| ২ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম:

ওমানে গাড়ির ভেতর রাঙ্গুনিয়ার একই পরিবারের ৪ প্রবাসী ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্য

ওমানে গাড়ির ভেতর রাঙ্গুনিয়ার একই পরিবারের ৪ প্রবাসী ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্য

 

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক রিপোর্ট :

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চার প্রবাসী ভাইয়ের লাশ ওমানে একটি গাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গাড়ির এসি থেকে নির্গত বিষাক্ত গ্যাসে তাদের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৩ মে)২৬খ্রিঃ ওমানের মুলাদ্দা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওমানে বাংলাদেশ দূতাবাস তাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

নিহতরা হলেন—-রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বন্দারাজারপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ রাশেদ, মোঃ শাহেদ, মোঃ সিরাজ ও মোঃ শহিদ। তারা সবাই আবদুল মজিদের ছেলে এবং দীর্ঘদিন ধরে ওমানে কর্মরত ছিলেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে চারজনই ওমানে থাকতেন। তাদের মধ্যে দুই ভাই অবিবাহিত ছিলেন এবং আগামী ১৫মে দেশে ফেরার কথা ছিল।

দেশে ফেরার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তারা কেনাকাটা করতে বের হয়েছিলেন। কেনাকাটা শেষে ফেরার পথে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

ওমান পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, দীর্ঘ সময় গাড়ি চালু অবস্থায় থাকায় এসি থেকে বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়ে তারা মারা যেতে পারেন। তবে এটি দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে, তা নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্ত ও মেডিকেল রিপোর্টের অপেক্ষা করা হচ্ছে।

এদিকে, একই পরিবারের চার ভাইয়ের মৃত্যুর খবরে রাঙ্গুনিয়ার বন্দারাজারপাড়ায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তারা কেনাকাটা করতে বের হয়েছিলেন। কেনাকাটা শেষে ফেরার পথে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

ওমান পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, দীর্ঘ সময় গাড়ি চালু অবস্থায় থাকায় এসি থেকে বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়ে তারা মারা যেতে পারেন। তবে এটি দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে, তা নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্ত ও মেডিকেল রিপোর্টের অপেক্ষা করা হচ্ছে।

এদিকে, একই পরিবারের চার ভাইয়ের মৃত্যুর খবরে রাঙ্গুনিয়ার বন্দারাজারপাড়ায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।

বিএনপি হচ্ছে আমার শেষ ঠিকানা, বিএনপি হচ্ছে আমার শেষ বাংলাদেশ, বিএনপিই হচ্ছে আমার প্রথম বাংলাদেশ

ওমানে গাড়ির ভেতর রাঙ্গুনিয়ার একই পরিবারের ৪ প্রবাসী ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্য

মন্ত্রিত্ব ছেড়ে রাজসিক অভ্যর্থনায় রাঙামাটিতে দীপেন দেওয়ান, দিলেন কড়া হুঁশিয়ারি

 

 

সিএইচটি বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রিত্ব ছাড়ার ঠিক এক মাস পর নিজের নির্বাচনি এলাকা রাঙামাটিতে ফিরেছেন সাবেক পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি। মন্ত্রিত্ব ছাড়লেও এলাকায় ফেরার পর তাকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে দেখা গেছে অভূতপূর্ব উচ্ছ্বাস ও চাঙ্গাভাব। জেলাজুড়ে পেয়েছেন রাজকীয় অভ্যর্থনা।

আজ বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে রাঙামাটি শহরের কাঁঠালতলীতে দলীয় কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত হাজারো নেতাকর্মীর উদ্দেশে দেয়া বক্তব্যে তিনি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে বলেন, ‘বিএনপিকে নিয়ে অনেক গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে।’ ষড়যন্ত্রকারীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘ষড়যন্ত্র আর এবার বরদাশত করব না।’ একইসঙ্গে পাহাড়ে কেউ যাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে, সেজন্য পাহাড়ি-বাঙালি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান এ সংসদ সদস্য।

গত ১ জুন শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পার্বত্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন রাঙামাটি আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান। মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পর আজই প্রথম তিনি নিজের এলাকায় পা রাখলেন।

ঢাকা থেকে সড়কপথে রাঙামাটিতে আসার সময় দুপুরের পর থেকেই কাউখালীর গোদারপাড় ও ঘাগড়ায় জড়ো হতে থাকেন হাজার হাজার নেতাকর্মী। সেখানে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেয়া হয়। পরে বিশাল এক মোটর শোভাযাত্রাসহ বিকেল ৪টায় তিনি শহরের কাঁঠালতলীস্থ দলীয় কার্যালয়ে এসে উপস্থিত হন।

দলীয় কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে দেয়া বক্তব্যে দীপেন দেওয়ান দলের প্রতি তার আকুণ্ঠ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখে তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান আমাদের প্রিয় দলের নেতা। আমাদের সম্মানিত চেয়ারম্যান। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। উনার বাইরে আমরা কোনো কিছু করবো না। উনার আদেশ হচ্ছে আমাদের জন্য সর্বশেষ আদেশ।’

তৃণমূলের নেতাকর্মীদের দলের প্রাণশক্তি আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি তৃণমূল ভাইদের সঙ্গে আছি এবং ভবিষ্যতেও তৃণমূলের সঙ্গেই থাকব। এই তৃণমূলই হচ্ছে বিএনপির আসল শক্তি।’ ষড়যন্ত্রকারীদের মনে করিয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘আমি এখনও সংসদ সদস্য আছি, আপনারা কোনো কিছু ভুলে যাবেন না। বিএনপিতে যারা ষড়যন্ত্র করছে, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে রুখে দাঁড়াতে হবে।’

আবেগঘন কণ্ঠে দীপেন দেওয়ান আরও যোগ করেন, ‘বিএনপি হচ্ছে আমার শেষ ঠিকানা। বিএনপি হচ্ছে আমার শেষ বাংলাদেশ, বিএনপিই হচ্ছে আমার প্রথম বাংলাদেশ।’

পার্বত্য অঞ্চলের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘পাহাড়ে পাহাড়ি-বাঙালি সবাই ভাই ভাই হয়ে থাকবেন। কেউ যেন এখানে এসে কোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে, সেদিকে কঠোর নজর রাখতে হবে।’ যেকোনো মূল্যে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

দীপেন দেওয়ানের রাজকীয় প্রত্যাবর্তন রাঙামাটি বিএনপির রাজনীতিতে নতুন করে হাওয়া দিয়েছে। মন্ত্রিত্বের চেয়ে জনগণের ভালোবাসাই যে বড়; নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি তারই প্রমাণ বলে মনে করছেন স্থানীয় শীর্ষ নেতারা।

রাঙামাটি জেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম পনির বলেন, ‘মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের চাইতে সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান অনেক বেশি শক্তিশালী। এতো বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি আর ভালোবাসা প্রমাণ করে তার জনপ্রিয়তা এখনও কতটা অটুট।’

একই সুর মেলালেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো। তিনি বলেন, ‘দীপেন দেওয়ানকে ঘিরেই রাঙামাটি বিএনপি বরাবরই সুসংগঠিত। মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পরেও নেতাকর্মীদের এই আকুণ্ঠ সমর্থন ও ভালোবাসা তারই চাক্ষুষ প্রমাণ।’

উল্লেখ্য, দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতা দেখিয়ে পার্বত্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন গেল ১ জুন। এর ঠিক একমাস পর ১ জুলাই নিজের এলাকায় ফিরলেন তিনি।

দীঘিনালায় ব্রিজ না থাকায় শতাধিক কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পারাপারের ভোগান্তি

ওমানে গাড়ির ভেতর রাঙ্গুনিয়ার একই পরিবারের ৪ প্রবাসী ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্য

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার ১নং মেরুং ইউনিয়নে ৭নং ওয়ার্ডের পনছড়ি সীমান্তবর্তী একটি এলাকায় সেতুর অভাবে বছরের পর বছর বাঁশের তৈরি অস্থায়ী সাঁকোই ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। প্রতিদিন এই সাঁকো দিয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন শতাধিক স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্ষা মৌসুমে খালের পানি বৃদ্ধি পেলে বাঁশের সাঁকোটি আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। সামান্য অসাবধানতাতেই দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।

শিক্ষার্থীরা জানায়, প্রতিদিন স্কুলে যেতে ও বাড়ি ফিরতে এই সাঁকো ব্যবহার করতে হয়। বৃষ্টির দিনে সাঁকো পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় পারাপারে চরম ভোগান্তি ও আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থায়ী সেতুর দাবি জানিয়ে এলেও এখনো কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে শিক্ষার্থী, কৃষক, চাকরিজীবীসহ সাধারণ মানুষকে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত একটি টেকসই সেতু নির্মাণ করা হলে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগও লাঘব হবে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার সমীরণ চাকমা বলেন, ব্রিজটি নির্নাণের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর বরাবর আবেদন করা হয়েছে সেটি বাস্তবায়ন হলে দ্রুত কাজ করা হবে বলে জানান।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: মনির হোসেন বলেন, “আমি বিষয়টি জানতে পেরেছি। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পারাপারের জন্য অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

দীঘিনালায় জোন কাপ ফুটবল ফাইনালে টাইব্রেকারে কবাখালীকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বোয়ালখালি

ওমানে গাড়ির ভেতর রাঙ্গুনিয়ার একই পরিবারের ৪ প্রবাসী ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্য

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় অনুষ্ঠিত ৩১তম জোন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ফাইনালে কবাখালী ইউনিয়ন একাদশকে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বোয়ালখালী ইউনিয়ন একাদশ।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেল ৩টায় দীঘিনালা উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে প্রায় ১০ হাজার দর্শকের উপস্থিতি ছিল। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের ১২০ মিনিটের খেলায় উভয় দল ১-১ গোলে সমতায় থাকলে ম্যাচের নিষ্পত্তি হয় টাইব্রেকারে।

খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা জোনের জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল-আমিন, এসইউপি, পিএসসি। এছাড়া জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর শিহাবুন সাকিব রূশাদ, পিএসসি, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শফিকুল ইসলাম, থানার অফিসার্স ইনচার্জ ইকবাল বাহার চৌধুরীসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, রাজনৈতিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে মোট ছয়টি দল অংশ নেয়। চ্যাম্পিয়ন দলকে ট্রফিসহ ৩০ হাজার টাকা এবং রানার্সআপ দলকে ট্রফিসহ ২০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা নির্বাচিত হন নেপোলিয়ন চাকমা এবং সেরা গোলরক্ষক হন মো. হোসেন।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল আমিন বলেন, খেলাধুলা সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান। সংবাদটি শেয়ার করুন

×