শিরোনাম:

রাজস্থলী থানার বিশেষ অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত আসামী গ্রেফতার ১

রাজস্থলী থানার বিশেষ অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত আসামী গ্রেফতার ১

 

বিশেষ প্রতিবেদক :

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণ রাখতে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে রাজস্থলী থানা পুলিশ ফোর্স একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে। ১ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে পরিচালিত এই অভিযানে একটি মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

জেলা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম এর নির্দেশনায় এবং রাজস্থলী থানার অফিসার ইনচার্জ খালেদ হোসেন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে গঠিত আভিযানিক টিম এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে চট্টগ্রাম বায়োজিদ থানার মামলা নং– সি আর ৯৩২/২৪ পেনাল কোডের আওতাভুক্ত গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামী মঙ্গল কুমার তঞ্চঙ্গ্যা (৩৭), পিতা– বানসো তঞ্চঙ্গ্যা , গ্রাম–চিংখ্যং মৌজা গাইন্দ্যা ইউনিয়নের নোয়াঝিড়ি পাড়া রাজস্থলী জেলা–রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা’কে নিজ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

রাজস্থলী থানার পুলিশের সমন্বিত ও পেশাদারিত্বপূর্ণ প্রচেষ্টায় অভিযানে সাফল্য অর্জিত হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীকে আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিজ্ঞ আদালতে জেলা কোর্ট প্রেরণ করা হয়েছে। রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আলীকদমে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সচেতনতা অভিযান অনুষ্ঠিত

রাজস্থলী থানার বিশেষ অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত আসামী গ্রেফতার ১


‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা,
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের মাতামুহুরী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আজ “জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও পরিবেশ সুরক্ষা বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রচারণা অভিযান” অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ কর্মসূচি ছিল প্রাণবন্ত ও তাৎপর্যপূর্ণ।

‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ।

‎বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ। অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষক পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব ও ছাত্র-ছাত্রীর ভূমিকা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।

‎বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ প্রকল্পের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়, যা ইউএনডিপি ও পার্বত্য জেলা পরিষদের যৌথ বাস্তবায়িত একটি প্রকল্প এবং ERRD-CHT প্রকল্পের অধীন উপ-প্রকল্প।

‎অনুষ্ঠানে প্রকল্পের ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অফিসার অংসাইন প্রকল্পের লক্ষ্য, কার্যক্রম এবং এ ধরনের সচেতনতা অভিযানের গুরুত্ব সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের অবহিত করেন।

‎আলীকদম উপজেলা জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ ফ্যাসিলিটেটর অংসেপ্রু মারমা অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। কর্মসূচিতে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্ত বক্তব্য প্রদান করে এবং একটি কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

‎অনুষ্ঠানের শেষে সকল অংশগ্রহণকারী জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও পরিবেশ রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে শপথপত্রে স্বাক্ষর করেন।

বান্দরবানে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী।

রাজস্থলী থানার বিশেষ অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত আসামী গ্রেফতার ১

বান্দরবান প্রতিনিধি:

বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল পুনঃখনন কর্মসূচির আওতায় খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এতে করে এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা দূর হওয়ার পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির আশাবাদ ব্যক্ত করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার (৪ মে) বেলা ১১ টায় উপজেলার বড়ুয়া পাড়া হতে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বান্দরবান ৩০০ নং আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) সাচিং প্রু জেরী।

উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি সাচিং প্রু জেরী বলেন, দেশের টেকসই উন্নয়নে পানি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খাল খননের মাধ্যমে একদিকে যেমন জলাবদ্ধতা কমবে, অন্যদিকে কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা বাড়বে, যা কৃষকদের উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক হবে।
তিনি জানান, সরকারের এ উদ্যোগ গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, মোজাম্মেল হক অফিসার ইনচার্জ নাইক্ষ্যংছড়ি থানা,জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাচ প্রু, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান তোফায়েলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে,এই খাল ২.৫০ কিলোমিটার খনন করা হবে যার ব্যয় হবে ১ কোটি ১২ লক্ষ টাকা। কাজ করছে ২৬৯ জন শ্রমিক। এর আওতায় নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের বড়ুয়াপাড়া, বিছামারা, বাগানঘোনা, মন্ডইল্লাঘোনা,চাক হেডম্যান পাড়া,মধ্যম চাক পাড়াসহ আাড়াই কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, খালগুলো পুনঃখননের ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন সম্ভব হবে, কমবে জলাবদ্ধতা। পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণ হওয়ায় কৃষকরা সহজে সেচ সুবিধা পাবেন। এতে ফসলের উৎপাদন বাড়বে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
স্থানীয় বাসিন্দারাও এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা আশা করছেন, দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে খাল খনন প্রকল্পটি চরভদ্রাসনের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

হামের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে আলীকদমে সেনা-প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগ সমন্বয় সভা

রাজস্থলী থানার বিশেষ অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত আসামী গ্রেফতার ১

 

‎ ‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা, ‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার দূর্গম কুরুকপাতা এলাকায় হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আলীকদম জোন (৩১ বীর) উদ্যোগে একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‎

সোমবার (০৪ মে) বেলা ১২ ঘটিকার সময় দূর্গম কুরুকপাতা এলাকায় হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আলীকদম সেনাজোন (৩১ বীর) উদ্যোগে আলীকদম জোনের কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ‎সভায় উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, আলীকদম জোনের মেডিকেল অফিসার এবং স্থানীয় মুরং সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এতে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির কারণ বিশ্লেষণ, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিতকরণ এবং চলমান টিকাদান কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। ‎

বিশেষ করে দুর্গম ও যোগাযোগ-বিচ্ছিন্ন পাহাড়ি এলাকায় ঘরে ঘরে গিয়ে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় বিশেষ টিকাদান দল গঠন, দুর্গম এলাকায় নিরাপত্তা ও লজিস্টিক সহায়তা নিশ্চিতকরণ এবং সমন্বিতভাবে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ‎

সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে টিকাদান কর্মসূচিকে আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সভায় উপস্থিত সবাই হামের প্রাদুর্ভাব দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ‎বর্তমানে আলীকদম সেনা জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সমন্বয়ে টিকাদান ও জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম জোরদারভাবে পরিচালিত হচ্ছে। দুর্গম পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এ উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যে আশাবাদ সৃষ্টি করেছে। ‎

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জানায়, দেশের মানুষের পাশে থেকে জনকল্যাণে কাজ করা তাদের দায়িত্বের অংশ, এবং এই কার্যক্রম তারই ধারাবাহিকতা।

×