| ৬ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম:

জাঁকজমকপূর্ণভাবে ‘কাপ্তাই সুরের ধারা সঙ্গীত নিকেতন’-এর উদ্বোধন

জাঁকজমকপূর্ণভাবে ‘কাপ্তাই সুরের ধারা সঙ্গীত নিকেতন’-এর উদ্বোধন

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই :

​কাপ্তাইয়ে শুদ্ধ সঙ্গীত চর্চা এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছে ‘কাপ্তাই সুরের ধারা সঙ্গীত নিকেতন’।

গতকাল শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকালে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কেক কেটে প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধনী ক্লাস ও পরিচিতি সভা সম্পন্ন হয়।কাপ্তাইয়ের বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত এই উদ্বোধনী ক্লাসে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ একরাম হোসেন এবং কাপ্তাইয়ের সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নুর নাহার বেগমসহ আরও অনেকে।

কাপ্তাই সুরের ধারা সঙ্গীত নিকেতনের সভাপতি প্রদীপ মল্লিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক খোদেজা আক্তার ভাষার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সম্পাদক অর্ণব মল্লিক,  সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়েপ্রুচিং মারমা, অর্থ সম্পাদক জ্যাকলিন তঞ্চঙ্গা, সহ-অর্থ সম্পাদক সুমনা তঞ্চঙ্গা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রুবেল সিংহ, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক বর্ষা তঞ্চঙ্গা, নৃত্য প্রশিক্ষক অলংকৃতা ধর ও রোদ্রি সিংহ এবং চিত্রাঙ্কন প্রশিক্ষক তৃষ্ণা দাশ প্রমুখ।

উদ্বোধনী ক্লাসের সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান যুগে তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা এবং মোবাইলের আসক্তি থেকে দূরে রাখতে সঙ্গীত ও সুস্থ সংস্কৃতির চর্চার কোনো বিকল্প নেই। কাপ্তাইয়ের মতো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত এলাকায় এই সঙ্গীত নিকেতনটি স্থানীয় সুপ্ত প্রতিভার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সংগঠনের প্রশিক্ষকরা জানান, এখানে অত্যন্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে ধ্রুপদী, রবীন্দ্রসঙ্গীত, নজরুলগীতি, আধুনিক ও লোকসঙ্গীতের পাশাপাশি আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন এবং বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের ওপর নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সব বয়সী মানুষের জন্যই এই নিকেতনের দরজা উন্মুক্ত থাকবে।প্রথম দিনের উদ্বোধনী ক্লাসে কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এবং তাঁদের অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।

নতুন এই সাংস্কৃতিক উদ্যোগকে তাঁরা সাধুবাদ জানিয়েছেন।

রাঙামাটির সাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা ও বাঘাইছড়ি উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক গিয়স উদ্দিন গ্রেপ্তার

জাঁকজমকপূর্ণভাবে ‘কাপ্তাই সুরের ধারা সঙ্গীত নিকেতন’-এর উদ্বোধন
সিএইচটি বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :
রাঙামাটি জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা ও বাঘাইছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃষকেতু চাকমা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও বাঘাইছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। দু’জনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কোতয়ালী থানার মামলা জিআর ০৯/২৫ এ গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
রোববার (৫ জুলাই) বেলা ২টায় শহরের কোর্ট বিল্ডিং এলাকা থেকে এ দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করে রাঙামাটি কোতয়ালী থানা পুলিশ। পরে সংশ্লিষ্ট মামলার কার্যক্রম সম্পন্ন করে বিকেল ৪টায় কোতয়ালী থানা থেকে জেলা আদালতে দু’জনকে সোপর্দ করা হয়। পরে আদালত দু’জনকেই কারাগরে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে, দুপুরে জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার একটি রাজনৈতিক মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানাতে আদালতে আসেন বৃষকেতু চাকমা ও গিয়াস উদ্দিন। পরে আদালত এলাকার বাইরে থেকে গ্রেপ্তার করা দু’জনকে।
রাঙামাটির কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম উদ্দীন বলেন, কোতয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুজনকে কোতয়ালী থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলা জিআর ০৯/২৫ এ গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

দীঘিনালায় যাত্রীদের দুর্ভোগে কথা চিন্তা করে মাহেন্দ্র সমিতির নতুন ভারা নির্ধারন

জাঁকজমকপূর্ণভাবে ‘কাপ্তাই সুরের ধারা সঙ্গীত নিকেতন’-এর উদ্বোধন

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা:

খাগড়াছড়ি দীঘিনালায় যাত্রীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে দীঘিনালা মাহেন্দ্র সমিতি।

সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রবিবার ৫ জুলাই থেকে দীঘিনালা হইতে বাঘাইহাট বাজার মাহিন্দ্র যানবাহনের ভাড়া ৮০ টাকা থেকে কমিয়ে ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

দীঘিনালা মাহিন্দ্র সমিতির সাধারন সম্পাদক মো; রফিকুল ইসলাম মানিক জানান, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সাধারণ যাত্রীদের কষ্টের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় যাত্রীরা এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ভাড়া কমানোর ফলে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ আর্থিকভাবে কিছুটা স্বস্তি পাবেন। তারা এ মানবিক উদ্যোগের জন্য মাহিন্দ্র সমিতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মাহিন্দ্র সমিতির লাইমেন্স বাবুধন চাকমা বলেন জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে সমিতি আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

রুমার দুর্গম চারটি স্কুলে ১১২ শিক্ষার্থীর মাঝে স্কুল ড্রেস ও ছাতা বিতরণ করল রুমা জোন (৩৬ বীর)

জাঁকজমকপূর্ণভাবে ‘কাপ্তাই সুরের ধারা সঙ্গীত নিকেতন’-এর উদ্বোধন

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা প্রতিনিধি:

পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চলমান মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকার চারটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১১২ জন শিক্ষার্থীর মাঝে স্কুল ড্রেস ও ছাতা বিতরণ করেছে রুমা জোন (৩৬ বীর)।

গত (৪ জুলাই) রোজ শনিবার “সবার জন্য সেনাবাহিনী” এই মূলমন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে রুমা জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী হাসান সরকার, এসবিপি, পিএসসি-এর নির্দেশনায় এবং মো: নেওয়াজ মোর্শেদ -এর তত্ত্বাবধানে রাইংখিয়ং পুকুর আর্মি ক্যাম্পের আওতায় এ মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

সহায়তা পাওয়া বিদ্যালয়গুলো হলো পুকুর পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রংজং পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুরহা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং চার্জিং পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, চারটি বিদ্যালয়ের মোট ১১২ জন শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে একটি করে স্কুল ড্রেস ও একটি করে ছাতা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে পুকুর পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪০ জন, প্রংজং পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩০ জন, সুরহা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৪ জন এবং চার্জিং পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৮ জন শিক্ষার্থী এ সহায়তা পেয়েছে।

এ সময় স্থানীয় কারবারি, অভিভাবক, শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়রা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে শিক্ষা প্রসার ও শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে এ ধরনের মানবিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ ও পোশাক পেয়ে উপকৃত হবে।

এদিকে সহায়তা পেয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দুর্গম পার্বত্য এলাকায় শিক্ষা, মানবিক সহায়তা ও জনকল্যাণে সেনাবাহিনীর এ ধরনের উদ্যোগ সাধারণ মানুষের পাশে থাকার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এবং দেশের শান্তি, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভূমিকা সর্বদাই প্রশংসনীয়।

রুমা জোন কর্তৃপক্ষ জানায়, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

×