শনিবার, ২ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
শিরোনাম:

শ্রমিকের পরিশ্রমের সঠিক মূল্য যদি শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকে তবে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়—প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১ মে, ২০২৬, ৫:০০ পিএম
1 বার পড়া হয়েছে
শ্রমিকের পরিশ্রমের সঠিক মূল্য যদি শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকে তবে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়—প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ : 

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, বিগত ১৭ বছর দেশের শ্রমিক সমাজ তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে চরমভাবে বঞ্চিত ছিলো। নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হয়নি, এমন’কি অতিরিক্ত কাজের সঠিক মজুরি থেকেও তাদের বঞ্চিত করা হয়েছে। কারখানা দুর্ঘটনায় শ্রমিক নিহতের ঘটনায় পরিবার গুলো সঠিক বিচার বা ক্ষতিপূরণ পায়নি, যা কোনো সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়।

শুক্রবার (১ মে) ’২৬ খ্রিঃ মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিভাগীয় শ্রম দপ্তর, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এবং শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রসমূহ যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল তার বক্তব্যে শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেন, গণতান্ত্রিক এই সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি ও জীবনমান উন্নয়নের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। আমরা শ্রম আইন বাস্তবায়নে একটি স্বাধীন তদারকি ব্যবস্থা গড়ে তুলবো। ট্রেড ইউনিয়নের স্বাধীনতা ও শ্রমিকের কণ্ঠস্বরকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্য, বাসস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি আরও বলেন, শ্রমিক কেবল উৎপাদনের যন্ত্র নয়, তারা এদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। আপনাদের পরিশ্রমের সঠিক মূল্য যদি শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকে, তবে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের প্রত্যয় ব্যক্ত করে করে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন এমপি বলেন, আজকের মে দিবসে আমাদের শপথ নিতে হবে শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর এবং ন্যায্য অধিকার আদায়ের বিষয়ে। তবেই আমাদের গণতন্ত্র ও মানবিক বাংলাদেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে। প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সংগ্রাম ছাড়া মুক্তি নেই এবং ঐক্য ছাড়া শক্তি নেই। শ্রমিক, কৃষক, ছাত্র ও জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গড়বো যেখানে ন্যায় ও সমতা প্রতিষ্ঠিত হবে। এটিই আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রত্যয় এবং সমৃদ্ধির মূল মন্ত্র।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-৬ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ এবং চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়া উদ্দীন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শওকত আলী, চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার মোঃ নাজির আহমেদ খান সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সোসাইটি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বিভাগীয় শ্রম দপ্তর, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এবং শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রসমূহ যৌথভাবে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।

আলীকদমে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১ মে, ২০২৬, ৭:৩৯ পিএম
শ্রমিকের পরিশ্রমের সঠিক মূল্য যদি শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকে তবে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়—প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন

বাঙ্গালহালিয়া বাজারে ১ম ডিজিটাল ব্যানার প্রিন্টিং মেশিন শুভ উদ্বোধন– স্বত্বাধিকারী দেলোয়ার হোসেন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১ মে, ২০২৬, ৭:০৩ পিএম
শ্রমিকের পরিশ্রমের সঠিক মূল্য যদি শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকে তবে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়—প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন

 

চাইথোয়াইমং মারমা, বিশেষ প্রতিবেদক:

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার দ্বিতীয় প্রাণকেন্দ্র রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া বাজারে নতুন যাত্রা শুরু করলো আর.বি ডিজিটাল প্রিন্টিং এন্ড প্রেস। আজ ১ মে ২০২৬ইং রোজ শুক্রবার বিকেলে বাঙ্গালহালিয়া বাজারের, শওকত তালুকদার মার্কেটে ডিজিটাল ব্যানারের প্রিন্টিং মেশিন নিয়ে ব্যবসা শুরু করলো, আর.বি আর ডিজিটাল প্রিন্টিং এন্ড প্রেস এর স্বত্ত্বাধিকারী মোঃ দেলোয়ার হোসেন।

তিনি জানান, এই উপজেলাটি অনেক বড় এবং আমাদের পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া ও এরকম ডিজিটাল মেশিনের কাজগুলা বাহির থেকে করে আনতে হয়। তাই মনে মনে চিন্তা করলাম – বাঙ্গালহালিয়া বাজারটি এখন মানুষের কাছে খুবই জনপ্রিয়, মানুষ আগে কোন নির্বাচনী বা অন্যান্য ব্যানার করতে চন্দ্রঘোনা বা শহরে যেতে হতো। এখন সেই সেবাগুলো আমরা দিচ্ছি,আমাদের এখানে পাবেন বিভিন্ন ধরনের ব্যানার, পোস্টার, লিফলেট, ভিজিটিং কার্ড, বিয়ের কার্ড, কম্পিউটার কম্পোজ, ছবি প্রিন্ট, ডকুমেন্ট স্কেনিং, জন্ম নিবন্ধনের আবেদন, জন্ম নিবন্ধন সংশোধন, পাসপোর্ট এর আবেদন, এনআইডি কার্ড এর আবেদন, এনআইডি কার্ড সংশোধন, স্থায়ী বাসিন্দার সনদ এর আবেদন, স্থায়ী বাসিন্দার সনদ সংশোধন, ওয়ারিশন সনদের আবেদন, ফটোকপি, গেঞ্জি প্রিন্ট, মগ প্রিন্ট, ক্রেস্ট প্রিন্ট, সীল, স্টেশনারী সামগ্রী পাওয়া যাবে। এবং স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, সরকারী যে কোন আবেদন সহ-সকল প্রকার অনলাইনে কাজ করতে পারবেন। আমি চেষ্টা করব আপনাদেরকে দ্রুত সেবা দিতে পারবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন, বর্তমানে রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক এবং ব্যক্তিগত প্রচারণার জন্য ব্যানারের চাহিদা অনেক বেশি। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কোরআন তেলাওয়াত করেন ফলাহারিয়া হযরত পাঠান আউলিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মোঃ মাওলানা আব্দুল হাকিম, সুপার ফলাহারিয়া হযরত পাঠান আউলিয়া মাদ্রাসার মাওলানা আলমগীর হোসেন নয়েমী, মাওলানা মোঃ নাসির হোসেন, মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, মাওলানা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, গণমাধ্যম কর্মী ও এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য উপস্থিত ছিলেন।

বিলাইছড়িতে বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে পালবার লিং সেন্টার কর্তৃক খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১ মে, ২০২৬, ৫:৩৬ পিএম
শ্রমিকের পরিশ্রমের সঠিক মূল্য যদি শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকে তবে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়—প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

ত্রি-স্মৃতি বিজড়িত শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে পালবার লিং সেন্টার শিশু সদন সংস্থার পক্ষ থেকে অসহায়, হতদরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত ১০৬ টি পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও ত্রাণ বিতরণ করা হয়। শুক্রবার (১লা মে) বিকাল তিনটায় বৌদ্ধ বিহার প্রাঙ্গণ হতে এইসব  ত্রাণ বিতরণ করেন অধ্যক্ষ ও সভাপতি, বিলাইছড়ি বাজার সার্বজনীন কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহার এবং প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, পালবার লিং সেন্টার শিশু সদন সংস্থা বাংলাদেশ এঁর ভদন্ত: দেবতিষ্য ভিক্ষু।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ভদন্ত করুনা তিষ্য ভিক্ষু, উপাধ্যক্ষ, বিলাইছড়ি বাজার সার্বজনীন কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহার ও অর্থ-সম্পাদক, পালবার লিং সেন্টার শিশু সদন সংস্থা বাংলাদেশ, অংসাখই মার্মা (কার্বারী), সাধারণ সম্পাদক, পালবার লিং সেন্টার শিশু সদন সংস্থা বাংলাদেশ, সুবল বিকাশ চাকমা (কিরণ), সদস্য, পালবার লিং সেন্টার শিশু সদন সংস্থা বাংলাদেশ স্মৃতি কুমার চাকমা, ম্যানেজার, পালবার লিং সেন্টার শিশু সদন সংস্থা বাংলাদেশ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পালবার লিং সেন্টার শিশু সদন সংস্থার সকল ভলান্টিয়ার বৃন্দ। ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে – চাউল — ১০ কেজি, আলু — ২ কেজি, সরিষার তেল — ৫০০ মি.লি, পিঁয়াজ — ৫০০ গ্রাম, মসুর ডাল — ৫০০ গ্রাম, লবণ — ৫০০ গ্রাম, সাবান — ১ পিস, নুডুলস — ১ প্যাকেট,  ওআর স্যালাইন — ৫ পিস।

এই মহৎ দান ও সেবামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজের অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের বা পালবার লিং সেন্টারের মূল উদ্দেশ্য। বুদ্ধের মৈত্রী, করুণা ও মানবতার বাণী সকলের জীবনে শান্তি ও কল্যাণ বয়ে আনুক। জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক।

×