শিরোনাম:

দেশে একজন অপরজনকে সম্মান প্রদান করা আমাদের নাই বরং উল্টো দোষত্রুটি খুটিয়ে দেখি — ধর্ম উপদেষ্ট ড. আ.ফ.ম খালিদ হোসেন

দেশে একজন অপরজনকে সম্মান প্রদান করা আমাদের নাই বরং উল্টো দোষত্রুটি খুটিয়ে দেখি — ধর্ম উপদেষ্ট ড. আ.ফ.ম খালিদ হোসেন

তীর ধুনকের মতো টান টান ও শক্ত হতে হবে — অর্থ উপদেষ্টা  ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ

 

একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বৌদ্ধ তত্ত্ববিধ প্রফেসর ডক্টর সুকোমল বড়ুয়াকে সংবর্ধনা প্রদান করলেন বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্ট

 

নিউটন চাকমা, ঢাকা অফিস :

একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বৌদ্ধ তত্ত্ববিধ প্রফেসর ডক্টর সুকোমল বড়ুয়াকে সংবর্ধনা প্রদান করলেন ধর্ম মন্ত্রণালয় অধীনস্থ বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্ট কর্তৃক পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স মিলনায়তন অনুষ্টিতব্য এক অনাড়ম্বর পরিবেশে এই সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারী) বিকেল ৩ ঘটিকায় সংবর্ধনা অনুষ্টানে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্টের ভাইস চেয়ারম্যান ভবেশ চাকমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর নিয়াজ আহমেদ খান (পিএইচডি), জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য প্রফেসর ড. এএসএম আমানুল্লাহ, বাংলদেশে নিয়োজিত শ্রীলঙ্কা হাইকমিশনার এইচ.ই. ধর্মপালা ওয়ারাকোড্ডি, পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ মহামান্য সংঘরাজ প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরো, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি ভদন্ত বুদ্ধপ্রিয় মহাথেরো, আর্ন্তজাতিক বৌদ্ধ বিহার অধ্যক্ষ ভদন্ত ধর্মমিত্র মহাথেরো প্রমুখ।

সংবর্ধনা অনুষ্টানটি উদ্বোধন করেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ.ফ.ম খালিদ হোসেন। উদ্বোধনী বক্তব্য ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, আমাদের দেশে একজন অপরজনকে সম্মান প্রদান করা আমাদের নাই বরং উল্টো দোষত্রুটি গুলো খুটিয়ে দেখি। দোষত্রুটি গুলো মার্জনা করে আলোকিত দিক তুলো ধরা প্রয়াসি আমরা নই। সেজন্য একজন সম্মানী ব্যক্তিকে সম্মননা প্রদান করলে দেশে বা সমাজের মধ্যে আলোকিত হয়। সুকোমল বড়ুয়া সারাজীবন বৌদ্ধ ধর্মের চর্চা, বৌদ্ধ দর্শন, কৃষ্টি, নৈতিক মুল্যবোধের জাগরণ, জ্ঞানের বিস্তার ও নির্বাণের উপর গবেষণা করেছেন। তিনি সুকোমল বড়ুয়া একজন বৌদ্ধ ধর্মের অগ্রদূত বলে আখ্যায়িত করেন ধর্ম উপদেষ্টা।

সংবর্ধনা অনুষ্টানে বক্তারা বলেন, ড. সুকোমল বড়ুয়া পশ্চাদপদ এলাকা থেকে উঠে এসেছেন। তার এই উঠে-আসার পেছনে অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তিনি একজন মিতব্যয়ী, অমায়িক, মৃদুভাষী, মানবদরদী ও বন্ধুসুলভ মানুষ। ড. সুকোমল বড়ুয়া বৌদ্ধজাতির এক মহান ব্যক্তিত্ব। তার আগামী পথচলা ও সুস্বাস্থ্যর জন্য দীর্ঘায়ু সহ মঙ্গল কামনা করেন।

সংবর্ধনা অনুষ্টানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাজিব কান্তি বড়ুয়া ও ঢাবি শিক্ষক শান্তু বড়ুয়া।

       

সংবর্ধনা অনুষ্টানে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বৌদ্ধতত্ত্ববিদ প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়াকে উত্তরীয় প্রদান করেন বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্টি বোর্ডের সকল ট্রাষ্টিবৃন্দ। এরপর মঞ্চে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ একটি সম্মানা স্বারক মোড়ক উম্মোচন করেন।

সংবর্ধনা অনুষ্টানের শুরুতে ত্রিপিটক পাঠের মধ্যে দিয়ে অনুষ্টানটি সুচনা করা হয়।

আলীকদম জোনের উদ্যোগে পাহাড়ভাঙ্গা পাড়ায় প্রাথমিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত

দেশে একজন অপরজনকে সম্মান প্রদান করা আমাদের নাই বরং উল্টো দোষত্রুটি খুটিয়ে দেখি — ধর্ম উপদেষ্ট ড. আ.ফ.ম খালিদ হোসেন

 

‎ ‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ, ‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বান্দরবান রিজিয়নের আওতাধীন আলীকদম জোনের উদ্যোগে স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরে মায়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ভাঙ্গা পাড়ায় ‘সেনা মৈত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়’-এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারী) সকালে বিদ্যালয়টির উদ্বোধন করেন আলীকদম জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ আশিকুর রহমান আশিক, এসপিপি, পিএসসি। ‎‎বিদ্যালয় উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ব্যাপক জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

এ সময় স্থানীয় ৩১৫ জন অসহায় রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ১১৩টি দরিদ্র পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারগুলোর মধ্যে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়। ‎আলীকদম উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে এবং মায়ানমার সীমান্ত থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার ভেতরে অবস্থিত পাহাড়ভাঙ্গা পাড়া দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল। ভৌগোলিক দুর্গমতার কারণে ফাতরাপাড়া, মাসখুম পাড়া ও তরণী পাড়ার শিশুদের জন্য নিয়মিত শিক্ষাগ্রহণ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল।

স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে আলীকদম জোন এ অঞ্চলে ‘সেনা মৈত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে। উদ্বোধন শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ, বেঞ্চ, পাঠ্যবই ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। ‎এছাড়া সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ মেডিকেল টিম দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করে। এতে ৯৫ জন পুরুষ, ১৭৫ জন নারী ও ৪৫ জন শিশুসহ মোট ৩১৫ জনকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়।

‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে লেঃ কর্নেল মোঃ আশিকুর রহমান আশিক বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। দুর্গম এই জনপদে শিক্ষার যাত্রা স্থানীয় শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ‎ ‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনজুর আলম, মেজর মোঃ পাভেল মাহমুদ রাসেল, বিএসপি, আলীকদম জোনের জোনাল স্টাফ অফিসার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আলী তাওহীদ এবং লামা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মাসুম সরদার। এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কার্বারি ও বিপুলসংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। ‎

‎সেনাবাহিনীর এই মানবিক উদ্যোগে স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, এই ধরনের কার্যক্রম দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে শিক্ষা ও মানবিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

৯ম পে-স্কেলের দাবিতে লংগদুতে কর্মচারীদের বিক্ষোভ

দেশে একজন অপরজনকে সম্মান প্রদান করা আমাদের নাই বরং উল্টো দোষত্রুটি খুটিয়ে দেখি — ধর্ম উপদেষ্ট ড. আ.ফ.ম খালিদ হোসেন

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, লংগদু :

পার্বত্য জেলা রাঙামাটির লংগদুতে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল ঘোষণাসহ এক দফা দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট, কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন সরকারি কর্মচারীরা। বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারীদের দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সম্মিলিত পরিষদের কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় এই কর্মসূচি পালিত হয়। ​

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারীরা একত্রিত হয়ে এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন। ব্যানার হাতে নিয়ে তারা তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

আন্দোলনরত কর্মচারীরা বলেন, জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশকৃত বৈষম্যহীন এক দফা এক দাবি অর্থাৎ ৯ম পে-স্কেলের গেজেট জারি করার জন্য তারা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের মতে, বর্তমান বাজারমূল্যের সাথে বর্তমান বেতন কাঠামো সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, ফলে নিম্ন ও মধ্যমসারির কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এই কর্মসূচিটি গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এই অবস্থান ধর্মঘট ও কর্মবিরতি পালিত হচ্ছে। ​

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, আমরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছি। কিন্তু দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে আমাদের বর্তমান বেতন দিয়ে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সরকার যদি অবিলম্বে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ না করে, তবে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। ​লংগদু উপজেলার সরকারি কর্মচারী পরিষদের নেতৃবৃন্দ এই আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করে দ্রুত প্রদান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেন। কর্মসূচি চলাকালীন দাপ্তরিক কাজে কিছুটা স্থবিরতা লক্ষ্য করা গেলেও কর্মচারীরা তাদের অধিকার আদায়ে অনড় অবস্থানে রয়েছেন।

কাপ্তাইয়ে বিদ্যুৎ ও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মচারীদের রাজপথে অবস্থান ; দ্রুত ৯ম পে-স্কেল ঘোষণার দাবি

দেশে একজন অপরজনকে সম্মান প্রদান করা আমাদের নাই বরং উল্টো দোষত্রুটি খুটিয়ে দেখি — ধর্ম উপদেষ্ট ড. আ.ফ.ম খালিদ হোসেন

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​জাতীয় পে কমিশনের সুপারিশকৃত বৈষম্যহীন এক দফা দাবি—৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবিতে রাঙ্গামাটি কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে কাপ্তাই পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কর্মচারীদের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ ঘোষিত দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এদিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কাপ্তাই সড়কের কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের মূল ফটকের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সাথে সংগতি রেখে জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। তারা অবিলম্বে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বৈষম্যহীন পে-স্কেল ঘোষণার আহ্বান জানান। বাংলাদেশ জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন (সিবিএ) কাপ্তাই শাখার সভাপতি মোঃ বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সহ-সভাপতি কবিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলায়েত হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোর্শেদ আলম, যুব বিষয়ক সম্পাদক  শহিদুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় যুব কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ দিদার হোসেন, মোঃ মোশাররফ হোসেন, মোঃ তোফাজ্জল হোসেন প্রমুখ।

​উক্ত মানববন্ধনে কাপ্তাই বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের শতাধিক কর্মচারী উপস্থিত হয়ে সংহতি প্রকাশ করেন। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট জারি না হলে তারা কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সাথে একাত্ম হয়ে আরও কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন।

×