শিরোনাম:

কাপ্তাইয়ে ধানের শীষের গণজোয়ার : সাপছড়ি ঐতিহ্যবাহী পোশাকে দীপেন দেওয়ানকে বরণ করল তঞ্চঙ্গ্যারা

কাপ্তাইয়ে ধানের শীষের গণজোয়ার : সাপছড়ি ঐতিহ্যবাহী পোশাকে দীপেন দেওয়ানকে বরণ করল তঞ্চঙ্গ্যারা

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি : 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাঙ্গামাটি ২৯৯ সংসদীয় আসনে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। এরই ধারাবাহিকতায় রাঙ্গামাটি কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগ্গা সাপছড়ি এলাকায় বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ানের সমর্থনে এক বিশাল নির্বাচনী পথসভা ও গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ওয়াগ্গা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনসাধারণের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ধানের শীষের পক্ষে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

এদিন পথসভাকে কেন্দ্র করে ওয়াগ্গা ও সাপছড়ি এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। স্থানীয় তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ তাদের নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত হয়ে সারি বেঁধে দাঁড়িয়ে প্রার্থী দীপেন দেওয়ানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। পাহাড়ি জনপদে প্রার্থীর আগমনে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা দেয়, যা একপর্যায়ে নির্বাচনী গণজোয়ারে রূপ নেয়। পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক সিনিয়র যুগ্ম জেলা জজ ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান বলেন, “দেশ ও জাতির ক্রান্তিলগ্নে উন্নয়নের মূল ধারায় রাঙ্গামাটিকে ফিরিয়ে আনতে ধানের শীষের বিকল্প নেই।”

​পথসভার সভাপতি অজিত কুমার তঞ্চঙ্গ্যা এলাকার ধর্মীয় ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের বেশ কিছু দাবি উত্থাপন করলে প্রার্থী তা পূরণের জোরালো প্রতিশ্রুতি দেন।

​ওয়াগ্গা-সাপছড়ি বৌদ্ধবিহারের আবাসিক ভিক্ষু কক্ষ ও উপাসক-উপাসিকাদের জন্য ভবন নির্মাণ,আগুনিয়া ছড়াপাড়া বৌদ্ধবিহারের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করা,​সাপছড়ি উপর পাড়া থেকে সাপছড়ি মঈন পাড়া সড়ক ও তম্বপাড়ায় ব্রিজ নির্মাণ,​ ঢেঁকি কাটা ছড়াপাড়া রাস্তায় ব্রিক সোলিং কাজ সম্পন্ন করা। এসময় সাথে ছিলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-উপজাতি বিষয়ক সম্পাদক লে: কর্নেল (অব:) মনীষ দেওয়ান, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপি সভাপতি দীপন তালুকদার দিপু, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ মামুন এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম পনির।

​এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডা: রহমত উল্লাহ, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক দিলদার হোসেন। স্থানীয় নেতাদের মধ্যে ওয়াগ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মায়ারাম তঞ্চঙ্গ্যা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চিরঞ্জিত তালুকদার, ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি দয়ারঞ্জন তঞ্চঙ্গ্যা, ইউনিয়ন যুবদল সদস্য বাবুল তঞ্চঙ্গ্যা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য অনন্ত তালুকদার, গুণোমোহন তঞ্চঙ্গ্যা, সুশীল চন্দ্র তালুকদার, আশীষ কুমার তঞ্চঙ্গ্যা উপজেলা প্রজন্ম দলের সাধারণ সম্পাদক পণো ধন তঞ্চঙ্গ্যাসহ দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পথসভা শেষে নেতৃবৃন্দ সাধারণ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে লিফলেট বিতরণ করেন। বক্তারা বলেন, এলাকার দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও অবহেলা দূর করতে অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ানকে জয়যুক্ত করা এখন সময়ের দাবি। তারা আগামী নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

পরবর্তীতে তারা নোয়াপাড়া, বরইছড়ি এবং কেপিএম এলাকার বিভিন্ন স্থানে পথসভা ও গণসংযোগ চালিয়ে যান।

আলীকদম জোনের উদ্যোগে পাহাড়ভাঙ্গা পাড়ায় প্রাথমিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত

কাপ্তাইয়ে ধানের শীষের গণজোয়ার : সাপছড়ি ঐতিহ্যবাহী পোশাকে দীপেন দেওয়ানকে বরণ করল তঞ্চঙ্গ্যারা

 

‎ ‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ, ‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বান্দরবান রিজিয়নের আওতাধীন আলীকদম জোনের উদ্যোগে স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরে মায়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ভাঙ্গা পাড়ায় ‘সেনা মৈত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়’-এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারী) সকালে বিদ্যালয়টির উদ্বোধন করেন আলীকদম জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ আশিকুর রহমান আশিক, এসপিপি, পিএসসি। ‎‎বিদ্যালয় উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ব্যাপক জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

এ সময় স্থানীয় ৩১৫ জন অসহায় রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ১১৩টি দরিদ্র পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারগুলোর মধ্যে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়। ‎আলীকদম উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে এবং মায়ানমার সীমান্ত থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার ভেতরে অবস্থিত পাহাড়ভাঙ্গা পাড়া দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল। ভৌগোলিক দুর্গমতার কারণে ফাতরাপাড়া, মাসখুম পাড়া ও তরণী পাড়ার শিশুদের জন্য নিয়মিত শিক্ষাগ্রহণ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল।

স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে আলীকদম জোন এ অঞ্চলে ‘সেনা মৈত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে। উদ্বোধন শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ, বেঞ্চ, পাঠ্যবই ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। ‎এছাড়া সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ মেডিকেল টিম দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করে। এতে ৯৫ জন পুরুষ, ১৭৫ জন নারী ও ৪৫ জন শিশুসহ মোট ৩১৫ জনকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়।

‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে লেঃ কর্নেল মোঃ আশিকুর রহমান আশিক বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। দুর্গম এই জনপদে শিক্ষার যাত্রা স্থানীয় শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ‎ ‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনজুর আলম, মেজর মোঃ পাভেল মাহমুদ রাসেল, বিএসপি, আলীকদম জোনের জোনাল স্টাফ অফিসার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আলী তাওহীদ এবং লামা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মাসুম সরদার। এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কার্বারি ও বিপুলসংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। ‎

‎সেনাবাহিনীর এই মানবিক উদ্যোগে স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, এই ধরনের কার্যক্রম দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে শিক্ষা ও মানবিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

৯ম পে-স্কেলের দাবিতে লংগদুতে কর্মচারীদের বিক্ষোভ

কাপ্তাইয়ে ধানের শীষের গণজোয়ার : সাপছড়ি ঐতিহ্যবাহী পোশাকে দীপেন দেওয়ানকে বরণ করল তঞ্চঙ্গ্যারা

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, লংগদু :

পার্বত্য জেলা রাঙামাটির লংগদুতে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল ঘোষণাসহ এক দফা দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট, কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন সরকারি কর্মচারীরা। বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারীদের দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সম্মিলিত পরিষদের কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় এই কর্মসূচি পালিত হয়। ​

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারীরা একত্রিত হয়ে এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন। ব্যানার হাতে নিয়ে তারা তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

আন্দোলনরত কর্মচারীরা বলেন, জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশকৃত বৈষম্যহীন এক দফা এক দাবি অর্থাৎ ৯ম পে-স্কেলের গেজেট জারি করার জন্য তারা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের মতে, বর্তমান বাজারমূল্যের সাথে বর্তমান বেতন কাঠামো সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, ফলে নিম্ন ও মধ্যমসারির কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এই কর্মসূচিটি গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এই অবস্থান ধর্মঘট ও কর্মবিরতি পালিত হচ্ছে। ​

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, আমরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছি। কিন্তু দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে আমাদের বর্তমান বেতন দিয়ে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সরকার যদি অবিলম্বে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ না করে, তবে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। ​লংগদু উপজেলার সরকারি কর্মচারী পরিষদের নেতৃবৃন্দ এই আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করে দ্রুত প্রদান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেন। কর্মসূচি চলাকালীন দাপ্তরিক কাজে কিছুটা স্থবিরতা লক্ষ্য করা গেলেও কর্মচারীরা তাদের অধিকার আদায়ে অনড় অবস্থানে রয়েছেন।

কাপ্তাইয়ে বিদ্যুৎ ও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মচারীদের রাজপথে অবস্থান ; দ্রুত ৯ম পে-স্কেল ঘোষণার দাবি

কাপ্তাইয়ে ধানের শীষের গণজোয়ার : সাপছড়ি ঐতিহ্যবাহী পোশাকে দীপেন দেওয়ানকে বরণ করল তঞ্চঙ্গ্যারা

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​জাতীয় পে কমিশনের সুপারিশকৃত বৈষম্যহীন এক দফা দাবি—৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবিতে রাঙ্গামাটি কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে কাপ্তাই পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কর্মচারীদের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ ঘোষিত দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এদিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কাপ্তাই সড়কের কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের মূল ফটকের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সাথে সংগতি রেখে জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। তারা অবিলম্বে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বৈষম্যহীন পে-স্কেল ঘোষণার আহ্বান জানান। বাংলাদেশ জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন (সিবিএ) কাপ্তাই শাখার সভাপতি মোঃ বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সহ-সভাপতি কবিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলায়েত হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোর্শেদ আলম, যুব বিষয়ক সম্পাদক  শহিদুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় যুব কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ দিদার হোসেন, মোঃ মোশাররফ হোসেন, মোঃ তোফাজ্জল হোসেন প্রমুখ।

​উক্ত মানববন্ধনে কাপ্তাই বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের শতাধিক কর্মচারী উপস্থিত হয়ে সংহতি প্রকাশ করেন। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট জারি না হলে তারা কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সাথে একাত্ম হয়ে আরও কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন।

×