শিরোনাম:

বর্ণিল রিঃ লং পোয়েঃ আকাজা, পাইংজারা ও মঙংছুং প্রদর্শনী দেখে মুগ্ধ হলেন খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার 

বর্ণিল রিঃ লং পোয়েঃ আকাজা, পাইংজারা ও মঙংছুং প্রদর্শনী দেখে মুগ্ধ হলেন খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার 

 

মোঃ আক্তার হোসেন, খাগড়াছড়িঃ

মারমা জনগোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান ও ঐতিহ্যবাহী উৎসব সাংগ্রাই। উৎসব ঘিরে খাগড়াছড়ি শহরের টিটিসি মোড় এলাকায় মারমা সম্প্রদায়ের রিঃ লং পোয়েঃ আকাজা, পাইংজারা ও মঙংছুং প্রদর্শনী দেখলেন খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার।

আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে খাগড়াছড়ি শহরের টিটিসি মোড় এলাকায়  খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম ওবায়দুল হক উপভোগ করেছেন মারমা সম্প্রদায়ের রিঃ লং পোয়েঃ আকাজা, পাইংজারা ও মঙংছুং প্রদর্শনী।

সাংগ্রাই রিলং পোয়ে এর মাধ্যমে মারমা তরুণ-তরুণীরা একে অপরকে জল বা পানি ছিটিয়ে বন্ধুত্বের বার্তা দেয় এবং নিজেরা পবিত্র হয় বলে বিশ্বাস করে মারমা জনগোষ্ঠীর লোকজন।

মারমা উন্নায়ন সংসদের আয়োজনে ৫ দিনের উৎসবের গতকাল চতুর্থ দিনে জলকেলি উৎসবে মেতেছিলো মারমা’রা। নিজেদের ঐতিবাহী পোষাক, ধর্মীয় আচার, সামাজিক রীতিনীতি ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড প্রদর্শিত হয়, জলকেলি উৎসবে মধ্য দিয়ে।

এদিকে মারমা ঐক্য পরিষদের আয়োজনের মধ্যে দিয়ে শেষ হলো সাংগ্রাই উৎসব।

সাংগ্রাই শুধু একটি উৎসব নয়। মারমা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সামাজিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ, আনন্দ ও নতুন বছরের সামাজিক সহাবস্থান দৃঢ় করে তোলে বলেন।

খাগড়াছড়ি মানিকছড়িতে মাহা সংগ্রাই উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী বলি খেলা ; আরেশে মারমা চ্যাম্পিয়ন

বর্ণিল রিঃ লং পোয়েঃ আকাজা, পাইংজারা ও মঙংছুং প্রদর্শনী দেখে মুগ্ধ হলেন খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার 

মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি :

খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি যোগ্যাছোলায় পশ্চিম পাড়া মারমা যুব সমাজের উদ্যোগে মারমা সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব মাহা সাংগ্রাই উপলক্ষে আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী বলি খেলা ও মৈত্রী জলকেলি উৎসব, সুপেয় পানির দান, তৈলাক্ত বাঁশের উঠা, নারী-পুরুষে দড়ি টানা প্রতিযোগীতা জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতি বছর ন্যায় এই বছরও ঐতিহ্যবাহী বলি খেলা উপভোগ করতে হাজারো দর্শক উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই বলি খেলা প্রতিযোগিতায় খাগড়াছড়ি জেলা আরেশে মারমা চ্যাম্পিয়ন এবং ডেবলছড়ি মংথোয়াই মারমা রানার্সআপ হয়েছেন।

বলি খেলা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সদস্য সচিব মীর হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ জয়নাল আবেদীন, ডাঃ আলমাছ, যোগ্যাছোলা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মোঃ জামাল উদ্দিন সরকার, ডাঃ ইসমাইল হোসেন, উপজেলা মারমা ঐক্য পরিষদ সাংগঠনিক সম্পাদক থোয়াই অংগ্য মারমা, জেলা কমিটি মারমা যুব ঐক্য পরিষদ ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক চাইহ্লাপ্রু মারমা,

জেলা কমিটি সহ-সাধারণ সম্পাদকন ও উপজেলা কমিটি সহ-সভাপতি অংগ্য মারমা, ইউনিয়ন কমিটি সভাপতি অংশে মারমা, বিএনপি যুবদল, ছাত্রদল, মহিলাদল এবং মারমা ঐক্য পরিষদ অঙ্গ সহযোগী সংগঠন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ধর্মশিং চাকমা হত্যার প্রতিবাদ সাজেকে বিক্ষোভ

বর্ণিল রিঃ লং পোয়েঃ আকাজা, পাইংজারা ও মঙংছুং প্রদর্শনী দেখে মুগ্ধ হলেন খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার 

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

‎ কুদুকছড়িতে গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ধর্মশিং চাকমাকে গুলি করে হত্যা এবং দুই নারীকে গুলিবিদ্ধ করার ঘটনায় প্রতিবাদে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার উজোবাজার এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ৯টায় গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম বাঘাইছড়ি উপজেলা শাখার উদ্যোগে সাজেক ইউনিয়নের উজোবাজার এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করা হয়। মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বাঘাইছড়ি উপজেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক সমর চাকমার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের বাঘাইছড়ি উপজেলা সভাপতি জ্যোতি চাকমা, সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব বাবুধন চাকমা এবং গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের খাগড়াছড়ি জেলা সদস্য বীর চাকমা।

‎বক্তারা ধর্মশিং চাকমা হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সামাজিক উৎসব “বৈসাবি” উদযাপনের পরপরই এ ধরনের হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। তারা এ ঘটনাকে কাপুরুষোচিত উল্লেখ করে বলেন, কোনো বিবেকবান মানুষ এ ধরনের সহিংসতা মেনে নিতে পারে না।

‎তাদের অভিযোগ, সন্তু লারমার অনুসারী একদল সদস্য কুদুকছড়িতে ধর্মশিং চাকমার বাড়িতে হামলা চালায়। তিনি সরে যাওয়ার চেষ্টা করলেও হামলাকারীরা তাকে ধাওয়া করে গুলি করে হত্যা করে। এ সময় তাকে রক্ষা করতে গেলে তার বোন কৃপা সোনা চাকমা ও ভাগ্য শোভা চাকমাও গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।

‎সমাবেশ থেকে বক্তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামে সহিংসতার বিরুদ্ধে সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদ-প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

কাপ্তাইয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু অংশ নিচ্ছে ৩৩৫ শিক্ষার্থী

বর্ণিল রিঃ লং পোয়েঃ আকাজা, পাইংজারা ও মঙংছুং প্রদর্শনী দেখে মুগ্ধ হলেন খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার 

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি কাপ্তাই উপজেলায় আজ থেকে শুরু হয়েছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ১০টায় কাপ্তাই উপজেলা সদর বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে এই পরীক্ষা শুরু হয়। ​

উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবারের বৃত্তি পরীক্ষায় কাপ্তাই উপজেলার মোট ৬১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৩৫ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। প্রথম দিন শিক্ষার্থীরা গণিত পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। পরীক্ষা চলবে আগামী ২০ এপ্রিল পর্যন্ত। ​সারাদেশে গত ১৫ এপ্রিল থেকে এই পরীক্ষা শুরু হলেও পাহাড়ে বর্ষবরণ উৎসব (বৈসাবি) চলায় সময়সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে।

এ বিষয়ে কাপ্তাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ​”পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের প্রধান সামাজিক উৎসব ও বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের কারণে আমরা সাধারণ সূচির চেয়ে ২ দিন পিছিয়ে আজ থেকে পরীক্ষা শুরু করেছি। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি সন্তোষজনক এবং কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।” ​পরীক্ষার প্রথম দিন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন। পরিদর্শনকালে তিনি পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। ​

এ সময় তাঁর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন, ​সহকারী শিক্ষা অফিসার আঁখি তালুকদার। ​কেন্দ্র সচিব জগদীশ চন্দ্র দাশ, ​হল সুপার রতন চন্দ্র দাশ। ​তীব্র গরম উপেক্ষা করেও পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে শত শত অভিভাবককে তাঁদের সন্তানদের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়। সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

×