| ৬ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম:

বিলাইছড়িতে বন্যাদুর্গতদের পাশে ব্র্যাক

বিলাইছড়িতে বন্যাদুর্গতদের পাশে ব্র্যাক

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলা বন্যাদুর্তদের পাশে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্রাক। বুধবার (৫ আগষ্ট) বিকাল ৩ টায় ব্র্যাক অফিসে ত্রাণ বিতরণের সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেন।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা  নির্বাহী কার্যালয়ের সত্য কিশোর চাকমা, জেলা ব্র্যাকের প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান,বিলাইছড়ি ব্র্যাক অফিসের সিনিয়র শাখা ব্যবস্থাপক বিভূতি চাকমা, ব্র্যাক স্বাস্থ্য কর্মসূচির বিলাইছড়ি শাখার ব্যবস্থাপক বীরেশ চাকমা, শাখা হিসাব কর্মকর্তা মিস জয়া চাকমা।

ত্রাণের পরিমাণ পরিবার প্রতি নিন্মোক্ত খাদ্য সামগ্রী ত্রাণ প্রদান করা হয় – চাল= ১৪ কেজি, তেল= ০২ লিটার, চিনি= ০১ কেজি, ডাল= ০২ কেজি, লবণ= ০১ কেজি,ভাজা ডাল= ০২ কেজি, পেঁয়াজ= ০১ কেজি, সুজি= ০১ কেজি বিস্কুট= ০১ কেজি পানি= ০৫ লিটার  স্যালাইন= ১০টি, নগদ টাকা= ১০০০/-।

ব্র্যাক শুধু এই উপজেলায় ৪০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে উপরোক্ত হারে ত্রাণ প্রদান করতেছেন বলে সিনিয়র ব্যবস্থাপক বিভূতি চাকমা জানান। ইতিমধ্যে ফারুয়া ইউনিয়নে ৫০০ পরিবারকে শুকনো খাবার প্রদান করা হয়েছে।

রোয়াংছড়িতে বিজিবির ৩১২ বন্যা দূর্গতকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণ।

বিলাইছড়িতে বন্যাদুর্গতদের পাশে ব্র্যাক

উথোয়াইচিং মারমা (রনি); বান্দরবান:

বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বান্দরবান বিজিবি সেক্টর সদর দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত একটি মেডিকেল ক্যাম্পে শতাধিক পরিবারের সদস্যদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রোয়াংছড়ি উপজেলার কাইন্তারমুখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। বান্দরবান বিজিবি সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মুহাম্মদ রুবায়াত জামিল, বিএসপি-এর নেতৃত্বে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

ক্যাম্পে মেডিকেল অফিসার মেজর তিমির রঞ্জন মহান্ত (এএমসি), বান্দরবান সদর হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডা. জয়দত্ত বড়ুয়া এবং সিনিয়র কনসালটেন্ট (নাক, কান ও গলা) ডা. দীপংকর তঞ্চঙ্গ্যা চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন।

মেডিকেল ক্যাম্পে স্থানীয় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ১২৫টি অসহায় পরিবারের মোট ৩১২ জনকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়। পাশাপাশি রোগীদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ওষুধও বিতরণ করা হয়।

বিজিবির বান্দরবান সদর সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মুহাম্মদ রুবায়াত জামিল বলেন, কয়েকদিন আগে হয়ে যাওয়া বন্যার পর বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে৷ এরই প্রেক্ষিতে চিকিৎসা সেবা এরই একটা অংশ৷ তাই রোয়াংছড়ি উপজেলার কাইন্তারমুখ এলাকায় এই চিকিৎসা সেবার আয়োজনটা করেছি।

তিনি আরো জানান, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সাধারণ জনগণ ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো বাহিনীটির নিয়মিত দায়িত্বের অংশ। অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল, বন্যা, ভূমিধসসহ বিভিন্ন জরুরি পরিস্থিতিতে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা, নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা, খাদ্য ও মানবিক সহায়তা প্রদান এবং চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বিজিবি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাঘাইছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্রেস্টফিডিং কর্নার উদ্বোধন

বিলাইছড়িতে বন্যাদুর্গতদের পাশে ব্র্যাক

 

আনোয়ার হোসেন,
বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা ও সেবা নিতে আসা দুগ্ধদানকারী মা ও শিশুদের সুবিধার্থে একটি সুসজ্জিত ‘ব্রেস্টফিডিং কর্নার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগষ্ট) বেলা ১ ঘটিকার সময়
বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমেনা মারজান ব্রেস্টফিডিং কর্নারটি উদ্বোধন করেছেন।

হাসপাতালে আসা মায়েরা যাতে প্রকাশ্যে দুধ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অস্বস্তি বা সামাজিক সংকোচে না পড়েন এবং সম্পূর্ণ পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ পরিবেশে সন্তানকে দুগ্ধদান করতে পারেন, তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নাদিমুল ইসলাম বলেন,
মা ও শিশু স্বাস্থ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি এবং সময়মতো শিশুদের মাতৃদুগ্ধ পানে মায়েদের উৎসাহিত করা এবং চিকিৎসা সেবা নিতে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার মাঝে দুগ্ধদানকারী মায়েদের যে শারীরিক ও মানসিক ভোগান্তি পোহাতে হতো, তা অনেকটাই দূর হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমেনা মারজানের এই উদ্যোগকে প্রশংসা করেছেন তিনি।

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমেনা মারজান বলেন, “হাসপাতালের মতো স্পর্শকাতর জনবহুল স্থানে একটি ডেডিকেটেড ব্রেস্টফিডিং কর্নার থাকা অত্যন্ত জরুরি। এই উদ্যোগের ফলে চিকিৎসা নিতে আসা মায়েদের স্বাচ্ছন্দ্য বাড়বে এবং মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সুফল বয়ে আনবে।

অনুষ্ঠানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ নাদিমুল ইসলাম, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আনোয়ার হোসেন (সবুজ), বাঘাইছড়ি প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে থানচিতে গণসংহতি আন্দোলনের গণসমাবেশ

বিলাইছড়িতে বন্যাদুর্গতদের পাশে ব্র্যাক

 

চিংথোয়াই অং মার্মা,
থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের থানচিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠন এবং নতুন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠার দাবিতে গণসমাবেশ করেছে গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে থানচি বাজার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সমাবেশে উপজেলা শাখার অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক উ থোয়াই ওয়াং মারমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গণসংহতি আন্দোলনের জাতি বৈচিত্র্য বিষয়ক সম্পাদক উবা থোয়াই মারমা।

উপজেলা শাখার নির্বাহী সমন্বয়কারী সিনয়া ম্রোর সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন, উপজেলা সমন্বয়কারী মংসাই মারমা। বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ছাত্র ফেডারেশন থানচি উপজেলা কমিটির সদস্য অং ম্যা থোয়াই মারমা। এছাড়াও সমাবেশে উপজেলা শাখার সদস্য শৈচৌওয়াং মারমা, রুমাজন ত্রিপুরা, রেমাক্রী ইউনিয়ন কমিটির সদস্য থংপং ম্রোসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, জুলাই সনদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। জুলাই আন্দোলনে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বহু মানুষ আহত ও নিহত হয়েছেন। কিন্তু এখনো জুলাই সনদ বাস্তবায়িত হয়নি। জুলাইয়ের আত্মত্যাগ ও চেতনা ধারণ করতে হলে দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নতুন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।

এ গণসমাবেশে গণসংহতি আন্দোলনের নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

×