বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম:

বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে কলা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন চাষিরা !

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:২৫ পিএম
5 বার পড়া হয়েছে
বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে কলা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন চাষিরা !

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে অনাবাদি জমিতে বেড়েছে কলা চাষ। স্বল্প খরচে অধিক লাভ হওয়ায় কলা চাষে ঝুঁকছেন চাষিরা। কলার ফলন ও বাজার দর ভালো হওয়ায় হাসি ফুটছে চাষিদের মুখে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, বাঘাইছড়ি সাজেক ও বঙ্গলতলি ইউনিয়ন ১২০ একর জমিতে কলা চাষ হয়েছে। সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে সাজেক ইউনিয়নের গঙ্গারাম ও শুকনোছড়া এলাকায়।

সাজেক ইউনিয়নের বাঘাইহাট বামে বাইবাছড়া গ্রামের কলাচাষি জ্ঞান চাকমা বলেন, ৩ বছর আগে ৩০ শতক জায়গায় ৪৩০টি কলা চারা রোপণ করার মাধ্যমে কলা চাষ শুরু করেছি। ১ বছর পর গাছে ফলন আসে। এ পর্যন্ত ৮০ হাজার টাকার কলা বিক্রি করেছি। আরও বিক্রি করতে পারবো বলে আশা করি।

সাজেক ইউনিয়নের হাজাছড়া এলাকার কলা ব্যবসায়ী বৌদ্ধ চাকমা বলেন, ৩ বছর আগে ২৪ শতক জমিতে কলাচাষ শুরু করি। এর আগে জমিগুলো অনাবাদি পড়ে থাকত। একেবারে খালি পড়ে থাকার চেয়ে কলাচাষ করে যা আয় হচ্ছে তা অনেক ভালো। এবং পরিবারিক ভাবে সংসার চলছে বলে মন্তব্য করেন।

বাঘাইহাট ৪ নং ওযার্ডের মেম্বার দয়াধন চাকমা বলেন, সাজেকে কলাচাষ বেড়েছে। এখানে একজনের দেখাদেখিতে অনেকে কলাচাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। আমরা ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে তাদের কারিগরি সহায়তা দিয়ে থাকি।

সাজেক রিসোর্ট এলাকায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে বাঘাইহাট ৫৪ বিজিবি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৩৩ পিএম
বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে কলা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন চাষিরা !

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

বাঘাইছড়ি উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র সাজেক রিসোর্ট এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে পাহাড়ের নিচে আগুনের সূত্রপাত হলে তা ধীরে ধীরে রিসোর্ট এলাকার দিকে ছড়িয়ে পড়ে।

আগুনের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর বাঘাইহাট ব্যাটালিয়ন ৫৪-এর বেইজ ক্যাম্পের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। তাদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পাহাড়ি এলাকায় শুকনো ঝোপঝাড় ও বনের লতাপাতা থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপের ফলে আগুন বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ধৎ

প্রশাসন জানিয়েছে, আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

সাজেকে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে করুণা মৈত্রী ফাউন্ডেশন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:১০ পিএম
বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে কলা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন চাষিরা !

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম সাজেক ইউনিয়ন-এর হোগেয়েতুলি গ্রামে গত ১২ তারিখে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি অসহায় পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ঘরের সবকিছু গ্রাস করে নেয়।

আগুনে পুড়ে যায় পরিবারের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়, বিছানাপত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র। কোনো কিছুই রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

আগুনের তীব্রতায় ঘরটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে পরিবারটি একেবারে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়।
সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো, পরিবারের সারা বছরের পরিশ্রমে উৎপাদিত হলুদ—যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৮০ হাজার টাকা—সেটিও আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

এই হলুদই ছিল তাদের একমাত্র আয়ের প্রধান অবলম্বন। চলতি বছরে বাজারে তোলার প্রস্তুতি থাকলেও তার আগেই আগুনে পুড়ে সব শেষ হয়ে যায়।

বর্তমানে পরিবারটি সম্পূর্ণ নিঃস্ব হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকা হওয়ায় দ্রুত সহায়তা পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়েছে।

এমন সংকটময় সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে করুণা মৈত্রী ফাউন্ডেশন নামে একটি সামাজিক সংগঠন। আজ ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ সংগঠনটির উদ্যোগে পরিবারটির মাঝে জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। ত্রাণের মধ্যে ছিল চাল, ডাল, তেল, শুকনো খাবার, পোশাক ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী।

ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই তারা দুর্গম এলাকায় পৌঁছে এই সহায়তা প্রদান করেছেন। পাশাপাশি পরিবারটির জন্য স্থায়ী পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বিবেচনায় রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, এমন দুর্গম অঞ্চলে দ্রুত সহায়তা পৌঁছানো অত্যন্ত কঠিন। তাই সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও বিভিন্ন মানবিক সংগঠনের প্রতি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

বিলাইছড়িতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করলেন ইউএনও হাসনাত জাহান খান 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৪৯ পিএম
বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে কলা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন চাষিরা !

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

বিলাইছড়ি বাজারে  বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমান আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হাসনাত জাহান খান। তিনি বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে মাহে রমজান উপলক্ষে বাজার নিয়ন্ত্রণ ও অসাধু ব্যবসায়ীদের ধরতে এবং  দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে তাৎক্ষণিক এই অভিযান পরিচালনা করলেন। অভিযান পরিচালনার সময় বাজারে মুদীর দোকান, হোটেল এবং মূরগী ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে এই দ্রব্যমূল্য তালিকা ও গুণগত মান যাচাই করেন।

পরিচালনা সময় তিনি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৮ ধারায় মোঃ কবির স্টোরকে মূল্য তালিকা না থাকার দায়ে ৫০০/- টাকা জরিমানা করেন। তিনি জানান বিগত সময়ে সকলকে মূল্য তালিকা রাখার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী পাওয়া যায়নি। প্রায় দোকানে মূল্য তালিকাগুলো অস্পষ্ট অনেকের তারিখ লেখা নেই, অনেকে লিখে নাই। বুঝা যায় না। সেজন্য তিনি পুনরায় সবাইকে সতর্ক করে  মূল্য তালিকা রাখার জন্য নির্দেশনা দেন। অন্যথায় যদি একই রকম পাওয়ার যায় তাহলে  আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউএনও অফিসের সজীব চাকমা, থানার এসআই ইকরাম সহ সঙ্গীয় ফোর্স।

এই বিষয়ে বাজার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি রতন চক্রবর্তীকে জিজ্ঞাসা করা হলে, তিনি জানান সবাইকে মূল্য তালিকা রাখার জন্য বলা হয়েছে এবং আরো বলবো। যথাসম্ভব ক্রেতারা যাহাতে কম দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ক্রয় করতে পারে, সে ব্যবস্থা করছি। তবে তিনি এও জানান, অনেকে বললেও শুনে না।

×