| ১৭ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

সাজেকে বনানি বন বিহারে বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা

সাজেকে বনানি বন বিহারে বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা প্রতিনিধি :

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে বাঘাইহাট বনানি বন বিহারে মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপিত হয়েছে। শনিবার ২ মে ২০২৬ দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়, যেখানে স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়সহ বিভিন্ন এলাকার ধর্মপ্রাণ ভুক্ত অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্টানে সংঘ প্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুধর্ম লংকার মহাস্হবির ভান্তে সাজেক, কল্যান সিদ্দি ভান্তে দুলুবনিয়া অরণ্য কুঠির, ধর্ম সিদ্দি মহাস্থবির ভান্তে নন্দরাম অরণ্য কুঠির লুংবিনি কুঠির ও বাঘাইহাট বনানি বন বিহারের অধ্যক্ষ শ্রদ্ধেয় কৃপারত্ন মহাস্থবির ভান্তে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নেলসন চাকমা, বাঘাইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাক্যবদি চাকমা, বাঘাইহাট ৪নং ওযার্ডের মেম্বার দয়াধন চাকমাসহ এলাকার সুশীল সমাজের ধর্ম প্রান দায়ক/দায়িকা উপস্থিত ছিলেন। ভোরে পবিত্র ত্রিপিটক পাঠ, প্রার্থনা ও সংঘদান অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম ধর্মীয় আনুষ্টানিকতা শুরু হয়।

পরে বন বিহার প্রাঙ্গণে বুদ্ধের জীবনী ও তার মানব কল্যাণমূলক বাণী নিয়ে ধর্মীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ভিক্ষুসংঘ দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সকল জীবের মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করেন। দুপুরের পর আয়োজিত মঙ্গল শোভাযাত্রা ছিল দিনের অন্যতম আকর্ষণ। রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন ও ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত অংশগ্রহণকারীরা বুদ্ধের অহিংসা, মৈত্রী ও করুণার বার্তা ছড়িয়ে দেন।

শোভাযাত্রাটি বনানি বন বিহার থেকে শুরু হয়ে সাজেকের মেইন সড়ক উজো বাজারসহ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বিহার প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।

অনুষ্টান উদযাপন কমিটির সহ-সভাপতি বিমল চাকমা জানান, বুদ্ধ পূর্ণিমা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি মানবতার জন্য শান্তি ও সহমর্মিতার এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। এই ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে নৈতিকতা ও সম্প্রীতির শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে দুপুরের ভোজন বিতরণ করা হয়। দিনব্যাপী এ আয়োজনে উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি ছিল আধ্যাত্মিক প্রশান্তির ছোঁয়া, যা অংশগ্রহণকারীদের মনে গভীর প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন পুর্ণার্থীরা।

বাঘাইছড়িতে নেটওয়ার্ক সংকটে জীবনের ঝুঁকি, আমগাছে উঠে অনলাইন হাজিরা প্রধান শিক্ষকের

সাজেকে বনানি বন বিহারে বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা

 

‎আনোয়ার হোসেন, ‎বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

‎সরকারের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনলাইনে হাজিরা নিশ্চিত করতে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিতে হয়েছে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার এক প্রধান শিক্ষককে। মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় বিদ্যালয় থেকে কয়েকশ ফুট উঁচু পাহাড়ে উঠে শেষ পর্যন্ত আমগাছের ডালে বসে অনলাইনে হাজিরা পাঠাতে হয়েছে তাকে। ‎‎ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার রূপকারী ইউনিয়নের পাকুজ্জোছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবু তাহেরের আমগাছে উঠে মোবাইল নেটওয়ার্ক খোঁজার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ‎ ‎

জানা গেছে, সম্প্রতি সরকার সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য অনলাইন হাজিরা কার্যক্রম চালু করেছে। নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ৯টার মধ্যে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে হাজিরা খাতার ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে। ‎সোমবার (১৫ জুন) থেকে কার্যকর হওয়া এ নির্দেশনার প্রথম দিনেই বিপাকে পড়েন প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবু তাহের।

তিনি জানান, তার বিদ্যালয়টি দুই পাহাড়ের মাঝখানে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ ফুট নিচে অবস্থিত। বিদ্যালয়ের ছাদে উঠেও কোনো মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়নি। পরে পাহাড়ের চূড়ায় উঠে বিভিন্ন স্থানে চেষ্টা করেও নেটওয়ার্ক না পেয়ে শেষ পর্যন্ত একটি আমগাছে উঠে সংযোগ পান। ‎তিনি বলেন, “অনেক কষ্টে গাছের ডালে উঠে নেটওয়ার্ক পেয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার হোয়াটসঅ্যাপে হাজিরা খাতার ছবি পাঠাতে সক্ষম হয়েছি। তবে কিছুটা দেরি হওয়ায় আমাকে ধমকও শুনতে হয়েছে।” ‎ ‎

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এভাবে হাজিরা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “পেটের দায়ে চাকরি করি। চাকরি বাঁচাতে হলে ঝুঁকি নিতেই হবে। চাকরি না থাকলে আমার পরিবারের চারজনের ভরণপোষণ কীভাবে চলবে?” ‎ ‎

বাঘাইছড়ি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্চয়ন চাকমা জানান, উপজেলার ১১৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম দিনে ৮৮টি বিদ্যালয়ের অনলাইন হাজিরা পাওয়া গেছে। বাকি ২৮টি বিদ্যালয়ের ৮৩ জন শিক্ষকের হাজিরা পাওয়া যায়নি। ‎তিনি বলেন, “যেসব এলাকায় ফোর-জি নেটওয়ার্ক রয়েছে, সেখান থেকে অনলাইনে হাজিরা পাওয়া গেছে। নেটওয়ার্ক বিহীন এলাকার শিক্ষকরা মোবাইল বার্তার মাধ্যমে তথ্য জানিয়েছেন। আগামী দিনে হাজিরার সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা করছি।” ‎

কুষ্ঠরোগীদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আহ্বান বিশিষ্টজনদের

সাজেকে বনানি বন বিহারে বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটি :

কুষ্ঠরোগীদের প্রতি সদয় হয়ে মানবিক আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাঙামাটির বিশিষ্টজন ও সরকারি কর্মকর্তারা। তারা বলেন, রোগের যন্ত্রণার চেয়ে সামাজিক অবহেলা ও নির্যাতনের কষ্টই কুষ্ঠরোগীদের বেশি পোড়ায়।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে রাঙামাটি সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে লেপ্রসি মিশনের আয়োজনে ‘ওরিয়েন্টেশন সভা’ অনুষ্ঠিত হয়। সিভিল সার্জন ডা. নুয়েন খীসার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য ও শিক্ষাবিদ দেবপ্রসাদ দেওয়ান।

সভায় বক্তারা বলেন, কুষ্ঠ একটি নিরাময়যোগ্য রোগ। জীবাণু কম হলে ৬ মাস, বেশি হলে ১ বছর চিকিৎসায় সেরে যায়। অথচ কুসংস্কার ও ভুল ধারণার কারণে রোগীরা সামাজিকভাবে হেয় হচ্ছেন। কুষ্ঠ নিয়ে ভুল ধারণা দূর করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। রোগীদের প্রতি সদয় ও মানবিক হতে হবে।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সরিৎ কুমার চাকমা, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম, লেপ্রসি মিশনের মেডিকেল অফিসার ডা. জীবক চাকমা ও রাঙামাটি বক্ষব্যাধি ক্লিনিকের কনসালটেন্ট ডা. শুভ্রসোম চাকমা।

লেপ্রসি মিশনের মেডিকেল অফিসার ডা. জীবক চাকমা জানান, চলতি বছর রাঙামাটিতে ১৫ জন নতুন কুষ্ঠরোগী শনাক্ত হয়েছে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আগে যারা কুষ্ঠে আক্রান্ত হয়ে বিকলাঙ্গ হয়ে ভিক্ষাবৃত্তিতে নেমেছিলেন, তাদের পুনর্বাসন করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় গ্রুপভিত্তিক সুদমুক্ত ঋণ দিয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি লেপ্রসি মিশন বিনামূল্যে ওষুধ ও চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে। মেডিকেল টিম ও জেলা পর্যায়ের অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্ম একযোগে কাজ করছে। প্রধান অতিথি দেবপ্রসাদ দেওয়ান কুষ্ঠরোগীদের সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সভায় গণমাধ্যমকর্মী, জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান-কার্বারি, ধর্মীয় পুরোহিত, কুষ্ঠরোগমুক্ত নারী-পুরুষ ও লেপ্রসি মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

রুমায় ২০১৯ সালের আশ্রয়ণ ঘর এখনো অসম্পূর্ণ, দায় নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

সাজেকে বনানি বন বিহারে বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের রুমা উপজেলার ৪ নং গালেংগ্যা ৫ নং ওয়ার্ড কুরাং (পালে) পাড়ার বাসিন্দা মাংচ্যং ম্রো অভিযোগ করেছেন, ২০১৯ সালে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় তার জন্য নির্মাণ শুরু হওয়া ঘরের কাজ এখনো সম্পূর্ণ হয়নি। দীর্ঘ প্রায় সাত বছর ধরে ঘরটি অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকায় তিনি পরিবার নিয়ে চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন।

মাংচ্যং ম্রো জানান, আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাওয়ার পর তিনি একটি নিরাপদ ও স্থায়ী আবাসনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। নতুন ঘরে উঠবেন এই আশায় নিজের পুরোনো ঘর ভেঙে ফেলেন। পরে বাধ্য হয়ে পাড়ার নিচে অন্য জায়গায় টেলপার দিয়ে একটি অস্থায়ী কুঁড়েঘর নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন। কিন্তু বছরের পর বছর পার হয়ে গেলেও সরকারি ঘরের নির্মাণকাজ শেষ হয়নি।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বাজেট শেষ হয়ে গেছে বলে আমাকে ঘর সম্পূর্ণ করে দেওয়া হয়নি। বর্তমান সরকারের কাছে আমার দাবি, ঘরটির বাকি কাজ দ্রুত শেষ করে দেওয়া হোক। ঘরে ঢালাই পিলার দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সেখানে ইটের পিলার করা হয়েছে। এমনকি রডও আমি নিজ খরচে কিনে দিয়েছি। তারপরও কাজ শেষ করে দেওয়া হয়নি।”

এ বিষয়ে রুমা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের সহকারী কর্মকর্তা জিবংঙ্কর বলেন, ঘরটির জন্য মোট বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। এর মধ্যে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা মিস্ত্রির খরচ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ইট, সিমেন্ট, বালু, কংকর, টিনসহ প্রয়োজনীয় নির্মাণসামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে। তবে ঘরের মালিককে ছাদের জন্য প্রয়োজনীয় কাঠ ও বাটাম সরবরাহ করার কথা ছিল, যা তিনি দিতে পারেননি। ফলে কাজ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয়নি।

ঢালাই পিলারের পরিবর্তে ইটের পিলার ব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এত সীমিত বাজেটে ঢালাই পিলার দেওয়া সম্ভব নয়। সাধারণত ফাউন্ডেশনযুক্ত ঘর নির্মাণের ক্ষেত্রে ঢালাই পিলার ব্যবহার করা হয়। সরকারি নির্দেশনা ও স্টিমেট অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করা হয়েছিল। ঘরের মালিক প্রয়োজনীয় কাঠ ও বাটাম সরবরাহ করলে আমরা পুনরায় উদ্যোগ নিয়ে বাকি কাজ শেষ করে দেব।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য রেংওয়ে ম্রো বলেন, এই প্রকল্পের কাজ আমার দায়িত্ব গ্রহণের আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। তাই বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানি না। তবে ঘরটির কাজ শেষ হলে উপকারভোগী পরিবারটি অনেক উপকৃত হবে। কারণ তারা অত্যন্ত অসহায় ও দরিদ্র।

অন্যদিকে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে রুমা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. কাওসার আলী বলেন, এই কাজটি আমার দায়িত্ব গ্রহণের আগের। বিষয়টি সম্পর্কে আমার বিস্তারিত জানা নেই। এ বিষয়ে অফিস সহকারী জিবংঙ্কর ভালো বলতে পারবেন।

এদিকে দীর্ঘদিন ধরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর অসম্পূর্ণ থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। উপকারভোগী মাংচং ম্রো দ্রুত ঘরটির নির্মাণকাজ শেষ করে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

×