শিরোনাম:

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে বাদী বিচার অভিযোগ দিতে এসে নিজেই ফেঁসে গেলেন

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে বাদী বিচার অভিযোগ দিতে এসে নিজেই ফেঁসে গেলেন

 

চাইথোয়াইমং, মারমা বিশেষ প্রতিনিধি :

রাজস্থলী উপজেলা বাঙ্গালহালিয়াতে ৪ মার্চ ২০২৬ ৩নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের হল রুমে সকাল ১০ টায় এক সালিশ বিচার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। যে বিচার এর বাদী অভিযোগ দিতে এসে, সে অপরাধী নিজে ফেঁসে গেছে, কারণ বাদী মনগড়া বানোয়াট অভিযোগ দাখিল বাস্তব ভিত্তিহীন ভুয়া প্রমানিত হলে পুরো পাড়াবাসী সত্যটা উদঘাটন করে দিল, যাদেরকে বিবাদী সাজিয়ে হয়রানীমূলক অভিযোগ সেটা সর্বস্তরে পর্যালোচনায় নিরপেক্ষ মতামত বৈঠক এর প্রমানিত হয়েছে। পরে সামাজিক প্রথানুযায়ী পাড়াতে সামাজিক সালিশ রীতিনীতি বৈঠক সিদ্ধান্ত গৃহীত পরবর্তীতে পাড়ায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

এসময় উপস্থিত চেয়ারম্যান, ওর্য়াড সদস্যগণ হেডম্যান ও পাড়া কার্বারী ও এলাকায় প্রবীণ বৃদ্ধ বয়োজৈষ্ঠ্য পাড়াবাসী শতশত নারী ও পুরুষ যুবক-যুবতীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এখানে সকল পাড়া বাসি নারী পুরুষ বিস্তারিত বক্তব্য পেশ করে বুঝা যায়, বাদী বড় ধরনের পাড়ার সমাজকে তোয়াক্কা না করে ইচ্ছামতো পুরো পরিবার ও সমাজকে অশান্তির দিকে কবিরাজি যাদু তান্ত্রিক ক্ষতি সাধন করছেন বলে জানা যায়। মুচলেকা শেষ বারে বাদী ভবিষ্যৎ-তে পাড়াতে সমাজের কোন পরিবার সমস্যা অসুখ বিসুখ অন্যান্য হলে দ্বায়ভার সব বাদীকে শাস্তি নেয়া এবং ক্ষতিপূরণ যাবতীয় ভার সামাজিক নিয়ম মেনে গ্রহণ করতে হবে বলে সালিশের উপস্থাপন করা হয়।

পাড়া প্রধান কার্বারীসহ পাড়া নারী পুরুষ ভুক্তভোগিরা অভিযোগ তুলে বলেন, পাড়াতে পরিবার অসুখ বিসুখ সহ অনেক লোক সামান্য অসুখে পরপর মারা যান সেটা যাদু তান্ত্রিককে এলাকাবাসীরা ঐ লোক কবিরাজ দায়ী করেন। সামাজিক নিয়মনীতি অকায যাদু মন্ত্র ত ন্ত্র প্রমাণ পেলেও পরিবারসহ সমাচ্যুত করতে বাধ্য বিষয়ে আলোচনা বৈঠক সালিশ তুলে ধরা হয়েছে। পূর্বে সে বাদী এধরনের যাদু তান্ত্রিক করেছে বলে প্রমাণ রয়েছে বলে সকলকে জানান।

এখানে ১ম শেষ বারের মত বাদীকে সর্তক দেয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে তার পরিবারগণ বংশধররা ও এধরনের খারাপ মন্ত্রতান্ত্রিক যাদু টান পেশা না করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। এধরনের কর্মকান্ড সমাজের কারো কাছে ক্ষমা কাম্য যোগ্য হতে পারেনা, কঠিন শাস্তি আওতায় আনার দাবী করেন। এধরনের কিছু অমানুষ সমাজের বাস করছে মন্ত্রতান্ত্রিক তাবিজ ঘটনাবলী করে যাচ্ছে, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সমাজের বিভিন্ন এলাকায় গ্রামে পাড়া মহল্লার ঘটছে চোখে পড়ছে। ১৯৮৪ সাল হতে প্রায় ৪২ বছর পর তংচনগ্যা রমতিয়া পাড়া হতে সালিশ এটি ১ম ইউনিয়ন পরিষদ বিচার সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পাহাড়ে পুরনো বছরকে পেছনে ফেলে নতুন বছরকে বরণের প্রস্তুতি

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে বাদী বিচার অভিযোগ দিতে এসে নিজেই ফেঁসে গেলেন

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

বিদায়ী বছরের সব গ্লানি, দুঃখ-বেদনা আর অপূর্ণতাকে পেছনে ফেলে নতুন আশায় বুক বেঁধে নতুন বছরকে বরণ করতে প্রস্তুত পাহাড়ি জনপদ। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা পাহাড়ে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা আয়োজন। উৎসবমুখর পরিবেশে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের অংশগ্রহণে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে পুরো এলাকায়।

নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে পাহাড়ের বিভিন্ন স্থানে সাজসজ্জার কাজ শেষ পর্যায়ে। রঙিন আলোকসজ্জা, ঐতিহ্যবাহী পোশাক আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মহড়ায় ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় পাহাড়ি আদিবাসি শিল্পীরা।থাকছে নাচ, গান, আবৃত্তি ও পাহাড়ি সংস্কৃতির নানা উপস্থাপনা।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, উৎসবকে ঘিরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যটকদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে।

বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালিতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের মধ্যেও দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ। অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে প্রকৃতির সান্নিধ্যে নতুন বছরকে বরণ করতে এসেছেন। তাদের মতে, শহরের কোলাহল থেকে দূরে শান্ত পরিবেশে নতুন বছর শুরু করা এক ভিন্ন অনুভূতি। সব মিলিয়ে, আনন্দ-উচ্ছ্বাস আর নতুন স্বপ্ন নিয়ে পাহাড় প্রস্তুত নতুন বছরকে বরণ করতে। বিদায়ী বছরের সব ক্লান্তি ভুলে নতুন সূর্যের আলোয় ভরে উঠুক সবার জীবন—এই প্রত্যাশাই এখন সবার মুখে।

রাঙ্গামাটিতে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে ৫ দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে বাদী বিচার অভিযোগ দিতে এসে নিজেই ফেঁসে গেলেন

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

 

এম এস শ্রাবন মাহমুদ :

সোববার (৬ এপ্রিল) ২৬খ্রিঃ।রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও রাঙ্গামাটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের যৌথ আয়োজনে বাংলা নববর্ষ, বৈসাবি – ১৪৩৩ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

র‍্যালি’টি রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণ হতে শুরু হয়ে সদরস্থ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়ে বেলুন উড়ানোর মধ্যে দিয়ে ০৫ দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য ১২ থেকে ১৪ এপ্রিল মূল উৎসব ঘরোয়াভাবে পালিত হবে এবং মারমাদের ঐতিহ্যবাহী “জলকেলি” উৎসবের মাধ্যমে এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, কর্নেল মোহাম্মদ সাদাত বিন শহিদ, লেঃ কর্নেল একরামুল রাহাত, নাজমা আশরাফী, জেলা প্রশাসক, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা, মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম, পুলিশ সুপার, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা, সহ আরও উপস্থিত ছিলেন-ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক জীতেন চাকমা।

এসময় বক্তব্যকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ সরকারের লক্ষ্য হলো সমতল ও পাহাড়ের মধ্যে কোনো প্রকার বৈষম্য না রাখা এবং দেশকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে নেওয়া।

মন্ত্রী আরও বলেন, পাহাড় এবং সমতলে সমান উন্নয়নের মাধ্যমেই সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। সকলকে শান্তি-শৃঙ্খলার সাথে আনন্দঘন পরিবেশে এই উৎসব পালনের আহ্বান জানান।

অন্য দিকে পুলিশ সুপারের বক্তব্যে’তে বলেন
উৎসব- আনন্দ সকলের জন্য, ধর্ম-বর্ণ ও জাতিগোষ্ঠী নির্বিশেষে সবাইকে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে এই আনন্দ ভাগাভাগি করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সকলকে আইন মেনে চলা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পার্বত্য অঞ্চল গড়ে তোলা সম্ভব।

এতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আলীকদম–পোয়ামুহুরী সড়ক সেনাবাহিনী থেকে সড়ক বিভাগের নিকট হস্তান্তর

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে বাদী বিচার অভিযোগ দিতে এসে নিজেই ফেঁসে গেলেন


‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ,
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎বান্দরবানের  আলীকদম থেকে পোয়ামুহুরী পর্যন্ত ৩৭ কিলোমিটার সড়ক আনুষ্ঠানিকভাবে সড়ক বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

‎সোমবার (৬ এপ্রিল) পোয়ামুহুরী নদীর চরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নির্মাণ সংস্থা ১৭ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (ইসিবি) এই সড়ক হস্তান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে।

‎জানা গেছে, ২০১৭ সালে সেনাবাহিনী ১৬ ইসিবি দিয়ে আলীকদম– কুরুপাতা–পোয়ামুহুরী সড়কের কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে ১৭ ইসিবি আলীকদম জালানীপাড়া থেকে পোয়ামুহুরী পর্যন্ত ৩৭ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ করে। মূল নির্মাণকাজ ২০২২ সালে সমাপ্ত হলেও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২৬ সালে সড়কটি সড়ক বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

‎প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ৫০০ কোটি ৯০ লাখ টাকা। তবে ১৭ ইসিবি কাজ শেষে প্রায় ৩০ কোটি টাকা সরকারকে ফেরত দিয়েছে।

‎হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফারহান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১৭ ইসিবির প্রকল্প পরিচালক মেজর এহসানুর আকাশ।

‎অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “দুর্গম এই অঞ্চলে সড়ক নির্মাণের ফলে মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে। আগে যোগাযোগের সীমাবদ্ধতায় কৃষকরা তাদের ফসলের ন্যায্য মূল্য পেতেন না। এখন সড়ক চালু হওয়ায় পণ্য সহজে পরিবহন করা সম্ভব এবং কৃষকরা তাদের পণ্যের সঠিক দাম পাচ্ছেন।”

‎স্হানীয় কারবারী পাচ্ছো ম্রো বলেন, “ বর্তমান সড়কটি সেনাবাহিনীর মাধ্যমে নির্মিত হওয়ার ফলে যাতায়াত অনেক সহজ হয়েছে। আগে কষ্ট করে নদীপথে নৌকা যোগে চলাচল করতে হতো,এখন গাড়ির মাধ্যমে দ্রুত বাজারে পৌঁছানো সম্ভব। আমাদের উৎপাদিত ফসলও এখন ন্যায্য দামে বিক্রি করা যায়।”

‎এলাকাবাসীর প্রত্যাশা,সড়কটি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে এটি অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

×