| ২০ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

পাহাড়ের অদম্য কন্যারা : জুমের ঢাল থেকে বিজয়ের সবুজ গালিচায়

পাহাড়ের অদম্য কন্যারা : জুমের ঢাল থেকে বিজয়ের সবুজ গালিচায়

ছবি- প্রতিকী

 

ছন্দ সেন চাকমা, চীফ ফটোগ্রাফার ও কলামিস্ট :

​আজ ৮ই মার্চ, আন্তর্জাতিক নারী দিবস। ক্যালেন্ডারের পাতায় একটি বিশেষ দিন। কিন্তু বাংলাদেশের মানচিত্রের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে যে মেঘলা পাহাড়ের সারি, সেখানে নারী দিবস মানে কেবল একটি তারিখ নয়; সেখানে নারী দিবস মানে এক অবিরাম অস্তিত্বের লড়াই। পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে যে রক্তিম সূর্য ওঠে, সেই সূর্যের প্রথম আলো পড়ে একদল লড়াকু নারীর ঘর্মাক্ত কপালে। তারা আমাদের আদিবাসী জুমিয়া নারী—যাঁরা একদিকে ঐতিহ্যের ধারক, অন্যদিকে আধুনিক বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের উজ্জ্বল ধ্রুবতারা। ​

জুমের অর্থনীতি ও জীবনসংগ্রাম ​পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী সমাজে ‘জুমিয়া’ শব্দটি কেবল একটি পরিচয় নয়, এটি একটি দীর্ঘ সংগ্রামের মহাকাব্য। কাক ডাকা ভোরে যখন কুয়াশার চাদর পাহাড়কে ঢেকে রাখে, তখন থেকেই শুরু হয় জুমিয়া নারীদের জীবনযুদ্ধ। পিঠে থুরুং (ঝুড়ি) বেঁধে দুর্গম পাহাড়ের ঢালে তাঁদের যে পদযাত্রা, তা মূলত সচল রাখে পাহাড়ের আদিম ও অকৃত্রিম জুম অর্থনীতিকে। বীজ বপন থেকে শুরু করে ফসল ঘরে তোলা—সবখানেই নারী। ​কেবল কৃষি কাজই নয়, কোমর তাঁতে নিজের পিনন-হাদি বোনা থেকে শুরু করে সংসারের প্রতিটি খুঁটিনাটি তাঁরা সামলান নিপুণ হাতে। তাঁরাই পাহাড়ের বস্তুতন্ত্রের অঘোষিত রক্ষক। কোন লতা ঔষধি, কোন বৃক্ষ পাহাড়কে ধস থেকে রক্ষা করে—এই আদিম জ্ঞান প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে জুমিয়া নারীরাই বহন করে চলেছেন। অথচ এই কঠোর শ্রমের বিনিময়ে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক পরিসরে তাঁদের স্বীকৃতির জায়গাটি আজও অনেকখানি ধূসর। ​

খেলার মাঠে পাহাড়ের জয়গান: এক নতুন বিপ্লব ​তবে গত কয়েক বছরে পাহাড়ের এই দৃশ্যপটে যুক্ত হয়েছে এক অভাবনীয় সোনালী অধ্যায়। পাহাড়ের ঢালে যে পা-গুলো একদিন পাথুরে পথ পাড়ি দিত, সেই পা-গুলোই আজ ফুটবল আর ক্রিকেটের সবুজ গালিচায় প্রতিপক্ষকে নাস্তানাবুদ করছে। বাংলাদেশের নারী ফুটবলের বর্তমান যে জোয়ার, তার মূল কারিগর আমাদের পাহাড়ের কন্যারা। ​ঋতুপর্ণা চাকমা, রূপনা চাকমা, কৃষ্ণা রানী সরকার, মারিয়া মান্দা বা মনিকা চাকমাদের নাম আজ প্রতিটি বাঙালির ড্রয়িংরুমে পরিচিত। সাফের (SAFF) শিরোপা জয় থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে লাল-সবুজের পতাকা ওড়ানো—সবখানেই এই আদিবাসী নারীদের অদম্য জেদ কাজ করেছে।

দুর্গম পাহাড়ের জরাজীর্ণ মেঠোপথ থেকে উঠে এসে তাঁরা আজ দেশের ‘পোস্টার গার্ল’। তাঁদের এই অভাবনীয় সাফল্য প্রমাণ করে যে, আদিবাসী নারীরা কেবল শ্রমের কারিগর নন, তাঁরা মেধা আর সাহসেরও আকর। তারা শিখিয়েছেন কীভাবে সীমাবদ্ধতাকে পায়ের জাদুতে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিতে হয়। ​অদম্যদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা ​আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এই শুভক্ষণে দাঁড়িয়ে আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই সেই সব বাবা-মায়েদের প্রতি, যাঁরা দারিদ্র্য আর সামাজিক বাধার দেয়াল টপকে তাঁদের মেয়েদের মাঠে পাঠিয়েছেন। আমরা অভিনন্দন জানাই আমাদের সেই সব আদিবাসী ক্রীড়াবিদদের, যাঁরা নিজেদের রক্ত আর ঘাম দিয়ে প্রমাণ করেছেন—পাহাড় কেবল শান্ত নয়, পাহাড় জানে কীভাবে গর্জে উঠতে হয়। ​পাহাড়ের সেই সব নক্ষত্রদের প্রতি আমাদের স্যালুট! আপনাদের প্রতিটি গোল, প্রতিটি জয় আমাদের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। আপনারা কেবল গোলবার কাঁপাননি, বরং আমাদের সমাজের সংকীর্ণ মানসিকতার ভিত্তি নাড়িয়ে দিয়েছেন। ​

উপসংহার: স্বীকৃতির দায়বদ্ধতা ​পরিশেষে বলতে চাই, পাহাড়ের নারীদের উন্নয়ন মানেই বাংলাদেশের উন্নয়ন। জুম চাষের অধিকার রক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং ক্রীড়া ও শিক্ষায় তাঁদের জন্য আরও সুযোগ তৈরি করা আজ সময়ের দাবি। জুমিয়া নারীরা দয়া চান না, তাঁরা চান সমমর্যাদা আর শ্রমের উপযুক্ত সম্মান। ​আজকের এই দিনে আমাদের অঙ্গীকার হোক—পাহাড়ের সেই সাহসী হাতগুলোকে আরও শক্তিশালী করা। জুমের ফসল থেকে শুরু করে খেলার মাঠের ট্রফি—সবখানেই যেন আমাদের আদিবাসী বোনদের জয়জয়কার থাকে। পাহাড়ের এই অদম্য কন্যারা ভালো থাকলেই ভালো থাকবে আমাদের বাংলাদেশ। ​পাহাড়ের প্রতিটি লড়াকু নারীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও নারী দিবসের শুভেচ্ছা।

পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষে সফলতা অর্জন রামগড় কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের

পাহাড়ের অদম্য কন্যারা : জুমের ঢাল থেকে বিজয়ের সবুজ গালিচায়

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড়ে পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষে সফলতা অর্জন করেছে পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র। দীর্ঘ গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এ সাফল্য অর্জিত হওয়ায় পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

জানা গেছে, রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এমদাদুল হকের নেতৃত্বে কয়েক বছর ধরে পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষ নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। শুরুতে বিষয়টি গবেষকদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। কারণ পাহাড়ি অঞ্চলের মাটি, আবহাওয়া ও পরিবেশ সমতল এলাকার তুলনায় ভিন্ন হওয়ায় এ ফলের চাষ উপযোগী করা সহজ ছিল না। তবে নিরলস গবেষণা, উন্নত পরিচর্যা পদ্ধতি ও উপযোগী জাত নির্বাচন করে গবেষকরা ধীরে ধীরে সফলতা অর্জন করেন। বর্তমানে গবেষণা কেন্দ্রের পরীক্ষামূলক বাগানে উৎপাদিত আলুবোখারা গাছে ভালো ফলন দেখা যাচ্ছে, যা স্থানীয় কৃষকদের মাঝেও ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

কৃষি গবেষণা কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, পাহাড়ি এলাকায় প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি নতুন ও লাভজনক ফল চাষ সম্প্রসারণে কাজ করছে গবেষণা কেন্দ্র। আলুবোখারা চাষ সফল হওয়ায় পাহাড়ি কৃষকদের জন্য এটি একটি সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এমদাদুল হক বলেন, “পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা (বারি ১) চাষ একসময় বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। দীর্ঘ গবেষণা ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা সফলতা পেয়েছি। এখন পাহাড়ি এলাকার কৃষকরাও এ ফল চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।” তিনি আরও বলেন, বাণিজ্যিকভাবে আলুবোখারা চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকদের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় বহুমুখী ফল চাষের সম্ভাবনাও আরও বিস্তৃত হবে।

রাশিয়ায় ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ পেলেন রামগড়ের মেধাবী তরুণ ফারহান

পাহাড়ের অদম্য কন্যারা : জুমের ঢাল থেকে বিজয়ের সবুজ গালিচায়

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার কৃতী সন্তান এসানুল বারী ফারহান রাশিয়ায় উচ্চশিক্ষার জন্য মর্যাদাপূর্ণ ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ অর্জন করেছেন। তাঁর এ সাফল্যে পরিবার, শিক্ষাঙ্গন ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের পাশাপাশি গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, ফারহান রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে অবস্থিত মস্কো পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট (এমপিইআই)-এ ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ পেয়েছেন। স্কলারশিপের আওতায় তিনি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে লেখাপড়ার পাশাপাশি মাসিক ভাতা ও অন্যান্য শিক্ষা-সুবিধা পাবেন। পাঁচ বছর মেয়াদি এই উচ্চশিক্ষা কর্মসূচির জন্য ইতোমধ্যে তাঁর সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী আগস্ট অথবা সেপ্টেম্বর মাসে তিনি রাশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন বলে জানা গেছে।

ফারহান রামগড় পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ গর্জনতলী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মাওলানা এমদাদুর রহমান ও আলেমা হাছিনা আক্তারের জ্যেষ্ঠ পুত্র। ২০০৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণকারী ফারহান শৈশব থেকেই মেধাবী ও অধ্যবসায়ী শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত। উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি গ্রহণ করে আসছিলেন।

তাঁর সেই প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ রাশিয়ার অন্যতম স্বনামধন্য প্রযুক্তি ও প্রকৌশল ভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের সুযোগ লাভ করেছেন। ফারহানের এই অর্জনে পরিবার, শিক্ষক, সহপাঠী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, পাহাড়ি অঞ্চলের একজন শিক্ষার্থীর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ অর্জন নিঃসন্দেহে একটি গৌরবজনক ঘটনা। এটি রামগড়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে এবং উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা জোগাবে।

ফারহানের পরিবারের সদস্যরা জানান, কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস এবং লক্ষ্য অর্জনের দৃঢ় সংকল্পই তাকে এ পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে। তারা সকলের কাছে তাঁর জন্য দোয়া কামনা করেছেন, যাতে তিনি সফলভাবে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

রামগড় ৪৩ বিজিবির অভিযানে ১৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার

পাহাড়ের অদম্য কন্যারা : জুমের ঢাল থেকে বিজয়ের সবুজ গালিচায়

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির রামগড় ৪৩ বিজিবির অভিযানে চট্টগ্রামের ভূজপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ১৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) ভোরে পরিচালিত এ অভিযানে মাদক বহনকারী চোরাকারবারীরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে গাঁজাভত্তি বস্তা ফেলে ভারতে পালিয়ে যায়। বিজিবি সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শুক্রবার ভোর আনুমানিক ৫টায় রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি)-এর আওতাধীন ভূজপুর বিওপির একটি টহলদল সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত দায়িত্ব পালনকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সীমান্ত মেইন পিলার ২২১০-এর নিকট বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রায় ২০০ গজ দূরে উত্তর আঁধারমানিক এলাকায় সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করা হয়। টহলদলের সদস্যরা দেখতে পান, ভারতীয় সীমান্ত এলাকা থেকে তিনজন ব্যক্তি কয়েকটি বস্তা নিয়ে বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে আসছে। একপর্যায়ে বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করলে চোরাকারবারীরা সঙ্গে থাকা তিনটি বস্তা ফেলে দ্রুত ভারতের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে বস্তাগুলোর ভেতর থেকে সাতটি ছোট প্যাকেটে রাখা মোট ১৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য জব্দ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াধীন।

রামগড় ৪৩ বিজিবির জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আহসান উল ইসলাম বলেন, “সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আমরা চোরাচালানের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি। সীমান্ত সুরক্ষা, মাদকবিরোধী অভিযান এবং অবৈধ কর্মকাণ্ড দমনে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

×