শিরোনাম:

বিলাইছড়ির এলপন দীর্ঘ লাফে প্রথম স্থান অধিকারী

বিলাইছড়ির এলপন দীর্ঘ লাফে প্রথম স্থান অধিকারী

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি প্রতিনিধিঃ

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস – ২০২৬ উপজেলা পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় নয় উপজেলাকে হারিয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছে বিলাইছড়ি উপজেলা এলপন চাকমা। সে বিলাইছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণি ছাত্র এবং সদর ইউনিয়ন দীঘলছড়ি ঢেবামাথার প্রহর কান্তি চাকমার ছেলে। মাতার নাম- কালা মিলা চাকমা।

দীর্ঘলাফে প্রথম স্থান অধিকারী (১৬.৯ ফুট) ছিলো। আটটি ইভেন্টে ৬২ জন প্রতিযোগির মধ্যে সে একমাত্র বিলাইছড়ি উপজেলার ভগ্যবান প্রতিযোগী। ইউএনও’র সঙ্গে দেখা করতে আসলে এলপনের জন্য শুভ কামনা জানান ইউএনও হাসনাত জাহান খান।

আগামী ১৭ মে রাঙ্গামাটি জেলা পক্ষ হয়ে লড়বে এলপন। সব জেলাকে হারিয়ে বিভাগীয় পর্যায় ও জাতীয় পর্যায়ে যেতে এলপনের জন্য সকলের প্রতি দোয়া প্রার্থী।

আলীকদমে হাম ও ডায়রিয়ার উপসর্গ নিয়ে আরও একজনের মৃত্যু

বিলাইছড়ির এলপন দীর্ঘ লাফে প্রথম স্থান অধিকারী

 

‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ, আলীকদম (বান্দরবান)প্রতিনিধি :

‎বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার দুর্গম কুরুকপাতা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ভেওলা ম্রো পাড়ার সংপ্রং ম্রো (১৮) হাম ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। ‎শুক্রবার (১৫ মে) আজ সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৭টা ৪৪ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে গত কয়েক দিনে উপজেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে মোট (৬) ছয় জনের মৃত্যু হলো। ‎

আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ মে পর্যন্ত এই উপজেলায় সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০৪ জন। এর মধ্যে ২৫৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। বর্তমানে ৭৪ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং ১৭৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এছাড়া জরুরি ও বহির্বিভাগ থেকে আরও অর্ধশতাধিক শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য এ পর্যন্ত ৬ জনকে বিশেষায়িত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ‎

দুর্গম কুরুকপাতা ও পোয়ামুহুরী এলাকায় হামের বিস্তার রোধে স্বাস্থ্য বিভাগ দুটি অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করেছে। এসব ক্যাম্প থেকে এখন পর্যন্ত ৪১০ জন শিশুকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনতে স্বাস্থ্যকর্মীরা ঘরে ঘরে গিয়ে টিকাদান ও প্রাথমিক চিকিৎসার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ‎

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দুর্গমতার কারণে টিকাদান কর্মসূচি ব্যাহত হওয়ায় এই প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ টিকাদান ও পুষ্টি কার্যক্রম জোরদার না করলে পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। ‎

আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্মকর্তা ডাক্তার মোহাম্মদ হানিফ বলেন, হাম ও ডায়রিয়াজনিত জটিলতায় তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন ছিল।হাসপাতালে আনার কিছুক্ষণ পরই তিনি মারা যান।

বান্দরবানে শেষ হলো মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।

বিলাইছড়ির এলপন দীর্ঘ লাফে প্রথম স্থান অধিকারী

মো আলম; বান্দরবান প্রতিনিধি:

বান্দরবান জেলার সাংবাদিকদের অনলাইন দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৩ দিন ব্যাপী মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে ) বিকালে বান্দরবান প্রেসক্লাবে হল রুমে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ ( পিআইবি) এর আয়োজনে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে  বান্দরবান জেলা প্রশাসক মোঃ সানিউল ফেরদৌস প্রশিক্ষনার্থীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন  প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) এর প্রশিক্ষক সাহানোয়ার সাইদ শাহীন, জেলা প্রশাসনের নির্বাহ‌ী ম‌্যাজি‌ষ্ট্রেট বুলবুল আক্তার সেতু, প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক এন এ জাকিরসহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

এসময় জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস বলেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণ সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রযুক্তিনির্ভর সাংবাদিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সাংবাদিকরা আরও মানসম্মত, তথ্যভিত্তিক ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করবেন। পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চারও আহ্বান জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গত ১২ মে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর আয়োজনে বান্দরবান প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের জন্য মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিষয়ক তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজমের গুরুত্ব, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এর বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের কৌশল, আধুনিক সাংবাদিকতার বিভিন্ন ধরণ, তথ্য উপস্থাপনায় বস্তুনিষ্ঠতার প্রয়োজনীয়তা এবং সাংবাদিকতার নীতিমালা ও পেশাগত দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেন অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকেরা।

অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির পাশে রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা : লিজা আক্তার বিথী

বিলাইছড়ির এলপন দীর্ঘ লাফে প্রথম স্থান অধিকারী

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

বান্দরবানের দুর্গম রুমা উপজেলায় স্বজরুং ত্রিপুরা নামের অসহায় এক বৃদ্ধ মহিলার পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রুমা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিজা আক্তার বিথী। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের বারান্দায় আর্থিক সহায়তার আবেদন নিয়ে বসে ছিলেন এক বৃদ্ধ মহিলা। হাতে ছিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে লেখা একটি দরখাস্ত। বাংলা ভাষা ভালোভাবে বুঝতে বা বলতে না পারলেও অসহায় দৃষ্টিতে কার্যালয়ের দিকে তাকিয়ে ছিলেন তিনি।

এসময় অফিস থেকে বের হওয়ার সময় ইউএনওকে দেখে বৃদ্ধা দুই হাত জোড় করে প্রণাম জানান এবং হাতে থাকা আবেদন পত্রটি দেখান। বিষয়টি লক্ষ্য করে ইউএনও তাকে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে বলেন। পরে ওই বৃদ্ধ মহিলাকে ডেকে তার হাতে ১০ কেজি চাল, ১ লিটার সয়াবিন তেল, ডাল, মরিচ, হলুদ ও প্রয়োজনীয় মসলা সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। খাদ্য সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ওই বৃদ্ধা। চোখের জল নিয়ে তিনি সৃষ্টিকর্তার কাছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার জন্য দোয়া ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ঘটনাস্থলে আনসার সদস্য, নিরাপত্তাকর্মীসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় ইউএনও লিজা আক্তার বিথী বলেন, এই মুহূর্তে আমার কাছে কোনো প্রকল্পের বাজেট বা সরকারি আর্থিক বরাদ্দ নেই। তাই তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা দিতে পারছি না। তবে ভবিষ্যতে সরকারি কোনো সহায়তা এলে আপনাদের জন্য সহযোগিতার চেষ্টা করবো।

জানা গেছে, বৃদ্ধ মহিলাটি বর্তমানে রুমা উপজেলার গ্যারেশন রয়েল পাড়ায় তার বৃদ্ধ স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। তাদের কোনো সন্তান নেই। দিনমজুরি ও বনজ পণ্য সংগ্রহ করে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে যা আয় হয়, তা দিয়েই কোনোমতে সংসার চালান তারা। বয়সের ভারে ন্যুব্জ স্বামী বর্তমানে কোনো কাজ করতে পারেন না। অসহায় এই বৃদ্ধ দম্পতির দেখভাল করার মতোও কেউ নেই। এ অবস্থায় মানবিক সহায়তা ও সরকারি বিশেষ সহযোগিতার আকুল আবেদন জানিয়েছেন এই বৃদ্ধ দম্পতির।

×