শিরোনাম:

সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত সিন্দুকছড়ি জোনের ঈদে ১৩০ পরিবারে উপহার

সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত সিন্দুকছড়ি জোনের ঈদে ১৩০ পরিবারে উপহার

 

বিশেষ প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি :

পার্বত্য অঞ্চলে উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গুইমারা রিজিয়নের সিন্দুকছড়ি জোন। এ উপলক্ষ্যে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে জোনের পক্ষ থেকে ১৩০টি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিলো, খাদ্যদ্রব্য, নতুন শাড়ি, লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি। এতে করে প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকার মানুষের মাঝে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক পরিবার নতুন করে হাসি ফিরে পায়।

এছাড়াও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে একটি মন্দিরের মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠানে ৫ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবারকে নগদ সহায়তা ও ঢেউটিন প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে ২৩ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়। শিক্ষা ও কৃষিখাতেও সহায়তার হাত বাড়িয়েছে জোনটি। দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩০ হাজার টাকা অনুদান এবং কৃষকদের মাঝে পাঁচটি স্প্রে মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।

সিন্দুকছড়ি জোন সূত্র জানায়, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন জোরদার করাই তাদের লক্ষ্য। স্থানীয়দের মতে, এ উদ্যোগ পাহাড়ে মানবতা ও সহমর্মিতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

বিলাইছড়িতে যোগাযোগ ও কৃষিতে বিপ্লব ঘটাতে ৭টি জায়গায় খননের প্রয়োজন

সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত সিন্দুকছড়ি জোনের ঈদে ১৩০ পরিবারে উপহার

ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ঢল: পাহাড় আর লেকের মিতালীতে মুখরিত কাপ্তাই

সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত সিন্দুকছড়ি জোনের ঈদে ১৩০ পরিবারে উপহার

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​পবিত্র ঈদুল ফিতরের টানা ছুটিতে পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে পাহাড়-লেকের মিতালীর পর্যটন নগরী কাপ্তাই। ঈদের দিন বিকেল থেকে শুরু করে সোমবার (২৩ মার্চ) ঈদের তৃতীয় দিন পর্যন্ত উপজেলার জনপ্রিয় প্রতিটি পর্যটন কেন্দ্রে বিপুল সংখ্যক পর্যটকের আগমন ঘটেছে। যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি দূর করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভ্রমণপিপাসুরা ভিড় জমিয়েছেন কর্ণফুলীর তীরের এই জনপদে।

​সোমবার বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার জনপ্রিয় রিসোর্ট ‘নিসর্গ রিভার ভ্যালি এন্ড পড হাউস’-এর সবকটি কটেজ আগাম বুকিং হয়ে আছে। সেখানে আসা পর্যটকদের কেউ বন্ধু-বান্ধব নিয়ে আড্ডায় মশগুল, আবার কেউ পরিবার-পরিজন নিয়ে কর্ণফুলী নদীতে নৌভ্রমণে ব্যস্ত। সাহসিকতার আনন্দ নিতে অনেক পর্যটককে নদীতে কায়াকিং করতেও দেখা গেছে। একই চিত্র দেখা গেছে অন্যান্য স্পটগুলোতেও বাঁশের কারুকাজে নির্মিত এই নিসর্গ রেস্টুরেন্টে ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ নিতে ভিড় করছেন পর্যটকরা। জুম রেস্তোরাঁ, পাহাড়িকা পিকনিক স্পট, শহীদ মোয়াজ্জেম নৌঘাঁটি পিকনিক স্পট, লেক ভিউ, লেকশোর এবং রিভার ভিউ পার্কেও পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। জুম রিসোর্টের শিশু পার্কে বিভিন্ন রাইডসে চড়ে আনন্দে মেতে উঠেছে শিশুরা।

​এবারের ঈদের ছুটিতে বিনোদন কেন্দ্রগুলোর পাশাপাশি পর্যটকদের কাছে বিশেষ জনপ্রিয়তা পেয়েছে কাপ্তাই লেকের হাউসবোট। হ্রদের নীল জলরাশি আর পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকরা এই হাউস বোটগুলোতে ভিড় করছেন। হাউসবোট চালকরা জানান, পর্যটকদের বাড়তি চাপের কারণে তারা এখন অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন।

চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটক তামিম আহমেদ জানান, ​”শহরের যান্ত্রিকতা ছেড়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে কিছুটা সময় কাটাতে এখানে আসা। আবহাওয়া খুব একটা গরম বা ঠান্ডা নয়, তাই সস্ত্রীক বেশ শান্তিতে সময় কাটাতে পারছি।”

​মাহে রমজানের কারণে দীর্ঘ এক মাস পর্যটন কেন্দ্রগুলো প্রায় জনশূন্য ছিল। তবে ঈদের এই টানা ছুটিতে আশানুরূপ পর্যটক আসায় মুখে হাসি ফুটেছে ব্যবসায়ীদের।

​নিসর্গ রিভার ভ্যালীর পরিচালক সরোয়ার হোসেন সহ অন্যান্য রিসোর্ট ম্যানেজাররা জানান, তারা আগত পর্যটকদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে সচেষ্ট আছেন। ঈদের এই মৌসুমে কাপ্তাইয়ের পর্যটন খাতে কয়েক কোটি টাকার ব্যবসার সম্ভাবনা রয়েছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার কাপ্তাইয়ে প্রতি বছরই পর্যটকদের আগমন ঘটে, তবে এবারের ঈদের টানা ছুটি সেই আনন্দকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

​ছবির ক্যাপশন: ঈদের ছুটিতে কাপ্তাইয়ের হোটেল-মোটেল এবং বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড়।

খাগড়াছড়িতে জিয়া পরিষদের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত সিন্দুকছড়ি জোনের ঈদে ১৩০ পরিবারে উপহার

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি :

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সহযোগী সংগঠন জিয়া পরিষদের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৩ মার্চ) বিকেল ৪টায় জেলা জিয়া পরিষদের উদ্যোগে শহরের কলাবাগান বৈঠকস্থ হলরুমে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি মোঃ মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট মালেক মিন্টু।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা জিয়া পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি নুরুল আফছার, সহ-সভাপতি মোশাররফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শিউলি বিশ্বাস, দপ্তর সম্পাদক এডিশন চাকমা, রামগড় উপজেলা জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম এবং রামগড় পৌর জিয়া পরিষদের সভাপতি কাশেম আলীসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভা শেষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা হয়। এসময় জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের জিয়া পরিষদের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, জিয়া পরিষদকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও সুসংগঠিত করতে হবে এবং দলের আদর্শ বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে এবং দেশের জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় জিয়া পরিষদের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান।

×