| ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

দীঘিনালার দুর্গম পাহাড়ে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করল সেনাবাহিনী

দীঘিনালার দুর্গম পাহাড়ে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করল সেনাবাহিনী

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত মানুষের দীর্ঘদিনের সুপেয় পানির সংকট নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী খাগড়াছড়ি রিজিয়ন! সোমবার ২২ জুন সকালে বিন্দু কুমার কার্বারী পাড়ায় ১৯০ ফুট গভীর ডিফ টিউবওয়েল উদ্বোধন করেন দীঘিনালা জোন কমান্ডার লেপটেন্যাল কর্ণেল মো: আল- আমিল পিএসসি। উদ্বোধনী অনুষ্টানে আরো উপস্তিত ছিলেন ৫নং বাবুছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গগন বিকাশ চাকমা, ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার সুরেশ চাকমাসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্তিত ছিলেন।

সেনাবাহিনীর সুত্রে জানায় জানা যায়, পাহাড়ি এলাকার অনেক পরিবার বছরের পর বছর পানীয় জলের জন্য দূরবর্তী ঝিরি ও প্রাকৃতিক পানির উৎসের ওপর নির্ভরশীল ছিল। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট চরম আকার ধারণ করায় স্থানীয়দের নিত্যদিনের জীবনযাত্রা ব্যাহত হতো।

এ পরিস্থিতিতে মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দীঘিনালা জোন প্রয়োজনীয় জরিপ ও পরিকল্পনার মাধ্যমে এলাকায় সুপেয় পানির উৎস উদ্যোগ গ্রহন করে।

এর ফলে স্থানীয় ১০৫টি পরিবারের ৩৫০জন নিরাপদ পানির সুবিধা পাবে এবং তাদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হয়েছে।

এ সময় সেনাবাহিনীর জোন কমান্ডার বলেন পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং মৌলিক চাহিদা পূরণে সেনাবাহিনী সবসময় কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, সুপেয় পানির এই ব্যবস্থা তাদের দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে সহায়ক হবে।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের জন্য নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।

কাপ্তাই জেটিঘাটে ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে দুঃসাহসিক চুরি : ২ লক্ষ টাকার মালামাল লুট

দীঘিনালার দুর্গম পাহাড়ে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করল সেনাবাহিনী

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই ইউনিয়নের পশ্চিম জেটিঘাট এলাকায় একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে এই চুরির ঘটনাটি ঘটে। চোর চক্র দোকানের ভেন্টিলেটর ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে প্রায় ২ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। ঘটনার সময় দোকানে কোনো পাহারাদার বা মালিক ছিলেন না বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী দোকান মালিক মো. নিজাম উদ্দিন জানান, প্রতিদিনের মতো আগের দিন রাতে বেচাবিক্রি শেষ করে যথানিয়মে দোকান বন্ধ করে তিনি বাসায় চলে যান। আজ সকালে দোকান খোলার পর তিনি দেখতে পান দোকানের ভেন্টিলেটরটি ভাঙা এবং ভেতরের সমস্ত মালপত্র চারদিকে এলোমেলো অবস্থায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে আছে।

তিনি ধারণা করছেন, গভীর রাতে কোনো এক সময়ে চোরেরা ভেন্টিলেটর ভেঙে ভেতরে ঢোকে। দোকান মালিকের দাবি— চোর চক্রটি দোকান থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দামি সিগারেট, নামী-দামী কসমেটিকস সামগ্রীসহ প্রায় ২ লক্ষ টাকার মূল্যবান মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে।​

দোকান মালিক মো. নিজাম উদ্দিন জানান, “প্রতিদিনের মতো দোকান বন্ধ করে বাসায় গিয়েছিলাম। সকালে এসে দেখি সব শেষ। আমার প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল নিয়ে গেছে চোরেরা।

৪নং কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ চুরির এই ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। সংবাদ পেয়ে কাপ্তাই পুলিশ ফাঁড়ি ও থানা পুলিশের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

কাপ্তাই থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অপরাধীদের শনাক্ত করতে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এদিকে এই চুরির ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

স্থানীয় একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, ইদানীং কাপ্তাই ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার বাসাবাড়ি ও দোকানপাটে চোরের উপদ্রব আশঙ্কাজনক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মাদকাসক্ত একশ্রেণীর কিশোর ও যুবক মূলত নেশার টাকা জোগাড় করতেই প্রতিনিয়ত এ ধরনের দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটাচ্ছে। এলাকাবাসী অতিসত্বর এলাকায় পুলিশের রাত্রিকালীন টহল জোরদার এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।

দীঘিনালায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নাশকতা ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে পুলিশ

দীঘিনালার দুর্গম পাহাড়ে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করল সেনাবাহিনী

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সম্ভাব্য নাশকতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দীঘিনালা পুলিশ।

মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ভোর সকালে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক লারমা স্কয়ারে বোয়ালখালি নতুন বাজার ও দীঘিনালা সরকারি ড্রিগী কলেজ গেইটসহ এলাকা ও বিভিন্ন কৌশলগত স্থানে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিশেষ টহল ও চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন এবং যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে জানিয়েছেন।

দীঘিনালা ডিউটিরত পুলিশের এস আই মো: কাজী বখতিয়ার হোসেন জানান, কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলে কিংবা জনশৃঙ্খলা বিনষ্টের উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে স্থানীয় জনগণকেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এদিকে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের টহল বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানা গেছে। ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদ-এর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ফটিকছড়ির মোবারক হোসেন ইমনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

দীঘিনালার দুর্গম পাহাড়ে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করল সেনাবাহিনী

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার :

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার বাসিন্দা মোবারক হোসেন ইমনকে রাজধানী ঢাকার গুলশান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশের দাবি, তিনি কথিত শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে “বড় সাজ্জাদ”-এর ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং তার হয়ে অপরাধী নেটওয়ার্ক পরিচালনায় সক্রিয় ছিলেন।

সোমবার (২২ জুন)২৬খ্রিঃ রাত সাড়ে ১০টার দিকে গুলশান-২ এলাকার একটি অভিজাত হোটেলের কক্ষ থেকে তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাসান মোঃ শওকত আলী।

পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা ইমনের অবস্থান শনাক্তে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি চালানো হচ্ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যমতে, ইমনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম নগরের আলোচিত জোড়া খুন, ঢাকাইয়া আকবর হত্যা, চাঁদাবাজি, অস্ত্র এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বিদেশে অবস্থানরত “বড় সাজ্জাদ”-এর হয়ে চট্টগ্রাম অঞ্চলে অপরাধী চক্রের কার্যক্রম সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিলেন ইমন। তার বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র বহন, সন্ত্রাসীদের সমন্বয় ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগও রয়েছে। ইমনের গ্রেপ্তার’এ- চট্টগ্রাম অঞ্চলে সংঘবদ্ধ অপরাধী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও অভিযান পরিচালনা করা হতে পারে।

×