শিরোনাম:

কাপ্তাইয়ে টাকার অভাবে নিভতে চলেছে ১৮ মাসের মেশিংওয়াং- এর জীবন প্রদীপ” বাঁচতে চায় এক নিষ্পাপ শিশু

কাপ্তাইয়ে টাকার অভাবে নিভতে চলেছে ১৮ মাসের মেশিংওয়াং- এর জীবন প্রদীপ” বাঁচতে চায় এক নিষ্পাপ শিশু

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটি কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগ্গা ইউনিয়নের কুকিমারার এক দম্পতির ঘরে জন্ম নেওয়া ১৮ মাস বয়সী শিশু মেশিংওয়াং মারমা আজ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। জন্মের পর থেকেই হার্টের জটিল রোগে আক্রান্ত এই শিশুটির চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৪ লক্ষ টাকা, যা তার দরিদ্র পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

​পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ থেকে ১৮ মাস আগে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে সিজারের মাধ্যমে জন্মগ্রহণ করে মেশিংওয়াং মারমা তার বাবা থুইসাচিং মারমা এবং মা চিংওয়াংউ মারমা। জন্মের পর থেকেই শিশুটির শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে চট্টগ্রাম মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. জান্নাতুল ফেরদৌসের অধীনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় তার হৃদরোগ (Heart Disease) ধরা পড়ে এবং চিকিৎসক জরুরি ভিত্তিতে তাকে ঢাকায় নিয়ে অপারেশন করার পরামর্শ দেন। তারপরেও আরেকবার

গত ৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে চট্টগ্রাম এপোলো ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। গত ২২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকা বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়য়ে (বিএসএমএমইউ) হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. তারিকুল ইসলামের অধীনে তাকে দেখানো হয়। চিকিৎসকদের মতে, শিশুটির হার্টে অপারেশন ছাড়া আর কোনো বিকল্প পথ নেই এবং এটি দ্রুত সম্পন্ন করা প্রয়োজন।

অপারেশন ও আনুষঙ্গিক ওষুধপত্রসহ চিকিৎসার জন্য প্রায় ৪ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু মেশিংওয়াং-এর বাবার পক্ষে এতো বিপুল অংকের টাকা সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। নিজের সন্তানকে বাঁচাতে আজ সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন অসহায় বাবা-মা।
​মেশিংওয়াং-এর বাবা থুইসাচিং মারমা বলেন,
​”আমার ছোট্ট সন্তানটি ঠিকমতো শ্বাস নিতে পারছে না। ডাক্তার বলেছেন দ্রুত অপারেশন না করলে তাকে বাঁচানো কঠিন হবে। আমাদের যা ছিল সব দিয়ে এ পর্যন্ত চিকিৎসা চালিয়েছি। এখন অপারেশন করার মতো সামর্থ্য আমার নেই। আপনাদের সহযোগিতাই পারে আমার সন্তানকে নতুন জীবন দিতে।”

একটি নিষ্পাপ শিশুকে অকাল মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে তার পরিবার। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা ও মাধ্যম:

​বিকাশ নাম্বার: 01811010997
যোগাযোগ:রুগীর বাবার থুইসাচিং মারমা 01811010997

ঠিকানা: গ্রাম: কাপ্তাই ওয়াগ্গা কুকিমারা, একটি ছোট্ট সোনামণিকে বাঁচাতে আপনার বাড়ানো একটি হাত হতে পারে তার আগামীর সুন্দর জীবনের ভরসা।

রামগড়ে ঈদ উপলক্ষে ৭৩৯০ জন হতদরিদ্র পরিবার পাচ্ছে ১০ কেজি করে ভিজিএফ চাল

কাপ্তাইয়ে টাকার অভাবে নিভতে চলেছে ১৮ মাসের মেশিংওয়াং- এর জীবন প্রদীপ” বাঁচতে চায় এক নিষ্পাপ শিশু

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলায় পবিত্র ঈদ উপলক্ষে সরকারের বিশেষ মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কর্মসূচির চাল বিতরণ করা হচ্ছে। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে উপজেলার দুইটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ৭৩৯০টি হতদরিদ্র পরিবার এই সুবিধা পাচ্ছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস এম এ করিম জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ঈদকে সামনে রেখে ভিজিএফ চাল বিতরণের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আগামীকাল (১২ মার্চ) বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে উপজেলার দুই ইউনিয়ন ও পৌরসভা এলাকায় একযোগে এই চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে।”

তিনি আরও বলেন, তালিকাভুক্ত প্রকৃত হতদরিদ্র পরিবারগুলোর মাঝে স্বচ্ছতার সঙ্গে এই চাল বিতরণ নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন।

উল্লেখ্য, Vulnerable Group Feeding (VGF) কর্মসূচি বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক নিরাপত্তামূলক মানবিক সহায়তা কর্মসূচি। এই কর্মসূচির আওতায় দুর্যোগকবলিত, দুস্থ ও চরম দরিদ্র পরিবারগুলোর মাঝে বিনামূল্যে খাদ্যশস্য—সাধারণত চাল—বিতরণ করা হয়। বিশেষ করে ঈদ, পূজা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে এই সহায়তা প্রদান করা হয়, যাতে অসহায় মানুষদের খাদ্য সংকট কিছুটা লাঘব হয়।

বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সমন্বয় সভা

কাপ্তাইয়ে টাকার অভাবে নিভতে চলেছে ১৮ মাসের মেশিংওয়াং- এর জীবন প্রদীপ” বাঁচতে চায় এক নিষ্পাপ শিশু

 

উচ্চপ্রু মারমা, রাজস্থলী (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ, নারী অধিকার রক্ষা এবং সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলা ৩নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১১ মার্চ) বাঙ্গালহলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মিশন হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ প্রবীর খিয়াং এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিজয় মারমা। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সিথি চাকমা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিথি চাকমা বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা একটি গুরুতর সামাজিক সমস্যা। এ সমস্যা প্রতিরোধে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়, বরং পরিবার, সমাজ এবং স্থানীয় নেতৃত্বের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। তিনি নারীদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি যেকোনো ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

ডাঃ প্রবীর খিয়াং বলেন, একটি উন্নত ও মানবিক সমাজ গঠনে নারীর মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে এবং সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে হবে। তিনি এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ৩নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আদোমং মারমা, হেডম্যান ক্যশৈথুই মারমা , রাজস্থলী প্রেসক্লাব সভাপতি,আজগর আলী খান, যুগ্ম সম্পাদক, উচ্চপ্রু মারমা,মাসাং মারমা,ওয়াংসুইনু মারমা,ক্রয় মা মারমাসহ  স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

সভায় বক্তারা বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সামাজিক বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে এবং নারীদের প্রতি সম্মান ও সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানের শেষে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

লামায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন

কাপ্তাইয়ে টাকার অভাবে নিভতে চলেছে ১৮ মাসের মেশিংওয়াং- এর জীবন প্রদীপ” বাঁচতে চায় এক নিষ্পাপ শিশু

 

সিএইচটি বার্তা ডেস্ক :

নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে পরিবারের জীবনমানের সার্বিক উন্নয়নে বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার “ফ্যামিলি কার্ড”এখন আর স্বপ্ন নয়, বরং বাস্তবতা।

এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে বান্দরবানের লামা উপজেলা পরিষদ হলরুমে ফ্যামিলি কার্ডের পাইলটিং পর্যায়ের বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন দীপন দেওয়ান মন্ত্রী পার্বত্য বিষয় মন্ত্রণালয়।

উদ্বোধনী বক্তব্যে’তে প্রধান অতিথি দীপেন দেওয়ান
বলেন, “পারিবারিক জীবনমান নিশ্চিত করতে এবং নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে এই ফ্যামিলি কার্ড একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ের পরিবারগুলো সরাসরি সরকারি সুবিধার আওতায় আসবে, যা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান ৩০০ নং আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) সাচিং প্রু জেরী।

তিনি তার বক্তব্যে’তে বলেন, লামা উপজেলার প্রতিটি যোগ্য পরিবার যাতে এই সুবিধা আওতায় আসে, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।

নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হলে পুরো সমাজের চিত্র বদলে যাবে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই বিতরণ অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং উপকারভোগী সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

পাইলটিং পর্যায়ের এই কার্যক্রম সফল হলে পর্যায়ক্রমে উপজেলার সকল ইউনিয়নে এই কার্ড বিতরণ নিশ্চিত করা হবে।

×