতন যুব সমাজের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

‎বক্তারা বলেন, সমাজ থেকে মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার কোনো বিকল্প নেই। এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও জানান আয়োজকরা।

খাগড়াছড়িতে নিখোঁজ বাঘাইছড়ির শাহাদাত হোসেন রাতুল

দীর্ঘদিনের পানির সংকট নিরসনে ১২ মাইল ওয়াই জংশনে সুপেয় পানি সরবরাহ করলেন : এমপি সাচিং প্রু জেরী

 

‎বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

‎খাগড়াছড়িতে কর্মরত রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার মুসলিম ব্লক গ্রামের যুবক শাহাদাত হোসেন রাতুল (২২) গতকাল রাত আনুমানিক ৯টার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাননি। ‎

‎পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ তাকে খাগড়াছড়ির “আল্লাহর দান হোটেল” এর পাশে এস এ পরিবহন সংলগ্ন এলাকায় দেখা গেছে। এরপর থেকেই তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়স্বজন কিংবা কর্মস্থলের কারো সাথেও তার কোনো যোগাযোগ নেই। ‎নিখোঁজ রাতুল খাগড়াছড়িতে আরএফএল গ্রুপ কোম্পানিতে চাকরি করতেন। পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, গত পরশু তিনি বাড়ি থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং গতকাল দুপুর ৩টার দিকে বাবার সঙ্গে সর্বশেষ ফোনে কথা বলেন। ‎ ‎

এবিষয়ে খাগড়াছড়ি আরএফএল গ্রুপের জোনাল ম্যানেজার মোঃ সাইফুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান,“রাতুল গত পরশু মারিশ্যা এলাকায় রোড ডিউটিতে ছিল। গতকাল সন্ধ্যায় অফিসে আসার কথা থাকলেও সে আসেনি। আজ সকালে তার মহালছড়িতে রোড ডিউটি ছিল। সকালের গ্রুপ মিটিংয়েও সে উপস্থিত ছিল না। গ্রুপে মেসেজ দেওয়া হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তার বাবা জানান, রাতুল গতকালই বাড়ি থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে বের হয়েছে”। ‎ ‎নিখোঁজ যুবকের পিতার নাম জিয়াউর হক জিয়া। তাদের বাড়ি বাঘাইছড়ি উপজেলার মুসলিম ব্লক গ্রামে। ‎

পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের কাছে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে, যদি কেউ শাহাদাত হোসেন রাতুলের সন্ধান পেয়ে থাকেন বা তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জেনে থাকেন, তাহলে দ্রুত নিচের নাম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে— 01882590756 / 01635193243

বর্ণিল আয়োজনে নন্দপাল ভান্তের ৭৪তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন

দীর্ঘদিনের পানির সংকট নিরসনে ১২ মাইল ওয়াই জংশনে সুপেয় পানি সরবরাহ করলেন : এমপি সাচিং প্রু জেরী

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

দীঘিনালায় বর্ণিল আয়োজনে ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বিশিষ্ট বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু পরম পুজ্য সাধনানন্দ মহাস্থবির বনভান্তের শিষ্য সংঘের প্রধান ভারত বাংলা ধর্ম প্রচারক শ্রদ্ধেয় নন্দপাল মহাস্থবির ভান্তের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে দুইদিনব্যাপী ধর্মীয় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার ৯ মে ২০২৬ প্রথম দিনে দিনব্যাপি অনুষ্টানে বিকেলে দিঘীনালা বন বিহার থেকে একটি ধর্মীয় শোভাযাত্রা বের করে দিঘীনালা বাবুছড়া মেইন সড়ক প্রদক্ষিন করে বিহারে এসে সমাপ্তি ঘটে। এর পর শ্রদ্ধেয় নন্দপাল ভান্তের উপস্তিতে ৮৪ হাজার প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করা হয়।

রবিবার ১০ মে দ্বিতীয় দিনে ভোর সকালে বুদ্ধ পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে শ্রদ্ধেয় নন্দপাল ভান্তের ৭৪তম জম্মদিন উপলক্ষে পরম পুজনীয় নন্দপাল ভান্তের কেক কেটে শুভ উদ্বোধন করেন।

এর পর সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ভিক্ষু সংঘকে মঞ্চে নিয়ে উদ্বোধনী সংগীতের মধ্যদিয়ে ধর্মীয় আনুষ্টানিকতা শুরু হয়।

অনুষ্টানে বুদ্ধ মুর্তিদান, সংঘ দান, অষ্টপরিস্কার দান, মহা সংঘ দানসহ নানা ধানের যোগ্য আয়োজন করা হয়।

অনুষ্টানে প্রদান ধর্মীয় আলোচক হিসেবে উপস্তিত ছিলেন দিঘীনালা বন বিহারের আজীবন অধ্যক্ষ শ্রদ্ধেয় নন্দপাল মহাস্থবির ভান্তের বিমুক্তিপুর ভাবনা কুঠিরের অধ্যক্ষ প্রিয়া নন্দ মহাস্থবির ভান্তে, দেব ডাম্মা মহাথের ধুতাঙ্গটিলা বন বিহার, বুদ্ধ বংশ মহাস্থবির ভান্তে দিঘীনালা সাধনাটিলা বন বিহার, এছাড়াও বিভিন্ন শাখা বন বিহার থেকে ৮৯ জন বৌদ্ধ ভিক্ষু উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্টানে বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ২নং বোয়ালখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চয়ন বিকাশ চাকমা, ৩নং কবাখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেস চাকমা ও বাবুছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গগন বিকাশ চাকমাসহ ভিবিন্ন পেশা শ্রেনীর সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্টানে ৩নং কবাখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেস চাকমা বলেন, ভদন্ত নন্দপাল ভান্তে দীর্ঘদিন ধরে মানবকল্যাণ, নৈতিক শিক্ষা ও বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তাঁর আদর্শ তরুণ সমাজকে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনে অনুপ্রাণিত করছে।

অনুষ্ঠানে আগত ভক্তরা বলেন, এমন আয়োজন ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে। উৎসবমুখর পরিবেশে নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জন্মবার্ষিকী উদযাপন হওয়ায় এলাকায় আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়।

শেষে দেশ, জাতি ও বিশ্ব শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে দুইদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

×