| ১৯ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মদ ভেবে বিষপানে এক গার্মেন্টস কর্মীর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মদ ভেবে বিষপানে এক গার্মেন্টস কর্মীর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

ছবি – প্রতিকী

 

বিশেষ প্রতিবেদক:

রাঙামাটি জেলা রাজস্থলী উপজেলা বাঙ্গালহালিয়াত মদ ভেবে বিষ পান করে এক গার্মেন্টস কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।মৃত ওই যুবকের নাম রিংকন বড়ুয়া (২৬)। তিনি রাজস্থলী উপজেলার ৩নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ম্রুংদং পাড়া ৬নং ওর্য়াডের মিলন বড়ুয়ার কনিষ্ঠ ছেলে। মৃত রিংকন বড়ুয়া চট্রগ্রামের একটি গার্মেন্স ফ্যাক্টোরিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন বলে পরিবার সুত্রে জানা গেছে।

৬নং ওয়াডের ইউপি সদস্য শিমুল দাশ মুঠোফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত বুধবার ১৭ জুন রাতে বাড়ীতে রাখা মদের বোতল ভেবে জমিতে ঘাস নিধনের ওষুধ সেবন করেন। সাথে সাথে ভুল বুঝতে পেরে মুখ থেকে সেই বিষ ফেলে দিলেও কিছুটা তার পেটে চলে যায় বলে জানান পরিবারটি ।

শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে এলাকার লোকজন ও আত্মীয়স্বজন তাকে তাৎক্ষণিক চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান মিশন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন।

তবে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় পরদিন উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা করার পরও কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিংকন বড়ুয়া (১৮ জুন) বৃহস্বর ভোরে মৃত্যুবরন করেন।

এ ব্যাপারে চন্দ্রঘোনা থানার অফিসার ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ (ওসি) সাকের হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, জানা গেছে, তার মরদেহ বর্তমানে চট্টগ্রাম সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য রাখা হয়েছে। নিজ বাড়িতে নিয়ে এসে ধর্মীয় রীতি নিয়ম অনুযায়ী দাহক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছে মৃতের পরিবার। এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু ইউডি মামলা করা হবে বলে জানা যায় ।

এক লাখ ইয়াবা গায়েবের অভিযোগে চট্টগ্রাম কোতোয়ালী থানার ওসি আফতাব প্রত্যাহার

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মদ ভেবে বিষপানে এক গার্মেন্টস কর্মীর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার :

কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামে আসার পথে এক পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে জব্দ করা এক লাখ ইয়াবা গায়েবের অভিযোগে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব উদ্দিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ পরিদর্শক জায়েদ নূরকে কোতোয়ালি থানার নতুন ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। বুধবার (১৬ জুন)২৬ খ্রিঃ বিষয়’টি নিশ্চিত করেন সিএমপি কমিশনার হাসান মোঃ শওকত আলী।

সিএমপি কমিশনার জানান, ইয়াবা সরিয়ে ফেলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত পুলিশ প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওসি আফতাবকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে পুলিশ সদর দপ্তর তদন্ত করছে। তিনি আরও জানান, একই ঘটনায় বাকলিয়া থানার সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীর হোসেনকে এর আগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি কাজের গতি বাড়াতে কিছু নতুন পদায়নও করা হয়েছে।

জানা যায়, ২০২৫ সালের ৮ ডিসেম্বর রাতে নগরীর বাকলিয়া নতুন ব্রিজ এলাকায় কক্সবাজার জেলা পুলিশের কনস্টেবল ইমতিয়াজ হোসেন সৌরভকে একটি বাস থেকে নামিয়ে তল্লাশি চালায় বাকলিয়া থানা পুলিশের একটি দল। পরে অভিযোগ ওঠে, অভিযানের সময় কনস্টেবলের কাছে থাকা একটি ব্যাগ থেকে ৯০ হাজার থেকে এক লাখ ইয়াবা জব্দ করা হলেও তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে জব্দ করা মাদকদ্রব্য সরিয়ে ফেলার অভিযোগও ওঠে। ঘটনার সময় আফতাব উদ্দিন বাকলিয়া থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পরবর্তীতে তিনি কোতোয়ালি থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পান।

ইয়াবা গায়েবের অভিযোগ সামনে আসার পর সিএমপি গঠিত একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে। ওই তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি বাকলিয়া থানায় কর্মরত বিভিন্ন পদমর্যাদার আট পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তবে পরে আদালতের নির্দেশে পরিচালিত পৃথক তদন্তে সিএমপির দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হোসাইন কবির ভূঁইয়া তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ব্যাগ তল্লাশির ঘটনা ঘটলেও সেখান থেকে ইয়াবা জব্দের বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও অকাট্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা ও পেশাগত অদক্ষতার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

কাপ্তাই সেনা জোনের বিশেষ উদ্যোগ: প্লাস্টিক বর্জ্য ময়লা অপসারণ অভিযান পরিচালিত কার্য্যক্রম

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মদ ভেবে বিষপানে এক গার্মেন্টস কর্মীর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

 

চাইথোয়াইমং মারমা, বিশেষ প্রতিবেদক:

রাঙামাটির জেলা প্রাকৃতিক পরিবেশ সৌন্দর্যময় সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ এবং সকলকে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাপ্তাই জোনের উদ্যোগে একটি বিশেষ প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। আজ ১৮ জুন ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) কাপ্তাই জোনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ কর্মসূচিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

অভিযানের আওতায় কাপ্তাই আর্মি ক্যাম্প এলাকা, গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ এবং আশপাশের জনসমাগমস্থলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিক, পলিথিন, বোতল ও অন্যান্য পরিবেশ দূষণকারী বর্জ্য সংগ্রহ ও ময়লা আবর্জনা অপসারণ করা হয়েছে। এ অভিযান চলাকালে সেনাসদস্যরা পরিবেশ সংরক্ষণে প্লাস্টিক বর্জ্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে স্থানীয় জনগণকে সচেতনতামূলক করেন এবং পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখতে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়। এ ধরনের কার্যক্রম পরিবেশ দূষণ হ্রাস, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

কাপ্তাই জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী সপ্তাহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে কাপ্তাই নতুন বাজার এলাকা, পিডিবি এলাকা এবং বাংলাদেশ-সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এলাকায় অনুরূপ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হবে। পরিবেশ সংরক্ষণ, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে বলে জানান।

ছবি ক্যাপশন : পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে কাপ্তাই জোনের উদ্যোগে পরিচালিত প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ অভিযানে অংশগ্রহণ করছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যবৃন্দ।

নারীর প্রতি সহিংসতা রুখতে কাপ্তাইয়ে সচেতনতামূলক কর্মশালা

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মদ ভেবে বিষপানে এক গার্মেন্টস কর্মীর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে কম্প্রিহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগ্রাম (সিসিএইচপি)-এর উদ্যোগে “নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা” অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে কাপ্তাই উপজেলাস্থ ‘কিন্নরী হল রুমে’ এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা শেড বোর্ড এর সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠানটি বাস্তবায়িত হয়।​

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ রায়হানুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিএইচসি ও সিএলসি, কাপ্তাই-এর পরিচালক ডাঃ প্রবীর খিয়াং, হিল ফ্লাওয়ার রাঙ্গামাটির প্রকল্প ফোকাল পারসন জেনিফার অজন্তা তনচংগ্যা-এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন, কম্প্রিহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগ্রামের প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিজয় মারমা।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মিলন চাকমা এবং কর্মশালায় মূল বিষয়বস্তুর ওপর তথ্যসমৃদ্ধ প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স ম্যানেজার সনজিৎ তঞ্চঙ্গ্যা ও কমিউনিটি হেলথ ডেভেলপমেন্ট ফ্যাসিলিটেটর ধনমনি তঞ্চঙ্গ্যা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে  মোঃ রায়হানুল ইসলাম বলেন, “নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে কেবল আইন দিয়ে নয়, বরং পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারীদের অধিকার রক্ষা এবং সুরক্ষায় এ ধরনের কর্মশালা কার্যকর ভূমিকা রাখবে।” ​অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (কৃষিবিদ) মো: আহসান হাবিব, সমাজ সেবা কর্মকর্তা নাজমুল হাসান, কাপ্তাই সহকারী তথ্য কর্মকর্তা মোঃ দেলোয়ার হোসেন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ হোসেন। এছাড়া স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, হেডম্যান, মেম্বার, কার্বারি (গ্রাম প্রধান), বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মী এবং স্থানীয় নারী ও পুরুষ প্রতিনিধিরা কর্মশালায় অংশ নেন। ​

মুক্ত আলোচনায় বক্তারা পাহাড়ি ও সমতল অঞ্চলে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিয়ে রোধ এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার মাধ্যমে নারীর প্রতি সহিংসতা কমিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

×