| ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

মাথার ওপর ঝুলছে ‘মৃত্যুডিল’, কাপ্তাইয়ে ষাট বছরের ১৩২ কেভি লাইন পরিণত হয়েছে মরণ ফাঁদে

মাথার ওপর ঝুলছে ‘মৃত্যুডিল’, কাপ্তাইয়ে ষাট বছরের ১৩২ কেভি লাইন পরিণত হয়েছে মরণ ফাঁদে

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে ১৯৬৩ সালে স্থাপিত জাতীয় গ্রিডের ১৩২ কেভি (১ লাখ ৩২ হাজার ভোল্ট) উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন সঞ্চালন লাইনটি চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। উপজেলার শীলছড়ি ওয়াপদা এলাকা সংলগ্ন এই লাইনের ৯২৩ ও ৯২৪ নম্বর পিলারের তার হেলে পড়ে মাত্র ১৫ থেকে ২০ ফুট উঁচুতে ঝুলে রয়েছে। এর নিচে ও আশপাশে চরম আতঙ্ক নিয়ে বসবাস করছেন অর্ধশত পরিবার।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ষাটের দশকে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালুর পর থেকেই জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য এই সঞ্চালন লাইনটি স্থাপন করা হয়। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে সঞ্চালন লাইনটি নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট উচ্চতায় ছিল। কিন্তু দীর্ঘ ৬ দশকেরও বেশি সময় ধরে চালুর হতে পুরাতন বৈদ্যুতিক সঞ্চালন লাইনটিতে বড় ধরনের কোনো সংস্কার কাজ করা হয়নি। কালের বিবর্তনে পিলারের বেহাল দশা এবং তারের ভার বৃদ্ধি তথা বয়সের ভারে হাই ভোল্টেজের বৈদ্যুতিক তার গুলো নিচের দিকে নেমে এসেছে। অথচ এই উচ্চ ভোল্টেজের তারগুলোর ঠিক নিচ দিয়েই প্রতিদিন বহু সাধারণ মানুষ চলাচল করেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের পাহাড়ের কৃষিকাজে যাতায়াত করতে হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. নাসির উদ্দীন জানান, সামান্য ঝড়-বৃষ্টি হলেই গাছের ডালপালা বা পাতা এই তারের ওপর পড়ে বিকট শব্দে শর্টসার্কিট হয়। কয়েক বছর আগে এই এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বেলাল নামের এক ব্যক্তির প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে হাই ভোল্টের সঞ্চালন লাইনের তারগুলো দ্রুত আরও উঁচুতে তুলে নিরাপদ দূরত্বে নেওয়ার জোর দাবি জানান তিনি। ​

সরেজমিনে শীলছড়ি ওয়াপদা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, জনবসতিপূর্ণ ও চলাচলের রাস্তার ওপর দিয়ে তারগুলো অত্যন্ত বিপজ্জনক অবস্থায় ঝুলে আছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মৌখিকভাবে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট স্থানীয় দপ্তরে বিষয়টি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী প্রতিকার পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে জিএমডি রাঙামাটি, পাওয়ার গ্রিডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুবীর কান্তি নাথের সাথে রবিবার আলাপকালে তিনি জানান, প্রতিষ্ঠাকালীন সময় ওইসব এলাকায় কোন বসতি ছিলনা, তাই টাওয়ার গুলোও অনেকটা দূরত্বে স্থাপিত হয়। ফলে দীর্ঘ ছয় দশকের পুরাতন এই লাইনটি দূরত্বের কারণে কিছুটা নেমে গেছে। বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। কিছুদিন আগে আমরা ওই এলাকায় সরেজমিন গিয়ে বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ করে এসেছি। এবং এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও মন্ত্রনালয়ে জানানো হয়েছে। কাজটি করতে একটু সময় লাগবে। কারণ, এসব কাজ করার পূর্বে কিছু টেকনিক্যাল কাজ যাচাই বাছাই করে আর্ন্তজাতিক টেন্ডার আহবান করা হবে। টেন্ডার পাওয়ার পর কাজ শুরু হবে। সঞ্চালন লাইনটি  সিদ্ধিরগঞ্জ পর্যন্ত গিয়েছে। ইতিমধ্যে হাটহাজারী থেকে সিদ্ধিরগঞ্জে সঞ্চালন লাইনটিও আর্ন্তজাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে সংস্কার কাজ করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, কোনো বড় ধরনের প্রাণহানি বা মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটার আগেই জাতীয় পাওয়ার গ্রীড কর্তৃপক্ষের উচিত অবিলম্বে কাপ্তাইয়ের শীলছড়ি এলাকার ৯২৩ ও ৯২৪ নম্বর পিলারসহ ঝুঁকিপূর্ণ অংশটি সংস্কার করে সাধারণ মানুষের জীবন ঝুঁকিমুক্ত করা।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের ; কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি বহাল রেখেই সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম বাতিল ঘোষণা

মাথার ওপর ঝুলছে ‘মৃত্যুডিল’, কাপ্তাইয়ে ষাট বছরের ১৩২ কেভি লাইন পরিণত হয়েছে মরণ ফাঁদে

“চূড়ান্ত জরুরি সাংগঠনিক বিজ্ঞপ্তি”

 

সিএইচটি বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা অফিস :

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি বহাল রেখেই সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম বাতিলকরণ করে নতুনভাবে পুর্নগঠনের লক্ষ্য কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি তাৎক্ষণিক এই সিদ্ধান্তে গৃহিত হয়। নিম্নে বিস্তারিত ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের ওপর বর্ণনা দেয়া হলো –

বিষয়: ২৩ মে ২০২৫ তারিখের কাউন্সিল-পরবর্তী সকল কমিটি বাতিল, পূর্বের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি বহাল, সাংগঠনিক কার্যক্রমের ওপর নিয়ন্ত্রণ এবং নতুন সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠন প্রসঙ্গে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের সকল নেতৃবৃন্দ, সংগঠক, সদস্য, কর্মী, সমর্থক এবং সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সংগঠনের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, বৈধতা, ধারাবাহিকতা, ঐক্য ও কার্যক্রমকে সুসংগঠিত রাখার স্বার্থে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্তক্রমে নিম্নোক্ত সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা জারি করা হলো।

১। ২৩ মে ২০২৫-এর কাউন্সিল-পরবর্তী সকল কমিটি বাতিল।

গত ২৩ মে ২০২৫ (শুক্রবার) বান্দরবান সদরস্থ নবোদয় সংঘের হলরুমে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বর্ধিত সভা ও কাউন্সিলের মাধ্যমে গঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি এবং উক্ত কমিটির অধীনে পরবর্তীতে গঠিত সকল জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, পৌরসভা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড এবং অন্যান্য সাংগঠনিক কমিটি ও উপ-কমিটি অদ্য তারিখ থেকে বাতিল, বিলুপ্ত ও অকার্যকর ঘোষণা করা হলো।

উক্ত কমিটিসমূহের কোনো সদস্য, পদধারী বা দায়িত্বশীল ব্যক্তি অদ্য থেকে উক্ত কমিটির পদ-পদবি বা সাংগঠনিক পরিচয়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা বা প্রতিনিধিত্ব করবেন না।

২। পূর্বের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি বহাল।

সংগঠনের সাংগঠনিক ধারাবাহিকতা, শৃঙ্খলা ও কার্যক্রমের স্বার্থে পূর্বে গঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি বহাল থাকবে।

পরবর্তী লিখিত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটিই সংগঠনের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, সমন্বয়, অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

৩। পূর্ববর্তী সকল পদ-পদবি ও সাংগঠনিক পরিচয় ব্যবহার বন্ধ

অদ্য থেকে বাতিল বা বিলুপ্ত ঘোষিত কোনো কমিটির—

– আহ্বায়ক
– সদস্য সচিব
– সভাপতি
– সাধারণ সম্পাদক
– সাংগঠনিক সম্পাদক
– সদস্য
– উপদেষ্টা
– সমন্বয়ক
– প্রতিনিধি

অথবা অন্য কোনো পদ-পদবি ব্যবহার করে কেউ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের নামে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, প্রচার, ঘোষণা বা প্রতিনিধিত্ব করবেন না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সংবাদমাধ্যম, পোস্টার, ব্যানার, লিফলেট, আমন্ত্রণপত্র, চিঠিপত্র বা অন্য কোনো প্রচারমাধ্যমে বাতিল কমিটির পদ-পদবি ব্যবহার করে সংগঠনের বর্তমান দায়িত্বশীল হিসেবে পরিচয় প্রদানও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন ছাড়া গ্রহণযোগ্য হবে না।

৪। অনুমোদনবিহীন কার্যক্রমের সাংগঠনিক স্বীকৃতি থাকবে না।

কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পূর্বানুমোদন ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের নামে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী—

ক. সভা, বৈঠক বা মতবিনিময় সভা আহ্বান
খ. সমাবেশ, মিছিল বা কর্মসূচি ঘোষণা
গ. নতুন কমিটি গঠন বা ঘোষণা
ঘ. কোনো ব্যক্তিকে পদায়ন বা দায়িত্ব প্রদান
ঙ. সাংগঠনিক প্রতিনিধি মনোনয়ন;
চ. সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা প্রচার
ছ. সংগঠনের নামে চিঠি, বিবৃতি, বিজ্ঞপ্তি বা প্রেস রিলিজ প্রকাশ
জ. সংগঠনের নামে অর্থ সংগ্রহ বা আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা
ঝ. কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে সংগঠনের প্রতিনিধি হিসেবে যোগাযোগ
ঞ. সংগঠনের নাম, লোগো, প্যাড, সিল বা সাংগঠনিক পরিচয় ব্যবহার করতে পারবেন না।

কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের কোনো কার্যক্রম পরিচালিত হলে তা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের অনুমোদিত সাংগঠনিক কার্যক্রম হিসেবে গণ্য হবে না।

৫। নতুন সাংগঠনিক কাঠামো গঠনের কর্তৃত্ব।

সংগঠনের ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্ত অনুসরণ করা হবে।

প্রথম পর্যায়ে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির প্রয়োজনীয় সংশোধন, সংযোজন, বিয়োজন ও পুনর্গঠন সম্পন্ন করা হবে।

পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্ত ও অনুমোদনক্রমে জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন পর্যায়ে নতুন সাংগঠনিক কমিটি গঠন করা হবে।

কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কর্তৃক গঠিত কোনো কমিটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের অনুমোদিত সাংগঠনিক কমিটি হিসেবে স্বীকৃত হবে না।

৬। সাংগঠনিক সমন্বয়ের দায়িত্ব।

সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে কার্যকর, গতিশীল ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব প্রকৌশলী দিপু বড়ুয়াকে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা ও সমন্বয়ের দায়িত্ব প্রদানের প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।

তিনি কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্ত, নির্দেশনা ও অনুমোদন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ, সংগঠক, সদস্য ও কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

তবে কোনো সিদ্ধান্ত বা কার্যক্রম কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদিত সিদ্ধান্তের পরিপন্থী হতে পারবে না।

৭। সাংগঠনিক যোগাযোগ ও কার্যক্রমের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সমন্বয়।

এই বিজ্ঞপ্তি জারির পর সংগঠনের সাংগঠনিক যোগাযোগ, নতুন কমিটি গঠন, দায়িত্ব বণ্টন, কর্মসূচি গ্রহণ, সাংগঠনিক প্রতিনিধি মনোনয়ন এবং বিভিন্ন পর্যায়ের সাংগঠনিক কার্যক্রম কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদিত সমন্বয় ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, সংগঠক ও কর্মীরা সাংগঠনিক বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা কর্মসূচি বাস্তবায়নের পূর্বে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করবেন।

সাংগঠনিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত উদ্যোগ, পৃথক কমিটি বা সমান্তরাল সাংগঠনিক কাঠামো সৃষ্টি থেকে সকলকে বিরত থাকার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

৮। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের বিষয়ে সতর্কীকরণ।

কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্ত, নির্দেশনা ও অনুমোদন অমান্য করে কেউ সংগঠনের নাম, পদ-পদবি, লোগো, প্যাড, সিল, পরিচয় বা সাংগঠনিক কাঠামো ব্যবহার করে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করলে তা ব্যক্তিগত দায় ও দায়িত্বে সংঘটিত কার্যক্রম হিসেবে বিবেচিত হবে।

এ ধরনের কার্যক্রমের সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির কোনো সাংগঠনিক অনুমোদন বা দায় থাকবে না।

প্রয়োজনে সংগঠনের সাংগঠনিক স্বার্থ, নাম, পরিচয় ও সম্পদ সুরক্ষার জন্য প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি সংরক্ষণ করে।

৯। বিভ্রান্তিকর প্রচার ও সাংগঠনিক পরিচয়ের অপব্যবহার নিষিদ্ধ।

কেউ যদি বাতিল কমিটির পদ-পদবি ব্যবহার করে নিজেকে সংগঠনের বর্তমান দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে পরিচয় দেন, সংগঠনের নামে বক্তব্য প্রদান করেন, কমিটি ঘোষণা করেন অথবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেন, তাহলে তা সংগঠনের অনুমোদিত বক্তব্য বা সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে না।

সকল নেতৃবৃন্দ, সদস্য ও কর্মীদের প্রতি অনুরোধ করা হচ্ছে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর কার্যক্রমে সম্পৃক্ত না হয়ে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত অনুসরণ করুন।

১০। চূড়ান্ত সাংগঠনিক নির্দেশনা।

এই বিজ্ঞপ্তি জারির পর পূর্ববর্তী সাংগঠনিক কাঠামো ও পদ-পদবি সংক্রান্ত বিভ্রান্তির অবসান ঘটবে।

কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি ব্যতীত পূর্বে গঠিত সকল কমিটি বাতিল ও অকার্যকর হিসেবে বিবেচিত হবে।

নতুন কমিটি গঠন, পদায়ন, সাংগঠনিক দায়িত্ব প্রদান এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন কেবলমাত্র কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্ত ও অনুমোদনক্রমে সম্পন্ন হবে।

পরবর্তী কোনো বিজ্ঞপ্তি বা লিখিত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত এই বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনাসমূহ কার্যকর থাকবে।

১১। সকলের প্রতি আহ্বান।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের সকল নেতৃবৃন্দ, সংগঠক, সদস্য ও কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো যাচ্ছে যে, ব্যক্তিগত মতপার্থক্য, বিভ্রান্তি, ভুল বোঝাবুঝি ও অভ্যন্তরীণ বিরোধ পরিহার করে সংগঠনের বৃহত্তর স্বার্থে ঐক্য, শৃঙ্খলা, পারস্পরিক সম্মান, দায়িত্বশীলতা ও সাংগঠনিক আনুগত্য বজায় রাখুন।

সংগঠনের ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও নতুন কমিটি গঠনের বিষয়ে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি যথাসময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত ও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে।

এই বিজ্ঞপ্তি সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জারি করা হলো এবং তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর বলে গণ্য হবে।

আদেশক্রমে বাবু লুসাই মং প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি।

বার্তা প্রেরক

প্রকৌশলী নিউটন চাকমা
যুগ্ম আহবায়ক
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্ট
কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি।

সাজেকে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপুকে সংবর্ধনা

মাথার ওপর ঝুলছে ‘মৃত্যুডিল’, কাপ্তাইয়ে ষাট বছরের ১৩২ কেভি লাইন পরিণত হয়েছে মরণ ফাঁদে

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপুকে সাজেক ইউনিয়ন বিএনপির সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এ উপলক্ষে সাজেক ইউনিয়ন পরিষদ কার্যলয়ে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্টানে সভাপতিত্ব করেন সাজেক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো: আনোয়ার হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি উপজেলা বিএনপির সভাপতি অমর আলি, ৩৬নং সাজেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অতুলাল চাকমাসহ সাজেক ইউনিয়নের বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা নবনিযুক্ত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপুকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, তাঁর নেতৃত্বে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। বিশেষ করে সাজেকসহ দুর্গম পাহাড়ি এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, পর্যটন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে জেলা পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

প্রধান অতিথি বক্তব্য রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপু বলেন, দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে রাঙ্গামাটি জেলার মানুষের কল্যাণে কাজ করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। দুর্গম এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সাজেকসহ পুরো জেলার উন্নয়নে তিনি আন্তরিকভাবে কাজ করবেন। তিনি বলেন, জনগণের সহযোগিতা ও পরামর্শ নিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে জেলা পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পাহাড়ের মানুষের শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

আলোচনা সভায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পরে নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপুকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

লংগদুতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর উপজেলা সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত

মাথার ওপর ঝুলছে ‘মৃত্যুডিল’, কাপ্তাইয়ে ষাট বছরের ১৩২ কেভি লাইন পরিণত হয়েছে মরণ ফাঁদে

 

লংগদু প্রতিনিধি :

রাংগামাটি পার্বত্য জেলার লংগদু উপজেলায় বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন উপজেলা শাখার আগামী ২ বছর মেয়াদী দায়িত্বশীল নির্বাচনের জন্য ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (মঙ্গলবার) সকাল ১০টায় উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ লংগদু উপজেলা শাখার সভাপতি হাফেজ আব্দুল মতিন-এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাংগামাটি পার্বত্য জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাঙামাটি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ওমর ফারুক। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মূল ভিত্তি হলো ইসলামী আদর্শভিত্তিক একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। আল্লাহ তাআলাকে সার্বভৌম ক্ষমতার একমাত্র মালিক মেনে শাসননীতি নির্ধারণের আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধানের জন্য ‘শুধু নেতা নয়, নীতির পরিবর্তন চাই’ এই নীতিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

সম্মেলনের শেষ পর্বে উপস্থিত সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে আগামী মেয়াদের জন্য পুনরায় হাফেজ আব্দুল মতিন-কে সভাপতি এবং মোহাম্মদ আলী-কে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়

×