| ৯ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

রুমার ৪নং গালেংঙ্গ্যায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

রুমার ৪নং গালেংঙ্গ্যায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের রুমা উপজেলার ৪নং গালেংঙ্গ্যা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড জৈতুন পাড়া এলাকায় এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সোমবার (৮ জুন) দুপুর আনুমানিক দুপুর ১২টা ঘটিকায় স্থানীয়রা জৈতুন পাড়া এলাকায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।

খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধারের জন্য রুমা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। একই সঙ্গে রুমা উপজেলার ৪নং গালেংঙ্গ্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেনরত ম্রোও ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

তাৎক্ষণিকভাবে মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কেও এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছানোর পর মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্তকরণ এবং মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে পরবর্তী আপডেট প্রকাশ করা হবে।

রুমার ৪নং গালেংঙ্গ্যায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার :

আক্রান্ত ২ হাজার ৩১৩, মৃত্যু ১৩। চমেকের এক বেডে দুই শিশু, পরীক্ষার কিট না থাকায় নমুনা যাচ্ছে ঢাকায়। চট্টগ্রামে হামের প্রকোপ উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। রোগীর চাপে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের হাম ওয়ার্ডে শয্যা সংকট দেখা দিয়েছে। ৫০ শয্যার ওয়ার্ডে বর্তমানে ৮০ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে একটি শয্যায় দুই শিশুকে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। একই সঙ্গে নগরীর ৯টি ওয়ার্ডকে হামের ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

চমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ১১৬ জন রোগী। তাদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু হলেও কয়েকজন প্রাপ্তবয়স্কও রয়েছেন। রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালের হাম ওয়ার্ড ও শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) ‘২৬খ্রিঃ বিকেলে হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, নিচতলার হাম ওয়ার্ডে নির্ধারিত শয্যার তুলনায় অনেক বেশি রোগী ভর্তি রয়েছে। গরম ও সংকীর্ণ পরিবেশে শিশুদের নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অভিভাবকরা। অন্যদিকে দোতলার ৯ নম্বর শিশু ওয়ার্ডেও হাম সন্দেহে ভর্তি রোগীদের চিকিৎসা চলছে। যাদের অবস্থা তুলনামূলক জটিল, তাদের অক্সিজেন ও স্যালাইন দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হাম ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন সাড়ে চার বছর বয়সী তাসফিয়া আক্তারের বাবা মো. রুমান বলেন, মেয়ের শরীরে হঠাৎ র্যাশ, জ্বর ও কাশি দেখা দিলে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এখন কিছুটা সুস্থ হলেও এক শয্যায় দুই শিশুকে রাখতে কষ্ট হচ্ছে।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন বলেন, বর্তমানে হামের উপসর্গ নিয়ে ১১৬ জন রোগী ভর্তি রয়েছে। রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় কোনো কোনো শয্যায় একসঙ্গে দুই শিশুকে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। এছাড়া ১৪ থেকে ২৪ বছর বয়সী ছয়জন প্রাপ্তবয়স্কও আক্রান্ত হয়েছেন। এমনকি একজন ইন্টার্ন চিকিৎসকও রোগীদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে হামে আক্রান্ত হয়েছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী বর্তমানে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব পরিস্থিতি চলছে। চট্টগ্রাম নগরীর ৯টি ওয়ার্ডকে হামের হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো- জালালাবাদ, চান্দগাঁও, উত্তর পাহাড়তলী, লালখান বাজার, পূর্ব বাকলিয়া, আলকরণ, দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর, দক্ষিণ হালিশহর ও উত্তর পতেঙ্গা।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৩১৩ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মহানগরে ২ হাজার ২১৫ জন এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৯৮ জন। হামে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ১০ জন উপসর্গ নিয়ে এবং তিনজন পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা যান। এদিকে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও চট্টগ্রামে হাম শনাক্তের কার্যকর পরীক্ষার ব্যবস্থা এখনও চালু হয়নি। রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার ন্যাশনাল পোলিও অ্যান্ড মিজলস-রুবেলা ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হচ্ছে। ফলে রিপোর্ট পেতে দুই থেকে তিন দিন সময় লাগছে। ফৌজদারহাটে অবস্থিত বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি)-এ হাম পরীক্ষার সক্ষমতা থাকলেও কিট সংকট ও প্রয়োজনীয় অনুমোদনের অভাবে পরীক্ষা শুরু করা যাচ্ছে না।

বিআইটিআইডির অধ্যাপক ডা. মামুনুর রশীদ বলেন, তাদের ল্যাবরেটরিতে হাম শনাক্তের পূর্ণ সক্ষমতা রয়েছে। তবে হাম-রুবেলা পরীক্ষার কিট না থাকায় পরীক্ষা চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। কিট ও অনুমোদন পেলে দ্রুত পরীক্ষা শুরু করা যাবে।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রতিদিনই নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। ইতোমধ্যে ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত হওয়ায় আগামী কয়েক মাসের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

গোবিন্দগঞ্জে দুর্ধষ ডাকাতি সংঘটিত ; নগদ টাকা স্বর্ণালংকার ও বিভিন্ন মালামাল লুট

রুমার ৪নং গালেংঙ্গ্যায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

 

মানিক সাহা, গাইবান্ধা:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের কোমরপুর এলাকায় দুর্ধষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। রবিবার (৭ জুন) গভীর রাতে উপজেলার কোমরপুর এলাকার পারভীন বেগমের প্রাচীর টপকে বাড়ীতে প্রবেশ করে ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে বাড়ীর লোকজনের হাত-পা, চোখ মুখ বেঁধে ফেলে। এসময় তারা ঘরের বিভিন্ন শোকেস থেকে মোটরসাইকেল, ল্যাপটপ স্বর্ণলংকার, নগদ টাকা লুট নিয়ে যায়।

বাড়ীর মালিক পারভিন বেগম জানান, গভীর রাতে বাড়ী সবাই ঘুমিয়ে ছিল এই সুযোগে ডাকাতদল বাড়ীতে ঢুকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে। এরপর হাত-পা চোখ-মুখ বেঁধে প্রায় ৫ লাখ টাকার বিভিন্ন মালামাল, স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা নিয়ে যায়। আমার ছেলে শোয়েব রহমান বাদি হয়ে থানায় এ ব্যাপারে একটি মামলা দায়ের করেছে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলীকদমে কারিতাসের উদ্যোগে চারা বিতরণ

রুমার ৪নং গালেংঙ্গ্যায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার


‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা,
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎”প্রকৃতি থেকে অনুপ্রেরণায় জলবায়ুর জন্য আমাদের ভবিষ্যতের জন্য” এই প্রতিপাদ্যে বান্দরবানের আলীকদমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কারিতাস পিএইপি-৩ প্রকল্পের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

‎সোমবার (৮ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার সময় আলীকদম উপজেলার পরিষদের হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কারিতাস পিএইপি-৩ প্রকল্পের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। ‎পরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে কারিতাস পিএইপি-৩ প্রকল্পের মাঠ কর্মকর্তা জেসমিন চাকমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মনজুর আলম। ‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আলীকদম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোহেল রানা, মাতামুহুরি রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুল মালেকসহ প্রকল্পের উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

‎কারিতাস পিএইপি-৩ মাঠ কর্মকর্তা জেসমিন চাকমার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রকৃতি থেকে অনুপ্রেরণায় জলবায়ুর জন্য আমাদের ভবিষ্যতের জন্য এই প্রতিপাদ্যে এই প্রতিপাদ্যের আলোকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোহেল রানা।

‎আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পাহাড়ে নির্বিচারে গাছপালা কাটা হচ্ছে এবং পাহাড়ে আগুন দেওয়ার কারণেই বন্যপ্রাণী অভয়ারন্য ধ্বংস হচ্ছে। পাহাড়ে গাছপালা-বনাঞ্চল না থাকার ফলে প্রতি নিয়ত বিলুপ্ত হচ্ছে বন্যপ্রাণী ও পাহাড়ের পানির উৎস গুলো শুকিয়ে যাওয়ার ফলে এখন দুর্গম কুরুকপাতা রির্জাভ এলাকায় পানির জন্য হাহাকার করছে লোকজন। তাই জুম চাষের বিকল্প হিসেবে ফলজ বাগান করলে পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষা পাবে। চাষাবাদে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার কমিয়ে উপকারী পোকামাকড় রক্ষা করতে হবে। পলিটিনের ব্যবহারের হার কমিয়ে আনার জন্য বলেন। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সচেতনতায় পারে সবুজ পৃথিবী গড়তে। ‎

‎বক্তারা আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দেশকে বাঁচানোর জন্য সকলে মিলে গাছ লাগিয়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। জনসচেতনার মাধ্যমে গাছ রোপন করে ভবিষ্যতে সুন্দভাবে বেঁচে থাকার জন্য নিরাপদ আবাসস্থল পরিবেশ সৃষ্টিতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। এরপরে উপস্থিত লোকজন কে বিভিন্ন ফলজ বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

×