| ২০ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

পাহাড়ে থাই আপেল কুল–বরই : কৃষকদের নতুন আশার আলো

পাহাড়ে থাই আপেল কুল–বরই : কৃষকদের নতুন আশার আলো

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা প্রতিনিধিঃ

কনকনে ঠান্ডা উপেক্ষা করে সাতসকালেই গ্রামের বাজার শেটে ফলের আড়তে বেচাকেনা জমে ওঠেছে। বর্তমানে এই ফলের আড়তে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে থাই আপেল কুল বরই নামে। চাহিদা যেমন, দামও বেশ চড়া। সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে থাই আপেল কুল নামে বরই। এরপর রয়েছে বল সুন্দরী বরই, নারকেলি বরই, এছাড়া আপেল কুল, টক বরই ইত্যাদি।
পাহাড়ি অঞ্চলের উর্বর লালমাটিতে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে থাই আপেল কুল বরই চাষ। চাষাবাদের কম খরচ, সহজ পরিচর্যা এবং বাজারে চাহিদা বেশি হওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের মতে এটি এখন পাহাড়ের অন্যতম লাভজনক ফল। বান্দরবানের রুমা, থানচি, লামা ও সদর এলাকার বিভিন্ন পাহাড়ি ঢালে ইতোমধ্যে থাই আপেল কুলের বাগান গড়ে উঠেছে।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকাল ১০টায় সরেজমিনে দেখা যায়, বান্দরবানের সদর উপজেলা থানছি রোড সংলগ্ন চিম্বুক এলাকার রামরী পাড়া, ১নং ওয়ার্ড, ৭নং টংকাবতী-কারবারি মেনরুম ম্রো (৬৫) জানান, একসময় তিনি দেশি আপেল কুল বরই চাষ করে ভালো ফল ও দাম পেতেন। কিন্তু বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন জাতের বরই আসায় আপেল কুলের চাহিদা কমে গেছে। তিনি বলেন, আপেল কুল দেরিতে ফলে—ডিসেম্বরে ফলন পাওয়া যায়। তাই দাম ধরে না। এখন থাই আপেল কুল বরই বেশি লাভজনক, কারণ আগাম ফল পাওয়া যায়।

তিনি বলেছেন, বর্তমানে থাই আপেল কুলের পাইকারি দর কেজিপ্রতি প্রায় ১৫০ টাকা। মণ হিসেবে বিক্রি হচ্ছে ৫–৬ হাজার টাকায়। আগাম ফলন ও ভালো দাম পাওয়ায় তিনি আগামী বছর থাই আপেল কুল–বরইয়ের চারা সংগ্রহ করে বড় পরিসরে চাষ করার উদ্যোগ নিয়েছেন।

কৃষক ক্রাতওয়াই ম্রো বলেন, ১/২ বছর আগে আমি ১৫০টি গাছ লাগিয়েছিলাম। মারা গেছে ১০টি, এখন রয়েছে ১৪০টি গাছ। এই মৌসুমে ৯০ কেজি ফল বিক্রি করেছি, কেজি ১৫০ টাকা দরে। দাম ভালো, তাই খুব খুশি। তিনি জানান, আগামী বছরে আরও বেশি চারা রোপণ করবেন, কারণ থাই আপেল কুল আগাম ফলে এবং বাজারে তখন দাম কড়া থাকে।

আরেক স্থানীয় কৃষক রেইংচ্যং ম্রো জানান, অন্যান্য বরই তুলনায় থাই আপেল কুল বরই এখন সবচেয়ে লাভজনক মনে হচ্ছে। বড় আকার, আকর্ষণীয় রং আর মিষ্টি স্বাদের কারণে বাজারে দামও বেশি পাওয়া যায়। পাহাড়ে এই চাষ এখন অনেকের জীবিকার ভরসা। যারা চাষ করেছেন তারা সবাই ভালো দাম পেয়েছেন। আমিও আগামী বছর গাছ লাগানোর পরিকল্পনা করছি।

সদর এলাকার পাইকারী মো.রহিম বলেন, থাই আপেল কুল প্রথম ফল হিসেবে বাজারে আসার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতাদের আগ্রহ বেড়ে যায়। দেশি বরই, আপেল কুল বরই, বল সুন্দরী বরই, নারকেলি বরই ইত্যাদি আসার আগে বাজারে এই ফলের ঘাটতি থাকে, তাই পাইকারীরা উচ্চ দামে কিনতে বাধ্য হন। ফলে কৃষকেরা লাভবান হন। তবে ১০/১২ দিন পর কিছুটা দাম কমে যেতে পারে বলে তিনি জানান।

বান্দরবান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অতিরিক্ত উপপরিচালক তৌফিক আহমেদ নূর জানান, পাহাড়ি এলাকায় থাই আপেল কুল–বরই চাষ দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আগাম ফলন, কম রোগবালাই ও উচ্চ বাজারমূল্য এ চাষের বড় সুবিধা। তিনি বলেন, কৃষকরা সঠিক পরিচর্যা বজায় রাখলে আগামীতে এটি পাহাড়ের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখবে। বর্তমানে থাই আপেল কুল–বরই চড়া দামের পাওয়াতে কৃষকদের সাধুবাদ জানিয়েছেন তিনি।

থাই আপেল কুল–বরই এখন বান্দরবানের পাহাড়ি এলাকায় কৃষকের নতুন ভরসা। আগাম ফলন, স্থিতিশীল বাজার ও ভালো মুনাফার কারণে আগামী মৌসুমে এ চাষ আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় কৃষক ও কৃষি বিভাগ।

ড্রাগন ফলের দাম কম ; হতাশ বান্দরবানের চাষিরা

পাহাড়ে থাই আপেল কুল–বরই : কৃষকদের নতুন আশার আলো

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা :

পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং স্বাস্থ্যসম্মত ফল হিসেবে পরিচিত ড্রাগন ফল (পিটায়া) একসময় বান্দরবানের কৃষকদের কাছে ছিল সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত। উচ্চ বাজারমূল্যের কারণে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ব্যাপকভাবে ড্রাগন চাষ সম্প্রসারিত হয়েছিল। তবে বর্তমানে বাজারে দাম কমে যাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন চাষিরা।

বান্দরবান সদর, রোয়াংছড়ি, রুমা, থানচি, লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় কমবেশি ড্রাগন ফলের চাষ হয়ে থাকে। স্থানীয় কৃষকদের মতে, পাঁচ থেকে ছয় বছর আগে প্রতি কেজি ড্রাগন ফল ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হতো। সে সময় অনেক কৃষক ড্রাগন চাষে ঝুঁকে পড়েন এবং এটিকে ভাগ্য পরিবর্তনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে দেখতেন। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে চাষের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে বর্তমানে প্রতি কেজি ড্রাগন ফল মাত্র ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। উৎপাদন খরচের তুলনায় এ মূল্য অনেক কম হওয়ায় কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

বান্দরবানে চিম্বুকের এক ড্রাগন চাষি বলেন, ড্রাগন চাষ করতে খুঁটি স্থাপন, সেচ, সার ও পরিচর্যায় প্রচুর টাকা ব্যয় হয়। কিন্তু এখন বাজারে যে দাম পাওয়া যাচ্ছে, তাতে উৎপাদন খরচই উঠে আসে না।

রুমা থেকে আরেক কৃষক জানান, আগে ড্রাগন চাষ লাভজনক ছিল। এখন দাম কমে যাওয়ায় নতুন করে বাগান করতে আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেকেই। এ অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে ড্রাগন চাষ কমে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ড্রাগন ফল শুধু সুস্বাদুই নয়, এটি অত্যন্ত পুষ্টিকরও। এতে রয়েছে ভিটামিন-সি, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, খাদ্য-আঁশ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। নিয়মিত ড্রাগন ফল খেলে হজমশক্তি বৃদ্ধি পায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, রক্তশূন্যতা দূর হয় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

কৃষকদের দাবি, ড্রাগন ফলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে সরকারি উদ্যোগ, সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং নতুন বাজার সৃষ্টি করা প্রয়োজন। তা না হলে পাহাড়ে সম্ভাবনাময় এ ফলের চাষ ধীরে ধীরে কমে যেতে পারে।

স্থানীয় কৃষকদের আশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে এবং ড্রাগন চাষিদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।

আলীকদমে শিক্ষা ও উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সঙ্গে রিজিয়ন কমান্ডারের মতবিনিময়

পাহাড়ে থাই আপেল কুল–বরই : কৃষকদের নতুন আশার আলো


‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা,
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎বান্দরবানের আলীকদমে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন বান্দরবান রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম।

‎ শনিবার (২০ জুন) আলীকদমের মুরুং কমপ্লেক্সে আয়োজিত এ সভায় পার্বত্য এলাকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন এবং মুরুং কমপ্লেক্সের কার্যক্রম সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়।

‎সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন আলীকদম জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আশিকুর রহমান আশিক এবং আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনজুরুল আলম।

‎এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

‎সভায় জানানো হয়, বর্তমানে মুরুং কমপ্লেক্সের ছাত্রাবাসে ১২৪ জন শিক্ষার্থী অবস্থান করছে। ভবিষ্যতে আরও বেশি শিক্ষার্থীকে আবাসনের সুযোগ দিতে ছাত্রাবাসের ধারণক্ষমতা ২০০ থেকে ২৫০ জনে উন্নীত করার প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন রিজিয়ন কমান্ডার।

‎এছাড়া শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত দুইজন শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হলে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সভায় কুরুকপাতা ইউনিয়নে নতুন একটি মুরুং কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও উত্থাপিত হয়। সম্ভাব্যতা যাচাই সাপেক্ষে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।

‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন,“শিক্ষাই পার্বত্য অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রধান ভিত্তি। মুরুং জনগোষ্ঠীর শিক্ষার প্রসার এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতেও সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।”

‎সভায় বক্তারা মুরুং জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, সামাজিক অগ্রগতি ও জীবনমান উন্নয়নে মুরুং কমপ্লেক্সের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং এর অবকাঠামোগত ও প্রশাসনিক সক্ষমতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

‎বক্তারা বলেন, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষা বিস্তার, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের মাধ্যমে আলীকদম জোন দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। মুরুং কমপ্লেক্স সেই ধারাবাহিক উদ্যোগের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষে সফলতা অর্জন রামগড় কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের

পাহাড়ে থাই আপেল কুল–বরই : কৃষকদের নতুন আশার আলো

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড়ে পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষে সফলতা অর্জন করেছে পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র। দীর্ঘ গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এ সাফল্য অর্জিত হওয়ায় পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

জানা গেছে, রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এমদাদুল হকের নেতৃত্বে কয়েক বছর ধরে পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষ নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। শুরুতে বিষয়টি গবেষকদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। কারণ পাহাড়ি অঞ্চলের মাটি, আবহাওয়া ও পরিবেশ সমতল এলাকার তুলনায় ভিন্ন হওয়ায় এ ফলের চাষ উপযোগী করা সহজ ছিল না। তবে নিরলস গবেষণা, উন্নত পরিচর্যা পদ্ধতি ও উপযোগী জাত নির্বাচন করে গবেষকরা ধীরে ধীরে সফলতা অর্জন করেন। বর্তমানে গবেষণা কেন্দ্রের পরীক্ষামূলক বাগানে উৎপাদিত আলুবোখারা গাছে ভালো ফলন দেখা যাচ্ছে, যা স্থানীয় কৃষকদের মাঝেও ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

কৃষি গবেষণা কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, পাহাড়ি এলাকায় প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি নতুন ও লাভজনক ফল চাষ সম্প্রসারণে কাজ করছে গবেষণা কেন্দ্র। আলুবোখারা চাষ সফল হওয়ায় পাহাড়ি কৃষকদের জন্য এটি একটি সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এমদাদুল হক বলেন, “পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা (বারি ১) চাষ একসময় বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। দীর্ঘ গবেষণা ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা সফলতা পেয়েছি। এখন পাহাড়ি এলাকার কৃষকরাও এ ফল চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।” তিনি আরও বলেন, বাণিজ্যিকভাবে আলুবোখারা চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকদের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় বহুমুখী ফল চাষের সম্ভাবনাও আরও বিস্তৃত হবে।

×