শিরোনাম:

কাপ্তাইয়ে ৩ দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা’ শুরু: লক্ষ্য জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা

কাপ্তাইয়ে ৩ দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা’ শুরু: লক্ষ্য জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

“জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা: সুরক্ষিত ভূমি, সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা ২০২৬’। কাপ্তাই উপজেলা ভূমি অফিসের উদ্যোগে এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলা আজ ১৯ মে (মঙ্গলবার) থেকে শুরু হয়ে আগামী ২১ মে পর্যন্ত চলবে।মঙ্গলবার সকালে কাপ্তাই উপজেলা ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী আলোচনা সভা শেষে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মেলা প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।

কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রায়হানুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ ও সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. দিলদার হোসেন, রাঙ্গামাটি জেলা সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. রহমত উল্লাহ এবং কাপ্তাই উপজেলা জামায়াতের সভাপতি মো. হারুনুর রশিদ।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন মৌজার হেডম্যান, কার্বারি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

​সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রায়হানুল ইসলাম বলেন, “বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ভূমি সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ও সময়ের অপচয় অনেকটাই কমে এসেছে। এই মেলার মাধ্যমে নাগরিকরা খুব সহজেই তাদের ভূমি সংক্রান্ত যাবতীয় সেবা ও পরামর্শ এক ছাদের নিচে পেয়ে যাবেন।”

​অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা পার্বত্য অঞ্চলে ভূমি সেবার আধুনিকায়নের প্রশংসা করেন। একই সাথে সাধারণ মানুষকে দালালের খপ্পর থেকে দূরে থেকে সরাসরি ডিজিটাল সেবা গ্রহণের আহ্বান জানান।

মেলা প্রাঙ্গণে আগত সেবাগ্রহীতাদের জন্য তাৎক্ষণিক ই-নামজারি, খতিয়ান ও ভূমি উন্নয়ন কর সংক্রান্ত সেবা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ভূমি বিষয়ক যেকোনো পরামর্শ ও অভিযোগের জন্য বিশেষ বুথ স্থাপন করা হয়েছে। মেলা কর্তৃপক্ষ সর্বসাধারণের সুবিধার্থে কিছু জরুরি যোগাযোগ মাধ্যম ও হেল্পলাইন শেয়ার করেছেন,​ ভূমিসেবা ও অভিযোগ কেন্দ্র (দেশ থেকে): ১৬১২২  (২৪/৭ খোলা) ​বিদেশ থেকে ভূমিসেবা: +৮৮ ০৯ ৬১২৩ ১৬১২২ ​অফিসিয়াল ওয়েবসাইট: land.gov.bd ​ফেসবুক পেজ
facebook.com/land.gov.bd

আগামী ২১ মে পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কাপ্তাই উপজেলা ভূমি অফিসে এই মেলা ও সেবা কার্যক্রম সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

কর্নফুলীর মোহনায় জাহাজে দুই ক্রুর মারামারি ছুরিকাঘাতে থাইল্যান্ড নাগরিক নিহত

কাপ্তাইয়ে ৩ দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা’ শুরু: লক্ষ্য জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ :

চট্টগ্রামের কর্নফুলী নদীর মোহনায় আনোয়ারা উপকূলে নোঙর করা একটি বিদেশি জাহাজে দুই ক্রুর মধ্যে মারামারির ঘটনায় এক থাইল্যান্ডের নাগরিক নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি এমটিকেপিপি০১ (MTKPP01) নামের জাহাজের ক্রু সদস্য হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মঙ্গলবার (১৯ মে)২৬খ্রিঃ রাত ৮ঃ০০টার সময় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত রাফিফং কালাহান (৩০) থাইল্যান্ডের নাগরিক। তার বাবার নাম সানইয়াপং কালাহান।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সূত্র জানায়, আনোয়ারা থানাধীন সমুদ্রের চার্লি অ্যানকর পয়েন্টে নোঙর করা জাহাজটিতে কর্মরত দুই বিদেশি ক্রুর মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় এক ক্রু অপরজনকে ছুরিকাঘাত করলে রাফিফং গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আহত থাইল্যান্ড নাগরিককে হাসপাতালে নিয়ে আসেন শিপিং এজেন্ট মোঃ সোহেল উদ্দিন।

তিনি জানান, ঘটনার পর জাহাজের অন্যান্য ক্রুরা দ্রুত আহত রাফিফংকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক সাংবাদিকদের বলেন, নিহতের মরদেহ বর্তমানে চমেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত করা হবে।

পুলিশ ও বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার পর অভিযুক্ত বিদেশি ক্রুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নজরদারিতে রাখা হয়েছে। আনোয়ারা থানা পুলিশ, বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট শিপিং এজেন্সি ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়েরের তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে জাহাজে কর্মরত অন্যান্য ক্রুদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বান্দরবান লামায় হাতি তাড়ানোর তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নারীর মৃত্যু।

কাপ্তাইয়ে ৩ দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা’ শুরু: লক্ষ্য জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা

মোহাম্মদ আলম; বান্দরবান প্রতিনিধি:

বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে ফসল রক্ষায় বসানো বিদ্যুতায়িত তারের ফাঁদে পড়ে রুবি আক্তার (৪৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে ইউনিয়নের দক্ষিণ হায়দারনাশী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বন্যহাতির আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষার জন্য ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের কিছু কৃষক গোপনে বৈদ্যুতিক তারের ফাঁদ ব্যবহার করে থাকেন। মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ হায়দারনাশী এলাকার একটি কৃষিজমির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিদ্যুতায়িত তারে স্পৃষ্ট হয়ে রুবি আক্তারের মৃত্যু হয়। নিহত রুবি আক্তার দক্ষিণ হায়দারনাশী গ্রামের আব্দুর শুক্কুরের স্ত্রী।

ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হেলাল উদ্দিন জানান, গিয়াস উদ্দিন চৌধুরীর আমবাগান সংলগ্ন কৃষিজমিতে তিন কৃষক ধান চাষ করেন। ধারণা করা হচ্ছে, বন্যহাতির হাত থেকে ফসল রক্ষায় তারা বৈদ্যুতিক তারের বেড়া স্থাপন করেছিলেন। সেই তারেই বিদ্যুতায়িত হন রুবি আক্তার।

লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহজাহান কামাল বলেন, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের হায়দারনাশী এলাকায় বিদ্যুতায়িত তারে স্পৃষ্ট হয়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

বাঘমারা বাজারে অগ্নিকান্ডে ক্ষতি গ্রস্ত ৫০টি পরিবারের পাশে জেলা প্রশাসন।

কাপ্তাইয়ে ৩ দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা’ শুরু: লক্ষ্য জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা

মো.আলম; বান্দরবান প্রতিনিধি:

উপজেলার জামছড়ি ইউনিয়নের বাঘমারা বাজারে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে যাওয়া ৫০টি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে দাঁড়ালো জেলা প্রশাসন।

১৯মে মঙ্গলবার দুপুরে বান্দরবান জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জেলা প্রশাসক মো.সানিউল ফেরদৌস অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ৫০টি পরিবারের হাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনপ্রতি ৫হাজার নগদ টাকা, ৩০ কেজি চাউল এবং এক বান্ডিল করে টেউটিন প্রদান করেন।

এসময় জেলা প্রশাসক মো.সানিউল ফেরদৌস বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের সান্তনা দেয়ারমত কিছুই নেই, যার ক্ষতি হয় সে জানে কতটা কষ্ট। এসময় জেলা প্রশাসক অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ৫০টি পরিবারকে আগামীতে আরো সহায়তার আশ্বাস দেন এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদসহ সমাজের বিত্তবানদের অসহায়দের পাশে দাড়াতে আহবান জানান।

এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো.আবু তালেব, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাঃ আবুল মনসুর, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান হীরামনি, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মো.নাছির উদ্দিন,কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বান্দরবানের উপপরিচালক আবু নঈম মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জয়া দাশ, বুলবুল আক্তার সেতু, প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, জামছড়ি ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিম্প্রু মারমা’সহ জামছড়ি ইউনিয়নের বাঘমারা বাজারে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে যাওয়া ৫০টি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের উপস্থিত ছিলেন।

×