শিরোনাম:

খাগড়াছড়ির রামগড়ে মা ও মেয়েকে জবাই করে হত্যা, মামলার ৬ দিন পর হত্যাকারী আটক

খাগড়াছড়ির রামগড়ে মা ও মেয়েকে জবাই করে হত্যা, মামলার ৬ দিন পর হত্যাকারী আটক

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় প্রতিনিধিঃ

খাগড়াছড়ি রামগড় পৌর এলাকার ৭নং ওয়ার্ডের বাগানটিলা নামক স্থানে মা ও মেয়েকে জবাই করে হত্যার মূল আসামি মোঃ সাইফুল ইসলাম (৩৫) (পিতা মোঃ শাহাবুদ্দিন)-কে ছাগলনাইয়ার উত্তর কুহুমা থেকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত আসামি ভিকটিম আমেনা বেগমের সম্পর্কে নাতি ও রেহেনা আক্তারের ভাইপুত হয়।

আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আজ (বৃহস্পতিবার) ২৮ আগস্ট পুলিশ প্রেস ব্রিফিং এ জানানো হয় যে, ঘটনার দিন আসামী সাইফুল তার দাদীর বাড়িতে এসে টাকা চাইলে ভিকটিমদ্বয় তাকে গালমন্দ করে। এরপর আসামি না খেয়ে দাদীর ঘরে শুয়ে থাকে এবং হত্যার পরিকল্পনা করে। রাত গভীর হলে আসামীর দাদী এবং ফুফু পার্শ্ববর্তী দুইটি কক্ষে ঘুমিয়ে গেলে আসামি দাদীর ঘরে থাকা বাঁশ কাটার দা দিয়ে প্রথমে ফুফু রাহেনা আক্তার এর গলায় সজোরে কোপ দিয়ে হত্যা করে এরপর দাদীকেও একই ভাবে হত্যা করে রাতেই পালিয়ে যায়।

উল্লেখ যে, গত ২১ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) দুপুরে রামগড় পৌর এলাকার ৭নং ওয়ার্ডের বাগানটিলা নামক স্থান থেকে আমেনা বেগম (৮৮) ও তার মেয়ে রেহেনা আক্তার (৪৫) এর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছিল থানা পুলিশ। ২২ আগস্ট (শুক্রবার) হত্যার বিচার চেয়ে ৩০২/৩৪ ধারায় ভিকটিম রেহেনা আক্তার এর একমাত্র ছেলে মোঃ হাসান (২০) বাদী হয়ে রামগড় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এঘটনার ৬ দিন পর পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলার মূল আসামি মোঃ সাইফুল ইসলাম (৩৫)-কে ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার উত্তর কুহুমা দারোগাছড়ায় মন্নান শিকদারের ছেলে মনার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেন। সাইফুল ইসলাম মনার বাড়ির কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন

খাগড়াছড়ির রামগড়ে মা ও মেয়েকে জবাই করে হত্যা, মামলার ৬ দিন পর হত্যাকারী আটক

 

বিশেষ প্রতিবেদক, খাগড়াছড়িঃ

খাগড়াছ‌ড়ির গুইমারা রি‌জিও‌নের আওতা‌ধিন ১৮ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারির মাটিরাঙ্গা জোনের নিয়মিত আর্থ-সামাজিক ও উন্নয়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে মেডিকেল ক্যাম্পেইন ক‌রে‌ছে সেনাবাহিনী।

মঙ্গলবার (৬ মে) সকালে উপ‌জেলার তাইন্দংয়ের দুর্গম সুধীল রঞ্জন হেডম‌্যানপাড়া সরকারী প্রাথ‌মিক বিদ‌্যালয় মা‌ঠে আয়োজিত বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্পে স্থানীয় প্রায় দুই শতাধিক পাহাড়ি ও বাঙালিকে চিকিৎসা সেবা প্রদান ক‌রা হয়।

এতে গুইমারা রিজিয়নের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ মেজর ইকরামুল আমিন এফসিপিএস, মেডিকেল অফিসার ক্যাপ্টেন সাদিয়া আফরিন ও মাটিরাঙ্গা জোনের মেডিকেল অফিসার ক্যাপ্টেন নুরে রেজওয়ান তৌফিক রিজভী সি‌কিৎসা সেবাও বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ঔষধ প্রদান করেন। একই সা‌থে স্কুল পড়ুয়া শিশু‌দের মা‌ঝে শিক্ষা সামগ্রী ও খেলনা বিতরণ করা হয়।

ক‌্যাম্পেইন চলাকা‌লিন প‌রিদর্শন ক‌রে উপকারভোগীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় এবং তাদের খোঁজখবর নেন মাটিরাঙ্গা জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদ খান।

এসময় বলেন, এই অঞ্চলে পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থান ও সুসম্পর্ক বিদ্যমান, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।”  আর্তমানবতার সেবায় পাহা‌ড়ের দুর্গম এলাকায় সেনাবাহিনীর এমন কার্যক্রম আগামী‌তেও অব‌্যাহত থাক‌বে ব‌লে জানান তি‌নি।

এসময় মাটিরাঙ্গা জোনের (ভারপ্রাপ্ত) জেডএসও  মেজর সামিউল হক, ক্যাম্প কমান্ডার মেজর হাসনাইন জালালী, ক্যাপ্টেন ইয়ামীম ইসলাম সহ উর্ধতন কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

বান্দরবানে প্রবেশ করার সময় ২১ রোহিঙ্গা নাগরিক আটক।

খাগড়াছড়ির রামগড়ে মা ও মেয়েকে জবাই করে হত্যা, মামলার ৬ দিন পর হত্যাকারী আটক

বান্দরবান প্রতিনিধি :

বান্দরবানে প্রবেশের সময় সেনা চেকপোস্টে ২১ রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে শহরের রেইচা চেকপোস্টে তল্লাশি চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সেনাবাহিনী।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আটক হওয়া ব্যক্তিরা কক্সবাজার এলাকা হতে বান্দরবানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করছিল। চেকপোস্টে তাদের চলাচল সন্দেহজনক মনে হওয়ায় দায়িত্বরত সেনাসদস্যরা তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থামিয়ে তল্লাশি চালায় এবং পরবর্তীতে তাদের আটক করা হয়।

বর্তমানে আটককৃতদের পরিচয় যাচাই, নাম-ঠিকানা লিপিবদ্ধকরণ এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তাদের গতিবিধি ও সম্ভাব্য উদ্দেশ্য সম্পর্কে অধিকতর তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণপূর্বক আটককৃতদের বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

আলীকদমে কারিতাসের উদ্যোগে বিপণন কমিটির সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ক প্রশিক্ষণ ‎

খাগড়াছড়ির রামগড়ে মা ও মেয়েকে জবাই করে হত্যা, মামলার ৬ দিন পর হত্যাকারী আটক

 

সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা,
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎বান্দরবানের আলীকদমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কারিতাস বাংলাদেশ চট্টগ্রাম অঞ্চল পি এ ই পি- ৩ প্রকল্প এবং হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন এর যৌথ আয়োজনে বিপণন কমিটির সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

‎মঙ্গলবার (৫ মে) বেলা ১১ ঘটিকার সময় আলীকদম বাজার সংলগ্ন অর্কিড রেস্টুরেন্ট হলরুমে বিপণন কমিটির সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

‎কারিতাসের প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক ছিলেন বান্দরবান প্রকল্প অফিস হতে আগত জে পি ও এগ্রো ইকোলোজি মিস্টার উসিনু মার্মা, আলীকদম উপজেলার মাঠ কর্মকর্তা জেসমিন চাকমা এবং সার্বিক সহযোগিতায় মাঠ সহায়ক শেফালী ত্রিপুরা, মংফ্রু মার্মা। এসময় প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন আলীকদম উপজেলার বিভিন্ন পাড়ার ৬টি কমিটির ৩০ জন সদস্যবৃন্দ।

‎প্রশিক্ষণ এর আলোচনা হিসেবে ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ ও দরপত্র ব্যবস্থাপনা, বাজারে দর নির্ধারণ করা। পণ্যের গুণগত মান, গ্রেডিং ও প্যাকেজিং, মান নিয়ন্ত্রণ, কৃষি পণ্যের গ্রহনের মানদণ্ড। বাজারে তথ্য সংগ্রহ ও প্রচার। বাজার ব্যবস্থাপনার মৌলিক ধারণা। প্রশাসনিক দক্ষতা ও স্বচ্ছ হিসাব পরিচালনা ইত্যাদি।

×