| ১১ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম:

বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে রুমা উপজেলার দুর্গম নিয়াংক্ষ্যং পাড়ায় সচেতনতামূলক “মা সমাবেশ”

বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে রুমা উপজেলার দুর্গম নিয়াংক্ষ্যং পাড়ায় সচেতনতামূলক “মা সমাবেশ”

 

রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের রুমা উপজেলার পাইন্দু ইউনিয়নের দুর্গম নিয়াংক্ষ্যং পাড়ায় ‘বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬’ উপলক্ষে ‘মা সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল ও তহ্জিংডং পরিচালিত ‘এক্সেস টু অ্যান্ড ইউটিলাইজেশন অব লাইফসেভিং সার্ভিসেস বাই মার্জিনালাইজড কমিউনিটিস ইন সিএইচটি ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের আয়োজনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

তহ্জিংডংয়ের উপজেলা কো-অর্ডিনেটর ইটেন ত্রিপুরার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে রিসোর্স পারসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. রুবেল মোস্তফা, অভিজিৎ তংচঙ্গ্যা (সাকমো) এবং পাইন্দু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উহ্লামং মার্মা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে প্রায় ৫০ জনের অধিক দুগ্ধদানকারী মা অংশগ্রহণ করেন।

“জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধপান,টেকসই উদ্যোগ করি বেগবান” এই স্লোগানকে সামনে রেখে আলোচনা বক্তব্যে ডা. রুবেল মোস্তফা শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে মায়ের বুকের দুধের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শিশুর জন্মের পর যত দ্রুত সম্ভব মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো শুরু করতে হবে। জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শিশুকে শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো এবং ছয় মাস পর প্রয়োজনীয় পরিপূরক খাবারের পাশাপাশি দুই বছর পর্যন্ত অবশ্যই মাতৃদুগ্ধ পান করানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এ সময় তিনি শিশুকে সঠিকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানোর পদ্ধতি, মায়ের সঙ্গে শিশুর সঠিক সংযোগ ও দুধ খাওয়ানোর বিভিন্ন কৌশল নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিরাও বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের তাৎপর্য, মায়ের দুধের পুষ্টিগুণ এবং শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে মাতৃদুগ্ধের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন। বক্তারা দুর্গম ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে মাতৃদুগ্ধ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এ ধরনের কর্মসূচি আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রুমায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন রক্ষাকারী সেবাসমূহে প্রবেশাধিকার ও ব্যবহার নিশ্চিতকরণ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে রুমা উপজেলার দুর্গম নিয়াংক্ষ্যং পাড়ায় সচেতনতামূলক “মা সমাবেশ”

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা প্রতিনিধি:

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন রক্ষাকারী সেবায় প্রবেশাধিকার ও ব্যবহার নিশ্চিতকরণ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে রুমা উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা তহ্জিংডংয়ের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিজা আক্তার বিথী।

সভায় বক্তারা, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাস্তবায়নকারী সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রকল্পের রুমা উপজেলা কো-অর্ডিনেটর ইটেন ত্রিপুরার সঞ্চালনায় সভায় প্রকল্পের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন জেলা MEAL কর্মকর্তা বোধিপ্রিয় তঞ্চঙ্গ্যা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও লিজা আক্তার বিথী বলেন, অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীল ও সচেতনভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে তীব্র অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত শনাক্ত করে হাসপাতালে প্রাতিষ্ঠানিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

সভায় রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. পাপিয়া দাস (এমডি), উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ.কে.এম ফরিদুল হক, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সৈয়দ সাকিবুল ইসলাম, রুমা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অংসিনু মার্মা, প্রেসক্লাব সভাপতি শৈহ্লাচি মার্মা, পাইন্দু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উহ্লামং মার্মা, গালেংগ্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেনরত ম্রো, রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিরা বমসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া ব্র্যাকের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার কাজী ফজলুল হক, গ্রীনহিলের ইউসি থুইনুমং, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, মহিলা বিষয়ক, সমাজসেবা ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের প্রতিনিধিরাও সভায় অংশ নেন। সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয় পর্যায়ের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতামত দেন। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

আয়োজকরা জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের স্বাবলম্বী করা এবং জীবিকার সুযোগ সম্প্রসারণ করা এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় জীবন রক্ষাকারী সেবার সঙ্গে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায়, এফআইভিডিবির কারিগরি সহায়তায় এবং তহ্জিংডংয়ের অংশীদারত্বে প্রকল্পটি বান্দরবান জেলার সাতটি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বিলাইছড়িতে জিপিএ ৫ পেয়েছে তানজিলা ; পাসের হার ৩২.৭৬ %

বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে রুমা উপজেলার দুর্গম নিয়াংক্ষ্যং পাড়ায় সচেতনতামূলক “মা সমাবেশ”

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

বিলাইছড়িতে এসএসসি পরীক্ষা – ২০২৬ ইং সনের জিপিএ-৫ পেয়েছে তানজিলা আহাম্মদ বৃষ্টি। তার জিপিএ পয়েন্ট ৫.০০। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার বিভীষণ চাকমা তিনি উপজেলা দাপ্তরিক গ্রুপে লিখিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানান।

এছাড়াও জিপিএ ৪ – পেয়েছে নয়ন জ্যোতি তঞ্চঙ্গ্যাসহ চার জন। তিনি আরও জানান উপজেলায় একটি কেন্দ্রে সবমিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ২৭৮ জন। পাস করেছে – ৯১ জন। ফেল করেছে – ১৮৭ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ৩২.৭৬ মাত্র। তার মধ্যে বিলাইছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থী – ১৮২ জন। পাস করেছে ৪৬ জন।পাসের হার ২৫.২৭ %।

অন্যদিকে ফারুয়া উচ্চ বিদ্যালয় হতে পরীক্ষা দিয়েছে ৯৬ জন, পাস করেছে ৪৫ জন পাসের হার ৪৬.৮৭%।  আরও জানা গেছে, বিলাইছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অধীনে হাজার মানিক উচ্চ বিদ্যালয় হতে পরীক্ষা দিয়েছে ২৩ জন, পাস করেছে ১২ জন। পাসের হার ৫২.১৭%।

অন্যদিকে দীলিপ তঞ্চঙ্গ্যা জানান, ফারুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অধীনে বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হতে পরীক্ষা দিয়েছে ১৭ জন পাস করেছে ১৩ জন। পাসের হার ৭৬.৪৭ %। আরও ফারুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অধীনে রাজগুরু উচ্চ বিদ্যালয় হতে ৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩ জনই অকৃতকার্য। তাহলে শুধু ফারুয়ায় ৭৬ পরীক্ষার্থী হলে, পাস করেছে ৩২, পাসের হার হবে ৪২% উপরে।

চট্টগ্রামে দলকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে রুমা উপজেলার দুর্গম নিয়াংক্ষ্যং পাড়ায় সচেতনতামূলক “মা সমাবেশ”

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার :

তৃণমূলে সংগঠন শক্তিশালী, নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব চট্টগ্রামে বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড আরও শক্তিশালী, গতিশীল ও সুসংগঠিত করার নির্দেশ দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করা, নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও বেগবান করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।

কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলা সফরের শেষ কর্মসূচি হিসেবে রবিবার (৯ আগস্ট)২৬ খ্রিঃ রাতে নগরীর রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ হোটেলের অডিটোরিয়ামে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক রুদ্ধদ্বার সাংগঠনিক সভায় তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

রাত সোয়া ৮টার দিকে শুরু হওয়া এ সভা চলে রাত ১০ঃ০০ টা পর্যন্ত। সভায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা অংশ নেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ।

দলীয় সূত্র জানায়, সভায় চট্টগ্রামের সামগ্রিক সাংগঠনিক পরিস্থিতি, মহানগর ও দুই জেলা বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, তৃণমূলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ভূমিকা এবং দলকে আরও সুসংগঠিত করার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়।

সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও মজবুত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রমকে সক্রিয় করার পাশাপাশি সাধারণ নেতাকর্মীদের সঙ্গে নেতৃত্বের যোগাযোগ আরও বাড়ানোর বিষয়ে তিনি দিকনির্দেশনা দেন।

দলীয় কর্মকাণ্ড যেন শুধু কেন্দ্রীয় বা মহানগর পর্যায়ে সীমাবদ্ধ না থাকে, সে বিষয়ে নেতাদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে সংগঠনকে জনগণের আরও কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির পাশাপাশি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর মধ্যে আরও কার্যকর সমন্বয়ের ওপর জোর দেন বিএনপি চেয়ারম্যান। সাংগঠনিক কার্যক্রমে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং নেতৃত্বের বিভিন্ন পর্যায়ের মধ্যে যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।

দলীয় সূত্রের ভাষ্য, সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখার বিষয়টিও সভায় গুরুত্ব পায়।

সভায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন সাংগঠনিক এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। কোথাও সংগঠনের কার্যক্রমে দুর্বলতা থাকলে তা চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। নেতাকর্মীদের নিজ নিজ সাংগঠনিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের পাশাপাশি দলের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সক্রিয় থাকার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে তৃণমূলের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের যোগাযোগ আরও কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি আলোচনায় আসে।

চট্টগ্রামে দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিয়েও নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন তারেক রহমান।
এসব সংগঠনকে আরও সক্রিয় ও সুসংগঠিত করার পাশাপাশি মূল দলের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

দলীয় সূত্র জানায়, সভায় চট্টগ্রামকে বিএনপির সাংগঠনিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে বিবেচনা করে ভবিষ্যৎ কার্যক্রম আরও পরিকল্পিতভাবে পরিচালনার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

এর আগে দিনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে রোববার চট্টগ্রামে আসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিকেলে হেলিকপ্টারে বাঁশখালী থেকে ফটিকছড়িতে পৌঁছান তিনি।
সেখানে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসায় হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
পরে হাটহাজারীতে হেফাজতে ইসলামের সাবেক আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করেন তিনি।
হাটহাজারী কলেজ মাঠে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন উপলক্ষে আয়োজিত ‘গৃহ হস্তান্তর, অনুদান ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।

সেখানে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অর্থনীতি, বিনিয়োগ, বিদ্যুৎ ও গ্যাস ব্যবস্থাপনা এবং বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দেন তিনি।

দিনের শেষ কর্মসূচি হিসেবে চট্টগ্রামের দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার সাংগঠনিক সভায় অংশ নেন বিএনপি চেয়ারম্যান।

রাত ১০টা ২০ মিনিটের সময় নগরীর রেডিসন ব্লু থেকে তিনি শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন। পরে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ঢাকার পথে যাত্রা করেন।

রাত সোয়া ১১টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তিনি গুলশানের বাসভবনে ফেরেন বলে জানা যায়।

চট্টগ্রাম সফরের শেষ মুহূর্তের এই সাংগঠনিক সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মূল বার্তা ছিল-দলকে আরও শক্তিশালী, গতিশীল ও তৃণমূলমুখী করে সাংগঠনিক সক্ষমতা বাড়ানো এবং নেতাকর্মীদের পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও বেগবান করা।

×