শিরোনাম:

রুমায় মারমা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন ১৯ জানুয়ারি

রুমায় মারমা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন ১৯ জানুয়ারি

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় মারমা সম্প্রদায়ের একমাত্র সামাজিক সংগঠন মারমা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (মাওএ)-এর ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১৯ জানুয়ারি এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

গত সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে রুমা বাজার সংলগ্ন মাওএ ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিল ঘোষণা করেন মাওএ-এর এডহক কমিটির আহ্বায়ক ও রুমা সাঙ্গু সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুইপ্রুচিং মারমা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রুমা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও মারমা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি শৈহ্লাচিং মারমা, মাওএ এডহক কমিটির সদস্য ও উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নুম্রাউ মারমা, চিংশৈথুই মারমা, মাজাইনু মারমা, জুলিমং মারমা, সাংবাদিক উবাসিং মারমাসহ মারমা সম্প্রদায়ের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৯ জানুয়ারি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিন ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ ও সাংগঠনিক সম্পাদক—এই চারটি গুরুত্বপূর্ণ পদে ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।

তফসিল অনুযায়ী, ৮ জানুয়ারি থেকে মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হবে। ১১ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিন। ১৫ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। মনোনয়ন ফরমের নির্ধারিত ফি রাখা হয়েছে ৫০০ টাকা। নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে প্রার্থীকে অবশ্যই মারমা সম্প্রদায়ের সদস্য এবং রুমা উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত বা রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিরা এ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না—এমন শর্তও আরোপ করা হয়েছে।

ভোটার তালিকা প্রসঙ্গে জানানো হয়- সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী, মৌজা হেডম্যান, পাড়া প্রধান কারবারি, বর্তমান ও সাবেক জনপ্রতিনিধিসহ সমাজে গ্রহণযোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তিরা ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে পারবেন। তবে ভোটারদেরও অবশ্যই মারমা সম্প্রদায়ের এবং রুমা উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। নির্বাচন সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য ও আবেদনপত্র সংগ্রহের জন্য মারমা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কার্যালয়ে যোগাযোগ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

এডহক কমিটির সদস্য সচিব ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, একটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী সুন্দরভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন এডহক কমিটির আহ্বায়ক সুইপ্রুচিং মারমা।

উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালের ১০ জুন মারমা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তফসিল ঘোষণার পর থেকেই রুমা উপজেলায় মারমা সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

আলীকদম জোনের উদ্যোগে পাহাড়ভাঙ্গা পাড়ায় প্রাথমিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত

রুমায় মারমা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন ১৯ জানুয়ারি

 

‎ ‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ, ‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বান্দরবান রিজিয়নের আওতাধীন আলীকদম জোনের উদ্যোগে স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরে মায়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ভাঙ্গা পাড়ায় ‘সেনা মৈত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়’-এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারী) সকালে বিদ্যালয়টির উদ্বোধন করেন আলীকদম জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ আশিকুর রহমান আশিক, এসপিপি, পিএসসি। ‎‎বিদ্যালয় উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ব্যাপক জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

এ সময় স্থানীয় ৩১৫ জন অসহায় রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ১১৩টি দরিদ্র পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারগুলোর মধ্যে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়। ‎আলীকদম উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে এবং মায়ানমার সীমান্ত থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার ভেতরে অবস্থিত পাহাড়ভাঙ্গা পাড়া দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল। ভৌগোলিক দুর্গমতার কারণে ফাতরাপাড়া, মাসখুম পাড়া ও তরণী পাড়ার শিশুদের জন্য নিয়মিত শিক্ষাগ্রহণ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল।

স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে আলীকদম জোন এ অঞ্চলে ‘সেনা মৈত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে। উদ্বোধন শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ, বেঞ্চ, পাঠ্যবই ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। ‎এছাড়া সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ মেডিকেল টিম দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করে। এতে ৯৫ জন পুরুষ, ১৭৫ জন নারী ও ৪৫ জন শিশুসহ মোট ৩১৫ জনকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়।

‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে লেঃ কর্নেল মোঃ আশিকুর রহমান আশিক বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। দুর্গম এই জনপদে শিক্ষার যাত্রা স্থানীয় শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ‎ ‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনজুর আলম, মেজর মোঃ পাভেল মাহমুদ রাসেল, বিএসপি, আলীকদম জোনের জোনাল স্টাফ অফিসার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আলী তাওহীদ এবং লামা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মাসুম সরদার। এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কার্বারি ও বিপুলসংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। ‎

‎সেনাবাহিনীর এই মানবিক উদ্যোগে স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, এই ধরনের কার্যক্রম দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে শিক্ষা ও মানবিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

৯ম পে-স্কেলের দাবিতে লংগদুতে কর্মচারীদের বিক্ষোভ

রুমায় মারমা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন ১৯ জানুয়ারি

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, লংগদু :

পার্বত্য জেলা রাঙামাটির লংগদুতে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল ঘোষণাসহ এক দফা দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট, কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন সরকারি কর্মচারীরা। বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারীদের দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সম্মিলিত পরিষদের কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় এই কর্মসূচি পালিত হয়। ​

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারীরা একত্রিত হয়ে এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন। ব্যানার হাতে নিয়ে তারা তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

আন্দোলনরত কর্মচারীরা বলেন, জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশকৃত বৈষম্যহীন এক দফা এক দাবি অর্থাৎ ৯ম পে-স্কেলের গেজেট জারি করার জন্য তারা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের মতে, বর্তমান বাজারমূল্যের সাথে বর্তমান বেতন কাঠামো সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, ফলে নিম্ন ও মধ্যমসারির কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এই কর্মসূচিটি গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এই অবস্থান ধর্মঘট ও কর্মবিরতি পালিত হচ্ছে। ​

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, আমরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছি। কিন্তু দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে আমাদের বর্তমান বেতন দিয়ে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সরকার যদি অবিলম্বে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ না করে, তবে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। ​লংগদু উপজেলার সরকারি কর্মচারী পরিষদের নেতৃবৃন্দ এই আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করে দ্রুত প্রদান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেন। কর্মসূচি চলাকালীন দাপ্তরিক কাজে কিছুটা স্থবিরতা লক্ষ্য করা গেলেও কর্মচারীরা তাদের অধিকার আদায়ে অনড় অবস্থানে রয়েছেন।

কাপ্তাইয়ে বিদ্যুৎ ও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মচারীদের রাজপথে অবস্থান ; দ্রুত ৯ম পে-স্কেল ঘোষণার দাবি

রুমায় মারমা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন ১৯ জানুয়ারি

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​জাতীয় পে কমিশনের সুপারিশকৃত বৈষম্যহীন এক দফা দাবি—৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবিতে রাঙ্গামাটি কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে কাপ্তাই পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কর্মচারীদের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ ঘোষিত দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এদিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কাপ্তাই সড়কের কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের মূল ফটকের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সাথে সংগতি রেখে জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। তারা অবিলম্বে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বৈষম্যহীন পে-স্কেল ঘোষণার আহ্বান জানান। বাংলাদেশ জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন (সিবিএ) কাপ্তাই শাখার সভাপতি মোঃ বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সহ-সভাপতি কবিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলায়েত হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোর্শেদ আলম, যুব বিষয়ক সম্পাদক  শহিদুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় যুব কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ দিদার হোসেন, মোঃ মোশাররফ হোসেন, মোঃ তোফাজ্জল হোসেন প্রমুখ।

​উক্ত মানববন্ধনে কাপ্তাই বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের শতাধিক কর্মচারী উপস্থিত হয়ে সংহতি প্রকাশ করেন। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট জারি না হলে তারা কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সাথে একাত্ম হয়ে আরও কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন।

×