শিরোনাম:

রামগড়ে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন পেশাজীবীদের সঙ্গে ধানের শীষের পক্ষে মতবিনিময়

রামগড়ে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন পেশাজীবীদের সঙ্গে ধানের শীষের পক্ষে মতবিনিময়

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি :

খাগড়াছড়ির রামগড়ে জিয়া পরিষদ পৌর শাখার উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ি–২৯৮ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ওয়াদুদ ভূইয়ার পক্ষে জনমত গঠন, ধানের শীষের প্রচার কার্যক্রম জোরদার এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রামগড় পৌর এলাকার সহেল বাগান সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন রামগড় পৌর জিয়া পরিষদের সভাপতি মো. কাশেম আলী।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হাফেজ আহমেদ ভুইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রামগড় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, রামগড় পৌর বিএনপির সভাপতি মো. বাহার উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেফায়েত মোর্শেদ ভুইয়া মিঠু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেফায়েত উল্লাহ, পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট করিম উল্লাহ, জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি মো. মোজাম্মেল হক এবং রামগড় পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি মহিন উদ্দিন হারুন।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে ধানের শীষের পক্ষে জনমত গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ধানের শীষের বিজয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্য অর্জনে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থেকে কাজ করার আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা আরও বলেন, দেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে বিএনপিকে শক্তিশালী করতে হলে তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বৃদ্ধি করে ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তারা।

সভায় জেলা ও উপজেলা বিএনপি, জিয়া পরিষদসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন এবং ধানের শীষের পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মতবিনিময় সভা শেষে নেতৃবৃন্দ আগামী দিনে ধানের শীষের পক্ষে প্রচার ও সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার করার ঘোষণা দেন।

দিঘীনালা পোষ্ট অফিসে পোস্টাল ব্যালটে অনিয়মের অভিযোগ, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবর দরখাস্ত

রামগড়ে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন পেশাজীবীদের সঙ্গে ধানের শীষের পক্ষে মতবিনিময়

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

খাগড়াছড়ির দিঘীনালা উপজেলায় পোস্টাল ব্যালট পেপারে অবৈধভাবে প্রভাব খাটিয়ে ধানের শীষের প্রতীকে সিল মারার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবর লিখিত দরখাস্ত দিয়েছেন দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী। বুধবার ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ সকাল ১০ টায় সমীরণ দেওয়ানের পক্ষে মো: সামসু হক, প্রবীন জ্যোতি চাকমা, মো: আক্কাশ আলী এনসিপির সদস্যর নেতৃত্বে লিখিত দরখাস্ত প্রদান করা হয়।

দরখাস্তে অভিযোগ করা হয়, দিঘীনালা পোষ্ট অফিসে কিছু অসাধু ব্যক্তি কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে পোস্টাল ব্যালট পেপারে ধানের শীষ প্রতীকে সিল মারেন। এতে নির্বাচনের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

স্বতন্ত্র প্রার্থীরা আরও উল্লেখ করেন, পোস্টাল ব্যালট একটি সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ ভোটিং পদ্ধতি হলেও তা নিয়ে এমন অনিয়ম নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট করছে। তারা অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারের দাবি জানান। এবং অপরাধীদের আইনানুগ ব্যবস্থা করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে বলে জানান।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: তানজিল পারভেস জানান, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন মো: হাবিুল্লাহ রানা উপজেলা বিএনপি যুগ্ন সাধারন সম্পাদক, মো: মাসুদ রানা জেলা বিএনপির উপদেষ্টা, মো: মমিনুর রহমান উপজেলা বিএনপির সহ সাধারন সম্পাদক, শান্তি প্রিয় চাকমা সহ সভাপতি উপজেলা বিএনপি, মো: দুলাল জামতলী যুব দলের সদস্য।

বিলাইছড়িতে প্রচারণায় এগিয়ে বিএনপি : ছুটে যাচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে

রামগড়ে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন পেশাজীবীদের সঙ্গে ধানের শীষের পক্ষে মতবিনিময়

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি ২৯৯ নং সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী দীপেন দেওয়ানকে বিজয়ী করতে নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে নেমেছে বিলাইছড়ি উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের দলীয় নেতা কর্মীরা। সম্প্রতি বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিতরণ, গণসংযোগ ও পথ সভা করেছেন। গত ২৭ জানুয়ারিতে হাট-বাজার দিনে বিলাইছড়ি  বাজারে সকল ক্রেতা ও বিক্রতার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় সহ ভোট চান বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও রাঙ্গামাটি সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী দীপেন দেওয়ান। পরে ধূপ্যাচর, দীঘলছড়ি,

বহলতলী, সাক্রাছড়ি মূখ পাড়া গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ ও পাংখোয়া পাড়া ও কেংড়াছড়ি বাজারে জনসমাবেশ লিফলেট বিতরণ হাজাছড়িতে পথসভা শেষ করেছে এরপর থেকে ঘরে বসে নেই উপজেলা বিএনপি।

ইতোমধ্যে দেখা গেছে, বিএনপির সভাপতি সালাম ফকির, সাধারণ সম্পাদক মো জাফর আহাম্মদ, রেজাউল করিম রনি, শান্তি রায় চাকমা, জয়সিন্ধু, ধন মুনি চাকমা, শামশু তঞ্চঙ্গ্যা, যতীন তঞ্চঙ্গ্যা, রিনলম পালম বম এর নেতৃত্বে প্রচারে বাঙ্গাল কাটা, ভালাছড়ি, দোসরী পাড়া, আমতলী, ফারুয়া বাজার, তক্তানালা, ফারুয়া বাজার, গোয়াইনছড়ি, এগুয়াছুঁই, ওরাছড়ি, তক্তালা, তাড়াতাড়ি, যমুনাছড়ি, শুক্করছড়ি সহ উপজেলার বিভিন্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায়।

বসে নেই বিএনপির প্রত্যেক নেতা কর্মী। দুর থেকে  ভোটারের কাছে গিয়ে একটি লিফলেট ধরিয়ে দিচ্ছেন, বাদ যাচ্ছেন না লেবার থেকে শুরু করে কৃষক শ্রমিক, ব্যবসায়ী। ছুটে যাচ্ছেন ক্ষেতে হাওয়া মানুষের কাছে।

মন্দির ভিত্তিক বিয়েতে আন্তর্জাতিক বিশ্বতান সাংস্কৃতিক পরিবার

রামগড়ে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন পেশাজীবীদের সঙ্গে ধানের শীষের পক্ষে মতবিনিময়

 

বিশেষ প্রতিবেদক:

আজ ০৩ ফেরুয়ারী ২০২৬,মঙ্গলবার, গোল পাহাড় মহাশ্মশান কালী মন্দিরে অমিতা চক্রবর্তী ও অমিত চক্রবর্তী মন্দির ভিত্তিক বিবাহ (Temple Wedding) পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এই মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক বিশ্বতানের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নরেণ সাহা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সুপ্রিয়া দাশ। এছাড়াও অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন গোল পাহাড় মহাশ্মশান কালী মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ দাশ, এডভোকেট নিখিল বাবু, লায়ন সন্তোষ কুমার দে প্রমুখ।

এই মন্দির ভিত্তিক বিবাহের উদ্দেশ্য দেবদেবীর উপস্থিতিতে শাস্ত্রীয় রীতি মেনে বিয়ে করাকে বোঝায়, যা আধ্যাত্মিকতা, ঐতিহ্য ও সরলতার প্রতীক; এটি সাধারণত ব্যয়বহুল জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের চেয়ে কম খরচে সম্পন্ন হয় এবং হিন্দু বিবাহ আইন অনুযায়ী কিছু শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এটি আইনত বৈধ হতে পারে। যা পরিবার ও প্রজন্মের ঐতিহ্যকে সম্মান জানায়। আধ্যাত্মিকতা ও পবিত্রতায় দেবদেবীর আশীর্বাদ প্রাপ্তি, যা বিবাহিত জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি আনে বলে বিশ্বাস করা হয়।

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, যেমন সপ্তপদী ও কন্যারদান। অনুষ্ঠানাটি মঙ্গলসূত্র ধারণ, সপ্তপদী (সাত পাক) ইত্যাদি মূল আচারগুলোর মাধ্যমে মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়।

×