শিরোনাম:

বরকলে উন্নত জাতের আম চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বরকলে উন্নত জাতের আম চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

 

মিকেল চাকমা, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বরকলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উন্নত জাতের আম চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বরকল উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: রেজাউল করিম।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাংগামাটি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডঃ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান। এছাড়াও উপ-সহকারী কর্মকর্তা উত্তরা চাকমা সহ কর্তব্যরত কর্মকর্তা কর্মচারী ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ২নং বরকল ইউনিয়ন কদমতুলি পাড়ার ১৮ জন, নলবুনিয়া পাড়ার ১৮ জন, ৩নং আইমাছড়া ইউনিয়নে ৫নং ওয়ার্ডের ১৮ জন ও ৪নং ভূষনছড়া ইউনিয়নের বড় অজ্যাংছড়ি পাড়া থেকে ১৮ জনসহ মোট ৭২ জন প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষনে অংশগ্রহণকারী জ্ঞান রতন চাকমা বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নত জাতের আম কিভাবে চাষ করা যায় সে বিষয়ে আজকে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপপরিচালক ড. মো: মনিরুজ্জামান বলেন, পার্বত্য এলাকায় আমের ফলন বেশী হয় কিন্তু চাষীদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ না থাকার কারণে আমের মধ্যে পোকা হয়ে থাকে। ফলে আম খাওয়ার অনুপোযোগী হয় এবং চাষীরা পর্যাপ্ত দাম পাইনা। চাষীদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে এই প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়েছে।

মন্দির ভিত্তিক বিয়েতে আন্তর্জাতিক বিশ্বতান সাংস্কৃতিক পরিবার

বরকলে উন্নত জাতের আম চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

 

বিশেষ প্রতিবেদক:

আজ ০৩ ফেরুয়ারী ২০২৬,মঙ্গলবার, গোল পাহাড় মহাশ্মশান কালী মন্দিরে অমিতা চক্রবর্তী ও অমিত চক্রবর্তী মন্দির ভিত্তিক বিবাহ (Temple Wedding) পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এই মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক বিশ্বতানের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নরেণ সাহা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সুপ্রিয়া দাশ। এছাড়াও অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন গোল পাহাড় মহাশ্মশান কালী মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ দাশ, এডভোকেট নিখিল বাবু, লায়ন সন্তোষ কুমার দে প্রমুখ।

এই মন্দির ভিত্তিক বিবাহের উদ্দেশ্য দেবদেবীর উপস্থিতিতে শাস্ত্রীয় রীতি মেনে বিয়ে করাকে বোঝায়, যা আধ্যাত্মিকতা, ঐতিহ্য ও সরলতার প্রতীক; এটি সাধারণত ব্যয়বহুল জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের চেয়ে কম খরচে সম্পন্ন হয় এবং হিন্দু বিবাহ আইন অনুযায়ী কিছু শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এটি আইনত বৈধ হতে পারে। যা পরিবার ও প্রজন্মের ঐতিহ্যকে সম্মান জানায়। আধ্যাত্মিকতা ও পবিত্রতায় দেবদেবীর আশীর্বাদ প্রাপ্তি, যা বিবাহিত জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি আনে বলে বিশ্বাস করা হয়।

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, যেমন সপ্তপদী ও কন্যারদান। অনুষ্ঠানাটি মঙ্গলসূত্র ধারণ, সপ্তপদী (সাত পাক) ইত্যাদি মূল আচারগুলোর মাধ্যমে মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়।

আলীকদম জোনের উদ্যোগে পাহাড়ভাঙ্গা পাড়ায় প্রাথমিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত

বরকলে উন্নত জাতের আম চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

 

‎ ‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ, ‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বান্দরবান রিজিয়নের আওতাধীন আলীকদম জোনের উদ্যোগে স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরে মায়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ভাঙ্গা পাড়ায় ‘সেনা মৈত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়’-এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারী) সকালে বিদ্যালয়টির উদ্বোধন করেন আলীকদম জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ আশিকুর রহমান আশিক, এসপিপি, পিএসসি। ‎‎বিদ্যালয় উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ব্যাপক জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

এ সময় স্থানীয় ৩১৫ জন অসহায় রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ১১৩টি দরিদ্র পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারগুলোর মধ্যে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়। ‎আলীকদম উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে এবং মায়ানমার সীমান্ত থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার ভেতরে অবস্থিত পাহাড়ভাঙ্গা পাড়া দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল। ভৌগোলিক দুর্গমতার কারণে ফাতরাপাড়া, মাসখুম পাড়া ও তরণী পাড়ার শিশুদের জন্য নিয়মিত শিক্ষাগ্রহণ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল।

স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে আলীকদম জোন এ অঞ্চলে ‘সেনা মৈত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে। উদ্বোধন শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ, বেঞ্চ, পাঠ্যবই ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। ‎এছাড়া সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ মেডিকেল টিম দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করে। এতে ৯৫ জন পুরুষ, ১৭৫ জন নারী ও ৪৫ জন শিশুসহ মোট ৩১৫ জনকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়।

‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে লেঃ কর্নেল মোঃ আশিকুর রহমান আশিক বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। দুর্গম এই জনপদে শিক্ষার যাত্রা স্থানীয় শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ‎ ‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনজুর আলম, মেজর মোঃ পাভেল মাহমুদ রাসেল, বিএসপি, আলীকদম জোনের জোনাল স্টাফ অফিসার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আলী তাওহীদ এবং লামা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মাসুম সরদার। এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কার্বারি ও বিপুলসংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। ‎

‎সেনাবাহিনীর এই মানবিক উদ্যোগে স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, এই ধরনের কার্যক্রম দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে শিক্ষা ও মানবিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

৯ম পে-স্কেলের দাবিতে লংগদুতে কর্মচারীদের বিক্ষোভ

বরকলে উন্নত জাতের আম চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, লংগদু :

পার্বত্য জেলা রাঙামাটির লংগদুতে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল ঘোষণাসহ এক দফা দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট, কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন সরকারি কর্মচারীরা। বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারীদের দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সম্মিলিত পরিষদের কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় এই কর্মসূচি পালিত হয়। ​

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারীরা একত্রিত হয়ে এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন। ব্যানার হাতে নিয়ে তারা তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

আন্দোলনরত কর্মচারীরা বলেন, জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশকৃত বৈষম্যহীন এক দফা এক দাবি অর্থাৎ ৯ম পে-স্কেলের গেজেট জারি করার জন্য তারা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের মতে, বর্তমান বাজারমূল্যের সাথে বর্তমান বেতন কাঠামো সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, ফলে নিম্ন ও মধ্যমসারির কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এই কর্মসূচিটি গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এই অবস্থান ধর্মঘট ও কর্মবিরতি পালিত হচ্ছে। ​

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, আমরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছি। কিন্তু দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে আমাদের বর্তমান বেতন দিয়ে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সরকার যদি অবিলম্বে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ না করে, তবে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। ​লংগদু উপজেলার সরকারি কর্মচারী পরিষদের নেতৃবৃন্দ এই আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করে দ্রুত প্রদান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেন। কর্মসূচি চলাকালীন দাপ্তরিক কাজে কিছুটা স্থবিরতা লক্ষ্য করা গেলেও কর্মচারীরা তাদের অধিকার আদায়ে অনড় অবস্থানে রয়েছেন।

×