শিরোনাম:

দেবেন্দ্র মোহন পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে সম্মাননা ও পুরস্কার

দেবেন্দ্র মোহন পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে সম্মাননা ও পুরস্কার

 

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :

“শিক্ষার আলোয় এগিয়ে চলি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সার্বজনীন শ্রীশ্রী সরস্বতী পূজা–২০২৬ উপলক্ষে খাগড়াছড়ির দেবেন্দ্র মোহন পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এক ব্যতিক্রমধর্মী সম্মাননা, সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি ২০২৬) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খেলাধুলার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থী, বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবী (অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরত), উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং সমাজে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা গুণী ব্যক্তিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ধনেশ্বর ত্রিপুরা।

গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য জয়া ত্রিপুরা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কমল বিকাশ ত্রিপুরা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিকাশ চন্দ্র ত্রিপুরা, আহ্বায়ক, সম্মাননা ও সংবর্ধনা আয়োজক কমিটি এবং কার্বারী, ৪ মাইল যৌথ খামার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ধনেশ্বর ত্রিপুরা বলেন, “শিক্ষা ও সংস্কৃতির সমন্বয়ই একটি সমাজকে এগিয়ে নেয়। প্রাথমিক শিক্ষার ভিত মজবুত না হলে জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়। এই ধরনের উদ্যোগ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।”

গেস্ট অব অনার জয়া ত্রিপুরা বলেন, “প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এ আয়োজন প্রমাণ করে—শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শুধু পড়াশোনার জায়গা নয়, এটি মানুষের মূল্যবোধ ও নেতৃত্ব গড়ে তোলে।”

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রতি দীর্ঘদিনের নিষ্ঠা ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয় বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক রাম কৃষ্ণ ত্রিপুরা, অজিন্দ্র কুমার ত্রিপুরা, সাবেক সহকারী শিক্ষক অলিন্দ্র ত্রিপুরা, সহকারী প্রধান শিক্ষক দ্বিজ মালা ত্রিপুরা এবং বর্তমান প্রধান শিক্ষক কামনা ত্রিপুরা-কে।

এছাড়াও শিক্ষাক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্যের জন্য সম্মাননা পান—
অত্র বিদ্যালয়ের প্রথম বিএ পাশ করা প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, জনপ্রতিনিধি সমাপন ত্রিপুরা, প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন ব্যক্তি খঞ্জন জ্যোতি ত্রিপুরা, মাস্টার্স সম্পন্ন প্রিয় জ্যোতি ত্রিপুরা, প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথম নারী মাস্টার্স ডিগ্রিধারী নূপুরিকা ত্রিপুরা এবং প্রথম সংবাদকর্মী ও খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সহযোগী সদস্য দহেন বিকাশ ত্রিপুরা।

সমাজে শান্তি, ঐক্য ও উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা প্রদান করা হয়—ইউপি সদস্য সমাপন ত্রিপুরা, নির্মল ত্রিপুরা, ৪ মাইল যৌথ খামারের কার্বারী বিকাশ চন্দ্র ত্রিপুরা, তৈবাকলাই পাড়ার কার্বারী বিনয় ভূষন ত্রিপুরা, ৫ মাইল কালাপানিছড়ার কার্বারী বরেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, কামিনী পাড়ার কার্বারী বিপ্লব ভূষন ত্রিপুরা, ৫ মাইল যৌথ খামারের কার্বারী সুবল ময় ত্রিপুরা, ৬ মাইল নতুন পাড়ার কার্বারী স্বপন কুমার ত্রিপুরা, ৭ মাইল যৌথ খামারের কার্বারী অরুন বিকাশ ত্রিপুরা এবং প্রাক্তন ইউপি সদস্য জমেন্দ্র লাল ত্রিপুরা।

ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা পান তৈবাকলাই পাড়ার বর্ণ সিংহ ত্রিপুরা।
পেশাগত সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা দেওয়া হয়—সার্জেন্ট (অব.) নিহার বিন্দু ত্রিপুরা, কর্পোরাল (অব.) চন্দ্র শেখর ত্রিপুরা, এএসআই চন্দ্র জয় ত্রিপুরা, বাংলাদেশ পুলিশ (এপিবিএন) নায়েক তপেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, বন্দরকর্মী সন্তোষ কুমার ত্রিপুরা, আনসার সদস্য খলেন বিকাশ ত্রিপুরা, খতেন কুমার ত্রিপুরা, ক্রাফট ইন্সট্রাক্টর বিজয় ত্রিপুরা, এনজিও কর্মী সঞ্জয় ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মরত গুণীজনদের।

এছাড়া গ্রাজুয়েশন ও পোস্ট গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য—
প্রিয় জ্যোতি ত্রিপুরা (মাস্টার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), রিমন ত্রিপুরা (মাস্টার্স), ডেনি বিকাশ ত্রিপুরা, শাবনূর ত্রিপুরা, ধনপতি ত্রিপুরা, খলেন জ্যোতি ত্রিপুরা, অপুময় ত্রিপুরা, সুজন মালা ত্রিপুরা প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সন্ধ্যায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, পুরো আয়োজনটি বাস্তবায়ন করে দেবেন্দ্র মোহন পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দ।

আলীকদম জোনের উদ্যোগে পাহাড়ভাঙ্গা পাড়ায় প্রাথমিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত

দেবেন্দ্র মোহন পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে সম্মাননা ও পুরস্কার

 

‎ ‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ, ‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বান্দরবান রিজিয়নের আওতাধীন আলীকদম জোনের উদ্যোগে স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরে মায়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ভাঙ্গা পাড়ায় ‘সেনা মৈত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়’-এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারী) সকালে বিদ্যালয়টির উদ্বোধন করেন আলীকদম জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ আশিকুর রহমান আশিক, এসপিপি, পিএসসি। ‎‎বিদ্যালয় উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ব্যাপক জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

এ সময় স্থানীয় ৩১৫ জন অসহায় রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ১১৩টি দরিদ্র পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারগুলোর মধ্যে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়। ‎আলীকদম উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে এবং মায়ানমার সীমান্ত থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার ভেতরে অবস্থিত পাহাড়ভাঙ্গা পাড়া দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল। ভৌগোলিক দুর্গমতার কারণে ফাতরাপাড়া, মাসখুম পাড়া ও তরণী পাড়ার শিশুদের জন্য নিয়মিত শিক্ষাগ্রহণ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল।

স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে আলীকদম জোন এ অঞ্চলে ‘সেনা মৈত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে। উদ্বোধন শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ, বেঞ্চ, পাঠ্যবই ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। ‎এছাড়া সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ মেডিকেল টিম দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করে। এতে ৯৫ জন পুরুষ, ১৭৫ জন নারী ও ৪৫ জন শিশুসহ মোট ৩১৫ জনকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়।

‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে লেঃ কর্নেল মোঃ আশিকুর রহমান আশিক বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। দুর্গম এই জনপদে শিক্ষার যাত্রা স্থানীয় শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ‎ ‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনজুর আলম, মেজর মোঃ পাভেল মাহমুদ রাসেল, বিএসপি, আলীকদম জোনের জোনাল স্টাফ অফিসার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আলী তাওহীদ এবং লামা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মাসুম সরদার। এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কার্বারি ও বিপুলসংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। ‎

‎সেনাবাহিনীর এই মানবিক উদ্যোগে স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, এই ধরনের কার্যক্রম দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে শিক্ষা ও মানবিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

৯ম পে-স্কেলের দাবিতে লংগদুতে কর্মচারীদের বিক্ষোভ

দেবেন্দ্র মোহন পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে সম্মাননা ও পুরস্কার

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, লংগদু :

পার্বত্য জেলা রাঙামাটির লংগদুতে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল ঘোষণাসহ এক দফা দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট, কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন সরকারি কর্মচারীরা। বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারীদের দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সম্মিলিত পরিষদের কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় এই কর্মসূচি পালিত হয়। ​

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারীরা একত্রিত হয়ে এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন। ব্যানার হাতে নিয়ে তারা তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

আন্দোলনরত কর্মচারীরা বলেন, জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশকৃত বৈষম্যহীন এক দফা এক দাবি অর্থাৎ ৯ম পে-স্কেলের গেজেট জারি করার জন্য তারা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের মতে, বর্তমান বাজারমূল্যের সাথে বর্তমান বেতন কাঠামো সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, ফলে নিম্ন ও মধ্যমসারির কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এই কর্মসূচিটি গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এই অবস্থান ধর্মঘট ও কর্মবিরতি পালিত হচ্ছে। ​

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, আমরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছি। কিন্তু দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে আমাদের বর্তমান বেতন দিয়ে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সরকার যদি অবিলম্বে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ না করে, তবে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। ​লংগদু উপজেলার সরকারি কর্মচারী পরিষদের নেতৃবৃন্দ এই আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করে দ্রুত প্রদান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেন। কর্মসূচি চলাকালীন দাপ্তরিক কাজে কিছুটা স্থবিরতা লক্ষ্য করা গেলেও কর্মচারীরা তাদের অধিকার আদায়ে অনড় অবস্থানে রয়েছেন।

কাপ্তাইয়ে বিদ্যুৎ ও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মচারীদের রাজপথে অবস্থান ; দ্রুত ৯ম পে-স্কেল ঘোষণার দাবি

দেবেন্দ্র মোহন পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে সম্মাননা ও পুরস্কার

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​জাতীয় পে কমিশনের সুপারিশকৃত বৈষম্যহীন এক দফা দাবি—৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবিতে রাঙ্গামাটি কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে কাপ্তাই পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কর্মচারীদের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ ঘোষিত দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এদিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কাপ্তাই সড়কের কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের মূল ফটকের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সাথে সংগতি রেখে জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। তারা অবিলম্বে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বৈষম্যহীন পে-স্কেল ঘোষণার আহ্বান জানান। বাংলাদেশ জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন (সিবিএ) কাপ্তাই শাখার সভাপতি মোঃ বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সহ-সভাপতি কবিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলায়েত হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোর্শেদ আলম, যুব বিষয়ক সম্পাদক  শহিদুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় যুব কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ দিদার হোসেন, মোঃ মোশাররফ হোসেন, মোঃ তোফাজ্জল হোসেন প্রমুখ।

​উক্ত মানববন্ধনে কাপ্তাই বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের শতাধিক কর্মচারী উপস্থিত হয়ে সংহতি প্রকাশ করেন। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট জারি না হলে তারা কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সাথে একাত্ম হয়ে আরও কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন।

×