শিরোনাম:

ভাড়া নিয়ে গড়িমসি, চালকের অবহেলায় প্রাণ গেল নবজাতকের

ভাড়া নিয়ে গড়িমসি, চালকের অবহেলায় প্রাণ গেল নবজাতকের

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, লয়গদু :

মাত্র ৩দিন বয়সী নবজাতককে অক্সিজেন সাপোর্ট না দিয়ে মৃত্যুর কোলে ঠেলে দেয় পার্বত্য জেলা রাঙামাটির লংগদু সদর হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স চালক রত্ন বিকাশ চাকমা। এ নিয়ে গুরতর অভিযোগ নবজাতকের পরিবারের।

নবজাতকের বাবা আরিফুল ইসলাম জানান, শনিবার বেলা তিনটায় উপজেলার ভাসান্যদম ইউনিয়নের ঘনমোড় শীলকাটা ছড়া এলাকা থেকে নবজাতকের অবস্থা অবনতি দেখে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা শিশুটির অবস্থা দেখে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে রেফার করেন। পরে এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া নিয়েই চলে গড়িমসি। সরকার নির্ধারিত ভাড়া ১৪শ টাকা হলেও, দুই হাজার টাকা দাবি করেন চালক। অসহায় বাবা ১৫শ টাকা দিতে রাজি হন। তখন থেকে পথিমধ্যে তাদের নানা ধরণের খারাপ আচরণ। ভাঙ্গা সড়ক দেখেও গাড়ির গতি বাড়িয়ে দেয় এবং ভালো সড়কে গাড়ির গতি কমিয়ে দেয়। এসব জানতে চাইলে চালক আরও বেশি খারাপ আচরণ করেন।

নবজাতকের বাবা আরো জানান, যখন খাগড়াছড়ি পৌঁছি তখন একটি প্রাইভেট হাসপাতালের পাশে গাড়ি থামিয়ে সাথে সাথে তিনি বাচ্চার মুখ থেকে অক্সিজেন খুলে ফেলেন। আমরা কোথায় যাবো, কি করবো ভাবতে না ভাবতে আমার শিশুর অক্সিজেনের অভাবে গাড়িতেই ৫-১০ মিনিটের মধ্যে মারা যায়। পরে চালক ১৫শ টাকা ভাড়া নিয়ে, সন্তানকে আমার কাছে দিয়ে গাড়ি নিয়ে চলে আসেন।

মৃত বাচ্চা নিয়ে পরে আমরা মাহিন্দ্র দিয়ে আবার লংগদু ফিরে আসি। আমার শিশু সন্তান হত্যার বিচার চাই। আমার সাথে যে অন্যায় করা হয়েছে, তা আর কারো সাথে যেন না হয়। দ্রুত চালকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান মৃতের পরিবার।

রত্ন বিকাশ চাকমা আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নবজাতকের মা নিজেই অক্সিজেন খুলে ফেলেন। তবে আমি বকশিস হিসেবে কিছু বাড়তি টাকার দাবি করেছি। এছাড়া খারাপ আচরণ সহ অন্যান্য অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

লংগদু সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার নিশাত জাহান নওরীন বলেন, আমাদের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাঙামাটি সদরে ট্রেনিংয়ে আছেন। আমরা ঘটনাটি শুনেছি এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জিন্নাত আলম”র সাথে কথা বলেছি। তিনি আসলে এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান।

পাহাড়ে বৈচিত্র্যের উৎসবে সম্প্রীতির বন্ধন, বিজু-সাংগ্রাই-বৈসু-বিষু-চাংক্রানের আমেজ

ভাড়া নিয়ে গড়িমসি, চালকের অবহেলায় প্রাণ গেল নবজাতকের

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

চৈত্রের শেষ প্রহর আর নতুন বছরের আগমনী বার্তায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামের সবুজ পাহাড়। প্রকৃতির পুরনো ক্লান্তি ঝরে গিয়ে নতুন কুঁড়ির উচ্ছ্বাসে সেজে উঠেছে অরণ্য। আর এই সময়টাতেই পাহাড়ি জনপদ জুড়ে শুরু হয় নানা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ উৎসব—বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রানসহ বিভিন্ন আয়োজন। নাম ভিন্ন হলেও এর মর্মবাণী এক—সম্প্রীতি, মৈত্রী আর আনন্দের মিলনমেলা।

আজ (১১ এপ্রিল) রোজ শনিবার সরেজমিনে দেখা যায় যে, বান্দরবানের রুমা উপজেলায় অন্যান্য বছরে ন্যায় এই বছরেও রুমা সাংগু নদী চড়ে প্যান্ডেল নির্মাণে ব্যস্ততা দৃশ্য দেখা মিলেছে এবং আশপাশের এলাকাগুলোতেও মারমা সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসব ‘সাংগ্রাই’কে কেন্দ্র করে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে পুরাতনকে বিদায় দিয়ে চলছে প্রস্তুতি।বাজারগুলোতে বেড়েছে কেনাকাটার ভিড়, ঘরে ঘরে চলছে সাজসজ্জা আর সাংস্কৃতিক আয়োজনের তোড়জোড়। কেনাকাটায় ব্যস্ততা স্থানীয় বাজারগুলোতে মারমা তরুণ-তরুণীদের ভিড় চোখে পড়ার মতো। ঐতিহ্যবাহী পোশাক ‘থামি’ ও ‘আঙ্গি’ কেনায় ব্যস্ত তারা। পাশাপাশি চাকমাদের ‘পিনোন-হাদি’ এবং ত্রিপুরাদের ‘রিনাই-রিসা’ও সমানভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

দর্জিদের ব্যস্ত সময় উৎসবকে ঘিরে দর্জিদেরও বেড়েছে কাজের চাপ। নতুন ডিজাইন ও ঐতিহ্যবাহী পোশাক তৈরিতে দিন-রাত কাজ করছেন দর্জিরা।

সাংস্কৃতিক প্রস্তুতি উৎসব উপলক্ষে চলছে পিঠা তৈরির আয়োজন, লোকজ খেলাধুলার প্রস্তুতি এবং জলকেলি অনুষ্ঠানের মহড়া। তরুণ-তরুণীরা নৃত্য, সংগীত ও বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পরিবেশনার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। উৎসবের দিনপঞ্জি সাধারণত তিন দিনব্যাপী এই উৎসবের শুরু হয় ১২ এপ্রিল ‘ফুল বিজু’ বা ‘বৈসু’ দিয়ে। এদিন ভোরে তরুণ-তরুণীরা ফুল সংগ্রহ করে নদী বা হ্রদের জলে উৎসর্গ করে প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায়।

১৩ এপ্রিল চৈত্র সংক্রান্তি, যা ‘মূল বিজু’ হিসেবে পালিত হয়। এই দিনে ঘরে ঘরে রান্না হয় ঐতিহ্যবাহী খাবার ‘পাঁজন’, যা বহু প্রকার সবজির সমন্বয়ে তৈরি এক বিশেষ পদ। আত্মীয়-স্বজন ও অতিথিদের আপ্যায়নে মুখর থাকে প্রতিটি পরিবার। ১৪ এপ্রিল নববর্ষের দিনটি কাটে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, বয়োজ্যেষ্ঠদের আশীর্বাদ গ্রহণ এবং সামাজিক সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে। এদিন মারমা সম্প্রদায়ের সবচেয়ে আকর্ষণীয় আয়োজন ‘জলকেলি’, যেখানে পানি ছিটিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করা হয়।

পাঁজন: ঐতিহ্যের স্বাদ উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ‘পাঁজন’ বা ‘পাঁচন’। বাঁশকোড়ল, পাহাড়ি কচু, শিম, কাঁঠালের বিচিসহ নানা সবজির সমন্বয়ে তৈরি এই খাবার শুধু সুস্বাদুই নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর। অনেকে এতে শুটকি বা সিদল ব্যবহার করে ভিন্ন স্বাদ এনে থাকেন। লোকজ ঐতিহ্যের ছোঁয়া উৎসব ঘিরে পাহাড়জুড়ে অনুষ্ঠিত হয় বিভিন্ন লোকজ ক্রীড়া ও নৃত্য। ত্রিপুরাদের ‘গরাইয়া নৃত্য’, চাকমাদের ‘ঘিলা খেলা’ ও ‘বলি খেলা’, ম্রো সম্প্রদায়ের বাঁশি নৃত্য উৎসবে বাড়তি মাত্রা যোগ করে।

পর্যটনের আকর্ষণ এখন আর এই উৎসব শুধু পাহাড়িদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা ছুটে আসেন এই উৎসব উপভোগ করতে। রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সম্প্রীতির বার্তা চাকমাদের ‘বিজু’, মারমাদের ‘সাংগ্রাই’, ত্রিপুরাদের ‘বৈসু’, তঞ্চঙ্গ্যাদের ‘বিষু’ কিংবা ম্রোদের ‘চাংক্রান’—নামের ভিন্নতায় বিভ্রান্তি থাকলেও উৎসবের মূল সুর একটাই—শান্তি ও সম্প্রীতি। পাহাড়ের মানুষ নতুন বছরে হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রত্যাশা করে।

১২ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত চলা এই উৎসব শেষে পাহাড়জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে একটাই প্রত্যাশা—আগামী দিনগুলো হোক ঝরনার জলের মতো নির্মল আর সবুজ অরণ্যের মতো প্রাণবন্ত।

হাজার হাজার আদিবাসীদের উৎসবে পোশাকে রঙিন পতাকা, প্ল্যাকার্ড এবং বাদ্যযন্ত্র নিয়ে ঘাগড়ায় বৈসাবি’র শোভাযাত্রা

ভাড়া নিয়ে গড়িমসি, চালকের অবহেলায় প্রাণ গেল নবজাতকের

বৌদ্ধ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংসদ উদ্যোগে শোভাযাত্রা ও রাতব্যাপি সাংস্কৃতিক অনুষ্টান

 

সিএইচটি বার্তা ডেস্ক :

হাজার হাজার মানুষ উৎসবের পোশাকে রঙিন পতাকা, প্ল্যাকার্ড এবং বাদ্যযন্ত্র নিয়ে পথে নেমেছে। সবার মুখে আনন্দের হাসি। ​ ছবিতে আদিবাসী নারীরা নীল, লাল এবং সবুজ রঙের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরছেন। পুরুষরা গায়ে ধুতি এবং মাথায় পাগড়ি বেঁধেছেন। সবার গায়েই অলঙ্কার দেখা যাচ্ছে। ​র‌্যালিতে নানা ধরণের বাদ্যযন্ত্র বাজানো হচ্ছে।

কেউ গানে গানে কেউবা নেচে গেয়ে, আর কেউবা বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে মেতেছেন অসংখ্য তরুন-তরুনী, কিশোর-কিশোরীরা। যেমন: মন্দিরা, ঝাঝঁ, ঢাক ইত্যাদি। অনেকে বাদ্যের তালে তালে নৃত্য করছেন। ​প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার: ছবিটির মাঝখানে বড় বড় প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার দেখা যাচ্ছে। সেখানে লেখা আছে- ​”বিজু উৎসবের শুভেচ্ছা” ​”ফুল বিজু, মূল বিজু, গোজ্যেপজ্যে- সবাইকে জানাই ভালোবাসা” ​”১২ তারিখ ফুল বিজু, ১৩ তারিখ মূল বিজু, ১৪ গোজ্যেপজ্যে” ​”বিজু র‌্যালি – ২০২৬ ​ পুরো রাস্তা মানুষে ভরে গেছে।

বৈসাবির শোভাযাত্রায় অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপেন তালুকদার দিপু, কাউখালী ইউএনও কাজী আতিকুর রহমান, বিএনপি নেতা অর্জুন মনি চাকমা, বৌদ্ধ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি পূর্ণ্যধন চাকমা, ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা চন্দ্রা দেওয়ান, বিএনপি নেতা বিমল চাকমা সহ স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ সহ ঘাগড়া এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা।

রাস্তার দু’পাশে বাড়ির ছাদ এবং বারান্দা থেকেও মানুষ র‌্যালি দেখছে। উৎসবের আনন্দ পুরো পরিবেশকে মুগ্ধ করেছে। ​প্রাকৃতিক সৌন্দর্য: ছবিটির ব্যাকগ্রাউন্ডে দেখা যাচ্ছে সুন্দর পাহাড় এবং নদী। বিজু উৎসবের সময় প্রকৃতির রূপ আরও মোহনীয় হয়ে ওঠে। ​ সবার মুখে উজ্জ্বল হাসি এবং চোখে আনন্দের উচ্ছ্বাস। এই ছবিটি দেখলে বিজু উৎসবের আনন্দ এবং ঐতিহ্য মনে গেঁথে যাবে। ​ছবিটি তৈরি করতে আধুনিক ছবি তৈরির সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে। বিভিন্ন উৎসবের ছবি এবং ঐতিহ্যবাহী পোশাকের ছবিগুলি একসাথে করে এই সুন্দর ছবিটি তৈরি হয়েছে।

​বিজু উৎসব মূলত তিনদিনের উৎসব। প্রথমদিন হলো ‘ফুল বিজু’। এই দিনে মানুষ ঘর-বাড়ি সাজায় এবং ফুল দিয়ে পূজো করে। দ্বিতীয় দিন হলো ‘মূল বিজু’। এই দিনে বড় ধরণের উৎসব এবং র‌্যালি হয়। তৃতীয় দিন হলো ‘গোজ্যেপজ্যে’। এই দিনে মানুষ বন্ধুদের বাড়িতে বেড়াতে যায় এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করে।  এভাবে বিজু উৎসবের আনন্দ সবার সাথে ভাগ করে নেন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীরা। অসেকে বন্ধু-বান্ধবদের সবাইকে অগ্রীম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

আজ ১০ এপ্রিল শুক্রবার রাঙামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার বৌদ্ধ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংসদের উদ্যোগে এবং ঘাগড়া এলাকাবাসীদের সহযোগিতায় আদিবাসীদের সার্বজনীন ভাবে দিনব্যাপী ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হলো বৈসাবি উৎসব উপলক্ষে বৈসাবির শোভাযাত্রা। এ উপলক্ষে সকালে বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গন থেকে একটি শোভাযাত্র বের করে ঘাগড়া এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় বিদ্যালয় মাঠে এসে সমাপ্তি ঘটে। এ লক্ষে দিনব্যাপী পাহাড়িদের সামাজিক রীতিনীতিতে ঘিলা খেলা, দৌড়, রশি টানাটানি, বলি খেলা সহ নানাধরনের খেলা আয়োজন করা হয়। এরপর বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় শিল্পী ও অতিথি শিল্পীদের একটি নাচ, গানের ডিসপ্লে প্রদর্শনী করা হয়। পরে বৈসাবি শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের মাঝে বৈসাবির পাহাড়িদের পাজন পরিবেশন করা হয়। এবং বিকেলে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ এবং সন্ধ্যা থেকে রাতব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্টান আয়োজন করা হয়েছে।

সাজেকে বৈসাবি উপলক্ষে নৃগোষ্ঠীর মানুষের মাঝে সেনাবাহিনীর অর্থ সহায়তা

ভাড়া নিয়ে গড়িমসি, চালকের অবহেলায় প্রাণ গেল নবজাতকের

 

মোঃ আক্তার হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক:

রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার ৩৬নং সাজেক ইউনিয়নের সাজেক গঙ্গারাম এলাকায় বৈসাবি (বিজু) উৎসব উপলক্ষে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেছেন খাগড়াছড়ি রিজিয়নের বাঘাইহাট সেনা জোন।

আজ শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সাজেক ইউনিয়ন এর গঙ্গারাম মুখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে পাহাড়িদের বৈসাবি (বিজু) উৎসব উপলক্ষে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন বাঘাইহাট সেনা জোন। উক্ত অনুষ্ঠানে  উপস্থিত ছিলেন বাঘাইহাট জোনের সেনা কর্মকর্তা সহ অন্যান্য সেনা সদস্যরা। আরো উপস্থিত ছিলেন ৩৬নং সাজেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অতুলাল চাকমা, সাবেক চেয়ারম্যান নয়ন চাকমা, ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য  দয়াধন চাকমা, মহিলা মেম্বার সুমিতা চাকমা, কারবারি এসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা, কারবারি জ্যোতিলাল চাকমা। আহবায়ক বীজু উৎসব,গঙ্গারাম-বাবুধন চাকমা। এছাড়াও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, “বাঘাইহাট জোনের আওতাধীন সাজেক এলাকায় সকলে একত্রে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে বৈসাবি বিজু উৎসব  মর্যাদা ও গুরুত্ব তথা ভাব গম্ভীর্যের সাথে অনুধাবন করব। এখানে উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গ ও এলাকার সাধারণ জনগণ কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও সম্পন্ন করার জন্য আমরা সকলকে বিনীতভাবে অনুরোধ জানান। বাঘাইহাট জোন এ ধরনের কার্যক্রমে সর্বদা আপনাদের পাশে ছিল এবং থাকবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে আশা ব্যক্ত করেন।

×