শিরোনাম:

খাগড়াছড়ি মানিকছড়িতে হালদা নদীতে অবৈধ বাঁধ দিয়ে মাছ শিকারে চেষ্টা ; মৎস্য বিভাগে মোবাইল কোর্ট অভিযানে উচ্ছেদ

খাগড়াছড়ি মানিকছড়িতে হালদা নদীতে অবৈধ বাঁধ দিয়ে মাছ শিকারে চেষ্টা ; মৎস্য বিভাগে মোবাইল কোর্ট অভিযানে উচ্ছেদ

 

মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলায় হালদা নদীতে অবৈধ বাঁধ দিয়ে মাছ শিকারে চেষ্টা সময় উচ্ছেদ অভিযান করেছেন উপজেলা মৎস বিভাগ। এ সময় বাঁধ ভেঙে দিয়ে সেখানে ব্যবহারে ত্রিপাল জব্দ করা হয়।

শুক্রবার দুপুরে মানিকছড়ি উপজেলার দশবিল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন মানিকছড়ি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান।

জানা যায়, খরা মৌসুমে হালদা নদীতে পানি কম থাকার স্থানীয় কয়েকজন যুবক মাছ ধরার জন্য বৃহস্পতিবার রাতের আঁধারে নদীতে বাঁধ নির্মাণ করেন। পরে গোপন খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর।

মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, হালদা নদী বাংলাদেশের বৃহত্তর সম্পদ। এ সম্পদ রক্ষায় উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

“মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিধিমালা, ১৯৮৫ ও ৫ নভেম্বর ২০২৫ এর হালদা নদী সংরক্ষণ গেজেট অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করা হয়। পাশাপাশি হালদা নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নদীতে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করতে এলাকাবাসীকে সতর্ক করেন মৎস্য বিভাগ।

বর্ণিল  আয়োজনে তঞ্চঙ্গ্যা জাতির সবচেয়ে বড় উৎসব বিষু মেলা ও ঘিলা খেলা এবারে রোয়াংছড়িতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে

খাগড়াছড়ি মানিকছড়িতে হালদা নদীতে অবৈধ বাঁধ দিয়ে মাছ শিকারে চেষ্টা ; মৎস্য বিভাগে মোবাইল কোর্ট অভিযানে উচ্ছেদ

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

আগামী ২৯ চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১২ই এপ্রিল, রোজঃ- রবিবার, ২০২৬ ইং বাংলাদেশ তঞ্চঙ্গ্যা কেন্দ্রীয় বিষু মেলা উদযাপন ও তঞ্চঙ্গ্যা জাতীয় ঘিলা খেলা গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্ট রোয়াংছড়ির বেক্ষ্যং নিম্ন মাধ্যমিক বিদয়ালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ তঞ্চঙ্গ্যা কল্যাণ সংস্থা (বাতকস)- এর আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বলে সন্মতি জ্ঞাপন করেন  বান্দরবান ৩০০ নং আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী। সভাপতিত্ব করবেন উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও বাতকস কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির মহাসচিব উজ্জ্বল তঞ্চঙ্গ্যা।

এই বিষয়ে বাংলাদেশ তঞ্চঙ্গ্যা কল্যাণ সংস্থার (বাতকস) কার্যনির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নাজীব কুমার তঞ্চঙ্গ্যা জানান, গত ২২মার্চ রোয়াংছড়ি বটতলী সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহারে বাতকস কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক জরুরি সভায় কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মহাসচিব উজ্জ্বল তঞ্চঙ্গ্যাকে আহ্বায়ক ও বাতকস কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য অমিত ভূষণ তঞ্চঙ্গ্যাকে সদস্য সচিব এবং প্রদীপ তঞ্চঙ্গ্যাকে অর্থ সম্পাদক পদে পদাধিকার দিয়ে একটি বিষু উদযাপন কমিটি গঠন করা হয়। এতে বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলার আলেখ্যং ইউনিয়নে বেক্ষ্যং নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বটতলী পাড়ায় অনুষ্ঠিত হবে।

আরো জানা গেছে, তেশরা/৩ রা এপ্রিল বাংলাদেশ তঞ্চঙ্গ্যা কল্যাণ সংস্থা (বাতকস্) কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটি বেক্ষ্যং নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় হলরুমে ৫ম সভায় এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবে গৃহীত হয়। এতে রোয়াংছড়ি, কক্সবাজার, আলীকদম, কাপ্তাই, রাজস্থলী, রাঙ্গামাটির সদর, বান্দরবান, রমতিয়া-রাজবিলা, নাইক্ষ্যংছড়ি, দেবতাছড়ি-রস্যাবিলি, বিলাইছড়ি, ফারুয়াসহ ১২টি অঞ্চল কমিটি এবং বাংলাদেশে বসবাসরত তঞ্চঙ্গ্যা জাতি/সম্প্রদায় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করবেন। ঘিলা খেলায় যারা অংশগ্রহণ করবেন তাদের ৬ তারিখের মধ্যে তালিকা জমা দিতে হবে।

অনুষ্ঠান সূচী অনুযায়ী বিকাল ৫টায় অথিতি আগমন ৫ঃ১৫ মিনিটে ঘিলা খেলা গোল্ড কাপ টুর্ণামেন্ট শুভ উদ্বোধন, ৫ঃ৩০ মিনিটে আলোচনা সভা, ৬ঃ৪৫ মিনিটে বর্ণাঢ্য মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ৭ঃ৩০ মিনিটে অথিতি আপ্যায়ন এবং রাত ব্যাপী ১২ অঞ্চল থেকে আসা ঘিলাখেলা প্রতিযোগীদের নিয়ে প্রতিযোগিতা, রাতব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সকালে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মধ্যে দিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির বিষু অনুষ্ঠান পরিসমাপ্তি ঘটবে।

রাজস্থলীকে উড়িয়ে ডিসি গোল্ড কাপের ফাইনালে কাপ্তাই

খাগড়াছড়ি মানিকছড়িতে হালদা নদীতে অবৈধ বাঁধ দিয়ে মাছ শিকারে চেষ্টা ; মৎস্য বিভাগে মোবাইল কোর্ট অভিযানে উচ্ছেদ

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই :

রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক (ডিসি) গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে একের পর এক জয়ের ধারা বজায় রেখে দাপটের সঙ্গে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে কাপ্তাই উপজেলা ফুটবল দল। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে রাঙ্গামাটি চিংহ্লা মং মারী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রাজস্থলী উপজেলাকে ৩–০ গোলের বড় ব্যবধানে পরাজিত করে শিরোপার লড়াইয়ে নিজেদের স্থান সুনিশ্চিত করে কাপ্তাই।শুক্রবার বেলা ৩টায় অনুষ্ঠিত এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে শুরু থেকেই রাজস্থলী ফুটবল দলের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকে কাপ্তাই। পরিকল্পিত আক্রমণ আর সুসংগঠিত রক্ষণভাগের কল্যাণে ম্যাচের পুরো নিয়ন্ত্রণ ছিল কাপ্তাইয়ের হাতে। শেষ পর্যন্ত ৩–০ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা।

টুর্নামেন্টে কাপ্তাইয়ের এই অগ্রযাত্রা ছিল বেশ রোমাঞ্চকর প্রথম রাউন্ড নানিয়ারচর উপজেলার বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময়ের খেলা ড্র হওয়ার পর, টাইব্রেকারে ৩–০ ব্যবধানে জয় পায় কাপ্তাই।দ্বিতীয় রাউন্ড ১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ম্যাচে শক্তিশালী বাঘাইছড়ি উপজেলাকে ২–১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালের পথ প্রশস্ত করে দলটি।ফাইনাল বাছাই আজ রাজস্থলীকে ৩–০ গোলে পরাজিত করে টুর্নামেন্টের ফাইনালের টিকিট হাতে পায় কাপ্তাই।

​কাপ্তাই দলের এই ধারাবাহিক সাফল্যে আনন্দের বন্যা বইছে পুরো উপজেলায়। দলের এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে খেলোয়াড়, টিম ম্যানেজার, প্রধান কোচ ও সহকারী কোচকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন কাপ্তাইয়ের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ রুহুল আমীন। এক বার্তায় তিনি বলেন, “খেলোয়াড়দের কঠোর পরিশ্রম এবং কোচ ও ম্যানেজমেন্টের সঠিক দিকনির্দেশনায় কাপ্তাই আজ ফাইনালে। আশা করি, ফাইনালেও এই জয়ের ধারা অব্যাহত থাকবে এবং কাপ্তাই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করবে।”

টানা তিন ম্যাচে অসাধারণ নৈপুণ্য দেখানোয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্থানীয় ক্রীড়ামোদীদের প্রশংসায় ভাসছে পুরো টিম। এখন কাপ্তাইবাসীর প্রতীক্ষা কেবল সেই মাহেন্দ্রক্ষণের—যখন শিরোপা হাতে ঘরে ফিরবে তাদের দামাল ছেলেরা।

বিলাইছড়িতে হাতের নাগালে  তরমুজ: বিক্রয়ও বেশ ভালো

খাগড়াছড়ি মানিকছড়িতে হালদা নদীতে অবৈধ বাঁধ দিয়ে মাছ শিকারে চেষ্টা ; মৎস্য বিভাগে মোবাইল কোর্ট অভিযানে উচ্ছেদ

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

বিলাইছড়িতে কমমূল্যে তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে। যা হাতের নাগালে। গরম সিজনে বিক্রয়ও বেশ ভালো। ছোট তরমুজের দাম ২০ টাকা প্রতি পিস এবং বড় তরমুজ  একটি ৩০০ টাকা মাত্র।

সরেজমিনে দেখতে গিয়ে এবং তাদের সঙ্গে কথা বলে ক্রেতা ও বিক্রতারা এ তথ্য জানান।

ব্যবসায়ী মোঃ ফারুক, বাচ্চু মিঞা ও হোসেন আলী আরও জানান, তারা রাঙ্গামাটির মাইনী, লংগদু ও কাপ্তাই তরমুজ চাষী ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে শতকরা হিসেবে কিনে নেন।এবং বিলাইছড়ি বাজারে বিক্রি করেন। তীব্র গরমে ছোট তরমুজগুলো বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বেশি ক্রয় করতে দেখা গেছে। পাশাপাশি দুরদুরান্ত থেকে আসা ব্যক্তিরা বেশি বড় তরমুজ কিনতে দেখা গেছে।

অন্য দিকে জানা গেছে, বিলাইছড়িতে যথেষ্ট পরিমাণে পতিত জমি না থাকার কারণে, এবং জলে ভাসা জমি গুলোতে ধান চাষ ও দেরিতে ভেসে উঠার ফলে এই উপজেলায় তরমুজ চাষ কম হয়। বাইরে থেকে এনে বিক্রয় করা হয়। জমি বাছাই করে কৃষি অফিসের পরামর্শ নিয়ে যদি ঠিকঠাক ভাবে করতে পারলে এখানেও ব্যাপক সম্ভাবনা হবে।

×