শিরোনাম:

বিলাইছড়ির ফারুয়া ইউনিয়নে বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে শিম চাষ, এবারেও ভাগ্যে বদলে দিতে পারে

বিলাইছড়ির ফারুয়া ইউনিয়নে বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে শিম চাষ, এবারেও ভাগ্যে বদলে দিতে পারে

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি ফারুয়া ইউনিয়নের বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে এবারেও বিভিন্ন জাতের শিম চাষ করছে কৃষকেরা। গত বছরের ন্যায় উপজেলা থেকে ফারুয়া নৌ-পথে যাওয়া সময় রাইংখ্যং খালের দুই-দ্বারে নিজ ও পতিত জমিতে শত শত একর জায়গায় চাষ করেছে এইসব শিম। তবে চাষ করছে অন্যান্য সবজিও। সবুজ ফসলের বিপ্লব ঘটিয়েছে এখানকার কৃষকেরা। সবচেয়ে বেশি চাষ করেছে শীতকালীন এই গিল শিম। প্রতিবছর চাষ করলেও এবছরে চাষ করেছে আনাচে – কানাচে প্রায় সব জায়গাতেই। অনেকে বলছেন শিম চাষে ভাগ্য বদলে দিতে পারে এখানকার মানুষের জীবনযাপন। খুঁটির মধ্যে বেঁধে দিয়ে সে-ই খুঁটি প্যাচিয়ে ঝোঁপঝাড় হয়ে সেই ঝোঁপে অনেক শিম ধরে।

সরেজমিনে দেখতে গেলে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি চাষ করছে ফারুয়া ইউনিয়নে। না দেখলে কোনো দিনও বুঝা যাবে না যে, এত শিম চাষ করেছে সেখানে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে হতে পারে বাম্পার ফলন। পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকরা। ফারুয়া ইউনিয়নে চাষ করেছে চাইন্দা,উলুছড়ি, তক্তানালা, গো- ছড়া, চ-ছড়ি, ফু-ছড়া, রোয়াপাড়া ছড়া, আমকাটাছড়া, ওরাছড়ি, আবইমারা, যামুছড়া, লিত্তিছড়ি, গোয়াইনছড়ি, এগুজ্যাছড়ি, তারাছড়ি, যমুনাছড়ি, শুক্কুরছড়ি উপরে এলাকা সহ প্রায় এলাকাতে। তবে চাষ করা হয়েছে বিলাইছড়ি ইউনিয়নে কিছু কিছু এলাকাও।

বেশ কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা জানান এই সিজনে প্রায় সব জমিতে শিম চাষ করা হয়েছে। পাশাপাশি বাদাম, সবজি চাষও করা হয় তলে তলে। এখনো অবস্থা ভালো রয়েছে। যদি রোগবালাই না হয় তাহলে গত বছরের মতো এবারেও বেশি ফলন ঘরে আসবে।

তারা আরও জানান, ডিলার বা বাজার থেকে বীজ ক্রয় না করে নিজ জমিতে উঠা সবচেয়ে ভালো বীজগুলো পরবর্তী বছরে জন্য সংগ্রহ করে রাখেন। কৃষি অফিস থেকেও সহযোগিতা দিয়ে থাকে। তবে সবচেয়ে বেশি স্থানীয়দের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়। রোগ-বালাই দমনের প্রয়োজন হলে কৃষি অফিসের সহযোগিতা নিয়ে ওষুধ প্রয়োগ করা হবে। কৃষি অফিসাররা মাঝে মধ্যে আসেন বলেও জানান তারা।

এগুয়াছুঁই এলাকার জীবন তঞ্চঙ্গ্যা জানান, এই শিমের বীজগুলো অন্য ফসলের চেয়ে আগে তুলতে পারি এবং একটু বেশি দামে বিক্রি করি। যা সহজে পঁচে না বলে এখানকার লোকেরা বেশি এই চাষ করেছে। তাছাড়াও যোগাযোগ ব্যবস্থা একটু উন্নতি হওয়ায় সহজে শহর থেকে ব্যবসায়ীরা নিজ এলাকায় এসে দর-দাম করে নিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, আগে তামাক চাষ করলেও উপজেলা কৃষি অফিস ও এনজিও’র পরামর্শ ও সহযোগিতায় বেশ কয়েক বছর ধরে এই শিম ও সবজি চাষ করছি। এবং বেশ লাভবান হয় বলে শিম চাষে আগ্রহ বাড়ছে। ইদুঁরের উপদ্রব কম।

এছাড়াও বিভিন্ন এলাকা চাষীরা জানান, অবস্থা ভালো রয়েছে। তাছাড়া পরামর্শের জন্য দায়িত্বপ্রাস্ত কৃষি অফিসাররা যাতে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করে। সে বিষয়ে গণমাধ্যমের সহযোগী কামনা করছি।

৩নং ফারুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা জানান, আজ থেকে ২০ বছর আগে এই জায়গাগুলো যেদিকে তাকাই না কেন দুকুল জুড়ে শুধু নল খাগড়া আর নল খাগড়া। পরে তামাক কোম্পানিরা নল খাগড়া ধ্বংস করে তামাক চাষ করতো। এরপরে তামাক চাষকে নিস্তেস ও নিরুৎসাহিত করা হলে তামাকের পরিবর্তে মানুষেরা কিছু কিছু এ-ই শিম ও অন্যান্য সবজি চাষ করতো। তিনি আরও জানান,পর্যায়ক্রমে এই শিমের বিচি বা বীজগুলো বেশ বাজার জাত ও বিক্রয়ে চাহিদা এবং পুষ্টিগুণ বেশি থাকায় দিনদিন চাষে আগ্রহ বেড়েছে। প্রতিবছরের ন্যায় এবছরেও ব্যাপকভাবে চাষ করেছে। এছাড়াও এই এলাকা সাধারণ মানুষের একমাত্র আয়ের উৎস হচ্ছে শিম চাষ। সীমান্ত সড়ক হওয়াতে সহজে পরিবহন ও বিক্রি করতে পারে।

সম্প্রতি পরিদর্শনে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ ওমর ফারুক জানান, গিল শিম ৭৮, চিনাবাদাম ৬৫, সবজি ২২৬, ফরাস শিম ৩০ হেক্টর মত জয়গায় চাষ করছে। আমাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি অফিসাররা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তাছাড়া আমরা জনবল একটু কম, থাকার কথা ১২ জন, রয়েছে মাত্র ৫ জন। যদি কোনো সমস্যা হয় তাহলে কৃষি অফিসে যোগাযোগ করলে আমরা সাথে সাথে পদক্ষেপ নিবো।

তিনি আরও জানান, পাহাড়ে চলছে এক নীরব কৃষি বিপ্লব। যেখানে একসময় কৃষি বলতে কেবল তামাক চাষকে বোঝাত, সেখানে এখন কৃষির যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে, তা নিজ চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। বর্ষাকালে একসময় যে ভূমি পানিতে তলিয়ে থাকত, তা যেন আজ নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। শিম ও বাদাম চাষ যেমন প্রকৃতির রূপ-লাবণ্যকে সমৃদ্ধ করছে, তেমনি পাহাড়ের অর্থনীতিতে নিয়ে আসছে অভাবনীয় প্রবৃদ্ধি। খুব কাছ থেকে দেখে আসলাম এই কৃষি বিপ্লব।

এদিকে, কৃষক ভাইদের সাথে আলাপচারিতায় উঠে এলো উৎপাদিত পণ্যের বাম্পার ফলন সত্ত্বেও বাজারজাতকরণের নানা অসুবিধার কথা। ​আমরা গিয়েছিলাম বিলাইছড়ির ফারুয়া ইউনিয়নে, যেখানে কোনো মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই। অথচ সেই দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়নে কৃষির এই বিপ্লব যেন সমতলের কৃষিকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা জাগিয়েছে। ধন্যবাদ জানাতে চাই আমাদের মান্যবর উপজেলা কৃষি অফিসার রাজেশ প্রসাদ রায় স্যারকে, যিনি এত সুন্দর একটি সফরের আয়োজন করেছেন। তিনি খুব কাছ থেকে কৃষকদের সমস্যার কথা শুনেছেন এবং তাৎক্ষণিক সমাধানের পাশাপাশি বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

আরও কৃষি কর্মকর্তা রাজেশ প্রসাদ রায় জানান, প্রত্যেক সিজনে প্রণোদনা দিয়ে থাকি। উঠান বৈঠক করা হয়েছে। সেগুন গাছকে আমরা নিরুৎসাহিত করছি। কারণ সেগুন গাছ পানির শোষণ ক্ষমতা বেশি। যা দীর্ঘমেয়াদী এবং পানি উৎসকে ধ্বংস করে। পানির স্তরকে নীচে নামিয়ে ফেলে। ১৮ ইঞ্চি একটি চারা ২ দিনে ১ কাপ পানি শোষণ করতে পারে। যার ফলে পানির উৎস না থাকলে পাহাড়ের ডালে বসবাসের অনুপযোগী হবে। সেজন্য ফলজ, বনজ ঝোপঝাড় বৃক্ষ ও শাক- সব্জি চাষ করলে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকে। অর্থনৈতিকভাবেও স্বাবলম্বী হওয়া যায়।তার প্রমাণ দেখিয়েছেন ফারুয়ার কৃষকরা।

আলীকদমে আদালতের আদেশ অমান্য করে পাহাড় কেটে ঘর নির্মাণের অভিযোগ পারুলে বিরুদ্ধে

বিলাইছড়ির ফারুয়া ইউনিয়নে বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে শিম চাষ, এবারেও ভাগ্যে বদলে দিতে পারে

 ‎

আলীকদম প্রতিনিধি, ‎বান্দরবান (আলীকদম) প্রতিনিধি:

‎বান্দরবানের আলীকদমে ২ন চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের সিরাজ কারবারী পাড়া এলাকায় আদালতের রায় অমান্য করে এক নারীর ক্রয়কৃত জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে পারুল বেগমের বিরুদ্ধে। ‎বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারী) অভিযোগকারী শাহেনা বেগম (৩৫) জানান, পারুল বেগমের লোকজন গায়ের জোরে আমার ক্রয়কৃত জমিতে জোরপূর্বক ভাবে পাহাড় কেটে ঘর নির্মাণের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং প্রতিবাদ করায় তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। ‎ভুক্তভোগী শাহেনা বেগম আলীকদম উপজেলার ২নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ওবাইদুল হাকিম পাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

তিনি জানান, ২৮৯নং চৈক্ষ্যং মৌজায় তার মৃত মায়ের নামীয় হোল্ডিং নং–৫০৭ এর অধীন ০.৭০ একর জমি তিনি ২০১৮ সালে রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে বৈধ ভাবে ক্রয় করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। ‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, একই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা পারুল বেগম, মোঃ দারুসালাম, মোঃ বেলাল উদ্দিন, নুর বেগম ও লোকমান দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি দখলের চেষ্টা করে আসছে। এ ঘটনায় পূর্বে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, বান্দরবানে সি আর নং–৬৬/২০২০ মামলা দায়ের করা হলে আদালত অভিযোগকারীর পক্ষে রায় প্রদান করেন। তবে আদালতের রায় অমান্য করে গত ৬ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ৮টার দিকে অভিযুক্তরা পুনরায় গায়ের জোরে জমিতে প্রবেশ করে পাহাড়ের মাটি কেটে ঘর নির্মাণের প্রস্তুুতি নেয় বলে অভিযোগ করেন শাহেনা বেগম। এ সময় তিনি বাধা দিলে অভিযুক্তরা দা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার ওপর হামলার চেষ্টা করে। প্রাণভয়ে তিনি দৌড়ে পালিয়ে গিয়ে বাড়িতে আশ্রয় নেন।

‎শাহেনা বেগম আরও জানান, অভিযুক্তরা এলাকার প্রভাবশালী ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির হওয়ায় তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। যে কোনো সময় তার জানমালের ক্ষতি হতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং যে কোনো সময় শৃঙ্খলা শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান। ‎

আদালতের রায় অমান্য করে জমি দখলের পাহাড় কেটে বাড়ি নির্মাণের বিষয়ে পারুল বেগমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২৮৯নং চৈক্ষ্যং মৌজায় আমাদের মৃত মায়ের নামীয় হোল্ডিং নং–৫০৭ এর অধীনস্থ ভোগদখলীয় জমি। এখানে আমরা চার (৪) বোন সবাই ইসলামিক শরীয়া মোতাবেক জমি ভাগ বণ্টন করি সবাই। এখানে আমার বিরুদ্ধে যে পাহাড়/জমি দখলের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণতা মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি। ‎

এই বিষয়ে জানতে চাইলে আলীকদম থানার এস.আই মো. আবু সাঈদ বলেন, কোর্টের আদেশ অমান্য করে কাজ না করতে বলা হয়েছে। এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে উভয় পক্ষ কে শান্ত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান।

কৃষিতে অবদান রাখায় জলপাই চাষিদের সংবর্ধনা

বিলাইছড়ির ফারুয়া ইউনিয়নে বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে শিম চাষ, এবারেও ভাগ্যে বদলে দিতে পারে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, লংগদু :

রাঙ্গামাটির দুর্গম লংগদু উপজেলায় প্রথমবারের মত উন্নতজাতের জলপাই বীজ আবিস্কারের মাধ্যমে বাগান মালিকদের আয়ের নতুন পথ সৃষ্টি করায় এবং কৃষিতে বিশেষ অবদান রাখায় এরশাদ মাস্টার সহ ৬ জনকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারী) বিকালে গুলশাখালী চৌমুহনী বাজারে ফল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির আয়োজনে সভাপতি ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

নাভিজাতের উন্নতমানের জলপাই বীজ চারা রোপন করে সফল হয়েছেন এমন ছয়জন সফল জলপাই চাষীকে সমিতির পক্ষ হতে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু নাছের, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুর রহিম, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জহুরুল হক মিলন এবং সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল সহ এলাকার বাগান মালিকরা।

উন্নতজাতের জলপাই চাষি এরশাদ মাস্টার বলেন, আমি সবসময় নানারকম ফসলাদি নিয়ে নতুনত্ব খুঁজি। যেন এলাকার মানুষের জন্য নতুন কিছু দেওয়া যায়, যা দিয়ে এখানকার চাষীরা সফল হবে। তারই ধারাবাহিকতায় জলপাই চাষকে আরও প্রসারিত করতে ২০০৬ সালে এ বীজের বিশেষত্ব বের করি। দীর্ঘ পাঁচবছর নিজেই পর্যবেক্ষণ করে, ২০১১ সালে চারা আকারে বাজারজাত করি। পরে অনেকেই জলপাই চাষে সফল হয়েছেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জলপাই চাষে শুধু কৃষকরাই সফল হয়েছে বিষয়টা এমন নয়, জলপাই যেহেতু উঁচু নিচু সকল জায়গায় চাষ করা হয়, তাই পাহাড়ি অঞ্চলের মাটি ভাঙ্গা রোধ, অনাবাদি জায়গায় চাষ করা সহ নান উপকার হচ্ছে। তাই সকলকে উন্নত জাতের জলপাই চাষের জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে।

শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের রোডম্যাপ কাপ্তাইয়ে সাংবাদিকদের সাথে জোন কমান্ডারের বৈঠক

বিলাইছড়ির ফারুয়া ইউনিয়নে বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে শিম চাষ, এবারেও ভাগ্যে বদলে দিতে পারে

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিথি :

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পার্বত্য অঞ্চলের জনমনে স্বস্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে কাপ্তাই ও রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর বিশেষ টহল ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে কাপ্তাই সেনা জোনের উদ্যোগে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানান জোন কমান্ডার। ​

কাপ্তাই সেনা জোনে আয়োজিত এই সভায় কাপ্তাই ও রাজস্থলী উপজেলার কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ নাজমুল কাদির শুভ, পিএসসি বলেন, নির্বাচনের সময় যেকোনো ধরনের সহিংসতা, নাশকতা ও অবৈধ কর্মকাণ্ড রোধে কাপ্তাই ও রাজস্থলীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে সেনাবাহিনীর বিশেষ টহল শুরু হয়েছে। ​অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান পাহাড়ের শান্তি-শৃঙ্খলার স্বার্থে অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা হয়েছে। এই অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে।

নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা এড়াতে এলাকায় পরিচয়পত্র বিহীন বহিরাগত ব্যক্তিদের গতিবিধি কড়া নজরদারিতে রাখা হবে। ​জনমনে স্বস্তি ফেরানোর লক্ষ্যে ​জোন কমান্ডার আরও উল্লেখ করেন যে, সাধারণ মানুষ যাতে নির্ভয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে, সেজন্য সেনাবাহিনী সর্বদা তৎপর রয়েছে। তিনি যেকোনো ধরনের গুজব বা নাশকতামূলক কাজের তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। ​

উক্ত মতবিনিময় সভায় স্থানীয় সাংবাদিকরা এলাকার আইনশৃঙ্খলার সার্বিক বিষয়ে জোন কমান্ডারের সাথে আলোচনা করেন এবং নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

×