| ৫ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম:

মানিকছড়িতে আবদুল জব্বার মেম্বার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের গ্র্যান্ড ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

মানিকছড়িতে আবদুল জব্বার মেম্বার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের গ্র্যান্ড ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

 

মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি মানিকছড়ি ঐতিহ্যবাহী নিহার দেবী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের জমকালো আয়োজনের মধ্যে দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ তিনটহরী যুব স্পোর্টিং ক্লাব আয়োজনে মরহুম আবদুল জব্বার মেম্বার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের গ্র্যান্ড ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ২০২৬) বিকেলে দিকে রানী নিহার দেবী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দুই শক্তিশালী দল ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে হাইসাব এন্টারপ্রাইজ ও রাজপাড়া মৈত্রী যুব সংঘ দল। খেলায় নির্ধারিত সময়ে কোন দলের গোল করতে পারিনি। শেষে ট্রাইবেকারে মাধ্যমে ৩-১ গোলের ব্যবধানে রাজপাড়া মৈত্রী যুব সংঘকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে হাইসাব এন্টারপ্রাইজ।

উক্ত জমকালো ফাইনাল ফুটবল খেলায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ির আসনে সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া। কামাল উদ্দিন দীপ্ত সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত খেলায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, লেফটেন্যান্ট কর্ণেল ইসমাইল সামস্ আজিজি, পিএসসি, জি অধিনায়ক, ২০ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি সিন্দকছড়ি জোন, খাগড়াছড়ি জেলা  বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা জাকিয়া জিনাত বীথি, মানিকছড়ি সাব-জোন সেনা ক্যাম্প কমান্ডার মেজর আসিফ মহিউদ্দিন, মানিকছড়ি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সদস্য সচিব মীর হোসেন, সাবেক উপজেলা বিএনপি সভাপতি মোঃ এনামুল হক এনাম, জেলা যুবদলে সভাপতি মোঃ সবুজসহ উপজেলা ও জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের মাঝে ট্রফি ও প্রাইজমানি তুলে দেন অতিথিরা। সন্ধ্যায় দেশের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী ন্যান্সি ও রাজিবসহ আরও বেশ কয়েকজন তারকা শিল্পী উপস্থিত থেকে দর্শকদের মাতিয়ে তুলেন।

টানা বর্ষণে নাইক্যছড়ায় ভয়াবহ ভাঙন, ঝুঁকিতে ৪০ পরিবারের বসতভিটা — জরুরি ভিত্তিতে গ্রেটওয়াল নির্মাণের দাবি

মানিকছড়িতে আবদুল জব্বার মেম্বার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের গ্র্যান্ড ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

 

রাজস্থলী (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নাইক্যছড়া পাড়ায় টানা ভারী বর্ষণের কারণে ছড়ার তীব্র স্রোতে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে ছড়ার দুই পাশের পাহাড়, চাষযোগ্য জমি ও বসতভিটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। ভয়াবহ ভাঙনের কারণে বর্তমানে ওই এলাকার প্রায় ৪০টি পরিবার চরম ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক সপ্তাহব্যাপী অব্যাহত ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে নাইক্যছড়া পাড়ার পাশ দিয়ে প্রবাহিত পানির ছড়ায় অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধি পায়। মাত্র প্রায় ৫ ফুট প্রস্থের ছোট এই ছড়ায় প্রবল স্রোত সৃষ্টি হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে দুই তীর ভাঙতে শুরু করে। পানির স্রোতে ছড়ার পাড়ের মাটি সরে গিয়ে আশপাশের পাহাড়ি ভূমি, কৃষিজমি এবং বসতভিটার বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্থানীয়রা আরও জানান, ছড়ার পানি ইতোমধ্যে পাড়ার ভেতরে প্রবেশ করছে। বর্ষার পানি আরও বৃদ্ধি পেলে ছড়ার পাড় ধসে পড়ে ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অনেক পরিবার প্রতিদিন আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। রাতের বেলায় ভারী বৃষ্টি হলে তাদের মধ্যে ভাঙনের ভয় আরও বেড়ে যায়।

নাইক্যছড়া পাড়ার বাসিন্দারা বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে এখানে বসবাস করে আসছি। কিন্তু এবারের বর্ষায় ছড়ার ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নিলে অনেক পরিবারের ঘরবাড়ি ও জায়গাজমি হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের একটাই দাবি—দ্রুত গ্রেটওয়াল নির্মাণ করে আমাদের বসতভিটা রক্ষা করা হোক।”

 

এলাকাবাসীর দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে প্রায় ৮০ ফুট দীর্ঘ গ্রেটওয়াল (Retaining Wall) নির্মাণ করা প্রয়োজন। এর মধ্যে ছড়ার এক পাশে প্রায় ৫০ ফুট এবং অপর পাশে প্রায় ২৫ ফুট উচ্চতার প্রতিরোধ দেয়াল নির্মাণ করা হলে পানির স্রোতের চাপ কমবে এবং ভাঙন রোধ করা সম্ভব হবে।

স্থানীয়দের মতে, ছড়ার দুই পাশে বসবাসকারী প্রায় ৪০টি পরিবারের মধ্যে শিশু, নারী ও বয়স্ক মানুষ রয়েছেন। যেকোনো বড় ধরনের ভাঙন হলে এসব পরিবারের জানমাল রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকাবাসী বলেন, “প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার অপেক্ষা না করে আগাম ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এখনই গ্রেটওয়াল নির্মাণ করা হলে ভবিষ্যতের বড় ক্ষতি থেকে নাইক্যছড়া পাড়ার মানুষকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।”

পার্বত্য এলাকার পাহাড়ি ছড়া ও নদীগুলোতে বর্ষাকালে পানির প্রবল স্রোতে প্রতিবছরই ভাঙনের ঘটনা ঘটে। তবে নাইক্যছড়া পাড়ার বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় দ্রুত প্রকল্প গ্রহণ করে স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

নাইক্যছড়া পাড়াবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন এবং গ্রেটওয়াল নির্মাণের মাধ্যমে তাদের বসতভিটা ও জীবন-জীবিকা নিরাপদ করবেন।

বিলাইছড়িতে আশিকা কর্তৃক আরও ২০৭ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

মানিকছড়িতে আবদুল জব্বার মেম্বার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের গ্র্যান্ড ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আশিকা ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েট বিলাইছড়ি উপজেলায় আরও ২০৭ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছে। গতকাল সহ দুই দিনে ছয়শত পরিবারের মাঝে বিতরণ কার্যক্রম শেষ করল।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল ৯ টা হতে আশিকার ইউনিয়ন ফোকাল পারসন সুজন তঞ্চঙ্গ্যার নেতৃত্বে  ফারুয়া ইউনিয়নে তক্তানালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে এইসব ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড মেম্বার উজ্জ্বল তঞ্চঙ্গ্যা (হেডম্যান), ভরত চন্দ্র কার্বারী এবং সংস্থা’র অন্যান্য মাঠ কর্মীরা।

ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে চাল ৪০ কেজি, তেল ৩ লিটার, চিনি ১ কেজি, ডাল ২ কেজি, লবণ ১ কেজি, আলু ১ কেজি, পেঁয়াজ ১ কেজি, রসুন ৫০০ গ্রাম, নাপ্পি ১ কেজি, বালতি ২০ লিটার ১টি, লাইফ বয় সাবান ২টি, প্লাস্টিক মগ ১টি, ওরস্যালাইন ১০টি, গামছা ১টি, ডিটারজেন্ট পাউডার ১ কেজি, বদনা ১টি, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ১০টি।

বিলাইছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে বীজ ধান বিতরণ

মানিকছড়িতে আবদুল জব্বার মেম্বার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের গ্র্যান্ড ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

বিলাইছড়ি উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে কৃষি অফিস কর্তৃক ধানের বীজ বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল ১০ টায় উপজেলা ঘাট হতে এইসব বীজ ধান বিতরণ করা হয়। মোট ধানের বীজ- ৩৫৫ জনের মধ্যে ফারুয়া ইউনিয়নে ২৫৫, সদর ৭০, কেংড়াছড়ি ৩০ জনকে ৫ কেজি করে দেওয়া হয়েছে

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি শামসু তঞ্চঙ্গ্যা, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাজেশ প্রসাদ রায়, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ওমর ফারুক, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমনগুপ্ত, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অনুময় চাকমা, বদিউল আলম, সুকান্ত কুমার মোদক, রুবেল বড়ুয়া প্রমূখ।

×