শিরোনাম:

মানিকছড়ি যোগ্যাছোলাতে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন ওয়াদুদ ভূইয়া এমপি

মানিকছড়ি যোগ্যাছোলাতে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন ওয়াদুদ ভূইয়া এমপি

 

মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি :

পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারের লক্ষ্যে দেশব্যাপী নদী-নালা ও খাল খনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ি মানিকছড়ি উপজেলা যোগ্যাছোলা খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন খাগড়াছড়ি ২৯৮ নং সংসদীয় আসনে সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া।

মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকাল ৪ টায় মানিকছড়ি উপজেলা যোগ্যাছোলা ইউনিয়নের দেশের অন্যতম হালদা খাল খননের মাধ্যমে তিনি এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী শেষে দোয়া মোনাজাত ও খাল পাড়ের বৃক্ষ রোপন করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে পাঁচ কিলোমটার খনন কাজের জন্য দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরিতে ৪৭৬ জন শ্রমিক নিয়োজিত আছে।

পরে যোগ্যাছোলা স্মৃতিসৌধে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কাজী মাসুদুর রহমান সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, খাগড়াছড়ি ২৯৮ নং সংসদীয় আসনে সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভুইয়ার, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আফরোজ ভুঁইয়া, উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটি আহ্বায়ক মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব, ৩নং যোগ্যাছোলা ইউনিয়নে সভাপতি মোঃ জামাল উদ্দিন সরকার।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক এমএন আবছার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক মিয়া মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রব রাজা, সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ কামাল হোসেন, মানিকছড়ি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মাসুদ পারভেজ, উপজেলা বিএনপি কমিটি সাবেক সভাপতি মোঃ এনামুল হক এনাম প্রমূখ।

প্রধানমন্ত্রীর দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির আওতায় হালদার উজানে মানিকছড়ি-রামগড় সীমান্তের মরা হয়ে যাওয়া অংশ পুনরায় খনন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে মানিকছড়ি অংশের সালদা পাড়া থেকে যোগ্যাছোলা বাজার দক্ষিণ পাশ্বেই পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার খাল খননের কাজ শুরু করেছে।

প্রধান অতিথি বক্তব্য বলেন, বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচনে হাতের কালি মুছার আগে জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে অংশ হিসেবে খাল খনন কাজের শুরু করেছে। তিনি আরোও বলেন, জলাধার সংরক্ষণ, পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়।

এ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে কৃষিজমি নতুন প্রাণ ফিরে পাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি কৃষক পরিবার সেচ সুবিধা ও মৎস্য চাষে উপকৃত হবে, যা স্থানীয় কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ১৯৭৭-৭৮ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। সেরকম প্রায় ৪৮ বছর পর তার খনন করা সেই খাল পুনঃখননের কাজ ঘোষনা দিলেন তারই পুত্র তারেক রহমান।

ওয়াদুদ ভূইয়া আগমনকে কেন্দ্র করে মানিকছড়ি উপজেলা আশপাশের এলাকায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

কর্নফুলীর মোহনায় জাহাজে দুই ক্রুর মারামারি ছুরিকাঘাতে থাইল্যান্ড নাগরিক নিহত

মানিকছড়ি যোগ্যাছোলাতে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন ওয়াদুদ ভূইয়া এমপি

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ :

চট্টগ্রামের কর্নফুলী নদীর মোহনায় আনোয়ারা উপকূলে নোঙর করা একটি বিদেশি জাহাজে দুই ক্রুর মধ্যে মারামারির ঘটনায় এক থাইল্যান্ডের নাগরিক নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি এমটিকেপিপি০১ (MTKPP01) নামের জাহাজের ক্রু সদস্য হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মঙ্গলবার (১৯ মে)২৬খ্রিঃ রাত ৮ঃ০০টার সময় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত রাফিফং কালাহান (৩০) থাইল্যান্ডের নাগরিক। তার বাবার নাম সানইয়াপং কালাহান।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সূত্র জানায়, আনোয়ারা থানাধীন সমুদ্রের চার্লি অ্যানকর পয়েন্টে নোঙর করা জাহাজটিতে কর্মরত দুই বিদেশি ক্রুর মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় এক ক্রু অপরজনকে ছুরিকাঘাত করলে রাফিফং গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আহত থাইল্যান্ড নাগরিককে হাসপাতালে নিয়ে আসেন শিপিং এজেন্ট মোঃ সোহেল উদ্দিন।

তিনি জানান, ঘটনার পর জাহাজের অন্যান্য ক্রুরা দ্রুত আহত রাফিফংকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক সাংবাদিকদের বলেন, নিহতের মরদেহ বর্তমানে চমেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত করা হবে।

পুলিশ ও বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার পর অভিযুক্ত বিদেশি ক্রুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নজরদারিতে রাখা হয়েছে। আনোয়ারা থানা পুলিশ, বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট শিপিং এজেন্সি ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়েরের তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে জাহাজে কর্মরত অন্যান্য ক্রুদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বান্দরবান লামায় হাতি তাড়ানোর তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নারীর মৃত্যু।

মানিকছড়ি যোগ্যাছোলাতে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন ওয়াদুদ ভূইয়া এমপি

মোহাম্মদ আলম; বান্দরবান প্রতিনিধি:

বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে ফসল রক্ষায় বসানো বিদ্যুতায়িত তারের ফাঁদে পড়ে রুবি আক্তার (৪৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে ইউনিয়নের দক্ষিণ হায়দারনাশী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বন্যহাতির আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষার জন্য ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের কিছু কৃষক গোপনে বৈদ্যুতিক তারের ফাঁদ ব্যবহার করে থাকেন। মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ হায়দারনাশী এলাকার একটি কৃষিজমির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিদ্যুতায়িত তারে স্পৃষ্ট হয়ে রুবি আক্তারের মৃত্যু হয়। নিহত রুবি আক্তার দক্ষিণ হায়দারনাশী গ্রামের আব্দুর শুক্কুরের স্ত্রী।

ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হেলাল উদ্দিন জানান, গিয়াস উদ্দিন চৌধুরীর আমবাগান সংলগ্ন কৃষিজমিতে তিন কৃষক ধান চাষ করেন। ধারণা করা হচ্ছে, বন্যহাতির হাত থেকে ফসল রক্ষায় তারা বৈদ্যুতিক তারের বেড়া স্থাপন করেছিলেন। সেই তারেই বিদ্যুতায়িত হন রুবি আক্তার।

লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহজাহান কামাল বলেন, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের হায়দারনাশী এলাকায় বিদ্যুতায়িত তারে স্পৃষ্ট হয়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

বাঘমারা বাজারে অগ্নিকান্ডে ক্ষতি গ্রস্ত ৫০টি পরিবারের পাশে জেলা প্রশাসন।

মানিকছড়ি যোগ্যাছোলাতে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন ওয়াদুদ ভূইয়া এমপি

মো.আলম; বান্দরবান প্রতিনিধি:

উপজেলার জামছড়ি ইউনিয়নের বাঘমারা বাজারে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে যাওয়া ৫০টি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে দাঁড়ালো জেলা প্রশাসন।

১৯মে মঙ্গলবার দুপুরে বান্দরবান জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জেলা প্রশাসক মো.সানিউল ফেরদৌস অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ৫০টি পরিবারের হাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনপ্রতি ৫হাজার নগদ টাকা, ৩০ কেজি চাউল এবং এক বান্ডিল করে টেউটিন প্রদান করেন।

এসময় জেলা প্রশাসক মো.সানিউল ফেরদৌস বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের সান্তনা দেয়ারমত কিছুই নেই, যার ক্ষতি হয় সে জানে কতটা কষ্ট। এসময় জেলা প্রশাসক অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ৫০টি পরিবারকে আগামীতে আরো সহায়তার আশ্বাস দেন এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদসহ সমাজের বিত্তবানদের অসহায়দের পাশে দাড়াতে আহবান জানান।

এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো.আবু তালেব, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাঃ আবুল মনসুর, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান হীরামনি, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মো.নাছির উদ্দিন,কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বান্দরবানের উপপরিচালক আবু নঈম মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জয়া দাশ, বুলবুল আক্তার সেতু, প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, জামছড়ি ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিম্প্রু মারমা’সহ জামছড়ি ইউনিয়নের বাঘমারা বাজারে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে যাওয়া ৫০টি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের উপস্থিত ছিলেন।

×