| ১২ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

প্রচলিত ভূমি ব্যবস্থাপনায় প্রথাগত নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে রাঙ্গামাটিতে হেডম্যান সম্মেলন অনুষ্ঠিত

প্রচলিত ভূমি ব্যবস্থাপনায় প্রথাগত নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে রাঙ্গামাটিতে হেডম্যান সম্মেলন অনুষ্ঠিত

 

ছন্দ সেন চাকমা, রাঙ্গামাটি :

‘প্রচলিত ভূমি ব্যবস্থাপনায় প্রথাগত নেতৃত্বের ভূমিকা ও করণীয়: পার্বত্য চুক্তি ও বর্তমান অবস্থা’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ ১১ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম হেডম্যান নেটওয়ার্ক সম্মেলন-২০২৬’।

দিনব্যাপী আয়োজিত এই সম্মেলনে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রথাগত ভূমি ব্যবস্থাপনা এবং পার্বত্য চুক্তির বর্তমান প্রেক্ষাপটে হেডম্যানদের ভূমিকা নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান শ্রী জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা।

সম্মেলনের উদ্বোধন করেন চাকমা সার্কেল চিফ রাজা ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীসহ স্থানীয় প্রথাগত নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের আয়োজনে এবং এএলআরডি (ALRD)-এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই সম্মেলন পার্বত্য অঞ্চলের ভূমি অধিকার ও সুশাসনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট ভবতোষ দেওয়ান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শান্তি বিজয় চাকমা।

রুমা থানাপাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, আতঙ্কে এলাকাবাসী

প্রচলিত ভূমি ব্যবস্থাপনায় প্রথাগত নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে রাঙ্গামাটিতে হেডম্যান সম্মেলন অনুষ্ঠিত

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের রুমা উপজেলার থানাপাড়া এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (রাত) আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হলে মুহূর্তের মধ্যে তা আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুনের লেলিহান শিখা ও ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডলী দূর থেকেও দেখা যাচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। আগুনের তীব্রতায় স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। পাশাপাশি রুমা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এলে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

নির্মাণাধীন ভবনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শ্রমিকের মৃত্যু।

প্রচলিত ভূমি ব্যবস্থাপনায় প্রথাগত নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে রাঙ্গামাটিতে হেডম্যান সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মোঃ আলম, বান্দরবান প্রতিনিধি:

বান্দরবান সদর হাসপাতালের সম্প্রসারিত ভবনে নির্মাণকাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে বান্দরবান সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শ্রমিকরা হলেন মো. সাকিব (২০) ও কামরুল হাসান (৩৫)। তারা ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, বান্দরবান সদর হাসপাতালের সার্ভিস ভবনে নির্মাণকাজ করছিলেন সাকিব ও কামরুল হাসান। কাজ করার একপর্যায়ে ভবনের পাশে থাকা বৈদ্যুতিক মুল তারের সঙ্গে একটি লোহার অ্যাঙ্গেলের সংস্পর্শ হলে তারা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়, এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

পরে খবর পেয়ে বান্দরবান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ও পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করেন।

বান্দরবান ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সহকারী পরিচালক আব্দুল মান্নান আনসারী বলেন,বান্দরবান সদর হাসপাতালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজন শ্রমিক নেতা হয়েছে, তারা কাজ কারো সময় ১১ হাজার লাইন বিদ্যুতের খুটির সাথে আর্থিং হয়ে ঘটনাস্থলে দুজনের মৃত্যু হয়।

কাপ্তাইয়ে এলএফজি সদস্যদের মাঝে প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উপকরণ হস্তান্তর

প্রচলিত ভূমি ব্যবস্থাপনায় প্রথাগত নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে রাঙ্গামাটিতে হেডম্যান সম্মেলন অনুষ্ঠিত

 ​

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

“আমিষেই শক্তি, আমিষেই  মুক্তি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় ‘৩টি পার্বত্য জেলায় সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প’–এর আওতায় স্থানীয় খামারিদের মাঝে মুরগি পালনের বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের উদ্যোগে কার্যালয় প্রাঙ্গণে লাইভস্টক ফার্মার্স গ্রুপ (এলএফজি)-এর ২৫ জন খামারির মাঝে এসব সামগ্রী আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। প্রথম পর্যায়ে খামারিদের মাঝে মুরগির খোয়াড় (খাঁচা), খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে এবং এর ধারাবাহিকতায় আগামীকাল প্রতিজন খামারিকে ৩০টি করে মুরগি প্রদান করা হবে।

উল্লেখ্য, এই প্রকল্পের আওতায় খামারিদের সাথে তিন বছরের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ​উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (কৃষিবিদ) মো: এনামুল হক হাজারির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: রায়হানুল ইসলাম। ​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের ডেপুটি প্রজেক্ট ডিরেক্টর (ডিপিডি) ডা. মো: শরিফুল ইসলাম, কাপ্তাই ভেটেরিনারি সার্জন ডা. রবিউল ইসলাম এবং উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা অমল বড়ুয়া।

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রায়হানুল ইসলাম বলেন, “পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি ও পুষ্টির চাহিদা পূরণে এই প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সরকার প্রান্তিক খামারিদের স্বাবলম্বী করতে বদ্ধপরিকর। বিতরণকৃত উপকরণগুলো সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে এলএফজি সদস্যরা নিজেদের ভাগ্যোন্নয়ন করতে পারবেন বলে আমি আশাবাদী।” ​

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল হক হাজারি প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন এবং খামারিদের যেকোনো সমস্যায় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পক্ষ থেকে সার্বিক কারিগরি ও চিকিৎসাসেবা প্রদানের আশ্বাস দেন। ​উপকরণ বিতরণকালে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী এবং প্রাণিসম্পদ দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

×