| ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

কাবিটা প্রকল্পের অনিয়মের অভিযোগ, আড়াই লাখ টাকার কাজ ১৫ হাজার টাকায় সম্পন্নের দাবি

কাবিটা প্রকল্পের অনিয়মের অভিযোগ, আড়াই লাখ টাকার কাজ ১৫ হাজার টাকায় সম্পন্নের দাবি

 

রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের রুমা উপজেলার পাইন্দু ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে কাবিটা (কাবিখা) প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, আড়াই লাখ টাকার একটি প্রকল্পের কাজ মাত্র ১৫ হাজার টাকায় করিয়ে প্রকল্পের অর্ধেক অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে এবং আগামী ৩০ জুনের আগে অবশিষ্ট অর্থ বা চূড়ান্ত বিল উত্তোলনের প্রক্রিয়া চলছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, এলিম-ছাংডালা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খেলার মাঠ সংস্কার নামে প্রকল্পটির জন্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে খেলার মাঠ সংস্কারের পরিবর্তে ছাংডালা পাড়ার একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জমিতে ঝোপঝাড় পরিষ্কারের কাজ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে পাইন্দু ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি অংখ্যাইসা মার্মার বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দা আছোমং মার্মা ও উচথোয়াই মার্মা জানান, মেম্বার অংখ্যাইসা মার্মা পাড়াবাসীকে জানিয়েছিলেন প্রকল্পের বরাদ্দ মাত্র ৩০ হাজার টাকা। প্রকল্পের প্রকৃত নাম, বরাদ্দ কিংবা কী কাজ করা হবে সে বিষয়ে কখনোই এলাকাবাসীকে অবহিত করা হয়নি। আছোমং মার্মা বলেন, খেলার মাঠ সংস্কারের কথা বলে এক সপ্তাহ আগে মেম্বার অংখ্যাইসা মার্মা আমাকে ১২ হাজার টাকা দেন।

কোথায় কাজ করতে হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যেখানে সুবিধা হয় সেখানে কাজ করে ছবি তুলে দিতে। তার ভাষ্যমতে, মেম্বারের নির্দেশনা অনুযায়ী বৌদ্ধ বিহারের জমির খালি স্থানে ১২ জন নারী-পুরুষ মিলে একদিন ঝোপঝাড় পরিষ্কারের কাজ করেন। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার অংখ্যাইসা মার্মার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. কাউসার বলেন, অধিকাংশ প্রকল্পের বিপরীতে এখনো চূড়ান্ত বিল দেওয়া হয়নি। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেসব প্রকল্পের কাজ বাস্তবে সম্পন্ন হয়নি, সেগুলোর বিল প্রদান না করে অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হবে।

স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রকল্পের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

সেনাবাহিনী পিক-আপ ভ্যানের সাথে ঔষধ কোম্পানী কাভার ভ্যানের সংঘর্ষ

কাবিটা প্রকল্পের অনিয়মের অভিযোগ, আড়াই লাখ টাকার কাজ ১৫ হাজার টাকায় সম্পন্নের দাবি

 

মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম সড়কের মানিকছড়ি উপজেলার মহামুনি টিলায় সেনাবাহিনীর একটি পিক-আপ ভ্যানের সাথে অ্যারিস্টো ফার্মা ঔষধ কোম্পানির একটি দ্রুতগতির কাভার ভ্যানের সংঘর্ষের ঘটনায় ঘটেছে। সোমবার (২২ জুন) সকালে এ দূর্ঘটনা ঘটে। এতে দুটির গাড়ি সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

জানা গেছে, সেনাবাহিনীর পিকআপ ভ্যানটি (নম্বর- ৯০৩৯) নয়াবাজার আর্মি ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে মহামুনি টিলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা খাগড়াছড়ি গামী অ্যারিস্টোফার্মা ওষুধ কোম্পানির দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যান (ঢাকা মেট্রো-ম-১১-৭৭৩৬) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং সেনাবাহিনীর গাড়িটিকে সরাসরি সামনে থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এ দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনীর পিকআপে থাকা একজন আনসার সদস্য এবং অ্যারিস্টোফার্মা কোম্পানির একজন এসআর (সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ) সামান্য আহত হয়েছে।

ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ও নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। দুর্ঘটনার কারণে মহাসড়কে কিছুক্ষণ যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

বাঘাইছড়িতে অবৈধ বালু উত্তোলনে দুই ব্যক্তিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

কাবিটা প্রকল্পের অনিয়মের অভিযোগ, আড়াই লাখ টাকার কাজ ১৫ হাজার টাকায় সম্পন্নের দাবি


‎আনোয়ার হোসেন,
‎বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

‎রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার মারিশ্যা ইউনিয়নে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে দুই ব্যক্তিকে মোট ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরিবেশ সংরক্ষণ ও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষায় পরিচালিত এ অভিযানে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের বিষয়টি আবারও স্পষ্ট হয়েছে।

‎সোমবার (২২ জুন) দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফজলে রাব্বির নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। এসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থেকে অভিযানে সহযোগিতা করেন।

‎প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মারিশ্যা ইউনিয়নের বিভিন্ন নদী ও ছড়া থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে ঘটনাস্থলে গিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনের সত্যতা পাওয়া যায়।

‎পরে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী দুটি পৃথক মামলায় অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য তাদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়।

‎উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফজলে রাব্বি বলেন, “সরকারি আইন অমান্য করে কেউ যেন নদী বা প্রাকৃতিক উৎস থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। পরিবেশবিধ্বংসী এ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে আরও নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

‎প্রশাসনের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, জনস্বার্থ, পরিবেশ সুরক্ষা এবং নদী রক্ষার স্বার্থে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে। ফলে অবৈধ বালু উত্তোলনসহ পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নজরদারি ও আইনগত ব্যবস্থা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

রাজস্থলীতে নারীর প্রতি সহিংসতা রুখতে সচেতনতামূলক কর্মশালা সভা

কাবিটা প্রকল্পের অনিয়মের অভিযোগ, আড়াই লাখ টাকার কাজ ১৫ হাজার টাকায় সম্পন্নের দাবি

 

চাইথোয়াইমং মারমা, বিশেষ প্রতিবেদক :

রাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে কম্প্রিহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগ্রাম (সিসিএইচপি)-এর উদ্যোগে “নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা” অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার(২২ জুন) দুপুর ১ টায় রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যলয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজস্থলী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ রায়হানুল ইসলাম।

অনুষ্টানে সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিএইচসি ও সিএলসি, কাপ্তাই-এর পরিচালক ডাঃ প্রবীর খিয়াং, কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন, কম্প্রিহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগ্রামের প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিজয় মারমা। কর্মশালায় মূল বিষয়বস্তুর ওপর তথ্যসমৃদ্ধ প্রেজেন্টেশন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ রায়হানুল ইসলাম বলেন, “নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে কেবল আইন দিয়ে নয়, বরং পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারীদের অধিকার রক্ষা এবং সুরক্ষায় এ ধরনের কর্মশালা কার্যকর ভূমিকা রাখবে।”

​অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার লিজা চাকমা সাংবাদিক আজগর আলী খান, সুমন খান, হাবীবিল্ল্যা মিজবা, উচাপ্রু, চাথোয়াইমং মারমা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শান্তি প্রিয় চাকমা এছাড়া স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, হেডম্যান, মেম্বার, কার্বারি (গ্রাম প্রধান), বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মী এবং স্থানীয় নারী ও পুরুষ প্রতিনিধিরা কর্মশালায় অংশ নেন। ​মুক্ত আলোচনায় বক্তারা পাহাড়ি ও সমতল অঞ্চলে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিয়ে রোধ এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার মাধ্যমে নারীর প্রতি সহিংসতা কমিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে কম্প্রিহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগ্রাম (সিসিএইচপি)-এর উদ্যোগে “নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা” অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) দুপুর ১ টায় রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যলয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজস্থলী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ রায়হানুল ইসলাম।

অনুষ্টানে সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিএইচসি ও সিএলসি, কাপ্তাই-এর পরিচালক ডাঃ প্রবীর খিয়াং, কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন, কম্প্রিহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগ্রামের প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিজয় মারমা। কর্মশালায় মূল বিষয়বস্তুর ওপর তথ্যসমৃদ্ধ প্রেজেন্টেশন করা হয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ রায়হানুল ইসলাম বলেন, “নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে কেবল আইন দিয়ে নয়, বরং পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারীদের অধিকার রক্ষা এবং সুরক্ষায় এ ধরনের কর্মশালা পরিচালনা কার্য্যকর ভূমিকা রাখবে।”

​অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার লিজা চাকমা সাংবাদিক আজগর আলী খান, সুমন খান, হাবীবিল্ল্যা মিজবা, উচপ্রু, চাইথোয়াইমং মারমা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শান্তি প্রিয় চাকমা এছাড়া স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, হেডম্যান, মেম্বার, কার্বারি (গ্রাম প্রধান), বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মী এবং স্থানীয় নারী ও পুরুষ প্রতিনিধিরা কর্মশালায় অংশ নেন। ​মুক্ত আলোচনায় বক্তারা পাহাড়ি ও সমতল অঞ্চলে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিয়ে রোধ এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার মাধ্যমে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ কমিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ বিস্তারিত আলোচনা করেন।

×