| ৪ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম:

বাঘাইছড়িতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শিক্ষকদের দুই দিনব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

বাঘাইছড়িতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শিক্ষকদের দুই দিনব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন


‎আনোয়ার হোসেন,
‎বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

‎রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নের লক্ষ্যে পরিচালিত মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের অষ্টম পর্যায়ের কেন্দ্র শিক্ষকদের জন্য দুই দিনব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎বুধবার ও বৃহস্পতিবার (১ ও ২ জুলাই) সকালে উপজেলা মডেল মসজিদের মিলনায়তনে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালার উদ্বোধনী দিনে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়।

‎উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাঘাইছড়ি উপজেলার ফিল্ড সুপারভাইজার আলী আহসান ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান।

‎এসময় অনুষ্ঠানে বাঘাইছড়ির ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাধারণ কেয়ারটেকার আব্দুর রহমানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে স্বাগত বক্তব্য দেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার ফিল্ড সুপারভাইজার পেয়ার আহমেদ।

‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান বলেন, একজন আদর্শ শিক্ষক শুধু পাঠদানেই সীমাবদ্ধ নন; শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও সুশীল চরিত্র গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শিক্ষকদের দক্ষতা, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান।

‎উদ্বোধনী পর্ব শেষে মূল প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রশিক্ষক হিসেবে বক্তব্য দেন বাঘাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আনোয়ার হোসেন। এছাড়া বাঘাইছড়ি উপজেলার ইন্সট্রাক্টর হালিম চৌধুরী এবং কাচালং সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা করেন।

‎প্রশিক্ষণে টিচিং অ্যান্ড লার্নিং মেথড, শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা-সহায়ক উপকরণের কার্যকর ব্যবহার, স্বাস্থ্য সচেতনতা, রোগ প্রতিরোধ, শিক্ষকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য, পাঠ মূল্যায়ন, ধারাবাহিক মূল্যায়ন এবং বিষয়ভিত্তিক মূল্যায়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

‎কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক ইকবাল বাহার চৌধুরী।

‎দুই দিনব্যাপী এ কর্মশালায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের বিভিন্ন কেন্দ্রের শিক্ষক-শিক্ষিকারা অংশগ্রহণ করেন। আয়োজকদের আশা, এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা ও পাঠদানের মান আরও উন্নত হবে এবং শিশুদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ ভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

বাঘাইছড়ির করেঙ্গাতলীতে বিদ্যুৎ লাইনে কাজের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই কর্মী আহত ‎

বাঘাইছড়িতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শিক্ষকদের দুই দিনব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

 

‎আনোয়ার হোসেন,  ‎বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:

‎রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার ৩৫নং বঙ্গলতলী ইউনিয়নের করেঙ্গাতলী বাজার সংলগ্ন ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ লাইনে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে উত্তম ও অরুণ নামে দুই ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। তারা বর্তমানে বাঘাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ‎শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বিদ্যুতের খুঁটিতে কাজ শুরু করার আগে মারিশ্যা বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের কাছে প্রধান (মেইন) বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ করার আবেদন করা হয়। এরপর তারা খুঁটিতে উঠে কাজ শুরু করেন। তবে কাজ শেষ হওয়ার আগেই হঠাৎ মেইন লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হয়ে গেলে তারা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এবং খুঁটির ওপরেই গুরুতর আহত অবস্থায় আটকা পড়ে যান। ‎পরে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে একজন পল্লী চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের অবস্থার অবনতি হওয়ায় বাঘাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে। ‎ ‎

ঘটনার বিষয়ে জানতে মারিশ্যা বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের আবাসিক রাজস্ব কর্মকর্তা সুগত চাকমার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ‎তবে দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা প্রহরী আখিনু চাকমা জানান, মারিশ্যা বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের মেইন লাইন দিঘীনালা বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়। ‎তিনি বলেন, “উত্তম ও অরুণ কাজের জন্য মেইন লাইন বন্ধ এবং প্রয়োজনীয় অনুমতির বিষয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। আমি মারিশ্যা বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্র থেকে করেঙ্গাতলী বাজারের লাইন বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করেছিলাম। কিন্তু আনুষ্ঠানিক ক্লিয়ারেন্স দেওয়ার আগেই তারা খুঁটিতে উঠে কাজ শুরু করেন।

এ সময় দিঘীনালা বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে মারিশ্যা বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের মেইন লাইন পুনরায় সচল করে দেওয়া হয়। ফলে তারা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।” ‎ ‎ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং দায়িত্বে কোনো ধরনের গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ‎

রুমায় এমপি রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরীকে সংবর্ধনা, “বিটিকেএস” ভবন সংস্কার ও আসবাবপত্র প্রদানের প্রতিশ্রুতি

বাঘাইছড়িতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শিক্ষকদের দুই দিনব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা প্রতিনিধি:

বান্দরবানের ৩০০নং সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী এমপি’র রুমা উপজেলা সফর উপলক্ষে তাঁকে সংবর্ধনা জানিয়েছে বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ (বিটিকেএস) রুমা উপজেলা শাখা। এ সময় সংগঠনের পক্ষ থেকে “বিটিকেএস” ভবনের জরুরি সংস্কার ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র সরবরাহের দাবি জানানো হলে সংসদ সদস্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তা বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় রুমা উপজেলা শাখার “বিটিকেএস” ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সভাপতি শিক্ষক গর্ডেন ত্রিপুরার নেতৃত্বে কার্যনির্বাহী কমিটি, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং নারী-পুরুষ সদস্যরা পুষ্পমাল্য পরিয়ে সংসদ সদস্যকে শুভেচ্ছা জানান।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি শিক্ষক গর্ডেন ত্রিপুরা “বিটিকেএস” ভবনের জরাজীর্ণ অবস্থার বিষয়টি সংসদ সদস্যের নজরে আনেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল, দেয়ালের রং খসে পড়া, গ্রিল নষ্ট হয়ে যাওয়া এবং ভবনের চারপাশের মাটি ধসে পড়ায় ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কয়েক বছর আগে ভয়াবহ বন্যায় ভবনটি প্লাবিত হওয়ার পর এর ক্ষয়ক্ষতি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে ভবনটিতে অসচ্ছল পরিবারের কয়েকজন এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী অবস্থান করে পড়াশোনা করছে। ভবনটি সংস্কার করা হলে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে তিনি সরকারিভাবে দ্রুত সংস্কারকাজ বাস্তবায়নের দাবি জানান।

জবাবে সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী “বিটিকেএস” ভবনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভবনের জরুরি সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র প্রদানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেন, সংসদ সদস্যের প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়িত হলে রুমা উপজেলার ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর সামাজিক, সাংগঠনিক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে সেখানে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা নিরাপদ ও অনুকূল পরিবেশে পড়াশোনার সুযোগ পাবে।

সাইক্লিস্ট রাকিবুল ও কাপ্তাই ব্লাড ব্যাংকের মানবিকতায় বদলে গেল এক পরিবারের জীবন

বাঘাইছড়িতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শিক্ষকদের দুই দিনব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​”দিন আনি দিন খাই, বৃষ্টি নামলে সারা রাত জেগে বসে থাকি, মাটির মেঝেতে পানি জমে বিছানা ভিজে যায়। খুুঁটি নড়বড়ে, যেকোনো সময় ভেঙে পড়ার ভয়ে সন্তানদের বুকে জড়িয়ে ধরি।”— রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ের ওয়াগ্গা ইউনিয়নের কাঠালতলী এলাকার চন্দ্রলাল তনচংগ্যা ও ফুলবী তনচংগ্যা দম্পতির কণ্ঠে ছিল বেঁচে থাকার সেই দীর্ঘশ্বাস। দুই সন্তান নিয়ে ভাঙাচোরা আর পচন ধরা খুঁটির ঘরে বর্ষার রাতগুলো ছিল তাদের জন্য এক বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতার নাম। তবে সেই দুশ্চিন্তার রাত ফুরিয়েছে মানবিকতার ছোঁয়ায় আজ তারা পেলেন মাথা গোঁজার একটি মজবুত নতুন ঠিকানা। এই পরিবারের জীবনে আলোর দিশারী হয়ে এসেছেন জাতীয় সাইক্লিস্ট ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব রাকিবুল ইসলাম। গত চার বছর ধরে পার্বত্য চট্টগ্রামে সাইক্লিং প্রশিক্ষণের সুবাদে পাহাড় ও স্থানীয় মানুষের সাথে গড়ে উঠেছে এক গভীর আধ্যাত্বিক সম্পর্ক।

রাকিবুল ইসলাম জানান, “পাহাড়ের মানুষ আমাকে যে ভালোবাসা ও স্নেহ দিয়েছে, তার প্রতিদানস্বরূপ এটি আমার পক্ষ থেকে একটি সামান্য উপহার।” তার ব্যক্তিগত উদ্যোগ এবং দেশ-বিদেশে থাকা শুভাকাঙ্কীদের অর্থায়নে প্রায় ১ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে এই ঘর।

উল্লেখ্য, রাকিবুল ইসলাম এর আগেও খাগড়াছড়িতে আরও তিনটি অসহায় পরিবারকে গৃহনির্মাণে সহায়তা করেছেন। এই মহতী উদ্যোগকে সফল করতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করেছেন কাপ্তাই ব্লাড ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা বীর কুমার তনচংগ্যা। তার নিরলস প্রচেষ্টায় এবং কাপ্তাই ব্লাড ব্যাংকের স্বেচ্ছাসেবীদের সহযোগিতায় পরিবারটি আজ নিরাপদ আশ্রয় পেল।

ঘরটি হস্তান্তরের সময় আবেগাপ্লুত বীর কুমার তনচংগ্যা বলেন, “সমাজের মানুষের বিপদে মানুষই যদি পাশে না দাঁড়ায়, তবে পৃথিবীটা অনেক বেশি রূঢ় হয়ে যেত। আজ এই পরিবারটিকে নিরাপদ আশ্রয়ে দেখে যে শান্তি পাচ্ছি, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।”

নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন, ওয়াগ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুবিমল তনচংগ্যা, ওয়াগ্গা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য আশীষ কুমার তনচংগ্যা ও শ্যামল তনচংগ্যা, সাফছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা উজ্জ্বলা রাণী তনচংগ্যা।​ এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি সুগত তনচংগ্যা, সাধারণ সম্পাদক টিপু তনচংগ্যা, সহ-কোষাধ্যক্ষ সোহেল তনচংগ্যা, সদস্য অপু তনচংগ্যা, লেডি বাইকার ও স্কুটি প্রশিক্ষক জেমিয়া ফারজানা নিতু।

এছাড়া বাংলাদেশ তনচংগ্যা স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার ফোরাম (কাপ্তাই অঞ্চল), কাপ্তাই ব্লাড ব্যাংকের সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম কর্মী এবং স্থানীয় যুব সমাজের নেতৃবৃন্দ এই মহতী কাজের সাক্ষী হন।​ নতুন ঘরে আশ্রয় পাওয়ার পর চন্দ্রলাল-ফুলবী দম্পতির চোখে ছিল আনন্দাশ্রু।

তারা বলেন, “আমরা ভাবতেও পারিনি আমাদের জীবনে এমন একটি দিন আসবে। আকাশ ভেঙে পড়ার মতো অবস্থায় ছিলাম, এখন এই ঘরটি আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় উপহার।”মানুষের জন্য মানুষের এই ভালোবাসা ও সহযোগিতার নজির এলাকা জুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে। দুর্যোগপূর্ণ এই সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন রাকিবুল ইসলাম ও তার অকুতোভয় স্বেচ্ছাসেবকরা।

×