শিরোনাম:

কাউখালী উপজেলায় গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের দুই যুগ পূর্তি উপলক্ষে পাড়া মহল্লায় পোস্টারিং শুরু

কাউখালী উপজেলায় গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের দুই যুগ পূর্তি উপলক্ষে পাড়া মহল্লায় পোস্টারিং শুরু

 

এম এম শ্রাবণ মাহমুদ :

গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম (ডিওয়াইএফ)’র দুই যুগ পূর্তি উপলক্ষে রাঙ্গামাটির কাউখালীতে পোস্টারিং করেছে সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ও শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ‘২৬ খ্রিঃ কাউখালী উপজেলা সদর এবং ঘাগড়া, কলমপতি, বেতবুনিয়া ও ফটিকছড়ি ইউনিয়ন এলাকায় এই পোস্টারিং করা হয়েছে।

ডিওয়াইএফ-এর পোস্টারে উল্লেখিত শ্লোগান হচ্ছে, “জাতীয় ভাগ্য বিকিয়ে দিয়ে ব্যক্তি-গোষ্ঠী স্বার্থ উদ্ধারের লিপ্ত গণশত্রুদের প্রতিরোধ করুন, লড়াই সংগ্রাম এগিয়ে নিন” আগামী রবিবার (৫ এপ্রিল) ’২৬ খ্রিঃ গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম (ডিওয়াইএফ) প্রতিষ্ঠার দুই যুগ পূর্ণ হবে। এ উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন শাখায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে বলে পোস্টারে উল্লেখ করা হয়েছে।

বৌদ্ধ ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহন, হলফনামায় নাম পরিবর্তন

কাউখালী উপজেলায় গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের দুই যুগ পূর্তি উপলক্ষে পাড়া মহল্লায় পোস্টারিং শুরু

 

সিএইচটি বার্তা ডেস্ক :

আমি ইমন বড়ুয়া, পিতা: অনুপম বড়ুয়া, মাতা: অঞ্জু বড়ুয়া, বর্তমান ঠিকানা: শান্তিনগর, রাঙ্গামাটি সদর। আমি গত ০৬/০৪/২০২৩ খ্রিঃ তারিখ রাঙ্গামাটি জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হলফনামা (নং- ২১৪/২৩) মূলে বৌদ্ধ ধর্ম ত্যাগ করে স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি।

একই সাথে আমার পূর্বের নাম ‘ইমন বড়ুয়া’-এর পরিবর্তে বর্তমান নাম মোঃ ইসমাইল হোসেন (ইমন) নির্ধারণ করেছি। ​ভবিষ্যতে আমার এসএসসি (SSC) সার্টিফিকেটসহ সকল দাপ্তরিক নথিপত্র ও দলিলাদিতে আমি মোঃ ইসমাইল হোসেন (ইমন) নামে পরিচিত হব।

 

 

ছবি- প্রতীকি

হাটহাজারী মধ্যম মাদার্শা শান্তি নিকেতন বৌদ্ধ বিহারে মহাথের বরণ উৎসব

কাউখালী উপজেলায় গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের দুই যুগ পূর্তি উপলক্ষে পাড়া মহল্লায় পোস্টারিং শুরু

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ :

হাটহাজারীতে প্রতিমন্ত্রীর শুভেচ্ছা, উপাসক-উপাসিকাদের মিলনমেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার মধ্যম মাদার্শা সার্বজনীন শান্তি নিকেতন বৌদ্ধ বিহারে সদ্ধর্মগুপরত্ন সুপাল বংশ থের, মহাথেরের বরণ উৎসব উপলক্ষে বৌদ্ধ উপাসক-উপাসিকাদের অংশগ্রহণে এক বিশাল মিলনমেলার আয়োজন করা হয়েছে।

ধর্মসভা বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ধর্মীয় ও সামাজিক আবহে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বিহার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ভক্তদের উপস্থিতিতে সৃষ্টি হয় এক শান্তিপূর্ণ ও ভক্তিমূলক পরিবেশ। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের বার্তা তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানটি এক মহাথেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এমপি ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু সমাজের মাননীয় উপসংঘনায়ক সংঘরশ্মি রত্নশ্রী মহাথের, মহাউপসংঘনায়ক শিক্ষাবিদ সুনন্দ মহাথের, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির সভাপতি কমলানন্দ মহাথের, পরমার্থ মহাথের সুমিয়ানন্দ মহাথেরসহ ধর্মীয় ও সামাজিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য সার্থক উদয় কুসুম বড়ুয়া, যুবদলের ধর্ম বিষয়ক উপকমিটির সহ-সম্পাদক পার্থ প্রতীম বড়ুয়া অপু, উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতা-কর্মী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। স্থানীয়দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গিয়াস উদ্দীন চেয়ারম্যান, সাবেক উপজেলা যুবদল নেতা সোলাইমান, ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. কামাল উদ্দিন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান বাদশা এবং বিএনপি নেতা জোনায়েদ আলম জিতুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এছাড়াও বাংলাদেশ বৌদ্ধ ধর্ম প্রচার সংঘের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক ড. সুব্রত বড়ুয়া, বিশিষ্ট সমাজসেবক অনঙ্গ কান্তি বড়ুয়া, কমল বড়ুয়া, তপন কান্তি বড়ুয়া, দীপংকর বড়ুয়া, তপু বড়ুয়া ও সঞ্জীব বড়ুয়াসহ আরও অনেকে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা বলেন, এ ধরনের ধর্মীয় আয়োজন সমাজে সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তারা শান্তি, সহাবস্থান ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বর্ণিল আয়োজনে তঞ্চঙ্গ্যা জাতির সবচেয়ে বড় উৎসব বিষু মেলা ও ঘিলা খেলা রোয়াংছড়িতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে

কাউখালী উপজেলায় গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের দুই যুগ পূর্তি উপলক্ষে পাড়া মহল্লায় পোস্টারিং শুরু

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

আগামী ২৯ চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১২ই এপ্রিল, রোজঃ- রবিবার, ২০২৬ ইং বাংলাদেশ তঞ্চঙ্গ্যা কেন্দ্রীয় বিষু মেলা উদযাপন ও তঞ্চঙ্গ্যা জাতীয় ঘিলা খেলা গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্ট রোয়াংছড়ির বেক্ষ্যং নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্য়ালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ তঞ্চঙ্গ্যা কল্যাণ সংস্থা (বাতকস)- এর আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বলে সন্মতি জ্ঞাপন করেন  বান্দরবান ৩০০ নং আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী। অনুষ্টানটি সভাপতিত্ব করবেন উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও বাতকস কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মহাসচিব উজ্জ্বল তঞ্চঙ্গ্যা।

এই বিষয়ে বাংলাদেশ তঞ্চঙ্গ্যা কল্যাণ সংস্থার (বাতকস) কার্যনির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নাজীব কুমার তঞ্চঙ্গ্যা জানান, গত ২২মার্চ রোয়াংছড়ি বটতলী সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহারে বাতকস কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক জরুরি সভায় কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মহাসচিব উজ্জ্বল তঞ্চঙ্গ্যাকে আহ্বায়ক ও বাতকস কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য অমিত ভূষণ তঞ্চঙ্গ্যাকে সদস্য সচিব এবং প্রদীপ তঞ্চঙ্গ্যাকে অর্থ সম্পাদক পদে পদাধিকার দিয়ে একটি বিষু উদযাপন কমিটি গঠন করা হয়। এতে বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলার আলেখ্যং ইউনিয়নে বেক্ষ্যং নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বটতলী পাড়ায় অনুষ্ঠিত হবে।

আরো জানা গেছে, ৩রা এপ্রিল বাংলাদেশ তঞ্চঙ্গ্যা কল্যাণ সংস্থা (বাতকস্) কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি বেক্ষ্যং নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় হলরুমে ৫ম সভায় এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবে গৃহীত হয়। এতে রোয়াংছড়ি, কক্সবাজার, আলীকদম, কাপ্তাই, রাজস্থলী, রাঙ্গামাটির সদর, বান্দরবান, রমতিয়া-রাজবিলা, নাইক্ষ্যংছড়ি, দেবতাছড়ি-রস্যাবিলি, বিলাইছড়ি, ফারুয়াসহ ১২টি অঞ্চল কমিটি এবং বাংলাদেশে বসবাসরত তঞ্চঙ্গ্যা জাতি/সম্প্রদায় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করবেন। ঘিলা খেলায় যারা অংশগ্রহণ করবেন তাদের ৬ তারিখের মধ্যে তালিকা জমা দিতে হবে।

অনুষ্ঠান সূচী অনুযায়ী বিকাল ৫টায় অতিথি আগমন ৫ঃ১৫ মিনিটে ঘিলা খেলা গোল্ড কাপ টুর্ণামেন্ট শুভ উদ্বোধন, ৫ঃ৩০ মিনিটে আলোচনা সভা, ৬ঃ৪৫ মিনিটে বর্ণাঢ্য মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ৭ঃ৩০ মিনিটে অতিথি আপ্যায়ন এবং রাতব্যাপী ১২ অঞ্চল থেকে আসা ঘিলাখেলা প্রতিযোগীদের নিয়ে প্রতিযোগিতা, রাতব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সকালে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মধ্যে দিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির বিষু অনুষ্ঠান পরি-সমাপ্তি ঘটবে।

×