রাঙ্গামাটিতে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে ৫ দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}
এম এস শ্রাবন মাহমুদ :
সোববার (৬ এপ্রিল) ২৬খ্রিঃ।রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও রাঙ্গামাটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের যৌথ আয়োজনে বাংলা নববর্ষ, বৈসাবি – ১৪৩৩ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
র্যালি’টি রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণ হতে শুরু হয়ে সদরস্থ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়ে বেলুন উড়ানোর মধ্যে দিয়ে ০৫ দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য ১২ থেকে ১৪ এপ্রিল মূল উৎসব ঘরোয়াভাবে পালিত হবে এবং মারমাদের ঐতিহ্যবাহী “জলকেলি” উৎসবের মাধ্যমে এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, কর্নেল মোহাম্মদ সাদাত বিন শহিদ, লেঃ কর্নেল একরামুল রাহাত, নাজমা আশরাফী, জেলা প্রশাসক, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা, মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম, পুলিশ সুপার, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা, সহ আরও উপস্থিত ছিলেন-ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক জীতেন চাকমা।
এসময় বক্তব্যকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ সরকারের লক্ষ্য হলো সমতল ও পাহাড়ের মধ্যে কোনো প্রকার বৈষম্য না রাখা এবং দেশকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে নেওয়া।

মন্ত্রী আরও বলেন, পাহাড় এবং সমতলে সমান উন্নয়নের মাধ্যমেই সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। সকলকে শান্তি-শৃঙ্খলার সাথে আনন্দঘন পরিবেশে এই উৎসব পালনের আহ্বান জানান।
অন্য দিকে পুলিশ সুপারের বক্তব্যে’তে বলেন
উৎসব- আনন্দ সকলের জন্য, ধর্ম-বর্ণ ও জাতিগোষ্ঠী নির্বিশেষে সবাইকে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে এই আনন্দ ভাগাভাগি করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সকলকে আইন মেনে চলা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পার্বত্য অঞ্চল গড়ে তোলা সম্ভব।
এতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।













