| ১১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম:
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬, ১:০৯ পিএম
104 বার পড়া হয়েছে

কুহালং ইউনিয়ন পরিষদের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের উন্মুক্ত বাজেট সভা অনুষ্ঠিত।

কুহালং ইউনিয়ন পরিষদের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের উন্মুক্ত বাজেট সভা অনুষ্ঠিত।

বান্দরবান প্রতিনিধি:

বান্দরবান সদর উপজেলার কুহালং ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্মুক্ত বাজেট সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ মে) কুহালং ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন কুহালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মংপু মারমা। সভা পরিচালনা করেন ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা উচচপ্রু মারমা।

সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ইউপি সদস্য ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাসিং মং মার্মা, হ্লাজাই প্রু মার্মা, উ নাইচিং মার্মা (মহিলা সদস্য), মোঃ আবুল কালাম, অংসাহ্লা মার্মা, উম্মে ইসলাত জাহান শিম্পা, ৯নং ওয়ার্ডের সদস্য মংক্যচিং মার্মা এবং ১নং ওয়ার্ডের সদস্য চাই উগ্য মার্মাসহ বিভিন্ন সরকারি -বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা।

বাজেট সভায় ইউনিয়নের সম্ভাব্য আয়-ব্যয়, বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং জনসেবামূলক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বক্তারা অংশগ্রহণমূলক বাজেট প্রণয়নের উপর গুরুত্বারোপ করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের মতামতের ভিত্তিতে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তারা।

আয়োজক সূত্র জানায়, জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে ইউনিয়নের উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যেই এ উন্মুক্ত বাজেট সভার আয়োজন করা হয়েছে।

কাপ্তাই হ্রদে পানির স্তর বৃদ্ধি: তিন মাস পর পূর্ণ সক্ষমতায় ৫ ইউনিট

কুহালং ইউনিয়ন পরিষদের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের উন্মুক্ত বাজেট সভা অনুষ্ঠিত।

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​টানা অতিবর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটই একযোগে সচল হয়েছে। দীর্ঘ তিন মাস পর কেন্দ্রের সবকটি ইউনিট চালু হওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়ে ১৭৯ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে।

​শুক্রবার (১০ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান।

প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, বর্তমানে কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটে মোট ১৭৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। এর মধ্যে ১ নম্বর ইউনিট থেকে ৪২ মেগাওয়াট, ২ নম্বর থেকে ৪২ মেগাওয়াট, ৩ নম্বর থেকে ৩৫ মেগাওয়াট, ৪ নম্বর থেকে ৩০ মেগাওয়াট এবং ৫ নম্বর ইউনিট থেকে ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে।

​তিনি আরও বলেন, “চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে হ্রদে পানি স্বল্পতার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছিল। দীর্ঘ সময় ধরে ইউনিটগুলো একযোগে চালু রাখা সম্ভব হয়নি। এমনকি বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ নেমে ৯৬ মেগাওয়াটে ঠেকেছিল। তবে সাম্প্রতিক টানা বর্ষণে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।”

বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, কাপ্তাই হ্রদের বর্তমান পানির স্তর ৮৫ দশমিক ৪৪ ফুট (মীন সী লেভেল বা এমএসএল)। যেখানে রুলকার্ভ অনুযায়ী এই সময়ে ৯০ দশমিক ৩১ ফুট এমএসএল পানি থাকার কথা ছিল। হ্রদের সর্বোচ্চ পানি ধারণ ক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল।

​উল্লেখ্য, ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে এবং হ্রদে পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পেলে উৎপাদন আরও বাড়ার আশা করছেন কর্তৃপক্ষ। সাধারণত হ্রদে পর্যাপ্ত পানি থাকলে কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট পূর্ণ ক্ষমতায় চালু রেখে ২৪২ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হয়।

​(ছবির ক্যাপশন: কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র)

পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে আলীকদমে বিপর্যস্ত জনজীবন ‎

কুহালং ইউনিয়ন পরিষদের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের উন্মুক্ত বাজেট সভা অনুষ্ঠিত।

 

সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা,
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

‎টানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার নিম্নাঞ্চলের অন্তত ৩০টি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও ঘরের চাল পর্যন্ত পানি ওঠায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও সবজি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি নিম্নআয়ের মানুষের জীবিকা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

‎উপজেলা পরিষদ থেকে প্রায় ১০০ ফুট দূরে আলীমুদ্দিন পাড়ার প্রায় ১৫টি পরিবার টানা তিন দিন ধরে পানিবন্দি রয়েছে। ঝিরির পাশে অবস্থিত হওয়ায় প্রতিবছরই এ এলাকায় পানি ওঠে। তবে কয়েক দিনের টানা বর্ষণে এবার পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, আলীমুদ্দিন পাড়াসহ আশপাশের এলাকায় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ পানি জমেছে।

‎এ ছাড়া চৈক্ষ্যং ফুটের ঝিড়ি, শিবাতলী, রোয়াম্ভু, সূর্যমনি কারবারী পাড়া, আবু মেম্বার পাড়াসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। ঘরবাড়ি ও দোকানে পানি ঢুকে আসবাবপত্র নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি কৃষিজমির সবজি ও অন্যান্য ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

‎ফুটের ঝিড়ি এলাকার বাসিন্দা মো. করিম জানান, নদীতীরবর্তী হওয়ায় তাদের এলাকা সবার আগে প্লাবিত হয়। সোমবার থেকে পানি বাড়তে শুরু করে এবং বৃষ্টির তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পানির উচ্চতাও বৃদ্ধি পায়। বৃহস্পতিবার সকালে পানি কিছুটা কমলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবারও এলাকা প্লাবিত হয়।

‎তিনি বলেন, “প্রতিবারই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হই। একটু ঘুরে দাঁড়াতেই আবার ঘর আর ফসল ডুবে গেল। গতকাল সারাদিন কিছু খেতে পারিনি। রাতে উপজেলা প্রশাসন যে খাবার দিয়েছে, সেটাই খেয়েছি। এখন ঘরে কিছুই নেই। আল্লাহ জানেন কীভাবে দিন কাটবে।”



‎স্থানীয়দের দাবি, গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের কারণে এবার আলীকদমে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। নয়াপাড়া, আব্বাস কারবারী পাড়া, রোয়াম্ভু, খুইল্লা মিয়া পাড়া, বুলু কারবারী পাড়া, মোস্তাক পাড়া, সদর হিন্দুপাড়া, বাজার মার্মা পাড়া, পশ্চিম বাজারপাড়া, সাবের মিয়া পাড়া, থানাপাড়া, আলীমুদ্দিন পাড়া, নাছির মাস্টার পাড়া, ইছাক কারবারী পাড়া, ওবাইদুল হাকিম পাড়া, মংচিং হেডম্যান পাড়া, আমতলী লংঘাট, ফুটের ঝিড়ি, বটতলী পাড়া, চাহ্লাপ্রু পাড়া, থোয়াইচিং হেডম্যান পাড়া, শিবাতলী ও রেপার পাড়াসহ অন্তত ৩০টি এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

‎বৃহস্পতিবার বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা পৃথকভাবে পরিদর্শন করেন আলীকদম জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনজুর আলম। এ সময় তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে তাৎক্ষণিক খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনজুর আলম বলেন, “ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। কারও ঘরবাড়ি, আবার কারও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।”

এ্যাড. দীপেন দেওয়ানের নির্দেশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে উপজেলা বিএনপি

কুহালং ইউনিয়ন পরিষদের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের উন্মুক্ত বাজেট সভা অনুষ্ঠিত।

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির ২৯৯নং আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. দীপেন দেওয়ানের নির্দেশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে বিলাইছড়ি উপজেলা বিএনপি।

বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার (৯ – ১০ জুলাই) ২ দিনব্যাপী দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়নে স্রোতের প্রতিকূলে জীবন বাজি রেখে বৈরী আবহাওয়া ও প্রবল বৃষ্টিপাতে পাহাড়ি ঢলে পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্থদের  খোঁজ – খবর নেন।

সুবিধা-অসুবিধা কথা জানেন এবং ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা তৈরি করেন। পরে ইউনিয়ন পরিষদের সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা বিষয়ে সমন্বয় করেন। এতে চিজাই পাড়া, চাইন্দ্যা পাড়া, তক্তনালা, ওড়াছড়ি, গোয়াইন ছড়ি, ফারুয়া বাজার, তাড়াছড়ি, এগুজ্যাছড়ি, যমুনা ছড়ি, শুক্কর ছড়ি, পানছড়ি, আলেখ্যং, গোয়াইনছড়ি এলাকার জনগণের খোঁজ-খবর নেন।  খোঁজ নিতে ছুটে যান বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. বারেক খাঁ, সহ-সভাপতি ইমাম হাসান সিকদার ও চাথোয়াই রোয়াজা, যুগ্ন সম্পাদক জয়সিন্ধু চাকমা, সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ধনমনি চাকমা, সেচ্ছাসেবক  দলের সভাপতি মোঃ মামুন ইসলাম।

উল্লেখ্য যে, মরহুম রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মরহুম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ধরে রাখতে এবং প্রধান মন্ত্রীর তারেক রহমান সরকারের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করার লক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে রয়েছেন বলে জানা যায়।

×